সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:১৫ এম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসার সম্ভাবনা তুলে ধরার লক্ষ্যে আগামী ৫ নভেম্বর ‘বাংলাদেশ এআই বিজনেস সামিট ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ উপলক্ষে সার্বিক প্রস্তুতি এবং উপকমিটিগুলোর কার্যক্রম পর্যালোচনা করতে রোববার সচিবালয়ে একটি প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন। মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এ সভায় সামিটের জন্য গঠিত বিভিন্ন উপকমিটির আহ্বায়ক, সদস্য সচিব এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) কর্মকর্তারাও ভার্চুয়ালি সভায় যুক্ত হন।
সভায় সামিটের আয়োজন, অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান, প্রদর্শনী, আলোচনা অধিবেশন এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে মতামত ও পরামর্শ প্রদান করা হয়। এছাড়া ব্যবসা-বাণিজ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) প্রয়োগ, উদ্ভাবনী উদ্যোগের প্রসার এবং শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সংযোগ প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সভায় জানানো হয়, সামিটে শতাধিক এআই ভিত্তিক স্টার্টআপ এবং উদ্ভাবনী উদ্যোগের অংশগ্রহণে প্রদর্শনী স্টল থাকবে। এসব স্টলে উদ্যোক্তাদের উদ্ভাবিত এআই প্রযুক্তি, পণ্য, সেবা এবং বাস্তবমুখী সমাধান তুলে ধরা হবে। এর মাধ্যমে এআই প্রযুক্তির বহুমুখী ব্যবহার সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি পাবে এবং উদ্যোক্তাদের উদ্ভাবন প্রদর্শনের পাশাপাশি সম্ভাব্য বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়িক অংশীদারদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হবে।
সামিটে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বর্তমান অগ্রগতি, ব্যবসায়িক প্রয়োগ, উদ্ভাবন এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে তিনটি আলোচনা অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। এতে বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ এবং উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করবেন।
আলোচনায় এআই প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার, দেশীয় উদ্ভাবনের বাণিজ্যিকীকরণ, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।
সভায় সামিটের সফল আয়োজন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট উপকমিটি এবং অংশীজনদের নির্ধারিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে আয়োজনের বিভিন্ন কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয়, অংশগ্রহণকারীদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং প্রদর্শনী ও আলোচনা অধিবেশন সফলভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়।
আয়োজকদের আশা, এ সামিট দেশের এআই ভিত্তিক উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোক্তা উন্নয়নের পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্যে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উল্লেখ্য, আগামী ৫ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) সকাল ১০টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের হল অব ফেমে সামিটের উদ্বোধনী অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। উদ্বোধনী অধিবেশনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, এমপি এবং ডিসিসিআই সভাপতি উপস্থিত থাকবেন।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ও ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি যৌথভাবে এ সামিটের আয়োজন করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বেতন ও পেনশন বৃদ্ধি, জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং সরকারি পরিষেবায় বিনিয়োগ বাড়ানোর দাবিতে আগামী ৫ নভেম্বর বৃহস্পতিবার ফ্রান্সজুড়ে ধর্মঘট ও বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে একাধিক শ্রমিক সংগঠন। একই দিনে রেলকর্মীদেরও ধর্মঘটের কর্মসূচি রয়েছে। ফলে কর্মীদের অংশগ্রহণের ওপর নির্ভর করে ট্রেন চলাচলসহ বিভিন্ন পরিষেবায় বিঘ্ন ঘটতে পারে।
গত ৫ অক্টোবর সে-এফ-দে-তে, সে-ঝে-তে, ফোর্স উভ্রিয়ের, উনসা ও এফ-এস-ইউ যৌথভাবে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেয়। সরকারি ও বেসরকারি খাতের কর্মীদের পাশাপাশি তরুণ ও অবসরপ্রাপ্তদেরও আন্দোলনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
শ্রমিক সংগঠনগুলোর অভিযোগ, খাদ্যপণ্য, জ্বালানি, বাড়ি ভাড়া, গ্যাস ও বিদ্যুতের ব্যয় বাড়লেও সেই অনুপাতে বেতন ও পেনশন বাড়ছে না। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তা এবং সরকারি পরিষেবায় অর্থায়ন কমানোর উদ্যোগ নিয়েও অসন্তোষ রয়েছে।
সংগঠনগুলোর প্রধান দাবির মধ্যে রয়েছে বেতন ও পেনশন বৃদ্ধি, ন্যূনতম মজুরি ও সামাজিক ভাতা পুনর্মূল্যায়ন, সরকারি কর্মীদের বেতন কাঠামোর উন্নয়ন এবং হাসপাতালসহ জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠানগুলোতে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ। শিল্প খাতে কর্মসংস্থান রক্ষা এবং করব্যবস্থায় ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার দাবিও তুলেছে তারা।
গত ২২ অক্টোবর সে-ঝে-তে আন্দোলন আরো বিস্তৃত করার আহ্বান জানায়। সংগঠনটির বক্তব্য, সরকারের সঙ্গে আলোচনায় শ্রমিকদের দাবির বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ না আসায় ধর্মঘটের মাধ্যমে চাপ বাড়ানো প্রয়োজন।
রেল চলাচলেও বিঘ্নের আশঙ্কা
ফ্রান্সের রেল সংস্থা এস-এন-সে-এফের চারটি প্রধান শ্রমিক সংগঠন সে-ঝে-তে শেমিনো, উনসা ফেরোভিয়ের, সুদ-রেল ও সে-এফ-দে-তে শেমিনো ৫ নভেম্বর যৌথ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে কর্মসংস্থান সুরক্ষা, বেতন বৃদ্ধি এবং কাজের পরিবেশের উন্নয়ন।
তবে কতসংখ্যক কর্মী ধর্মঘটে অংশ নেবেন এবং কোন রুটে কতটি ট্রেন চলবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। ফলে দেশজুড়ে রেল চলাচল বন্ধ থাকবে, এমন দাবি করার সুযোগ নেই। এ বিষয়ে এস-এন-সে-এফের সর্বশেষ ঘোষণার ওপর নির্ভর করতে হবে।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সতর্কতা
ধর্মঘটের প্রভাব পড়তে পারে কর্মস্থলে যাতায়াত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পৌঁছানো এবং বিভিন্ন সরকারি পরিষেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে। বিশেষ করে গণপরিবহনের ওপর নির্ভরশীল প্রবাসীদের যাত্রার আগে সংশ্লিষ্ট পরিবহন সংস্থার বিজ্ঞপ্তি দেখে নেওয়া উচিত।
ফ্রান্সে শ্রমিক সংগঠনগুলোর এই কর্মসূচি সরকারের অর্থনৈতিক ও সামাজিক নীতির ওপর চাপ তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এখন নজর থাকবে ধর্মঘটে কর্মীদের অংশগ্রহণ, বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভের ব্যাপ্তি এবং সরকারের পক্ষ থেকে দাবি-দাওয়া নিয়ে নতুন কোনো পদক্ষেপ আসে কি না সেদিকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ আফ্রিকায় সড়ক দুর্ঘটনায় নোয়াখালীর মো. রুবেল (৩৯) নামের এক যুবক মারা গেছেন। শনিবার (২৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় রাত ৮টার দিকে তিনি দোকানের মালামাল কিনে ফেরার সময় দুর্ঘটনার শিকার হন এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।
রুবেল নোয়াখালী পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের মধুপুর গ্রামের চুন বেপারী বাড়ির মৃত শাহ আলমের বড় ছেলে।
স্থানীয়রা ও নিহতের পরিবার জানায়, তিনি ২০২৩ সালে জীবিকার খোঁজে দক্ষিণ আফ্রিকা যান। সেখানে তার ফুফাতো ভাইয়ের দোকানে কর্মরত ছিলেন। শনিবার রাতে দোকানের মালামাল কিনে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু ঘটে। দেশে তার স্ত্রী, দুই সন্তান এবং বৃদ্ধ মা রয়েছেন। রুবেলের মৃত্যুতে পরিবার এবং এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্যকে হারানোর কারণে স্বজনরা তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারি সহযোগিতা কামনা করেছেন।
নোয়াখালী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হোমায়রা ইসলাম জানান, তিনি এ বিষয়ে খোঁজ-খবর নেবেন এবং মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লক্ষ্মীপুরে জাকির হোসেন জুয়েল নামে এক যুবককে গলায় ধারাল অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে তিনি এলাকায় ‘মাদক ব্যবসার’ সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পুলিশ ধারণা করছে, মাদক ব্যবসা নিয়ে বিরোধের ফলস্বরূপ এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১টার দিকে সদর উপজেলার দক্ষিণ হামছাদী ইউনিয়নের পূর্ব নন্দনপুর গ্রামের ডিপুটি বাড়ি এলাকার একটি সুপারি বাগান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে রাত ১১টার দিকে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি বা ব্যক্তিরা তাকে হত্যা করে মরদেহ বাগানে ফেলে রেখে যায়।
নিহত জুয়েল তোফায়েল আহমেদের ছেলে এবং তার বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদকের ঘটনায় একাধিক মামলা রয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কে বা কারা ধারাল অস্ত্র দিয়ে গলায় আঘাত করে জুয়েলকে হত্যা করে এবং পরে মরদেহটি বাগানে ফেলে যায়। স্থানীয়রা মরদেহটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। তার বিরুদ্ধে এলাকায় ইয়াবা বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, মাদক ব্যবসার জের ধরেই তাকে হত্যা করা হয়েছে।
লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, কিছুদিন আগে জুয়েল মাদক মামলায় জামিন পেয়েছিলেন। হত্যাকাণ্ডটি মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বের কারণে ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে। নিহতের মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জীবনের কষ্টার্জিত সঞ্চয় দিয়ে অনেকে এক টুকরো জমি ক্রয় করেন। কিন্তু জাল দলিল, ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) অথবা নকল পাওয়ার অব অ্যাটর্নির ফাঁদে পড়ে সেই স্বপ্নটি দুঃস্বপ্নে পরিণত হতে পারে। বিশেষ করে, দীর্ঘদিন অবহেলায় পড়ে থাকা বা দেখভালের অভাব রয়েছে এমন জমির ক্ষেত্রে প্রতারণার ঝুঁকি বেশি থাকে। সুতরাং, জমি কেনার পূর্বে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যাচাই করে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
সহকারী ভূমি কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান সতর্ক করে বলেছেন, জমি কেনার আগে সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ না করলে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন ক্রেতা। জমি কেনাবেচায় জালিয়াতি এড়াতে এবং আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তিনি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কৌশল অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়েছেন।
নিরাপদ জমি ক্রয়ের ৯টি কার্যকর কৌশল
ভলিউম-রেজিস্ট্রি নম্বর যাচাই: সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের মূল রেকর্ডের সঙ্গে দলিলের সাল, ভলিউম ও রেজিস্ট্রি নম্বর সঠিক আছে কিনা তা মিলিয়ে দেখা উচিত। প্রয়োজনে লিখিত দরখাস্ত প্রদান করুন।
সিল ও স্বাক্ষর চেক করুন: দলিলের সরকারি সিল এবং স্বাক্ষর স্বাভাবিক কিনা তা পরীক্ষা করুন। যদি অস্বাভাবিক কিছু মনে হয় অথবা সরকারি ছুটির দিনে রেজিস্ট্রি করা দলিল দেখেন, তাহলে সতর্ক থাকুন।
প্রকৃত মালিক চিনুন: স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে এবং পুরনো খতিয়ান যাচাই করে আসল মালিককে শনাক্ত করুন। একই জমিতে একাধিক মালিকের দাবি থাকলে আরও বেশি সতর্কতা অবলম্বন করুন।
নামজারি ও খতিয়ান পরীক্ষা: স্থানীয় সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে গিয়ে খতিয়ান, নামজারি, দাগ নম্বর, জমির পরিমাণ এবং সীমানা সঠিকভাবে মিলিয়ে দেখুন।
পাওয়ার অব অ্যাটর্নি যাচাই: আমমোক্তারনামার ক্ষেত্রে দলিলটিতে ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয় পক্ষের ছবি সংযুক্ত আছে কিনা তা নিশ্চিত করুন। ছবি না থাকলে সন্দেহ করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।
দখল ও তারিখের মিল: দলিলের তারিখের সঙ্গে বাস্তবে জমি বুঝিয়ে পাওয়ার সময় বা ঘটনার মিল আছে কিনা তা যাচাই করুন।
দলিল লেখকের খোঁজ নিন: দলিলটি কে তৈরি করেছেন (লেখক) তা জানুন এবং প্রয়োজনে সরেজমিন গিয়ে তথ্য যাচাই করুন।
ভায়া দলিল ও উত্তরাধিকার যাচাই: পুরনো ভায়া দলিল, উত্তরাধিকার সনদ এবং কর পরিশোধের রশিদ বিক্রেতার কাছ থেকে নিয়ে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে যাচাই করুন।
স্ট্যাম্পের উৎস ও সিরিয়াল: ব্যবহৃত স্ট্যাম্পগুলো কোথা থেকে কেনা হয়েছে এবং এর সিরিয়াল নম্বর সঠিক কিনা তা খতিয়ে দেখুন।
পরিশেষে, একাধিক স্তরে যাচাই-বাছাই না করে কখনোই জমি কেনার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন না। একটুখানি সতর্কতা ও সঠিক প্রস্তুতি আপনার কষ্টের জমানো টাকা এবং অমূল্য বিনিয়োগকে নিরাপদ রাখতে পারে। প্রয়োজনে অভিজ্ঞ কোনো আইনজীবী বা স্থানীয় ভূমি অফিসের সহায়তা গ্রহণ করুন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ