প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সাইফ-সোহা খানের বোন সাবা পতৌদি এখনও অবিবাহিত। শর্মিলা ঠাকুরের কন্যা ও বলিউডের একটি খুবই জনপ্রিয় শিল্পী পরিবারের সদস্য হিসেবে পরিচিত সাবা পতৌদি। যদিও পুরো পরিবার রূপালী পর্দার আলোয় উজ্জ্বল, তবুও তিনি নিজেকে গ্ল্যামার দুনিয়া থেকে দূরে রেখেছেন। পতৌদি পরিবারের বড় কন্যা হওয়ার পরেও অভিনয়ের পথে না হেঁটে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি জীবনধারা বেছে নিয়েছেন তিনি।
১৯৭৬ সালের ১ মে জন্মগ্রহণ করা সাবা পাতৌদি বর্তমানে ৫০ বছর বয়সি গহনা ডিজাইনার। তার সমাজবিজ্ঞানে নিজস্ব পরিচয় রয়েছে। ইনস্টাগ্রামের বায়ো অনুযায়ী, তিনি একজন ট্যারোট কার্ড রিডার এবং আধ্যাত্মিক হিলার হিসেবেও পরিচিত। অনুপ্রেরণাদায়ক কাজের সাথে সাথে ভোপালের ‘রয়েল অ্যান্ডোমেন্ট ট্রাস্ট’-এর প্রধান তত্ত্বাবধায়কের ভূমিকাও পালন করছেন। সাবা তার পরিবারের নানা মুহূর্তের গল্প এবং ছবি শেয়ার করার কারণে ইনস্টাগ্রামে ২ লাখ ৫৯ হাজার অনুসারী নিয়ে বেশ জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, অন্যান্য পরিবারের সদস্যরা বিনোদনের ভারী জগতে থাকলেও সাবা কখনো বিয়ের পিঁড়িতে বসেননি। সম্প্রতি নেহা ধুপিয়া ও অঙ্গদ বেদীর সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার বিয়ে না করা এবং ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছেন। সাবা জানান যে জীবনে তার কখনো প্রথম প্রেমিক ছিল না এবং ১৮ বা ১৯ বছর বয়স থেকেই তার কাছে বিভিন্ন পাত্রের প্রস্তাব আসতে থাকে।
তিনি বলেন, "১৯ বছর বয়সে কলকাতার এক পাত্রের সঙ্গে আমার বিয়ের আলোচনা প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটা হয়নি, কারণ তখন আমি বিয়ের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলাম না।" পরবর্তী সময়ে বিয়ের বিষয়ে ইতিবাচক থাকলেও, তিনি মনের মতো সঙ্গী পাননি বলে জানান। এই বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সাবা তার প্রয়াত বাবা এবং ভারতের সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক মনসুর আলি খান পতৌদির ব্যক্তিত্ব তুলে ধরেন।
সাবা বলেন, "আমার বাবা খুব আকর্ষণীয়, নম্র এবং দায়িত্বশীল ব্যক্তি ছিলেন। তিনি আমাকে আত্মনির্ভরশীল হতে শিখিয়েছেন। আমি বাবার মতো কাউকে খুঁজছিলাম না, কিন্তু একজন বাবার গুণাবালী তো বাবাতেই বিদ্যমান।" কিছুদিন আগে অভিনেত্রী তাপসী পান্নুর কথার উল্লেখ করে সাবা বলেন, "আমার কোনো ছেলের প্রয়োজন নেই, আমার প্রয়োজন একজন পুরুষের।" তিনি এই মন্তব্যের সঙ্গে নিজেকে মেলাতে পারেন।
সব মিলিয়ে, পরিবারের মহৎ তারকা জগতের মাঝে চলতে চলতে, পাতৌদি পরিবারের এই জ্যেষ্ঠ কন্যা নিজের স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করে এবং স্বাধীন মানসিকতাকে গুরুত্ব দিয়েই জীবনযাপন করছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন