প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চরফ্যাশনের এক অসহায় জমি বিক্রেতার বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। জমি বিক্রির ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে ৩৭ হাজার ৫০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ফখর উদ্দিন নামের এক দলিল লেখকের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার চরফ্যাশন থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন জমি বিক্রেতা চরফ্যাশন উপজেলার হালিমাবাদ গ্রামের মো. আঃ হালিম, যিনি মনির নামেও পরিচিত।
বাদী সূত্রে জানা যায়, হালিম তার মায়ের নামীয় ১৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ জমি দুলাল নামের এক ব্যক্তির কাছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫শত টাকায় বিক্রি করেন। দলিল লেখক ফখর উদ্দিন লাইসেন্স সনদ নম্বর ২২৮৯/৫৭ এর মাধ্যমে এ দলিল সম্পাদন করেন। জমি ক্রেতা দুলাল দলিল লেখক ফখর উদ্দিনের কাছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫শত টাকা বুঝিয়ে দেন। অভিযোগে হালিম বলেন, দলিল লেখক জমির পুরো টাকা না দিয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা প্রদান করেন। বাকি ৩৭ হাজার ৫শত টাকা চাইলে ফখর উদ্দিন জানান যে, ৭ হাজার টাকা ‘পাওয়ার দলিলের’ খরচ হয়েছে এবং ৩০ হাজার ৫শত টাকা চরফ্যাশন সদর সাব রেজিষ্টারকে দিয়েছেন।
এদিকে, চরফ্যাশনের সাব রেজিষ্টার মো. কাওছার খান বলেন, ‘পাওয়ার দলিলের’ সরকারি খরচ মাত্র ৯২০ টাকা। তিনি বলেন, “৩০ হাজার ৫শত টাকা এবং ‘পাওয়ার দলিলের’ খরচ বাবদ ৭ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।” তিনি আরও জানান, জমি বিক্রেতার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে এবং দোষী প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দলিল লেখক ফখর উদ্দিন সংবাদকর্মীদের জানিয়েছেন, ‘পাওয়ার দলিল’ খরচ বাবদ চরফ্যাশন এবং মনুপুরা সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে ১৭ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। তিনি দাবি করেন, বাকী টাকা তার লেখনি খরচ বাবদ রাখা হয়েছে। তবে সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে খরচের স্বপক্ষে কোনো রশিদ দেখাতে পারেননি। তিনি বলেন, এসবের রশিদ দেওয়া হয় না এবং আন অফিসিয়াল কার্যক্রম হয়। অসহায় মানুষের টাকা আত্মসাতের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকেই। চরফ্যাশন থানার অফিসার ইনচার্জ মাহমুদ আল ফরিদ ভূইয়া জানান, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছেন এবং তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন