প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসার সম্ভাবনা তুলে ধরার লক্ষ্যে আগামী ৫ নভেম্বর ‘বাংলাদেশ এআই বিজনেস সামিট ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ উপলক্ষে সার্বিক প্রস্তুতি এবং উপকমিটিগুলোর কার্যক্রম পর্যালোচনা করতে রোববার সচিবালয়ে একটি প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন। মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এ সভায় সামিটের জন্য গঠিত বিভিন্ন উপকমিটির আহ্বায়ক, সদস্য সচিব এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) কর্মকর্তারাও ভার্চুয়ালি সভায় যুক্ত হন।
সভায় সামিটের আয়োজন, অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান, প্রদর্শনী, আলোচনা অধিবেশন এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে মতামত ও পরামর্শ প্রদান করা হয়। এছাড়া ব্যবসা-বাণিজ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) প্রয়োগ, উদ্ভাবনী উদ্যোগের প্রসার এবং শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সংযোগ প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সভায় জানানো হয়, সামিটে শতাধিক এআই ভিত্তিক স্টার্টআপ এবং উদ্ভাবনী উদ্যোগের অংশগ্রহণে প্রদর্শনী স্টল থাকবে। এসব স্টলে উদ্যোক্তাদের উদ্ভাবিত এআই প্রযুক্তি, পণ্য, সেবা এবং বাস্তবমুখী সমাধান তুলে ধরা হবে। এর মাধ্যমে এআই প্রযুক্তির বহুমুখী ব্যবহার সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি পাবে এবং উদ্যোক্তাদের উদ্ভাবন প্রদর্শনের পাশাপাশি সম্ভাব্য বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়িক অংশীদারদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হবে।
সামিটে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বর্তমান অগ্রগতি, ব্যবসায়িক প্রয়োগ, উদ্ভাবন এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে তিনটি আলোচনা অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। এতে বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ এবং উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করবেন।
আলোচনায় এআই প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার, দেশীয় উদ্ভাবনের বাণিজ্যিকীকরণ, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।
সভায় সামিটের সফল আয়োজন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট উপকমিটি এবং অংশীজনদের নির্ধারিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে আয়োজনের বিভিন্ন কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয়, অংশগ্রহণকারীদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং প্রদর্শনী ও আলোচনা অধিবেশন সফলভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়।
আয়োজকদের আশা, এ সামিট দেশের এআই ভিত্তিক উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোক্তা উন্নয়নের পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্যে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উল্লেখ্য, আগামী ৫ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) সকাল ১০টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের হল অব ফেমে সামিটের উদ্বোধনী অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। উদ্বোধনী অধিবেশনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, এমপি এবং ডিসিসিআই সভাপতি উপস্থিত থাকবেন।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ও ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি যৌথভাবে এ সামিটের আয়োজন করছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন