জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি
০৭:০৬ পি.এম
রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলা পরিষদের আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের এডিপি (বিশেষ) বরাদ্দের অধীনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী, হারমোনিয়াম ও হাইজিন সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
শনিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত এই বিতরণের আয়োজন করে বালিয়াকান্দি উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়াম হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে এ অনুষ্ঠান।
রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই সকল সামগ্রী বিতরণ করেন, রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য হারুন অর রশিদ। এছাড়া অলোচিত সময়ে উপস্থিত ছিলেন রাজবাড়ী জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুস সালাম মিয়া, রাজবাড়ী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মন্জুর মোর্শেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) তারিফ-উল-হাসান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এহসানুল হক শিপন, থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রব তালুকদার সহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকগণ।
অনুষ্ঠানে রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য হারুন অর রশীদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরের পরিকল্পনায় স্কুল পর্যায়ে আজ যে সকল সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে সেটি অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৮ আগস্ট, ২০২৬ : বিএনপি ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক টিমসমূহের জরুরি সভায় পূর্বে ঘোষণা করা সাংগঠনিক টিমে কিছু পরিবর্তন এনে সংশোধিত তালিকা চূড়ান্ত অনুমোদন করা হয়েছে।
আজ (শনিবার) বেলা ১১টায় মহানগর বিএনপির কার্যালয়ের ভাসানী মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপি ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু। সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন।
সভা শেষে সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইদুর রহমান মিন্টু এক বার্তায় এ তথ্য জানান।
সংশোধিত সাংগঠনিক টিমগুলো হল:
টিম-১ : হাজারীবাগ, ধানমন্ডি, কলাবাগান ও নিউমার্কেট
টিম প্রধান হলেন হারুনুর রশিদ হারুন। সদস্যরা হলেন- অ্যাডভোকেট মকবুল হোসেন সরদার, কে.এম. জোবায়ের এজাজ, মামুন আহমেদ, কাবিরুল হায়দার চৌধুরী ও মো. আলম মৃধা।
টিম-২ : শাহবাগ ও রমনা
টিম প্রধান আ.ন.ম. সাইফুল ইসলাম। সদস্যরা হলেন- সাফুল্লাহ খালিদ রাজন, অ্যাডভোকেট আরিফা সুলতানা রুমা, খাজা হাবীব উল্লাহ হাবিব, মো. উজির হোসেন উজ্জল ও মোজাম্মেল হক মজু।
টিম-৩ : চকবাজার, লালবাগ ও কামরাঙ্গীরচর
টিম প্রধান লিটন মাহমুদ। সদস্যরা হলেন- আনোয়ার পারভেজ বাদল, সাইদ হাসান মিন্টু, সফিউদ্দিন আহমেদ সেন্টু, শামসুন নাহার ভূঁইয়া ও হাজী টিপু সুলতান।
টিম-৪ : খিলগাঁও, সবুজবাগ ও মুগদা
টিম প্রধান আব্দুস সাত্তার। সদস্যরা হলেন- বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম হোসেন, অ্যাডভোকেট ফারুকুল ইসলাম, শেখ মোহাম্মদ আলী চায়না, মো. হামিদুল হক, ইসমাইল তালুকদার খোকন ও মোয়াজ্জেম হোসেন খান।
টিম-৫ : সূত্রাপুর, গেন্ডারিয়া ও ওয়ারী
টিম প্রধান ফরহাদ হোসেন। সদস্যরা হলেন- ফরিদ উদ্দিন, মো. শরীফ হোসেন, ওমর নবী বাবু, নাসিমুল গণি খান ও মো. আক্তার হোসেন।
টিম-৬ : যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা
টিম প্রধান কে সিকান্দার কাদের। সদস্যরা হলেন- আকবর হোসেন ভূঁইয়া নান্টু, আলমগীর হোসেন, রাইসেল হাসান হবি, আনোয়ার হোসেন সরদার, মোফাজ্জল হোসেন ও আবুল হাশেম।
টিম-৭ : শ্যামপুর ও কদমতলী
টিম প্রধান হাজী মনির হোসেন চেয়ারম্যান। সদস্যরা হলেন- হাজী জুম্মন মিয়া, আনোয়ার কবির, জাফর আহমেদ, তোফায়েল আহমেদ, হাজী মোজাম্মেল হোসেন সিকদার ও হাজী জাকির হোসেন।
টিম-৮ : বংশাল ও কোতোয়ালী
টিম প্রধান মীর হোসেন মীরু। সদস্যরা হলেন- মীর আশরাফ আলী আজম, আরিফুর রহমান নাদিম, মোঃ লতিফ উল্লাহ জাফরু, নাছরিন রশিদ পুতুল, হাজী মোহাম্মদ নাজিম ও নুরুল কাদের নাছিম।
টিম-৯ : পল্টন, মতিঝিল ও শাহজাহানপুর
টিম প্রধান মোশররফ হোসেন খোকন। সদস্যরা হলেন- মকবুল ইসলাম খান টিপু, ফজলে রুবায়েত পাপ্পু, লোকমান হোসেন ফকির, অ্যাডভোকেট মহিউদ্দিন চৌধুরী ও অ্যাডভোকেট হোসাইন আব্দুর রহমান।
সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট টিমগুলোকে ইউনিট, ওয়ার্ড ও থানাসমূহের সঙ্গে সাংগঠনিক সভা করতে হবে।
এছাড়া সংশ্লিষ্ট টিমগুলো ইউনিট, ওয়ার্ড ও থানাসমূহের সাংগঠনিক অবস্থা সম্পর্কে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের কাছে লিখিত প্রতিবেদন জমা দেবেন।
সভায় সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাইফ-সোহা খানের বোন সাবা পতৌদি এখনও অবিবাহিত। শর্মিলা ঠাকুরের কন্যা ও বলিউডের একটি খুবই জনপ্রিয় শিল্পী পরিবারের সদস্য হিসেবে পরিচিত সাবা পতৌদি। যদিও পুরো পরিবার রূপালী পর্দার আলোয় উজ্জ্বল, তবুও তিনি নিজেকে গ্ল্যামার দুনিয়া থেকে দূরে রেখেছেন। পতৌদি পরিবারের বড় কন্যা হওয়ার পরেও অভিনয়ের পথে না হেঁটে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি জীবনধারা বেছে নিয়েছেন তিনি।
১৯৭৬ সালের ১ মে জন্মগ্রহণ করা সাবা পাতৌদি বর্তমানে ৫০ বছর বয়সি গহনা ডিজাইনার। তার সমাজবিজ্ঞানে নিজস্ব পরিচয় রয়েছে। ইনস্টাগ্রামের বায়ো অনুযায়ী, তিনি একজন ট্যারোট কার্ড রিডার এবং আধ্যাত্মিক হিলার হিসেবেও পরিচিত। অনুপ্রেরণাদায়ক কাজের সাথে সাথে ভোপালের ‘রয়েল অ্যান্ডোমেন্ট ট্রাস্ট’-এর প্রধান তত্ত্বাবধায়কের ভূমিকাও পালন করছেন। সাবা তার পরিবারের নানা মুহূর্তের গল্প এবং ছবি শেয়ার করার কারণে ইনস্টাগ্রামে ২ লাখ ৫৯ হাজার অনুসারী নিয়ে বেশ জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, অন্যান্য পরিবারের সদস্যরা বিনোদনের ভারী জগতে থাকলেও সাবা কখনো বিয়ের পিঁড়িতে বসেননি। সম্প্রতি নেহা ধুপিয়া ও অঙ্গদ বেদীর সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার বিয়ে না করা এবং ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছেন। সাবা জানান যে জীবনে তার কখনো প্রথম প্রেমিক ছিল না এবং ১৮ বা ১৯ বছর বয়স থেকেই তার কাছে বিভিন্ন পাত্রের প্রস্তাব আসতে থাকে।
তিনি বলেন, "১৯ বছর বয়সে কলকাতার এক পাত্রের সঙ্গে আমার বিয়ের আলোচনা প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটা হয়নি, কারণ তখন আমি বিয়ের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলাম না।" পরবর্তী সময়ে বিয়ের বিষয়ে ইতিবাচক থাকলেও, তিনি মনের মতো সঙ্গী পাননি বলে জানান। এই বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সাবা তার প্রয়াত বাবা এবং ভারতের সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক মনসুর আলি খান পতৌদির ব্যক্তিত্ব তুলে ধরেন।
সাবা বলেন, "আমার বাবা খুব আকর্ষণীয়, নম্র এবং দায়িত্বশীল ব্যক্তি ছিলেন। তিনি আমাকে আত্মনির্ভরশীল হতে শিখিয়েছেন। আমি বাবার মতো কাউকে খুঁজছিলাম না, কিন্তু একজন বাবার গুণাবালী তো বাবাতেই বিদ্যমান।" কিছুদিন আগে অভিনেত্রী তাপসী পান্নুর কথার উল্লেখ করে সাবা বলেন, "আমার কোনো ছেলের প্রয়োজন নেই, আমার প্রয়োজন একজন পুরুষের।" তিনি এই মন্তব্যের সঙ্গে নিজেকে মেলাতে পারেন।
সব মিলিয়ে, পরিবারের মহৎ তারকা জগতের মাঝে চলতে চলতে, পাতৌদি পরিবারের এই জ্যেষ্ঠ কন্যা নিজের স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করে এবং স্বাধীন মানসিকতাকে গুরুত্ব দিয়েই জীবনযাপন করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার ধাওয়া ইউনিয়নে বিএনপি ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী এবং পিরোজপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী আহমাদ সোহেল মনজুর সুমনের সার্বিক দিক নির্দেশনায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
আয়োজিত অনুষ্ঠানে ধাওয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কাজী আব্দুল কুদ্দুস-এর সভাপতিত্বে এবং ধাওয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মোঃ মাসুম বিল্লাহ-এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাণ্ডারিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনির হোসেন আকন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এবং উপস্থিত ছিলেন ভাণ্ডারিয়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন বিপ্লব, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ মলাদ জমাদ্দার, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক ছাকিব হোসেন সম্রাট, ধাওয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ রেজাউল করিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ এম জামাল হায়দার, ধাওয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের আহ্বায়ক আব্দুল আলিম এবং সাবেক ছাত্রনেতা ইবনে সাকিব রিয়াদ।
বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আহ্বান এবং পরিবেশ সুরক্ষার এই সামাজিক আন্দোলনকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে সকলকে অন্তত তিনটি করে গাছের চারা রোপণ করার আহ্বান জানানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীর হস্তক্ষেপে রক্ষা পেয়েছে ময়মনসিংহের নান্দাইল-তাড়াইল সড়কের যুগের হাওর নামক স্থানে থাকা বিশাল গাছটি। শনিবার তোলা হয়েছে ছবিটি। গাছটি দাঁড়িয়ে নবনির্মিত সেতু ঘেঁষে রয়েছে। এর শক্তিশালী শিকড় ধরে রেখেছে সড়ক ও সেতুর নিচের মাটি।
জনৈক ব্যবসায়ী হঠাৎ গাছটি কাটতে শুরু করেন। তবে শেষ মুহূর্তে, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীর হস্তক্ষেপের কারণে গাছটি রক্ষা পেয়েছে। সেই সঙ্গে, আপাতত ঝুঁকিমুক্ত হয়েছে নবনির্মিত একটি সেতু ও সড়ক।
ঘটনাটি ময়মনসিংহের নান্দাইল-তাড়াইল সড়কের যুগের হাওর নামক স্থানে ঘটেছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, মাঠপর্যায়ে পরিদর্শন না করেই গুরুত্বপূর্ণ এই গাছটি কাটার নির্দেশ দেয় বনবিভাগ। বিশাল গাছটি কাটা শুরু হয়েছিল ওপরের ডালপালা দিয়ে। একপর্যায়ে, ময়মনসিংহ ৯ (নান্দাইল) আসনের সংসদ সদস্য এবং তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীর বাধায়, বিশাল রেইন্ট্রি গাছটি শুধুমাত্র রক্ষা পেয়েছে তা-ই নয়, ক্ষতিপূরণ হিসেবে গাছটির আশপাশে রোপণ করা হয়েছে আরো ছয়টি অর্জুন গাছের চারা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরজমিন না গিয়েই টেন্ডারের মাধ্যমে বিশাল রেইন্ট্রি গাছটি কাটার নির্দেশ দেয় নান্দাইল বনবিভাগ। গাছটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩৩ হাজার ২০০ টাকা, যা গাছটির প্রকৃত মূল্য থেকে অনেক কম।
স্থানীয়দের ভাষ্য, বনবিভাগের কর্মকর্তারা একবারের জন্যও যুগের হাওর এলাকায় এসে গাছটির অবস্থান দেখলে এটি কাটার অনুমতি দিতে পারতেন না। কর্মকর্তাদের এমন সিদ্ধান্তের কারণে, গত তিন দিন ধরে জনৈক ব্যবসায়ী আল আমীন গাছটির ওপরের অংশ কেটে প্রায় সাবাড় করে ফেলেন। গাছটি কেটে ফেলে দেওয়া হলে, কোটি টাকার সরকারি অবকাঠামো ঝুঁকিতে পড়তো।
স্থানীয়রা জানায়, নান্দাইল-তাড়াইল সড়কের যুগের হাওর এলাকায় নবনির্মিত একটি সেতুর দেয়াল ঘেঁষে দাঁড়িয়ে রয়েছে গাছটি। এর বিশাল ও শক্তিশালী শিকড় পুরো সড়ক এবং সেতুর নিচের মাটি শক্ত করে ধরে রেখেছে। ছয় মাস আগে সেতুটি সম্প্রসারণ করা হলে, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান গাছটির গুরুত্ব বুঝতে পেরে এটি না কেটেই বিকল্প উপায় গ্রহণ করে সেতুর কাজ শেষ করে।
স্থানীয়রা আরো জানায়, গাছটি কাটা হলে বর্ষায় বা পানির স্রোতে মাটি সরে গিয়ে পুরো সেতুটি ধসে পড়ার ঝুঁকি ছিল। এছাড়া, ঝুঁকি ছিল আঞ্চলিক সড়কটি ভেঙে যাওয়ারও। বনবিভাগ বিষয়টি এড়িয়ে গাছ কাটার টেন্ডার দেয়।
আজ শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে, এ প্রতিবেদক ওই সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় গাছ কাটার দৃশ্যটি দেখতে পান। পরে এ নিয়ে তথ্য সংগ্রহ শুরু করলে কর্তৃপক্ষের মধ্যে টনক নড়ে। তার মাধ্যমে, বিষয়টি তাৎক্ষণিক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীর নজরে এলে, তিনি ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক ও বনবিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময়, গাছ কাটা বন্ধের নির্দেশ দেন তিনি।
এদিকে, প্রতিমন্ত্রীর কড়া বার্তার পরে, নান্দাইল বনবিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা হাদিউল ইসলাম দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং গাছ কাটার কাজ স্থায়ীভাবে বন্ধ করেন। একইসঙ্গে, প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী পরিবেশ ও মাটির ভারসাম্য রক্ষায় সেখানে তাৎক্ষণিক ছয়টি অর্জুন গাছের চারা রোপণ করা হয়।
এ ব্যাপারে, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, ‘নিয়মমাফিক সবকিছু বিবেচনা করলে গাছটি কাটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এটি শুধুমাত্র পাখির আবাসস্থল বা পরিবেশের বিষয় নয়, এটি সড়ক ও সেতু রক্ষার রক্ষাকবচ হিসেবেও কাজ করছিল।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, মাঠপর্যায়ের প্রকৃত চিত্র না দেখে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া মোটেও ঠিক ছিল না। তাই খবর পাওয়ামাত্রই আমি এটি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছি এবং পাশে আরো গাছ লাগাতে বলেছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ