ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে ভোটগ্রহণ বিঘ্নিত


যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে ভোটগ্রহণ বিঘ্নিত

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সময় বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে ভোটাররা ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। নিরাপত্তাব্যবস্থায় ত্রুটি, সফটওয়্যারজনিত জটিলতা, বিদ্যুৎ সরবরাহের অভাব এবং যন্ত্রপাতি স্থাপনে সমস্যা থাকার কারণে একাধিক স্থানে নির্ধারিত সময়ে ভোটগ্রহণ শুরু করা সম্ভব হয়নি। কিছু এলাকায় ভোট দেওয়ার সময়সীমা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ফ্লোরিডার ব্রোওয়ার্ড কাউন্টির একাধিক কেন্দ্রে নতুন নিরাপত্তাব্যবস্থায় ত্রুটি দেখা দেয়। এর ফলে নির্ধারিত সময়ের ২০ মিনিট পর ভোটগ্রহণ শুরু হয়।

নর্থ ক্যারোলাইনায় প্রযুক্তিগত সমস্যা মোকাবেলার জন্য রাজ্য নির্বাচন বোর্ড উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সাতটি কাউন্টিতে ভোট দেওয়ার সুযোগ এক ঘণ্টা বাড়ানোর বিষয়টি পর্যালোচনা করছে সংস্থাটি।

আরও পড়ুন: মালয়েশিয়া ৯ দেশের ১৮২ অভিবাসীকে ফেরত পাঠালো

নিউ ইয়র্কের ওয়েস্টচেস্টার কাউন্টিতে ভোট গণনার কাজে জটিলতা দেখা দিয়েছে। নির্বাচনী সরঞ্জাম প্রস্তুত ও পরীক্ষার পর সংশ্লিষ্ট সফটওয়্যারে নতুন সংস্করণ যুক্ত করা হয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, ওই হালনাগাদের কারণে গণনার কাজে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে।

অন্যদিকে অ্যারি জোনার মারিকোপা কাউন্টির একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে সেখানে স্থাপিত ভোটকেন্দ্রের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়। তবে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কারণ সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ কোনো তথ্য জানায়নি।

পেনসিলভানিয়ার কয়েকটি কাউন্টিতে নির্বাচনী সরঞ্জাম স্থাপনের সময়ও জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে ভোট দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা গণহত্যা: আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে মামলার রায় ১৯ নভেম্বর

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোহিঙ্গা গণহত্যা: আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে মামলার রায় ১৯ নভেম্বর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:০৩ এম


রোহিঙ্গা গণহত্যা: আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে মামলার রায় ১৯ নভেম্বর

আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) গাম্বিয়ার করা ঐতিহাসিক মামলার রায় ঘোষণা হবে আগামী ১৯ নভেম্বর, যা মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) আইসিজে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরের পিস প্যালেসে ১৯ নভেম্বর স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় শুরু হবে প্রকাশ্য অধিবেশন। সেখানে আদালতের প্রেসিডেন্ট বিচারক ইওয়াসাওয়া ইউজি রায়টি পড়ে শোনাবেন।

জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি ‘গাম্বিয়া বনাম মিয়ানমার’ নামে পরিচিত। এই মামলায় ১১টি দেশ পক্ষভুক্ত হয়েছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাম্বিয়া ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর আইসিজেতে মামলাটি দায়ের করে। দেশটির অভিযোগ, ২০১৭ সালে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর অভিযান ছিল গণহত্যা।

ওই অভিযানের ফলে অন্তত সাত লাখ ৩০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়। বর্তমানে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে শরণার্থী জীবন কাটাচ্ছে।

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর ওই অভিযানে হত্যাকাণ্ড, ধর্ষণ ও জ্বালাও-পোড়াওয়ের ভয়াবহ বিবরণ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের কথায় উঠে এসেছে।

জাতিসংঘের মিয়ানমারবিষয়ক তথ্যানুসন্ধান মিশনও বলেছে, ওই অভিযানে ‘গণহত্যামূলক কর্মকাণ্ড’ সংঘটিত হয়েছিল।

তবে মিয়ানমার গণহত্যার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে এবং দাবি করছে যে, ওই অভিযান ছিল সন্ত্রাসবিরোধী বৈধ কার্যক্রম।

গাম্বিয়া আদালতের কাছে মিয়ানমারকে গণহত্যা সনদের অধীন বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘনের জন্য দোষী সাব্যস্ত করে এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধের নির্দেশ এবং ক্ষতিগ্রস্ত রোহিঙ্গাদের জন্য ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আদেশ চেয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ আর না ঘটার নিশ্চয়তা দেওয়ারও আবেদন করেছে দেশটি।

আদালতের এখতিয়ারের ভিত্তি হিসেবে গাম্বিয়া ১৯৪৮ সালের গণহত্যা সনদের নবম অনুচ্ছেদের উল্লেখ করেছে। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সনদ বাস্তবায়ন বা ব্যাখ্যা নিয়ে রাষ্ট্রগুলোর বিরোধ আইসিজেতে তোলা যায়।

গাম্বিয়ার আবেদনের সঙ্গে অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদনও ছিল। ২০২০ সালের ২৩ জানুয়ারি আদালত মিয়ানমারকে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে গণহত্যা সনদে বর্ণিত কর্মকাণ্ড ঠেকাতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়।

এছাড়া মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত প্রমাণ সংরক্ষণ এবং এ বিষয়ে নেওয়া পদক্ষেপের প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

গাম্বিয়া সাত বছর আগে মামলার লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়ার পর মিয়ানমার আদালতের এখতিয়ার ও মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে আপত্তি তুলেছিল।

২০২২ সালের ২২ জুলাই রায়ে আদালত জানায়, মামলাটি শুনানির এখতিয়ার তাদের রয়েছে এবং গাম্বিয়ার আবেদন গ্রহণযোগ্য।

এরপর মিয়ানমার তাদের জবাবি লিখিত বক্তব্য জমা দেয়। গাম্বিয়া ও মিয়ানমার পর্যায়ক্রমে নিজেদের বক্তব্যের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করে।

কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য, মালদ্বীপ, স্লোভেনিয়া, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, বেলজিয়াম এবং আয়ারল্যান্ড—এই ১১টি দেশ এ মামলায় পক্ষভুক্ত হয়েছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক আদালতে গণহত্যার অভিযোগ প্রমাণ করা কঠিন। কারণ, কোনো জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে হত্যা বা নিপীড়নের ঘটনা ঘটেছে—এমনটি প্রমাণ করাই যথেষ্ট নয়।

অভিযোগকারীকে প্রমাণ করতে হবে যে, অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে কোনো জাতীয়, নৃতাত্ত্বিক, ধর্ম বা বর্ণের গোষ্ঠীকে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ধ্বংস করার সুনির্দিষ্ট অভিপ্রায়ে।

১৯৪৮ সালের গণহত্যা সনদে এই অভিপ্রায়কে গণহত্যার অন্যতম মূল উপাদান হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক বিচার আদালত রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তি করে এবং আন্তর্জাতিক চুক্তির অধীন রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা নিয়ে সিদ্ধান্ত দেয়। এটি ব্যক্তির ফৌজদারি বিচার করে না। আদালতের রায় চূড়ান্ত এবং এর বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ নেই।

বাংলাদেশের জন্যও এই মামলা গুরুত্বপূর্ণ। রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন নিয়ে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে আলোচনা চললেও তা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।

রয়টার্স বলেছে, এ মামলার রায় রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধের বিষয়ে আন্তর্জাতিক বিচারিক মূল্যায়ন এবং মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় দায় নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মালয়েশিয়া ৯ দেশের ১৮২ অভিবাসীকে ফেরত পাঠালো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:০৪ এম


মালয়েশিয়া ৯ দেশের ১৮২ অভিবাসীকে ফেরত পাঠালো

মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ বিদেশি নাগরিকদের আটক করার পর তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। অক্টোবর মাসের শেষ সপ্তাহে জোহর রাজ্যের পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপো থেকে ৯টি দেশের মোট ১৮২ জন আটক ব্যক্তিকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

ফেরত পাঠানো ১৮২ জনের মধ্যে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার ৮৫ জন, বাংলাদেশের ৪৫ জন, মিয়ানমারের ২৫ জন, পাকিস্তানের ১৫ জন, ভারতের ৩ জন, থাইল্যান্ডের ৩ জন, কম্বোডিয়ার ৩ জন, শ্রীলঙ্কার ২ জন এবং চীনের ১ জন নাগরিক। মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, আটক ব্যক্তিদের কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল-১ ও টার্মিনাল-২ ব্যবহার করে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে।

অধিকাংশ আটক ব্যক্তির বৈধ পাসপোর্ট ছিল। তবে যাদের পাসপোর্ট ছিল না, তাদের মধ্যে কয়েকজনকে নিজ নিজ দেশের দূতাবাসের মাধ্যমে জরুরি ভ্রমণ নথি বা ‘ইমার্জেন্সি ট্রাভেল ডকুমেন্ট’ প্রদান করা হয়েছে। এসব নথির ভিত্তিতে তাদের দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

অভিবাসন বিভাগ জানায়, ফেরত পাঠানো প্রত্যেক ব্যক্তির নাম কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। নির্ধারিত নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ অনুযায়ী তারা মালয়েশিয়ায় পুনরায় প্রবেশ করতে পারবেন না।

এদিকে, আটক ব্যক্তিদের দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ করার লক্ষ্যে পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে বিশেষ সেবাকেন্দ্র চালু রয়েছে। সেখান থেকে দেশে ফেরার বিমান টিকিট কেনাসহ প্রয়োজনীয় আনুষঙ্গিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ জন্য কোনো সেবামূল্য বা অতিরিক্ত চার্জ নেওয়া হয় না।

অভিবাসন বিভাগ বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিপোর রেকর্ড ও প্রত্যাবাসন ইউনিটের ০৭-৬৯৯৩৫৪০ নম্বরে যোগাযোগ অথবা অনলাইন অনুসন্ধান ব্যবস্থার মাধ্যমে তথ্য নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইতালিতে কর্মী নিতে নিয়োগদাতারাই দেবে প্রশিক্ষণের খরচ: রাষ্ট্রদূত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:২০ এম


ইতালিতে কর্মী নিতে নিয়োগদাতারাই দেবে প্রশিক্ষণের খরচ: রাষ্ট্রদূত

ইতালিতে কর্মী নিয়োগের জন্য গৃহীত বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রকল্পের সমস্ত খরচ সংশ্লিষ্ট নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠান বহন করবে। এই প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণার্থীদের কোনো অর্থ প্রদান করতে হবে না।

কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়ায় কোনো মধ্যস্থতাকারী বা এজেন্সির ভূমিকা থাকবে না। যদি কেউ মধ্যস্থতার জন্য অর্থ প্রদান করে, তাহলে তার ভিসা দেওয়া হবে না, এ কথা জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো।

গতকাল মঙ্গলবার, ঢাকার একটি হোটেলে ‘ল্যাঙ্গুয়েজ, সিভিক অ্যান্ড প্রফেশনাল ট্রেনিং ফর স্কিলড মাইগ্রেশন টু ইতালি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এসব মন্তব্য করেন। রাষ্ট্রদূত বলেন, ইতালির অভিবাসন আইনের ২৩ নম্বর অনুচ্ছেদের আওতায় গৃহীত প্রকল্পগুলো মূলত নিয়োগদাতার চাহিদার ভিত্তিতে তৈরি করা হবে।

ইতালির যেসব প্রতিষ্ঠান কর্মী প্রয়োজন, তারা প্রথমে কর্মীর চাহিদা নির্ধারণ করবে। সেই চাহিদার ভিত্তিতে প্রশিক্ষণ প্রকল্প তৈরি, প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচন এবং তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।

প্রশিক্ষণে ইতালীয় ভাষা, দেশটির সংস্কৃতি ও নাগরিক জীবন সম্পর্কে ধারণা এবং সংশ্লিষ্ট খাতের কারিগরি দক্ষতা শেখানো হবে। প্রতিটি প্রকল্প যথাযথভাবে যাচাই-বাছাইয়ের পর ইতালির শ্রম ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বাধীন আন্ত মন্ত্রণালয় কমিটির অনুমোদন পেতে পারে।

আন্তোনিও আলেসান্দ্রো বলেন, এসব প্রকল্পের অর্থায়ন পুরোপুরি ইতালির নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানিগুলো করবে। প্রশিক্ষণার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ নেওয়া হবে না। তবে ঢাকার বাইরে থেকে আসা প্রশিক্ষণার্থীদের আবাসনসহ কিছু আনুষঙ্গিক খরচ হতে পারে। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, আর্টিকেল ২৩-এর নির্দেশনায় মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে কর্মী নিয়োগের সুযোগ নেই। এ প্রক্রিয়ায় রিক্রুটিং এজেন্সির কোনো ভূমিকা নেই এবং এ ধরনের এজেন্সিকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণও জানানো হয়নি। যদি কোনো প্রশিক্ষণার্থী মধ্যস্থতার জন্য অর্থ প্রদান করে, তাহলে তার ভিসা দেওয়া হবে না।

তিনি আরও বলেন, ইতালিতে প্রায় আড়াই লাখ বাংলাদেশি ও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ইতালীয় নাগরিক বসবাস করছেন। তাদের মধ্যে অনেকের দ্বৈত নাগরিকত্ব রয়েছে। ২০২৫ সালে ইতালি থেকে বাংলাদেশে ১৭০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠানো হয়েছে। দুই দেশের সম্পর্ক জোরদারে প্রবাসী বাংলাদেশিরা গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধ হিসেবে কাজ করছেন।

তবে রাষ্ট্রদূত জানান, আর্টিকেল ২৩-এর প্রকল্পের আওতায় কর্মী যাওয়ার সুযোগ সীমিত। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এ প্রক্রিয়ায় কয়েক শ বা কয়েক হাজার কর্মী যেতে পারেন, তবে সংখ্যাটি এর বেশি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। ইতালির শ্রমবাজারে বিদেশি কর্মী নেওয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সীমাবদ্ধতা রয়েছে; একই দেশ থেকে কর্মী নেওয়ার ক্ষেত্রেও সীমা আছে।

নির্বাচিত না হলে অর্থ ব্যয় করে অন্য কোনো পথে ইতালি যাওয়ার চেষ্টা না করার পরামর্শ দেন আন্তোনিও আলেসান্দ্রো। তিনি বলেন, ভুয়া প্রতিশ্রুতি ও ভুয়া কর্মসংস্থানের প্রলোভন থেকে সতর্ক থাকতে হবে। সুযোগ না পেলে পরবর্তী সুযোগের জন্য অপেক্ষা করা কিংবা দেশে নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার দিকে মনোযোগ দেওয়া যেতে পারে। অবৈধ পথে যাওয়ার চেষ্টা অর্থ ও জীবনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঘুষের এক লাখ টাকাসহ দুদকের হাতে গ্রেপ্তার ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার কারাগারে প্রেরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:২১ এম


ঘুষের এক লাখ টাকাসহ দুদকের হাতে গ্রেপ্তার ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার কারাগারে প্রেরণ

রাজধানীর লালবাগ রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর হাতে ঘুষের এক লাখ টাকাসহ গ্রেপ্তার হওয়া মো. আসাদুল ইসলাম (৫১) নামে এক সার্ভেয়ারকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এ আদেশ প্রদান করেন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দুদকের আইনজীবী দেলোয়ার জাহান রুমি।

আসাদুল ইসলামকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার জন্য আবেদন করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মো. মাহাবুব মোর্শেদ। আদালতের বিচারক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আসাদুল ইসলামকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আসাদুল ইসলাম লালবাগ রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের সার্ভেয়ার হিসেবে কর্মরত। তিনি এক ব্যক্তির কাছ থেকে এক লাখ টাকা ঘুষ দাবি করার অভিযোগে দুদক ফাঁদ অভিযান পরিচালনা করে। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে লালবাগ রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের সার্ভেয়ারের নির্ধারিত কক্ষে আসাদুল ইসলামকে ওই টাকা প্রদান করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। টাকা গ্রহণের পর আসাদুল ইসলাম তা তার ডান পাশের সাইড টেবিলের দ্বিতীয় তাকের মধ্যে রাখেন। এ সময় দুদকের ফাঁদ দলের সদস্যরা তাকে হাতেনাতে আটক করেন।

ঘুষ গ্রহণের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে আসাদুল ইসলাম তা স্বীকার করেন। পরে তার ব্যবহৃত সাইড টেবিলের দ্বিতীয় তাক থেকে খাকি রঙের খামে রাখা এক লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা টাকার নম্বরের সঙ্গে আগের দিন অভিযোগকারীকে দেওয়া টাকার নম্বরের হুবহু মিল পাওয়া যায়। এ ঘটনায় দুদকের সহকারী পরিচালক মো. মাহাবুব মোর্শেদ দণ্ডবিধির ১৬১ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় আসামির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

এদিকে, দুদক জানিয়েছে, মো. মনিরুল ইসলাম (অব.) ঢাকা জেলার লালবাগ থানাধীন চর-কামরাঙ্গী মৌজার বিভিন্ন দাগে অবস্থিত মোট ২৮২ শতাংশ জমির মালিকদের কাছ থেকে নিবন্ধিত অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি গ্রহণ করেন। জমির সীমানা নির্ধারণ, সরকারি ও ব্যক্তিমালিকানাধীন সম্পত্তি পৃথকীকরণ এবং স্কেচম্যাপ তৈরির জন্য তিনি গত ২৭ এপ্রিল ঢাকা জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করেন। তবে প্রায় ছয় মাস ধরে লালবাগ রাজস্ব সার্কেলে একাধিকবার যোগাযোগ করেও সীমানা নির্ধারণের কাজ সম্পন্ন করতে পারেননি। একপর্যায়ে তাকে ওই কার্যালয়ের সার্ভেয়ার আসাদুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়।

পরবর্তীতে আসাদুল ইসলাম কাজটি সম্পন্ন করার বিনিময়ে ৮০ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। বিষয়টি দুদককে জানালে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা যাচাই করে ফাঁদ অভিযানের পরিকল্পনা করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় দুদকের ঢাকা জেলা কার্যালয়-১-এর একটি বিশেষ দল মঙ্গলবার পরিকল্পিত অভিযান পরিচালনা করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%