ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

নিউইয়র্কে শীতের খরচ মেটাতে ৯৯০ ডলার সহায়তা, আবেদন করার পদ্ধতি জানুন


নিউইয়র্কে শীতের খরচ মেটাতে ৯৯০ ডলার সহায়তা, আবেদন করার পদ্ধতি জানুন

নিউইয়র্কের নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর জন্য শীতকালে ঘর গরম রাখার খরচ কমানোর উদ্দেশ্যে আর্থিক সহায়তার আবেদন প্রক্রিয়া চলতি বছর সোমবার (২ নভেম্বর) থেকে শুরু হয়েছে এবং এটি চলবে ১৬ এপ্রিল ২০২৭ তারিখ পর্যন্ত।

নিউইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হোকুলের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬–২০২৭ অর্থবছরের গৃহস্থালি জ্বালানি সহায়তা কর্মসূচির আওতায় যোগ্য পরিবারগুলো সর্বোচ্চ ৯৯০ ডলার পর্যন্ত সহায়তা পেতে সক্ষম হবে।

নিউইয়র্কের গৃহস্থালি জ্বালানি সহায়তা কর্মসূচি (এইচইএপি) মূলত শীতের মৌসুমে বাড়ি গরম রাখার ব্যয় কমাতে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোকে সহায়তা প্রদান করে। তবে, সহায়তার পরিমাণ নির্ভর করবে পরিবারের আয়, সদস্যসংখ্যা, ব্যবহৃত জ্বালানির ধরন এবং কর্মসূচির নির্ধারিত শর্তের ওপর।

আরও পড়ুন: মালয়েশিয়া ৯ দেশের ১৮২ অভিবাসীকে ফেরত পাঠালো

কারা পাবেন সর্বোচ্চ ৯৯০ ডলার

তেল, কেরোসিন বা প্রোপেনের মতো জ্বালানি ব্যবহারকারী যোগ্য পরিবারগুলো সর্বোচ্চ ৯৯০ ডলার পর্যন্ত সহায়তা পেতে পারে। অন্য জ্বালানি ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী সহায়তার পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে।

তবে, সর্বোচ্চ ৯৯০ ডলারের সহায়তা সবার জন্য প্রযোজ্য নয়। আবেদন করলেই নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ পাওয়া নিশ্চিত হবে না। আবেদনকারীর আয় ও অন্যান্য যোগ্যতা যাচাই করেই সহায়তা প্রদান করা হবে।

বাড়ির মালিক ও ভাড়াটিয়ারাও আবেদন করতে পারবেন। এই কর্মসূচিতে যোগ্য বাড়ির মালিকদের পাশাপাশি ভাড়াটিয়ারাও আবেদন করতে পারবেন। এমনকি যেসব বাড়ির ভাড়ার মধ্যেই ঘর গরম রাখার খরচ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, সেসব বাড়ির কিছু বাসিন্দা শর্ত পূরণ করলে সহায়তা পেতে পারেন।

আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা গণহত্যা: আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে মামলার রায় ১৯ নভেম্বর

আবেদনের আগে ঠিকানার প্রমাণ, পরিবারের সদস্যদের পরিচয়পত্র, সাম্প্রতিক আয়ের প্রমাণ এবং জ্বালানি বা বিদ্যুৎ বিল প্রস্তুত রাখা ভালো। পরিবারের সদস্যদের পরিচয় ও সামাজিক নিরাপত্তা নম্বরসংক্রান্ত শর্তও পূরণ করতে হতে পারে।

কোথায় ও কীভাবে আবেদন করবেন

নিউইয়র্ক সিটির বাসিন্দারা অনলাইনে আবেদন ও বিস্তারিত তথ্যের জন্য অ্যাকসেস এইচআরএ ওয়েবসাইট দেখতে পারবেন। এ ছাড়া আবেদন ও যোগ্যতা সম্পর্কে জানতে ৭১৮-৫৫৭-১৩৯৯ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে। নিউইয়র্ক স্টেটজুড়ে কর্মসূচির তথ্য জানতে ফোন করা যাবে ১-৮০০-৩৪২-৩০০৯ নম্বরে।

কর্মসূচির আওতায় সাধারণত অনুমোদিত সহায়তার অর্থ সরাসরি জ্বালানি সরবরাহকারী অথবা বিদ্যুৎ ও গ্যাস সেবাদাতার কাছে পাঠানো হয়। এতে শীতকালে ঘর গরম রাখার ব্যয় কমাতে পরিবারগুলো সহায়তা পায়। তাই যোগ্য পরিবারগুলোকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে ভোটগ্রহণ বিঘ্নিত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেরোবিতে জাঁকজমকপূর্ণভাবে হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার সোসাইটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বেরোবি সংবাদদাতা

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:০৪ পি.এম


বেরোবিতে জাঁকজমকপূর্ণভাবে হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার সোসাইটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) উৎসবমুখর পরিবেশে হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার সোসাইটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।

রোববার (২ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মিডিয়া চত্বরে রংপুর জেলা শাখা ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যৌথ আয়োজনে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মিডিয়া চত্বরে কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার সোসাইটি রংপুর জেলা শাখা ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য সদস্যরা।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রংপুর জেলা হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার সোসাইটির সভাপতি সাজ্জাদুর রহমান বলেন, মানবাধিকার সুরক্ষায় আমাদের এই কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। শুধু আমাদের একার পক্ষে এই অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব নয়, এজন্য সরকারসহ সমাজের সকল স্তরের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। সকলে সচেতন হলেই একটি মানবাধিকারবান্ধব সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

বেরোবি শাখার সভাপতি মো আবুল খায়ের জায়ীদ বলেন, “মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও সুরক্ষায় তরুণ প্রজন্মের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসসহ সমাজের সর্বস্তরে মানবাধিকার বিষয়ে সচেতনতা তৈরি এবং মানুষের অধিকার রক্ষায় কাজ করতে চাই। অন্যায়, বৈষম্য ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার পাশাপাশি অসহায় ও অধিকারবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের মূল লক্ষ্য। এ কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সবার সহযোগিতা কামনা করছি।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুষ্টিমানসম্পন্ন খাদ্য উৎপাদনের জন্য জৈব ও রাসায়নিক সারের সমন্বিত ব্যবহারের পরামর্শ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:০৪ পি.এম


পুষ্টিমানসম্পন্ন খাদ্য উৎপাদনের জন্য জৈব ও রাসায়নিক সারের সমন্বিত ব্যবহারের পরামর্শ

বাংলাদেশ খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করলেও পুষ্টিমানসম্পন্ন খাদ্য নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এখনো পিছিয়ে রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে রাসায়নিক সার ব্যবহারের ফলে মাটির উর্বরতা হ্রাস পাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা, পুষ্টিমানসম্পন্ন ফসল উৎপাদন এবং টেকসই কৃষিব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য বিশেষজ্ঞরা জৈব ও রাসায়নিক সারের সমন্বিত ব্যবহার বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন। তারা জৈব সার উৎপাদন ও ব্যবহারে ভর্তুকি দেওয়ার পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজ করার এবং সারের মান নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

সোমবার (২ নভেম্বর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘সুস্থ মাটি, ফসল ও পরিবেশের জন্য জৈব সার উৎপাদনকে উৎসাহিত করা এবং ভর্তুকি প্রদান’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে বিশেষজ্ঞ ও নীতিনির্ধারকেরা এসব বিষয় তুলে ধরেন।

একশনএইড বাংলাদেশ, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটসহ (বারি) ২০টি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা এবং পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে এই বৈঠক আয়োজন করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস, এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজির শিক্ষক অধ্যাপক আবদুল করিম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বারির জ্যেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এম. নাজিম উদ্দিন এবং গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও ইনস্টিটিউট অব ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টের পরিচালক মো. মিজানুর রহমান।

বৈঠকে কৃষি মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবিরা সুলতানা বলেন, "একজন মাকে সুস্থ রাখতে পারলে যেমন সুস্থ সন্তানের জন্ম নিশ্চিত করা সম্ভব, তেমনি মাটির স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পারলে পুষ্টিমানসম্পন্ন ফসল উৎপাদন করা যাবে।" তিনি জৈব সারের মান নিশ্চিত করে তা বাজারজাত করার গুরুত্বও তুলে ধরেন।

কৃষকদের কাছে সরকারি সেবা পৌঁছে দিতে কৃষি কার্ডের উদ্যোগ নেওয়ার কথা উল্লেখ করে সাবিরা সুলতানা বলেন, "এ ক্ষেত্রে প্রকৃত কৃষক নির্বাচন এবং তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী সেবা নিশ্চিত করতে হবে।"

জৈব সার উৎপাদনকারী উদ্যোক্তাদের নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজ করার প্রস্তাব দেন বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পরিচালক মো. আনোয়ার ফারুক। তিনি বলেন, "কৃষিব্যবস্থাকে টেকসই করতে প্রাকৃতিক পদ্ধতির বিকল্প নেই।" তিনি মাটির স্বাস্থ্য ও কাঙ্ক্ষিত পিএইচ মাত্রা বজায় রাখতে জৈব বালাইনাশক ও জৈব সারের সুষম ব্যবহার জরুরি বলে উল্লেখ করেন। তবে কৃষকদের কাছে সময়মতো বিজ্ঞানসম্মত তথ্য পৌঁছে দেওয়া এখনো বড় চ্যালেঞ্জ।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান এম. আব্দুস সালাম জৈব সার উৎপাদনকারী উদ্যোক্তাদের নিবন্ধন প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি এ প্রক্রিয়া সহজ করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতামতও জানতে চান।

একশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ্ কবির বলেন, "পুষ্টিমানসম্পন্ন খাদ্য নিশ্চিত করতে মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা এবং জৈব সারের ব্যবহার বাড়ানো জরুরি।" তিনি সারের মান নিয়ন্ত্রণ, বাজারজাতকরণে অনিয়ম দূর করা এবং উদ্যোক্তাদের প্রশাসনিক জটিলতা কমাতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

বৈঠকে আরও বক্তব্য দেন বারির সাবেক মহাপরিচালক এম. শহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ডিন অধ্যাপক এম. জহির উদ্দিন, বারির উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের সাবেক পরিচালক শাহাবুদ্দিন আহমেদ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক মো. আসাদুল্লাহ এবং ন্যাশনাল অ্যাগ্রিকালচারাল ট্রেনিং একাডেমির (নাটা) মহাপরিচালক এম. সাইফুল আলম খান।

দিনব্যাপী এই বৈঠকে জৈব সার উৎপাদনকারী উদ্যোক্তাদের জন্য ভর্তুকির নীতিমালা প্রণয়ন, নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজ করা, মাটি পরীক্ষার ভিত্তিতে সারের প্রয়োগমাত্রা নির্ধারণ এবং কৃষকের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার সুপারিশ করা হয়। বক্তারা জৈব সারের মান নিয়ন্ত্রণ ও সুষ্ঠু বাজারজাতকরণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মৌলভীবাজারে ‘জিন্নী মুমিনের’ নামে প্রতারণা, ৪ জন গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:০৫ পি.এম


মৌলভীবাজারে ‘জিন্নী মুমিনের’ নামে প্রতারণা, ৪ জন গ্রেফতার

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ‘জিন্নী মুমিনের’ নামে অভিনব কৌশলে একটি নারীর কাছ থেকে দুই দফায় ১১ লাখ ৭৪ হাজার টাকার স্বর্ণালংকার আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করেছে এবং উদ্ধার করা হয়েছে স্বর্ণালংকারও।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন: বড়লেখা উপজেলার আহমদপুর গ্রামের করবুল নেছা, হিনাইনগর গ্রামের তাজ উদ্দিন, জুড়ী উপজেলার আমতৈল গ্রামের বিজয় বৈদ্য এবং হরিরামপুর গ্রামের রিপন মিয়া।

সোমবার (২ নভেম্বর) বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, প্রথমবার গত ৩ আগস্ট অজ্ঞাত পরিচয়ে এক নারী বড়লেখার হিনাইনগর গ্রামের রোকেয়া বেগমকে ফোন করে জানান, তার অসুস্থ ছেলেকে কথিত জিন্নী মুমিন দ্বারা সুস্থ করে দিতে সক্ষম। তবে এর জন্য কিছু শর্ত মানতে হবে এবং বিষয়টি কাউকে জানাতে নিষেধ করা হয়। যদি কাউকে এ বিষয়ে জানান, তাহলে তার ছেলের ক্ষতি হবে বলেও ভয় দেখানো হয়।

ওসি আরও জানান, রোকিয়া বেগম ছেলের সুস্থতার জন্য ওই নারীর কথায় বিশ্বাস করেন। এরপর বসতঘরের পেছনের ডিপ টিউবওয়েলের ম্যানহোলের ঢাকনার ওপর একটি পরিষ্কার বাটিতে স্বর্ণালংকার রেখে আসেন। দুই ঘণ্টা পর তিনি দেখেন স্বর্ণালংকারগুলো নেই। বিষয়টি জানতে অজ্ঞাত নারীকে ফোন করলে তাকে জানানো হয়, জিন্নী মুমিন স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছে। তবে এক মাসের মধ্যে তার ছেলে সুস্থ হবে এবং স্বর্ণালংকারগুলো ফিরে পাবেন।

গত ১৬ অক্টোবর একই নারী পুনরায় ফোন করে আরও স্বর্ণালংকার একই স্থানে রাখতে বলেন। তবে এবার ভয় দেখানো হয় যে, যদি স্বর্ণালংকার না রাখেন তাহলে তার ছেলে পাগল হয়ে যাবে। এ সময় আরও জানানো হয়, এক ঘণ্টার মধ্যে আগের স্বর্ণালংকারসহ সব ফেরত দেয়া হবে। রোকেয়া বেগম তার ছেলের ক্ষতির কথা ভেবে দ্বিতীয়বার আবারও একই স্থানে স্বর্ণালংকার রেখে আসেন। তবে আবারও তিনি দেখেন স্বর্ণালংকার নেই।

এভাবে দুই দফায় রোকেয়া বেগমের কাছ থেকে ৫ ভরি ৬ আনা ২ রতি ২ পয়েন্ট ওজনের স্বর্ণালংকার আত্মসাৎ করা হয়। এর আনুমানিক বাজার দর ১১ লাখ ৭৪ হাজার ৭১২ টাকা।

এ ব্যাপারে রোকেয়া বেগম ১ নভেম্বর (রোববার) বড়লেখা থানায় মামলা করেন। পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে পৃথক স্থান থেকে তাদের গ্রেফতার করে। সেইসঙ্গে তাদের কাছ থেকে স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে একটি সিতাহার, দুই জোড়া ঝুমকা ও একটি আংটি।

পুলিশ বড়লেখা ও জুড়ী থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রনির সেঞ্চুরিতে চট্টগ্রামের বিপক্ষে ময়মনসিংহের ৭ রানের লিড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:০৫ পি.এম


আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রনির সেঞ্চুরিতে চট্টগ্রামের বিপক্ষে ময়মনসিংহের ৭ রানের লিড

এবিজি স্পোর্টস সিটির আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) দ্বিতীয় একাদশের ৬ষ্ঠ রাউন্ডের দ্বিতীয় দিনে, ময়মনসিংহ দ্বিতীয় একাদশ রনি চৌহানের সেঞ্চুরি ও আরফান শাকিলের দায়িত্বশীল ফিফটিতে প্রথম ইনিংসে ৩১২ রান সংগ্রহ করেছে। এই রান চট্টগ্রাম বিভাগের ৩০৫ রানের জবাবে ৭ রানের লিড এনে দিয়েছে ময়মনসিংহকে।

রবিবার, তিন দিনের ম্যাচে চট্টগ্রাম বিভাগের ৩০৫ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে ময়মনসিংহ। মাত্র ২৭ রানে তারা প্রথম তিন উইকেট হারায়। আশফিকুল আলম মাহিন ১, মাজহারুল ইসলাম শূন্য এবং ইমরান ফাহাদ আনন্দ ৯ রান করে আউট হন।

তবে প্রাথমিক ধাক্কা কাটিয়ে রনি মাহাথির মোহাম্মদকে সঙ্গে নিয়ে ৮৫ রানের একটি জুটি গড়েন। ১০৫ বল মোকাবিলা করে ৮টি চার ও ৭টি ছক্কায় ১২৪ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন রনি। মাহাথিরের ব্যাট থেকে আসে ২৩ রান। ১২৪ রানের ইনিংস খেলে শাহরিয়ার আহমেদের হাতে আউট হন তিনি।

মিডল অর্ডারে তায়েব আলম দিগন্ত ৩১ ও মুসাব্বির হোসেন মুন ১০ রান করেন। এরপর লোয়ার মিডল অর্ডারে দলের হাল ধরেন আরফান শাকিল, যিনি ৭টি চারে ৫৭ রান করে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। শেষ দিকে তানভীর আনজুমের ২৬ রানের অপরাজিত ইনিংসে ৯৩ ওভারে ৩১২ রানে অলআউট হয় ময়মনসিংহ।

চট্টগ্রামের হয়ে মো. নোবায়েত আলম ৮৪ রানে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন। শাহরিয়ার আহমেদ ও ফাহাদ হোসেন দুটি করে উইকেট শিকার করেন।

এর আগে, ময়মনসিংহের বোলারদের দাপটে প্রথম ইনিংসে চট্টগ্রাম দ্বিতীয় একাদশ ৩০৫ রানে অলআউট হয়। চট্টগ্রামের হয়ে ইরফান সাবরি তাকরীর ৯৫ ও ওমর হাসান ৫২ রান করেন। তানভীর আনজুম ৫টি এবং রাকিবুল আতিক ৪টি উইকেট নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%