প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রান্নার স্বাদ ও ঘ্রাণ বাড়াতে ব্যবহৃত পরিচিত মসলা তেজপাতা শুধু খাবারের উপকরণ নয়, বরং এর রয়েছে নানা ভেষজ গুণও। দীর্ঘদিন ধরে আয়ুর্বেদে বিভিন্ন উপায়ে তেজপাতা ব্যবহার হয়ে আসছে। বিশেষ করে বর্ষাকালে সর্দি-কাশি, মাথাব্যথা বা হজমের সমস্যায় অনেকেই তেজপাতা ভেজানো অথবা ফোটানো পানি পান করে থাকেন।
তেজপাতায় থাকা পলিফেনল, ফ্ল্যাভনয়েড এবং ভিটামিন সি-এর মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে সহায়তা করতে পারে। এই উপাদানগুলো কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে এবং প্রদাহ কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে।
হজমের সমস্যা কমাতেও তেজপাতার ব্যবহার একটি প্রচলিত পদ্ধতি। এতে থাকা কিছু উপাদান হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করতে পারে এবং বদহজম, পেটফাঁপা অথবা হালকা পেটের অস্বস্তি কমাতে উপকারী হতে পারে।
কিছু গবেষণায় তেজপাতার উপাদান রক্তে শর্করার মাত্রা ও গ্লুকোজ বিপাকে সম্ভাব্য প্রভাবের বিষয়টি উঠে এসেছে। তবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে তেজপাতা কোনোভাবেই ওষুধের বিকল্প নয়; স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অংশ হিসেবে এটি গ্রহণের আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
তেজপাতায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অন্যান্য উপাদান হৃদ্স্বাস্থ্যের জন্য সহায়ক হতে পারে বলে বিভিন্ন গবেষণায় উল্লেখ পাওয়া গেছে। এগুলো শরীরে প্রদাহ কমাতে এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে পারে।
এ ছাড়া তেজপাতায় থাকা ভিটামিন এ, ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করতে পারে। ঋতু পরিবর্তনের সময়ে সর্দি-কাশির মতো সাধারণ সমস্যায় অনেকে তেজপাতা ফোটানো পানি পান করেন।
তবে মনে রাখতে হবে, তেজপাতার পানি পান করলেই সব ধরনের রোগ দূর হবে—এমন কোনো প্রমাণ নেই। যেকোনো স্বাস্থ্যসমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া অত্যন্ত জরুরি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন