ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিশ্ব আলোকচিত্র দিবসে জয়পুরহাটে ফটোগ্রাফি কর্মশালা অনুষ্ঠিত


বিশ্ব আলোকচিত্র দিবসে জয়পুরহাটে ফটোগ্রাফি কর্মশালা অনুষ্ঠিত

‘একটি ছবি হাজার শব্দের চেয়েও শক্তিশালী’-এই প্রতিপাদ্য নিয়ে বিশ্ব আলোকচিত্র দিবস উপলক্ষে জয়পুরহাটে দিনব্যাপী ফটোগ্রাফি কর্মশালা, আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও প্রতিযোগিতা আয়োজিত হয়েছে।

বুধবার সকালে জয়পুরহাট সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জয়পুরহাট ফটোগ্রাফার সোসাইটির উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ ফটোগ্রাফিক সোসাইটির সহ-আয়োজনে কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হয়।

দিনব্যাপী এই আয়োজনে জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা উৎসাহ এবং উদ্দীপনার সঙ্গে অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতায় জমা পড়া ছবিগুলো থেকে বিচারকমণ্ডলী সেরা ৫০টি আলোকচিত্র বাছাই করে প্রদর্শনীর গ্যালারিতে উপস্থাপন করে।

আরও পড়ুন: ঈশ্বরদীর ঐতিহ্যবাহী কাঠের চাকা শিল্প বিলুপ্তির পথে

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে জয়পুরহাটের জেলা প্রশাসক মো. আল-মামুন মিয়া উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান, জয়পুরহাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শামীম কাদীর এবং এলিগেন্ট ইভেন্টসের সিইও মো. সালেহুর রহমান সজীব উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন জয়পুরহাট ফটোগ্রাফার সোসাইটির সভাপতি মেজবাউল ইসলাম।

প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মো. আল-মামুন মিয়া প্রদর্শনীর গ্যালারি ঘুরে দেখেন এবং তরুণ আলোকচিত্রীদের তোলা ছবির প্রশংসা করেন। তিনি জানান, তরুণদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশে ফটোগ্রাফি একটি অত্যন্ত কার্যকর মাধ্যম। এ ধরনের আয়োজন নতুন প্রজন্মকে ইতিবাচক কাজে উৎসাহিত করবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জয়পুরহাট ফটোগ্রাফার সোসাইটির সদস্য সচিব দেবাশীষ, সদস্য বিপ্লব, রাফি, বাধন মন্ডল, জুলফিকার, বায়েজিদসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্য, স্থানীয় সাংবাদিক ও তরুণ আলোকচিত্রীরা।

আয়োজকরা জানান, ফটোগ্রাফি এখন আর শুধু শখের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; বরং এটি আধুনিক দৃশ্যশিল্প ও পেশার অন্যতম মাধ্যম। একটি ফ্রেমের মাধ্যমেই সমাজের বাস্তব চিত্র ও ইতিহাসকে ধরে রাখা সম্ভব। নতুন প্রতিভাবান আলোকচিত্রী খুঁজে বের করা এবং তরুণদের উৎসাহিত করার জন্য প্রতি বছর এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখা হবে।

আরও পড়ুন: বিদ্যালয়ের পাশেই ঝুঁকিপূর্ণ জরাজীর্ণ সেতু, শিক্ষার্থীরা ঝুঁকি নিয়ে পারাপার

প্রতিযোগিতা শেষে স্কুল ও কলেজ- দুটি বিভাগে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। স্কুল পর্যায়ে প্রথম স্থান অধিকার করে নর্থ বেঙ্গল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী রাফিদ হাসান এবং দ্বিতীয় হয় রামদেও বাজলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আহনাফ হোসেন।

কলেজ পর্যায়ে প্রথম স্থান অর্জন করে জয়পুরহাট সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী মো. ময়নুল হোসেন সাদিক এবং দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে একই কলেজের শিক্ষার্থী মেহজাবিন নাফিশা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইংলিশ লিগে অভিষেকেই নজর কাড়লেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফারহান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৩৪ পি.এম


ইংলিশ লিগে অভিষেকেই নজর কাড়লেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফারহান

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ইংলিশ উইঙ্গার ফারহান আলি ওয়াহিদ বোরহ্যাম উডের হয়ে ন্যাশনাল লিগে অভিষেকেই নজর কেড়েছেন। এই ১৯ বছর বয়সী ফুটবলার প্রথমে গোল করার পাশাপাশি সতীর্থের গোলেও অবদান রেখে দলের বড় জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

মঙ্গলবার, ন্যাশনাল লিগের ‘সি’ গ্রুপের ম্যাচে নিজেদের বাড়ি মিডো পার্কে লিডস ইউনাইটেডের অনূর্ধ্ব-২১ দলকে ৫-২ গোলে পরাজিত করে বোরহ্যাম উড। ম্যাচের ৪১তম মিনিটে বক্সের ভেতর থেকে দারুণ ফিনিশিং দিয়ে নিজের দলের হয়ে প্রথম গোলটি করেন ফারহান।

প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে আবারও আলো ছড়ান ফারহান। সতীর্থ তারান আল্লারাখিয়ার গোলের পেছনেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন এই তরুণ উইঙ্গার। ফলে অভিষেক ম্যাচেই গোল ও অ্যাসিস্ট নিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি।

কয়েক দিন আগে ফুলহ্যাম থেকে ধারায় বোরহ্যাম উডে যোগ দেন ফারহান। নতুন ক্লাবের হয়ে প্রথম ন্যাশনাল লিগ ম্যাচে এমন পারফরম্যান্সে নিজেকে তুলে ধরলেন তিনি।

ফুলহ্যামের বয়সভিত্তিক দলেও ধারাবাহিকভাবে ভালো পারফর্ম করেছেন ফারহান। গত মৌসুমে অনূর্ধ্ব-১৮ দলের হয়ে ১৭ ম্যাচে সাত গোল করেন এবং অনূর্ধ্ব-২১ দলের হয়ে অভিষেক ম্যাচে গোলের দেখা পান।

ফুলহ্যামের অনূর্ধ্ব-২১ দলের হয়ে খেলার চতুর্থ মাসেই পিএল২-এর মাসসেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন ফারহান, ওই সময়ে মাত্র দুই ম্যাচে তিন গোল করেছিলেন তিনি।

প্রাক-মৌসুমে ফুলহ্যামের মূল দলের সঙ্গেও অনুশীলনের সুযোগ পান এই ফুটবলার। নরউইচ সিটির বিপক্ষে ২-০ গোলে হেরে যাওয়া ম্যাচে মূল দলের হয়ে প্রথমবার মাঠে নামেন তিনি। এরপর আল-আহলির বিপক্ষে ১-১ ড্র এবং ফারেসির বিপক্ষে ২-১ গোলের জয়েও খেলেন।

ফলস্বরূপ, ফুলহ্যামের মূল দলে প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে অভিষেকের সম্ভাবনা তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত তাকে ধারে বোরহ্যাম উডে পাঠানো হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাধ্যতামূলক অবসরে বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা, বেতন কমল ৫ জনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৩৬ পি.এম


বাধ্যতামূলক অবসরে বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা, বেতন কমল ৫ জনের

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ১৭ জন কর্মকর্তাকে একসাথে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। একই সাথে আরও পাঁচ জন কর্মকর্তার বেতন সর্বনিম্ন স্তর বা গ্রেডে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বিএসইসি প্রতিষ্ঠার পর এই প্রথম একসাথে এত জন কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর ঘটনা ঘটল।

সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, গতকাল মঙ্গলবার বিএসইসি এসব সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আজ বুধবার এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি পেয়েছেন বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, ২০২৫ সালের ৫ মার্চ তৎকালীন বিএসইসি কমিশনার ও চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদকে চার ঘণ্টার বেশি সময় অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনায় মোট ২২ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ওই ঘটনার পর ফৌজদারি মামলা এবং সরকারি বিধি অনুযায়ী তদন্ত ও বিভাগীয় মামলা হয়।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের তদন্তে অভিযুক্ত ও অভিযোগকারীদের বক্তব্য নেওয়ার পর সরকারের পক্ষ থেকে ২৩ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়। তাদের মধ্যে একজন ইতিমধ্যে অন্য একটি অভিযোগে চাকরিচ্যুত হয়েছেন, তাই তার বিরুদ্ধে নতুন করে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

২০২৫ সালের ৫ মার্চ বিএসইসি কর্মকর্তারা তৎকালীন চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের চার ঘণ্টার বেশি সময় অবরুদ্ধ করে রাখেন।

পরে সেনাবাহিনীর সদস্যরা গিয়ে তাদের উদ্ধার করেন।

বিএসইসির তৎকালীন নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমানকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর প্রতিবাদে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ওই কর্মসূচি পালন করেন। তারা কমিশনের বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে কর্মবিরতিও পালন করেন। এতে কয়েক দিন বিএসইসিতে অচলাবস্থা ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়।

ওই ঘটনায় করা মামলার অভিযোগে বলা হয়, কমিশনের সভা চলাকালে একদল কর্মকর্তা-কর্মচারী জোর করে সভাকক্ষে প্রবেশ করে চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের অবরুদ্ধ করেন।

পরে কমিশনের মূল ফটকে তালা দেওয়া হয়। একই সাথে সিসিটিভি ও ওয়াই-ফাই সংযোগ বন্ধ, লিফট অচল এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়।

সরকারি তদন্ত ও বিভাগীয় প্রক্রিয়া শেষে ওই ঘটনায় জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এবার শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদ্রাসা ছাত্রদের ওপর হামলার অভিযোগ-নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচার দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শরীফ উদ্দিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৩৯ পি.এম


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদ্রাসা ছাত্রদের ওপর হামলার অভিযোগ-নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচার দাবি

গানের কনসার্টকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জামিয়া দারুল আরকাম মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ ও হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, রাতে পুলিশ লাইনে উচ্চ শব্দে কনসার্ট চলায় পাশের জামিয়া দারুল আরকাম মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের ঘুম ও পড়াশোনায় বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীরা শব্দ কমানো কিংবা কনসার্ট বন্ধের অনুরোধ জানালে পুলিশের কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে তাদের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে শিক্ষার্থীদের ওপর অসৌজন্যমূলক আচরণ ও হামলার অভিযোগ ওঠে।

ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কোনো পক্ষ দোষী প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে ঘটনাটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি। কোনো পক্ষের অন্যায়কে প্রশ্রয় না দিয়ে আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঘটনার বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাফিজ সাইদ কাশ্মিরে ১০ হাজার সন্ত্রাসী পাঠিয়েছিলেন, পাকিস্তানি আলেমের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৪১ পি.এম


হাফিজ সাইদ কাশ্মিরে ১০ হাজার সন্ত্রাসী পাঠিয়েছিলেন, পাকিস্তানি আলেমের দাবি

পাকিস্তানের জনপ্রিয় ইসলামী বক্তা ও আলেম আল্লামা নাসির মাদনী দাবি করেছেন যে, লস্কর-ই-তৈয়বার প্রধান হাফিজ সাইদ জম্মু-কাশ্মিরে ১০ হাজার লস্কর যোদ্ধা পাঠিয়েছিলেন। গত ১৪ আগস্ট পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাহাওয়ালনগরে আয়োজিত এক সমাবেশে নাসির মাদনী এ মন্তব্য করেন।

তার এ বক্তব্যের মাধ্যমে নিষিদ্ধ সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বা এবং এর প্রধান হাফিজ সাইদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগের স্বীকৃতি প্রকাশ হলো।

লস্কর-ই-তৈয়বার রাজনৈতিক শাখা মারকাজি মুসলিম লীগ আয়োজিত ওই সমাবেশে নাসির মাদনী লস্কর প্রধান হাফিজ সাইদের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। সমাবেশে নাসির মাদনী ঘোষণা করেছেন যে, লস্কর-ই-তৈয়বা সফলভাবে কাশ্মীর উপত্যকায় অনুপ্রবেশ করতে সক্ষম হয়েছে। সন্ত্রাসী নেতা হাফিজ সাইদের প্রশংসা করে মাদনী তাকে এমন একজন ব্যক্তি হিসেবে চিত্রিত করেছেন, যিনি তার মাতৃভূমি এবং কাশ্মীরী এজেন্ডার জন্য নিজের জীবন ও সবকিছু উৎসর্গ করেছেন।

নাসির মাদনীর এই বিস্ফোরক বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। ভারতের প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মাদনীর এই বক্তব্যটি পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় মদদে সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদ এবং ভারতের বিরুদ্ধে প্রক্সি ওয়ার পরিচালনার আরো একটি বড় প্রমাণ।

আল্লামা নাসির মাদনী হচ্ছেন পাকিস্তানের একজন সুপরিচিত এবং আলোচিত ইসলামি বক্তা। তার প্রথাগত ধর্মীয় আলোচনার বাইরে নিজস্ব বাচনভঙ্গি, কৌতুকরস এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের উপস্থিতির কারণে তিনি বেশ সমাদৃত ও বিতর্কিত।

তার নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা ১ মিলিয়নেরও বেশি।

পাকিস্তানের গোয়েন্দা সূত্র এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের মাধ্যমে জানা যায়, নাসির মাদনীর সঙ্গে পাকিস্তানের নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বা এবং জৈশ-ই-মোহাম্মদ-এর সংযোগ রয়েছে বলে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।

আল-কায়েদা এবং তালেবানের সঙ্গে যোগসূত্র থাকার কারণে ২০০৫ সালে জাতিসংঘ লস্কর-ই-তৈয়বাকে নিষিদ্ধ করে। পরবর্তীতে ২০০৮ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সাইদকে তাদের বৈশ্বিক সন্ত্রাসীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে। লস্কর প্রধান হাফিজ সাইদ ভারতে একাধিক সন্ত্রাসী হামলার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে অভিযুক্ত।

২৬/১১-এর মুম্বাই হামলাসহ ভারতের প্রধান প্রধান সন্ত্রাসী হামলার তদন্তেও তার নাম আবির্ভূত হয়। গত জুলাই মাসে, পহেলগাম সন্ত্রাসী হামলা মামলার প্রেক্ষিতে জম্মুর একটি আদালত সাইদের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ওয়ারেন্ট জারি করেছে।

২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর মুম্বইয়ে হামলার ঘটনায় মুম্বাই পুলিশ হাফিজ সাইদসহ ৬ পাকিস্তানি আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘অনুপস্থিতিতে বিচার’ প্রক্রিয়া শুরু করেছে। ২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর রাতে ১০ জন সন্ত্রাসী সমুদ্রপথে মুম্বাইতে প্রবেশ করে। পরবর্তী চার দিন ধরে তারা শহরজুড়ে সমন্বিত হামলা চালায়, যার ফলে ১৬৬ জন নিহত এবং প্রায় ৩০০ জন আহত হয়। এই হামলা মুম্বাইয়ের সবচেয়ে ব্যস্ত এবং প্রধান কিছু স্থানকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%