মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:২৪ পি.এম
জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শুরু হয়ে গেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশ্বনেতাদের সাধারণ বিতর্কে অংশগ্রহণ করছেন, আর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। মঙ্গলবার সাধারণ পরিষদের মূল অধিবেশন শুরু হয় জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের শেষ সাধারণ পরিষদ ভাষণের মাধ্যমে।
গুতেরেস তার শেষ ভাষণে বিশ্বজুড়ে চলমান যুদ্ধ, জলবায়ু পরিবর্তন, প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তন এবং আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার সংকট নিয়ে সতর্কবার্তা প্রদান করেন। তিনি শান্তি প্রতিষ্ঠা, বহুপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার এবং পরিবর্তিত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে জাতিসংঘকে আরও কার্যকর করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
গুতেরেসের এই শেষ ভাষণ এমন একটি সময়ে এসেছে, যখন বিশ্ব একাধিক যুদ্ধ, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, জলবায়ু সংকট, বাস্তুচ্যুতি এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। তার বক্তব্যে এসব বৈশ্বিক সংকটের পাশাপাশি জাতিসংঘের ভবিষ্যৎ ভূমিকা ও সংস্কারের বিষয়গুলোও গুরুত্ব পায়।
এই বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটের মধ্যে ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২৪ সেপ্টেম্বর সাধারণ পরিষদের ভাষণে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরবেন। তার বক্তব্যে দেশের জাতীয় অগ্রাধিকারের পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন, রোহিঙ্গা সংকট, টেকসই উন্নয়ন, বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা এবং বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার সংস্কারের মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব পেতে পারে।
অন্যদিকে, সাধারণ পরিষদের সভাপতির আসনে থেকে ড. খলিলুর রহমান অধিবেশনের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। ফলে একই অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বিশ্বনেতাদের সামনে দেশের বক্তব্য তুলে ধরছেন, আর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন— যা এবারের জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের উপস্থিতিকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার সকালে জাতিসংঘ মহাসচিবের আয়োজিত স্বাগত প্রাতরাশে অ্যান্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথমবারের মতো সাক্ষাৎ ও কুশল বিনিময় করেন। প্রধানমন্ত্রী ও তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানের সঙ্গে গুতেরেস এবং তার স্ত্রীর শুভেচ্ছা কুশল বিনিময়ের পর ফটোসেশনও অনুষ্ঠিত হয়।
জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের এবারের অধিবেশন এমন সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার সামনে একাধিক বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। গুতেরেসের শেষ ভাষণ সেই সংকটের একটি সামগ্রিক চিত্র সামনে এনেছে। আর সেই বৈশ্বিক আলোচনার কেন্দ্রে বাংলাদেশের পক্ষে একদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্য, অন্যদিকে সাধারণ পরিষদের সভাপতির আসনে ড. খলিলুর রহমানের দায়িত্ব পালন— দুই ভূমিকাতেই বাংলাদেশের উপস্থিতি দৃশ্যমান হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, তার দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুন ‘আত্মহত্যার’ সময় ন্যাম ভবনের ফ্ল্যাটে উপস্থিত ছিলেন।
রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি এ তথ্য প্রদান করেন। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ওই সময় তিনি এলাকার নেতা–কর্মীদের সঙ্গে খাবার খাচ্ছিলেন। খাওয়া শেষে মরিয়ম খেয়েছে কি না, সে বিষয়ে খোঁজ নিতে গিয়ে তিনি মরিয়মের ঘরটি ভেতর থেকে বন্ধ পান। পরে তিনি পুলিশকে খবর দেন।
রোববার সন্ধ্যায় সংসদ ভবনের বিপরীতে ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে মরিয়মের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনার পর রাতেই গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা বেগমকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।
পরে মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম এবং নিহত মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন।
সোমবার আদালত গাজী নজরুলের চার দিনের এবং মাকছুদার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। গতকাল মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব ডিবি পুলিশকে দেওয়া হয়।
মরিয়মের লাশ উদ্ধারের পর গাজী নজরুল বলেছিলেন, তিনি ঘটনার সম্পর্কে কিছু জানেন না। ঘটনার সময় তিনি বাসায় ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গাজী নজরুল ইসলাম ঘটনার সময় বাসায় থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তিনি জানান, সকালে বাসা থেকে বের হয়ে বিভিন্ন কাজ সেরে বেলা দুইটার দিকে বাসায় ফেরেন। দুপুরে বাসায় কিছু নেতা–কর্মী এসেছিলেন। তাদের সঙ্গে কথা বলার পর একসঙ্গে বসে দুপুরের খাবার খান।
খাওয়া শেষে মরিয়ম খেয়েছে কি না, সে খোঁজ নিতে তিনি তার কক্ষের সামনে গিয়ে দেখেন, ভেতর থেকে দরজা বন্ধ। ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে তিনি পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ এসে দরজা ভাঙার পর ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে মরিয়মের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা গেছে, গাজী নজরুল দাবি করেছেন, মরিয়ম খাতুনের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক ভালো ছিল। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি বলেন, তাদের যে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়েছিল, সেটির কারণে মরিয়ম মানসিক অশান্তিতে ছিলেন। তিনি বলেন, "এখনো মানুষ সেটা দেখে, এমনটা মনে করে নানা সময়ে তার কাছে বিষয়টি তুলতেন।"
এদিকে রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন গাজী নজরুল ইসলামের স্ত্রী মোছা. মাকছুদা ইসলাম।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। আবেদনে তিনি আদালতকে জানিয়েছেন, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার কথা।
আবেদনে ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেছেন, "আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে মামলা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে, যা মামলার তদন্তে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।"
তবে নজরুলের প্রথম স্ত্রী রিমান্ডে কী গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন, তা জানাতে পারেননি পুলিশ কর্মকর্তা সালাউদ্দিন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইল পৌর কর্মচারী সংসদের ২০২৬ সালের ৩৫ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে টাঙ্গাইল পৌরসভার উচ্চমান সহকারী মো. শাহাদৎ হোসেনকে সভাপতি এবং সাঁট-লিপিকার মিজানুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।
কমিটিতে নুরে আলম ভাসানীকে সিনিয়র সহ-সভাপতি, রনজিত চন্দ্র পালকে সহ-সভাপতি, আনিসুর রহমানকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং রিদুয়ান নাজমুল রিয়নকে সহ-সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। এছাড়াও আমিনুর রহমান (হিসাব রক্ষক) সাংগঠনিক সম্পাদক, সোনা মিয়া অর্থ-সম্পাদক, মো. জাহিদুল ইসলাম সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক, মো. বিন তারেক দপ্তর সম্পাদক এবং বুলবুলকে সহ-দপ্তর সম্পাদক করা হয়েছে।
কমিটিতে আমিনুর রহমান (সার্ভেয়ার) জনসংযোগ সম্পাদক, মো. নাজমুল হোসাইন চাকরি ও আইন বিষয়ক সম্পাদক, মো. শাহীন আলম শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক, মোস্তফা কামাল সরকার প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং সাদিকুল ইসলাম মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।
লিজা আক্তারকে মহিলা বিষয়ক সম্পাদক, মো. কাইয়ুম খানকে ক্রীড়া সম্পাদক, মো. রোকন মিয়াকে সহ-ক্রীড়া সম্পাদক, সাঈদা খানম বন্যাকে স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক, মারিয়া আফরোজ ঝুমুরকে সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক, শামীমকে পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক এবং মো. শাহিনুর ইসলামকে সহ-পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক করা হয়েছে।
এছাড়াও কার্যকরী সদস্য হিসেবে রয়েছেন মো. মুকুল মিয়া, মো. মাজহারুল ইসলাম, মো. রফিক আকন্দ, মো. জসিম মিয়া, মো. আমিনুল ইসলাম (সম্রাট), মেহেদী হাসান, সাকিব মোল্লা, সোলাইমান মোল্লা, আজিজুল হক, আরিফুর রহমান ও ফরিদুর রহমান সজিব।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বাংলাদেশ পৌর কর্মচারী ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সাবেরা সুলতানা ও সভাপতি এ কে এম নুরুজ্জামান স্বাক্ষরিত নথিতে টাঙ্গাইল পৌর কর্মচারী সংসদের ৩৫ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি অনুমোদনের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
নবগঠিত কমিটির নেতারা জানান, পৌর কর্মচারীদের পেশাগত অধিকার, ন্যায্য দাবি, কল্যাণ ও সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে তারা কাজ করবেন। একই সঙ্গে কর্মচারীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও ঐক্য আরও সুদৃঢ় করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিপিএম-সেবা রপদক অর্জন করায় টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পুলিশ সুপারকে ফুলেল শুভেচ্ছা
বিপিএম-সেবা পদক পেলেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার বাংলাদেশ পুলিশের সর্বোচ্চ মর্যাদাপূর্ণ পদক ‘বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (বিপিএম-সেবা)’ অর্জন করায় টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকারকে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে।
এ উপলক্ষে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পুলিশ সুপারকে ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানানো হয়। গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশংসনীয় ভূমিকা, পেশাগত দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলাপূর্ণ আচরণের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি এ পদক অর্জন করেছেন বলে জেলা পুলিশ জানিয়েছে।তাঁর এ অর্জন টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের জন্য গর্ব ও সম্মানের বলে উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে এ স্বীকৃতি জেলা পুলিশের সদস্যদের আরও নিষ্ঠা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনে অনুপ্রাণিত করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণের পর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুরে (বেরোবি) বাসের লাইভ লোকেশন ট্র্যাকিং সুবিধা চালু হয়েছে। এই নতুন সুবিধার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে বাসের বর্তমান অবস্থান ও রুট সম্পর্কে জানতে পারবেন।
এই সুবিধাটি ব্যবহার করতে হলে শিক্ষার্থীদের প্রথমে মোবাইলে ALO App ডাউনলোড করতে হবে। এরপর Student User অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে লগইন করতে হবে। শিক্ষার্থীদের লগইনের জন্য ইমেইল: [email protected] এবং পাসওয়ার্ড: VTS@2026 ব্যবহার করতে হবে। এই অ্যাকাউন্টে প্রবেশের জন্য কোনো ওটিপি ভেরিফিকেশনের প্রয়োজন হবে না।
অ্যাপে সফলভাবে লগইন করার পর Vehicle Tracking অপশনে প্রবেশ করলে চলাচলরত বাসগুলোর লাইভ লোকেশন ও নির্ধারিত রুট দেখা যাবে।
এ বিষয়ে রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী হাবিবুর রহমান মন্তব্য করেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ে বাস ট্র্যাকিং সুবিধা চালু হওয়া নিঃসন্দেহে একটি শিক্ষার্থীবান্ধব, সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা খুব সহজেই মোবাইলের মাধ্যমে বাসের বর্তমান অবস্থান জানতে পারবে, ফলে অপেক্ষার সময় ও অনিশ্চয়তা অনেকটাই কমবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন ব্যবস্থায় প্রযুক্তির এমন কার্যকর ব্যবহার আধুনিক ও স্মার্ট ক্যাম্পাস গড়ে তোলার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।"
গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী জাওয়াদ সাজিদ বলেন, "বেরোবিতে বাস ট্র্যাকিং সুবিধা চালু হওয়া শিক্ষার্থীবান্ধব ও সময়োপযোগী একটি উদ্যোগ। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বাসের অবস্থান ও সম্ভাব্য পৌঁছানোর সময় জানতে পারবে, ফলে অপেক্ষার সময় কমবে এবং যাতায়াত আরও সহজ ও নিরাপদ হবে। বিশেষ করে দূরবর্তী স্থান থেকে আসা শিক্ষার্থীদের জন্য এটি বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখবে। আশা করি, ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন ব্যবস্থার অন্যান্য ক্ষেত্রেও প্রযুক্তিনির্ভর এমন আরও উদ্যোগ নেওয়া হবে।"
পরিবহন পুলের পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক মাসুদ রানা জানান, "শিক্ষার্থীদের একটা দাবি ছিল অনেক দিনের। আমি পরিবহন দপ্তরের দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই শিক্ষার্থীরা আমাকে অনেকবার বলেছে যে স্যার যদি গাড়ির লাইভ ট্রাকিং এর ব্যবস্থা করা যেত। তাহলে আমাদের জন্য উপকার হত। গাড়িটি কোন জায়গায় অবস্থান করছে আমরা জানতে পারতাম। তখন থেকেই আমি দাবিটি নোট আকারে প্রশাসনের অনুমোদনের জন্য পাঠিয়েছিলাম। সেটাই বিভিন্ন যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে কিছুদিন আগে কাজের অর্ডার হয়ে ডিভাইসগুলো গ্রামীন ফোন থেকে নিয়েছে। শিক্ষক শিক্ষার্থী কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য আলাদা আইডি রয়েছে। সে আইডি দিয়ে তারা তাদের লোকেশন দেখতে পারবে। পরিবহন দপ্তর পুরোটা কন্ট্রোলের মধ্যে রাখবে। অনেকদিন পরে হলেও শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের চাওয়াটা যে পূরণ হলো। এটা আমাদের দপ্তরের পক্ষ থেকে ভালো লাগার বিষয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ