ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বর্ষায় তেজপাতার পানি পানে মিলতে পারে যেসব স্বাস্থ্য উপকারিতা


বর্ষায় তেজপাতার পানি পানে মিলতে পারে যেসব স্বাস্থ্য উপকারিতা

 

রান্নার স্বাদ ও ঘ্রাণ বাড়াতে ব্যবহৃত পরিচিত মসলা তেজপাতা শুধু খাবারের উপকরণ নয়, বরং এর রয়েছে নানা ভেষজ গুণও। দীর্ঘদিন ধরে আয়ুর্বেদে বিভিন্ন উপায়ে তেজপাতা ব্যবহার হয়ে আসছে। বিশেষ করে বর্ষাকালে সর্দি-কাশি, মাথাব্যথা বা হজমের সমস্যায় অনেকেই তেজপাতা ভেজানো অথবা ফোটানো পানি পান করে থাকেন।

তেজপাতায় থাকা পলিফেনল, ফ্ল্যাভনয়েড এবং ভিটামিন সি-এর মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে সহায়তা করতে পারে। এই উপাদানগুলো কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে এবং প্রদাহ কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে।

আরও পড়ুন: এমপি আব্দুল আজিজের আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, ক্ষোভ বৃদ্ধি

হজমের সমস্যা কমাতেও তেজপাতার ব্যবহার একটি প্রচলিত পদ্ধতি। এতে থাকা কিছু উপাদান হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করতে পারে এবং বদহজম, পেটফাঁপা অথবা হালকা পেটের অস্বস্তি কমাতে উপকারী হতে পারে।

কিছু গবেষণায় তেজপাতার উপাদান রক্তে শর্করার মাত্রা ও গ্লুকোজ বিপাকে সম্ভাব্য প্রভাবের বিষয়টি উঠে এসেছে। তবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে তেজপাতা কোনোভাবেই ওষুধের বিকল্প নয়; স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অংশ হিসেবে এটি গ্রহণের আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

তেজপাতায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অন্যান্য উপাদান হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য সহায়ক হতে পারে বলে বিভিন্ন গবেষণায় উল্লেখ পাওয়া গেছে। এগুলো শরীরে প্রদাহ কমাতে এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে পারে।

এ ছাড়া তেজপাতায় থাকা ভিটামিন এ, ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করতে পারে। ঋতু পরিবর্তনের সময়ে সর্দি-কাশির মতো সাধারণ সমস্যায় অনেকে তেজপাতা ফোটানো পানি পান করেন।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢামেকে আনা হলো আনিসুল, পলক ও মামুন

তবে মনে রাখতে হবে, তেজপাতার পানি পান করলেই সব ধরনের রোগ দূর হবে—এমন কোনো প্রমাণ নেই। যেকোনো স্বাস্থ্যসমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া অত্যন্ত জরুরি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাতে ব্যবহার না করেও স্মার্টফোনের চার্জ কেন কমে যায়, জানুন কারণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৪৬ এম


রাতে ব্যবহার না করেও স্মার্টফোনের চার্জ কেন কমে যায়, জানুন কারণ

অনেকেই রাতে ঘুমানোর সময় স্মার্টফোন ১০০ শতাংশ চার্জ করে রাখেন। কিন্তু সকালে উঠে দেখা যায়, কোনও ব্যবহার ছাড়াই চার্জ ৮ থেকে ১০ শতাংশ বা তারও অধিক কমে গেছে। এ কারণে অনেকের মনে হয়, হয়তো ব্যাটারিতে সমস্যা হয়েছে। কিন্তু সব সময় বিষয়টি ব্যাটারির ত্রুটির কারণে ঘটে না।

ফোনের বিভিন্ন ব্যাকগ্রাউন্ড কার্যক্রম, নেটওয়ার্ক সংযোগ, সফটওয়্যার সেটিংস এবং কিছু ফিচার চালু থাকার জন্য রাতে ধীরে ধীরে ব্যাটারির চার্জ কমে যেতে পারে।

ব্যাকগ্রাউন্ডে চলা অ্যাপগুলি

অনেক অ্যাপ ব্যবহৃত না হলেও পেছনে সক্রিয় থাকে। ই-মেইল সিঙ্ক, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নোটিফিকেশন, ক্লাউডে তথ্য সংরক্ষণ এবং লোকেশন আপডেটের মতো কাজ চলতেই থাকে। এগুলো প্রসেসর ও ইন্টারনেট ব্যবহার করে, যার ফলে ধীরে ধীরে ব্যাটারির শক্তি কমে যেতে পারে।

দুর্বল নেটওয়ার্কের প্রভাব

যদি রাতের বেলায় ফোন এমন কোনো স্থানে থাকে যেখানে মোবাইল নেটওয়ার্ক দুর্বল, তাহলে ডিভাইসটি বারবার নেটওয়ার্ক টাওয়ারের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করে। এই ক্রমাগত সিগন্যাল খোঁজার প্রক্রিয়া ব্যাটারির ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করে এবং ফোনটি ব্যবহার না করলেও চার্জ দ্রুত কমে হতে পারে।

ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ এবং লোকেশন সার্ভিসগুলোর সক্রিয়তা

অনেক ব্যবহারকারী রাতে ফোন রেখে যাওয়ার আগে ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ বা জিপিএস বন্ধ করেন না। এসব ফিচার সক্রিয় থাকলে ফোন নিয়মিত নেটওয়ার্ক বা আশপাশের ডিভাইস খুঁজতে শুরু করে। এতে অপ্রয়োজনীয়ভাবে ব্যাটারির শক্তি খরচ হয়।

সফটওয়্যার বা অ্যাপের সমস্যা

কখনও কখনও কোনো অ্যাপের ত্রুটি বা সফটওয়্যারের বাগের কারণে ফোনের প্রসেসর অস্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারে। ফলে ফোন স্লিপ মোডে থাকলেও ব্যাটারি স্বাভাবিকের তুলনায় দ্রুত শেষ হতে পারে। নিয়মিত সফটওয়্যার ও অ্যাপ আপডেট করলে এধরনের সমস্যা অনেক ক্ষেত্রে কমানো সম্ভব।

পুরনো ব্যাটারির কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া

লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি দীর্ঘদিন ব্যবহারের পর ধীরে ধীরে তার ধারণক্ষমতা আয়ত্তে রাখে। ফলে আগের মতো চার্জ ধরে রাখতে পারে না। ব্যাটারি পুরনো হলে ফোন ব্যবহার না করলেও চার্জ দ্রুত কমে যাওয়ার প্রবণতা দেখা দিতে পারে। এ ক্ষেত্রে ব্যাটারির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা জরুরি।

অতিরিক্ত নোটিফিকেশন এবং স্বয়ংক্রিয় সিঙ্ক

সারারাত ধরে বিভিন্ন অ্যাপের নোটিফিকেশন আসা, ছবি বা ফাইল ক্লাউডে আপলোড হওয়া এবং স্বয়ংক্রিয় আপডেট চলতে থাকলে ব্যাটারির ওপর প্রভাব পড়ে। ছোট ছোট এই কার্যক্রম মিলিত হয়ে রাতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ চার্জ খরচ হতে পারে।

তাপমাত্রার প্রভাব

অতিরিক্ত গরম বা ঠান্ডা পরিবেশেও ব্যাটারির কর্মক্ষমতা কমে যেতে পারে। তাই ফোনকে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রাখা উচিত এবং সরাসরি রোদ বা অতিরিক্ত গরম জায়গায় দীর্ঘ সময় রাখা এড়িয়ে চলা ভালো।

রাতের বেলায় অপ্রয়োজনীয় চার্জ ক্ষয় কমানোর উপায়

ঘুমানোর আগে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ বন্ধ করা, প্রয়োজন না হলে ব্লুটুথ ও লোকেশন সার্ভিস বন্ধ রাখা এবং দুর্বল নেটওয়ার্ক এলাকায় এয়ারপ্লেন মোড ব্যবহার করতে পারেন। পাশাপাশি নিয়মিত সফটওয়্যার আপডেট করা, ব্যাটারির অবস্থা পরীক্ষা করা এবং বেশি চার্জ খরচ করে এমন অ্যাপ নিয়ন্ত্রণে রাখলে রাতভর ব্যাটারি ক্ষয় অনেকটাই কমানো সম্ভব।

সূত্র- টেক অ্যাডভাইজর

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হত্যাকাণ্ডের দেড় মাস পরেও ব্যবসায়ী শামীমের মাথা উদ্ধার হয়নি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৬ এম


হত্যাকাণ্ডের দেড় মাস পরেও ব্যবসায়ী শামীমের মাথা উদ্ধার হয়নি

গত ৮ জুন বরগুনার গৌরীচন্না এলাকার একটি খাল থেকে স্থানীয় ব্যবসায়ী শামীমের মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

ওই দিনই অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন নিহতের স্ত্রী রোকসানা।

এরপর এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে একে একে ছয়জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

পরে পর্যায়ক্রমে সবার রিমান্ডও মঞ্জুর করেন আদালত।

তবুও এখন পর্যন্ত শামীমের মাথা উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।

এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, গৌরীচন্না এলাকার খালের যে স্থান থেকে শামীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়, সেই স্থান ও এর আশপাশের এলাকায় দফায় দফায় তল্লাশি চালিয়েছে পুলিশ।

এ ছাড়া একাধিকবার খালে জাল টেনে শামীমের মাথার সন্ধান চালিয়েছে ডিবি পুলিশ।

কিন্তু মাথার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

তবে পুলিশ বলছে, শিগগিরই শামীমের মাথা উদ্ধার করা হবে।

এ দিকে শামীম হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে এখন পর্যন্ত যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তারা হলেন: সজীব, শ্যামল, সফিক, দূর্জয়, সাগর এবং শিমুল।

মামলাটির তদন্ত করছে জেলা গোয়েন্দা সংস্থা (ডিবি)।

এ বিষয়ে গৌরীচন্না বাজারের ব্যবসায়ী মো. ফরিদ হোসেন বলেন, ‘ঘটনার দিন সন্ধ্যায় শামীম আমার দোকানে এসে চা খেয়ে রাত ৯টার দিকে পাশের দোকানে যায়।

এরপর আমি দোকান বন্ধ করে বাড়িতে চলে যাই।

পরে শুনতে পাই শামীমকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

পরবর্তী সময়ে খালের মধ্যে তার মাথাবিহীন মরদেহ পাওয়া যায়।

কিন্তু ওই ঘটনার এক মাস পার হলেও এখন পর্যন্ত শামীমের মাথাটি উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।’

এ বিষয়ে নিহত শামীমের প্রতিবেশী আফরুজা আক্তার সাথী বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের পর ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

কিন্তু গ্রেফতাররা আসল আসামি কিনা, তা আমরা জানি না।

যদি তারা মূল আসামি হয়, তাহলে এক মাস পার হলেও এখনও কেন প্রশাসন মাথাটি উদ্ধার করতে পারেনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা চাই, ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার করা হোক এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া হোক।

কিন্তু অন্য কেউ যাতে হয়রানির শিকার না হয়।’

নিহত ব্যবসায়ী শামীমের ছেলে মো. নাইম বলেন, ‘আমাদের পরিবারের একমাত্র ভরসাই ছিল আমার বাবা।

আমাদের সব চাহিদা তিনিই পূরণ করতেন।

এখন আর আমাদের চাহিদা পূরণের কেউ নেই।

প্রশাসনের কাছে আমার একটাই চাওয়া, বাবার মাথাটি উদ্ধারসহ জড়িতদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করুক।’

এ বিষয়ে শামীমের স্ত্রী রোকসানা বলেন, ‘এক মাসেরও বেশি হয়েছে আমার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে।

ছয়জনকে গ্রেফতার করলেও আমার স্বামীর মাথাটি এখন পর্যন্ত পাইনি।

তবে তাদের সন্দেহের ভিত্তিতে পুলিশ গ্রেফতার করছে।

কারণ আমি কারও নাম উল্লেখ করে মামলায় অভিযোগ দিতে পারিনি।

আমি প্রশাসনের কাছে বিচার চাই এবং স্বামীর মাথাটা উদ্ধারের দাবি জানাই।’

এ বিষয়ে বরগুনার পুলিশ সুপার মো. কুদরত-ই-খুদা বলেন, ‘এটি একটি নির্মম হত্যাকাণ্ড।

ঘটনার পরপরই মামলা রুজু হয়েছে।

বিভিন্ন ধরনের আলামত পর্যালোচনা করে পরপর ছয় আসামি গ্রেফতার করা হয়েছে।

পরবর্তীতে আদালতের মাধ্যমে রিমান্ড মঞ্জুর করে তাদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

আমরা নিশ্চিত- যারা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, এই ছয়জনের মধ্যে তারা আছেন।

তবে এর বাইরেও আরও দুই একজন থাকতে পারেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘গ্রেফতারদের জিজ্ঞাসাবাদের তথ্য অনুযায়ী ওই খালের মধ্যের বিভিন্ন জায়গায় জাল দিয়ে আমরা শামীমের মাথা খুঁজেছি।

কিন্তু একটি সমস্যা হলো- ওই খালে স্রোত এবং একটি স্লুইসগেট আছে।

ওই গেট থেকে মাথাটি বের হয়ে যদি বড় নদীতে চলে যায় তাহলে মাথাটি পাওয়ার আশা কম।

তবুও আমরা আশাবাদী- মাথাটি উদ্ধার করা সম্ভব হবে।

আমাদের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কিশোরদের রাতের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে বিধিনিষেধ আরোপ করছে যুক্তরাজ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:০৩ এম


কিশোরদের রাতের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে বিধিনিষেধ আরোপ করছে যুক্তরাজ্য

যুক্তরাজ্য সরকার ১৬ ও ১৭ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নতুন নীতিমালা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, রাত ১২টা থেকে ভোর পর্যন্ত ছয় ঘণ্টার একটি স্বেচ্ছামূলক ‘ডিজিটাল কারফিউ’ চালু করা হবে। তবে এটি বাধ্যতামূলক নয়; ব্যবহারকারীরা চাইলে ডিফল্টভাবে চালু থাকা এই সেটিংস বন্ধ করে আগের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করতে পারবেন।

ক্ষমতাসীন লেবার সরকার বুধবার (১৫ জুলাই) এই পরিকল্পনার কথা জানায়। শিশু ও কিশোরদের অনলাইনে ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষিত রাখার ধারাবাহিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। সরকারের প্রস্তাব অনুযায়ী, ১৬ ও ১৭ বছর বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য এমন কিছু ফিচারও স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ থাকবে, যেগুলো তাদের দীর্ঘ সময় ধরে প্ল্যাটফর্মে ধরতে ভূমিকা রাখে। এর মধ্যে রয়েছে ভিডিও শেষ হওয়ার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন ভিডিও চালু হওয়ার ‘অটোপ্লে’ সুবিধা।

এর আগে যুক্তরাজ্য সরকার ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে বিধিনিষেধ আরোপের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল। আগামী বসন্ত থেকে স্ন্যাপচ্যাট, টিকটক, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক ও এক্সের মতো প্ল্যাটফর্মে এই নিয়ম কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। তবে হোয়াটসঅ্যাপ ও সিগন্যালের মতো মেসেজিং অ্যাপ এই বিধিনিষেধের আওতায় থাকবে না।

প্রস্তাবিত নিয়ম বাস্তবায়নের জন্য নতুন আইন প্রয়োজন হবে। ধারণা করা হচ্ছে, ভবিষ্যতে সরকার পরিবর্তন হলেও এই উদ্যোগ এগিয়ে নেওয়া হতে পারে। যুক্তরাজ্যের অনলাইন সুরক্ষা মন্ত্রী কানিশকা নারায়ণ জানান, অনেকের ধারণা কিশোরেরা সহজেই এই কারফিউ সেটিংস বন্ধ করে দেবে। তবে তিনি এ মতের সঙ্গে একমত নন।

তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যে ৩০০-এর বেশি কিশোর-কিশোরী ও অভিভাবককে নিয়ে পরিচালিত একটি পরীক্ষামূলক কর্মসূচিতে দেখা গেছে, রাতের বেলায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। একই সঙ্গে অংশগ্রহণকারীদের ঘুম ও মনোযোগের মানও উন্নত হয়েছে।

স্কাই নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে কানিশকা নারায়ণ জানান, এর আগেও কয়েকটি প্ল্যাটফর্ম ডিফল্টভাবে এমন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু করেছিল। তখন ৯০ শতাংশের বেশি কিশোর-কিশোরী সেটিংস পরিবর্তন না করে আগের অবস্থাতেই রেখেছিল। তার মতে, সব তরুণ এই সুবিধা বন্ধ করে দেবে—এমন ধারণা সঠিক নয়।

তবে বিরোধী কনজারভেটিভ পার্টির শিক্ষা বিষয়ক মুখপাত্র লরা ট্রট এই পরিকল্পনার সমালোচনা করেছেন। তার মতে, যদি ১৬ ও ১৭ বছর বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের অনুমতি দেয়া হয়, তাহলে এমন কারফিউয়ের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়, কারণ ব্যবহারকারীরা চাইলে সেটি বন্ধ করতে পারবে।

অন্যদিকে শিশু অধিকারবিষয়ক দাতব্য সংস্থা এনএসপিসিসি জানিয়েছে, এই উদ্যোগ তরুণদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের অভিজ্ঞতা কিছুটা উন্নত করতে পারে। তবে শুধু এই পদক্ষেপ যথেষ্ট নয়। সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী ক্রিস শেরউড বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসক্তি বাড়ায় এমন নকশাগত বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন না করলে অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম ও মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যা পুরোপুরি কমানো সম্ভব হবে না।

ইংল্যান্ডের চিলড্রেনস কমিশনার র‍্যাচেল ডি সুজাও উদ্যোগটিকে ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, অনেক তরুণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সময় কমাতে চাইলেও বাস্তবে তা করা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই এই ধরনের নীতি কতটা কার্যকর হয়, তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশে থাকছেন যারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:১০ এম


বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশে থাকছেন যারা

 

ইংল্যান্ডকে সেমিফাইনালে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। এখন স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালের অপেক্ষায় লিওনেল স্কালোনির দল। আজ রোববার রাতে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে এই মহারণ অনুষ্ঠিত হবে।

বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা পুরো টুর্নামেন্টে অপরাজিত আছে। নকআউট পর্বে মোটামুটি একই একাদশ নিয়ে খেলেছে তারা। অভিজ্ঞতা আর তারুণ্যের মিশেলে দল সাজিয়েছেন স্কালোনি।

স্পেনের বিপক্ষে চেনা ৪-৪-২ ফরমেশনেই খেলার কথা আর্জেন্টিনার। আক্রমণে হুলিয়ান আলভারেজের সঙ্গে থাকবেন এনজো ফার্নান্দেজ ও লিওনেল মেসি।

গোলপোস্টের নিচে আবারও দেখা যাবে এমিলিয়ানো মার্তিনেজকে। টুর্নামেন্টের প্রতিটি ম্যাচেই শুরু থেকে খেলেছেন অ্যাস্টন ভিলার এই গোলরক্ষক। রক্ষণে তার সামনে থাকবেন পরিচিত মুখগুলোই।

ডান পাশে রক্ষণ সামলাবেন নাহুয়েল মলিনা। সেন্টার-ব্যাক জুটিতে থাকবেন ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো ও লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। বাঁ দিকে রক্ষণে থাকবেন নিকোলাস তালিয়াফিকো।

মাঝমাঠে শক্তি ও রক্ষণাত্মক দায়িত্ব সামলাবেন লিয়ান্দ্রো পারেদেস। সৃজনশীল ভূমিকায় এগিয়ে থেকে খেলবেন আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার। ডান দিকে থাকবেন রদ্রিগো দে পল।

আক্রমণভাগে জোড়া ফরোয়ার্ডের ডান দিকে খেলবেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। এবারের বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত আটটি গোল ও চারটি অ্যাসিস্ট করেছেন তিনি। তার সঙ্গী হবেন হুলিয়ান আলভারেজ, যিনি সেমিফাইনাল পর্যন্ত আসার পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। দলের সৃষ্টিশীল ভরসা এখনো মেসিই এবং গোল করার কাজটা ভালোভাবেই সামলাচ্ছেন আলভারেজ।

স্পেনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ– এমিলিয়ানো মার্তিনেজ;

নাহুয়েল মলিনা, ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেজ ও নিকোলাস তালিয়াফিকো;

রদ্রিগো দে পল, এনজো ফার্নান্দেজ, লেয়ান্দ্রো পারেদেস ও আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার;

লিওনেল মেসি ও হুলিয়ান আলভারেজ।

ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%