০৪:১৬ পি.এম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) নৃবিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে ১৫ লাখ টাকার ‘অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী স্বর্ণপদক ট্রাস্ট ফান্ড’ গঠন করা হয়েছে। রবিবার (১৮ অক্টোবর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের কাছে এই ট্রাস্ট ফান্ডের চেক হস্তান্তর করা হয়।
নৃবিজ্ঞান বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এবং বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরীর উদ্যোগে এই ট্রাস্ট ফান্ড প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এই ফান্ডের আয় থেকে প্রতিবছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের বিএসএস (সম্মান) চূড়ান্ত পরীক্ষায় সর্বোচ্চ সিজিপিএ বা নম্বর অর্জনকারী একজন শিক্ষার্থীকে ‘অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী স্বর্ণপদক’ প্রদান করা হবে।
উপাচার্যের কার্যালয় সংলগ্ন সভাকক্ষে আয়োজিত চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরীর পক্ষে ১৫ লাখ টাকার চেকটি উপাচার্যের হাতে তুলে দেন মুহিত আনোয়ার চৌধুরী।
আরও পড়ুন: ইবির সমাবর্তন ২ ফেব্রুয়ারি, রেজিষ্ট্রেশনের তারিখ ও ফি নির্ধারণ
এ সময় উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক কাজী মাহবুবুর রহমান, নৃবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. রাফিউল ইসলাম, অধ্যাপক হাসান আল শাফী, দাতা পরিবারের সদস্য লাকী নাসরিন, সিনিয়র আইনজীবী মো. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক ও সাবেক উপাচার্য। বিশ্ববিদ্যালয় ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের উন্নয়নে তার অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার্থীদের কল্যাণে নেওয়া তার এই উদ্যোগ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতার পরিচয় বহন করে। এ ধরনের ট্রাস্ট ফান্ড মেধাবী শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করার পাশাপাশি তাদের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতার মনোভাব গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।’
ট্রাস্ট ফান্ড প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য তুলে ধরে ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের মেধা ও সাফল্যকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং তাদের আরো ভালো ফল অর্জনে উৎসাহিত করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে অধ্যয়ন ও গবেষণায় উৎকর্ষ অর্জনের প্রতিযোগিতা গড়ে তুলতে এটি ভূমিকা রাখবে।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে নিজের দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা স্মরণ করে তিনি আরো বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় তার অস্তিত্বের সঙ্গে মিশে আছে। শিক্ষক হিসেবে এখনো তিনি শ্রেণিকক্ষে পাঠদান উপভোগ করেন এবং ভবিষ্যতেও বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকতে চান।
আরও পড়ুন: রাকসুর ক্রিড়া সম্পাদক নার্গিস পেলেন ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড-২০২৬
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন