ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এখনও সিঙ্গেল সাইফের বোন


এখনও সিঙ্গেল সাইফের বোন

সাইফ-সোহা খানের বোন সাবা পতৌদি এখনও অবিবাহিত। শর্মিলা ঠাকুরের কন্যা ও বলিউডের একটি খুবই জনপ্রিয় শিল্পী পরিবারের সদস্য হিসেবে পরিচিত সাবা পতৌদি। যদিও পুরো পরিবার রূপালী পর্দার আলোয় উজ্জ্বল, তবুও তিনি নিজেকে গ্ল্যামার দুনিয়া থেকে দূরে রেখেছেন। পতৌদি পরিবারের বড় কন্যা হওয়ার পরেও অভিনয়ের পথে না হেঁটে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি জীবনধারা বেছে নিয়েছেন তিনি।

১৯৭৬ সালের ১ মে জন্মগ্রহণ করা সাবা পাতৌদি বর্তমানে ৫০ বছর বয়সি গহনা ডিজাইনার। তার সমাজবিজ্ঞানে নিজস্ব পরিচয় রয়েছে। ইনস্টাগ্রামের বায়ো অনুযায়ী, তিনি একজন ট্যারোট কার্ড রিডার এবং আধ্যাত্মিক হিলার হিসেবেও পরিচিত। অনুপ্রেরণাদায়ক কাজের সাথে সাথে ভোপালের ‘রয়েল অ্যান্ডোমেন্ট ট্রাস্ট’-এর প্রধান তত্ত্বাবধায়কের ভূমিকাও পালন করছেন। সাবা তার পরিবারের নানা মুহূর্তের গল্প এবং ছবি শেয়ার করার কারণে ইনস্টাগ্রামে ২ লাখ ৫৯ হাজার অনুসারী নিয়ে বেশ জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, অন্যান্য পরিবারের সদস্যরা বিনোদনের ভারী জগতে থাকলেও সাবা কখনো বিয়ের পিঁড়িতে বসেননি। সম্প্রতি নেহা ধুপিয়া ও অঙ্গদ বেদীর সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার বিয়ে না করা এবং ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছেন। সাবা জানান যে জীবনে তার কখনো প্রথম প্রেমিক ছিল না এবং ১৮ বা ১৯ বছর বয়স থেকেই তার কাছে বিভিন্ন পাত্রের প্রস্তাব আসতে থাকে।

আরও পড়ুন: ইসরায়েলে রাজনৈতিক অচলাবস্থা: সরকার গঠনের তিন সম্ভাব্য পথ

তিনি বলেন, "১৯ বছর বয়সে কলকাতার এক পাত্রের সঙ্গে আমার বিয়ের আলোচনা প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটা হয়নি, কারণ তখন আমি বিয়ের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলাম না।" পরবর্তী সময়ে বিয়ের বিষয়ে ইতিবাচক থাকলেও, তিনি মনের মতো সঙ্গী পাননি বলে জানান। এই বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সাবা তার প্রয়াত বাবা এবং ভারতের সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক মনসুর আলি খান পতৌদির ব্যক্তিত্ব তুলে ধরেন।

সাবা বলেন, "আমার বাবা খুব আকর্ষণীয়, নম্র এবং দায়িত্বশীল ব্যক্তি ছিলেন। তিনি আমাকে আত্মনির্ভরশীল হতে শিখিয়েছেন। আমি বাবার মতো কাউকে খুঁজছিলাম না, কিন্তু একজন বাবার গুণাবালী তো বাবাতেই বিদ্যমান।" কিছুদিন আগে অভিনেত্রী তাপসী পান্নুর কথার উল্লেখ করে সাবা বলেন, "আমার কোনো ছেলের প্রয়োজন নেই, আমার প্রয়োজন একজন পুরুষের।" তিনি এই মন্তব্যের সঙ্গে নিজেকে মেলাতে পারেন।

সব মিলিয়ে, পরিবারের মহৎ তারকা জগতের মাঝে চলতে চলতে, পাতৌদি পরিবারের এই জ্যেষ্ঠ কন্যা নিজের স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করে এবং স্বাধীন মানসিকতাকে গুরুত্ব দিয়েই জীবনযাপন করছেন।

আরও পড়ুন: নির্বাচনে হারের মুখে আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগ লিকুদ পার্টির

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাণ্ডারিয়ায় বিএনপির উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:১৩ পি.এম


ভাণ্ডারিয়ায় বিএনপির উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার ধাওয়া ইউনিয়নে বিএনপি ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী এবং পিরোজপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী আহমাদ সোহেল মনজুর সুমনের সার্বিক দিক নির্দেশনায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

আয়োজিত অনুষ্ঠানে ধাওয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কাজী আব্দুল কুদ্দুস-এর সভাপতিত্বে এবং ধাওয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মোঃ মাসুম বিল্লাহ-এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাণ্ডারিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনির হোসেন আকন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এবং উপস্থিত ছিলেন ভাণ্ডারিয়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন বিপ্লব, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ মলাদ জমাদ্দার, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক ছাকিব হোসেন সম্রাট, ধাওয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ রেজাউল করিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ এম জামাল হায়দার, ধাওয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের আহ্বায়ক আব্দুল আলিম এবং সাবেক ছাত্রনেতা ইবনে সাকিব রিয়াদ।

বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আহ্বান এবং পরিবেশ সুরক্ষার এই সামাজিক আন্দোলনকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে সকলকে অন্তত তিনটি করে গাছের চারা রোপণ করার আহ্বান জানানো হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাছ কাটার উদ্যোগে শেষ মুহূর্তে প্রতিমন্ত্রীর বাধা, ঝুঁকিমুক্ত হলো সড়ক ও সেতু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:১৩ পি.এম


গাছ কাটার উদ্যোগে শেষ মুহূর্তে প্রতিমন্ত্রীর বাধা, ঝুঁকিমুক্ত হলো সড়ক ও সেতু

প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীর হস্তক্ষেপে রক্ষা পেয়েছে ময়মনসিংহের নান্দাইল-তাড়াইল সড়কের যুগের হাওর নামক স্থানে থাকা বিশাল গাছটি। শনিবার তোলা হয়েছে ছবিটি। গাছটি দাঁড়িয়ে নবনির্মিত সেতু ঘেঁষে রয়েছে। এর শক্তিশালী শিকড় ধরে রেখেছে সড়ক ও সেতুর নিচের মাটি।

জনৈক ব্যবসায়ী হঠাৎ গাছটি কাটতে শুরু করেন। তবে শেষ মুহূর্তে, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীর হস্তক্ষেপের কারণে গাছটি রক্ষা পেয়েছে। সেই সঙ্গে, আপাতত ঝুঁকিমুক্ত হয়েছে নবনির্মিত একটি সেতু ও সড়ক।

ঘটনাটি ময়মনসিংহের নান্দাইল-তাড়াইল সড়কের যুগের হাওর নামক স্থানে ঘটেছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, মাঠপর্যায়ে পরিদর্শন না করেই গুরুত্বপূর্ণ এই গাছটি কাটার নির্দেশ দেয় বনবিভাগ। বিশাল গাছটি কাটা শুরু হয়েছিল ওপরের ডালপালা দিয়ে। একপর্যায়ে, ময়মনসিংহ ৯ (নান্দাইল) আসনের সংসদ সদস্য এবং তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীর বাধায়, বিশাল রেইন্ট্রি গাছটি শুধুমাত্র রক্ষা পেয়েছে তা-ই নয়, ক্ষতিপূরণ হিসেবে গাছটির আশপাশে রোপণ করা হয়েছে আরো ছয়টি অর্জুন গাছের চারা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরজমিন না গিয়েই টেন্ডারের মাধ্যমে বিশাল রেইন্ট্রি গাছটি কাটার নির্দেশ দেয় নান্দাইল বনবিভাগ। গাছটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩৩ হাজার ২০০ টাকা, যা গাছটির প্রকৃত মূল্য থেকে অনেক কম।

স্থানীয়দের ভাষ্য, বনবিভাগের কর্মকর্তারা একবারের জন্যও যুগের হাওর এলাকায় এসে গাছটির অবস্থান দেখলে এটি কাটার অনুমতি দিতে পারতেন না। কর্মকর্তাদের এমন সিদ্ধান্তের কারণে, গত তিন দিন ধরে জনৈক ব্যবসায়ী আল আমীন গাছটির ওপরের অংশ কেটে প্রায় সাবাড় করে ফেলেন। গাছটি কেটে ফেলে দেওয়া হলে, কোটি টাকার সরকারি অবকাঠামো ঝুঁকিতে পড়তো।

স্থানীয়রা জানায়, নান্দাইল-তাড়াইল সড়কের যুগের হাওর এলাকায় নবনির্মিত একটি সেতুর দেয়াল ঘেঁষে দাঁড়িয়ে রয়েছে গাছটি। এর বিশাল ও শক্তিশালী শিকড় পুরো সড়ক এবং সেতুর নিচের মাটি শক্ত করে ধরে রেখেছে। ছয় মাস আগে সেতুটি সম্প্রসারণ করা হলে, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান গাছটির গুরুত্ব বুঝতে পেরে এটি না কেটেই বিকল্প উপায় গ্রহণ করে সেতুর কাজ শেষ করে।

স্থানীয়রা আরো জানায়, গাছটি কাটা হলে বর্ষায় বা পানির স্রোতে মাটি সরে গিয়ে পুরো সেতুটি ধসে পড়ার ঝুঁকি ছিল। এছাড়া, ঝুঁকি ছিল আঞ্চলিক সড়কটি ভেঙে যাওয়ারও। বনবিভাগ বিষয়টি এড়িয়ে গাছ কাটার টেন্ডার দেয়।

আজ শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে, এ প্রতিবেদক ওই সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় গাছ কাটার দৃশ্যটি দেখতে পান। পরে এ নিয়ে তথ্য সংগ্রহ শুরু করলে কর্তৃপক্ষের মধ্যে টনক নড়ে। তার মাধ্যমে, বিষয়টি তাৎক্ষণিক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীর নজরে এলে, তিনি ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক ও বনবিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময়, গাছ কাটা বন্ধের নির্দেশ দেন তিনি।

এদিকে, প্রতিমন্ত্রীর কড়া বার্তার পরে, নান্দাইল বনবিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা হাদিউল ইসলাম দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং গাছ কাটার কাজ স্থায়ীভাবে বন্ধ করেন। একইসঙ্গে, প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী পরিবেশ ও মাটির ভারসাম্য রক্ষায় সেখানে তাৎক্ষণিক ছয়টি অর্জুন গাছের চারা রোপণ করা হয়।

এ ব্যাপারে, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, ‘নিয়মমাফিক সবকিছু বিবেচনা করলে গাছটি কাটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এটি শুধুমাত্র পাখির আবাসস্থল বা পরিবেশের বিষয় নয়, এটি সড়ক ও সেতু রক্ষার রক্ষাকবচ হিসেবেও কাজ করছিল।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, মাঠপর্যায়ের প্রকৃত চিত্র না দেখে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া মোটেও ঠিক ছিল না। তাই খবর পাওয়ামাত্রই আমি এটি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছি এবং পাশে আরো গাছ লাগাতে বলেছি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অবশেষে সালমান শাহর মৃত্যু নিয়ে মুখ খুললেন শাবনূর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:২১ পি.এম


অবশেষে সালমান শাহর মৃত্যু নিয়ে মুখ খুললেন শাবনূর

অবশেষে দেশের প্রখ্যাত চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যু নিয়ে মুখ খুলেছেন শাবনূর। 

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহ নিজ বাড়িতে মৃ্ত্যুবরণ করেন। এই ঘটনার ৩০ বছর পেড়িয়ে গেলেও, সালমান শাহর মৃত্যু সম্পর্কে আজও নানা আলোচনা চলছে। সম্প্রতি শাবনূরের নাম উল্লেখ করেছেন রিজভী আহমেদ ওরফে ফরহাদ সালমান শাহ প্রসঙ্গে। এতদিন চুপ থাকার পর, শাবনূর এবার মুখ খুলেছেন।

শনিবার (৮ আগস্ট) শাবনূর একটি দীর্ঘ ফেসবুক বার্তায় সালমান শাহর মৃত্যু নিয়ে বিশদ ব্যাখ্যা দিয়েছেন। আরটিভির পাঠকদের জন্য পোস্টটি তুলে ধরা হলো।

রিজভী আহমেদ সালমান শাহর মৃত্যু পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে রাজসাক্ষী হয়েছিলেন। তিনি অন্যান্য মামলায় সালমান শাহর ছোট ভাইকে অপহরণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর ১৯৯৭ সালে সালমান শাহ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা আদালতে স্বীকার করেন। ওই জবানবন্দিতে তিনি জানান, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ১২ লক্ষ টাকার বিনিময়ে সালমান শাহকে হত্যার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে তিনি জড়িত ছিলেন।

সে সময় তিনি প্রায় ৯ মাস কারাগারে ছিলেন। জামিনে মুক্ত হওয়ার পর, তিনি যুক্তরাজ্যে চলে যান। সেখানে একটি ভিডিও বার্তায় তিনি আবার সালমান শাহর হত্যাকাণ্ডে নিজের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। তবে ২০১৯ সালে পিবিআইয়ের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর, এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তিনি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন এবং সালমান শাহ আত্মহত্যা করেছেন।

আশ্চর্যের বিষয়, ২৯ বছর পর ‘আরজে নীরব’ ও ‘সময় টিভি’তে দেওয়া সাক্ষাৎকারেও তিনি ফের দাবি করেন, সালমান শাহর মৃত্যু হত্যাকাণ্ড নয় বরং আত্মহত্যা। তিনি সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীকেও দায়ী করেন এবং শাবনূরের বিরুদ্ধেও মিথ্যা অভিযোগ আনেন।

রিজভীর বক্তব্যের যে কি স্বপ্নের সত্যি আর কি না, তা নিয়ে অনেক প্রশ্ন উঠছে। তার এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, তাকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু অন্য সাক্ষাৎকারে বলেন, শাবনূর তার এক্স-গার্লফ্রেন্ড। এছাড়া, ২০১৬ সালে তার সাথে বিয়ের কথা উল্লেখ করে, ২০১৮ সালে তাদের ডিভোর্স হয়েছে বলেও দাবি করেছেন। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে যে শাবনূর কখনো যুক্তরাজ্যে যাননি, তা সকলেই জানেন।

এদিকে, রিজভী প্রচলিত গুজবের ভিত্তিতে শাবনূরকে সালমান শাহকে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগ করেছেন। রিজভীর এসব বক্তব্য এসকল অভিযোগের অবলম্বনে নির্মম এবং ভিত্তিহীন। শাবনূর বলেন, রিজভী পরিবারের বিরুদ্ধে যে ঘৃণা প্রকাশ করেছেন, সেটির সাথে তার বক্তব্যের মধ্যে সাংঘর্ষিকতা রয়েছে। রিজভী দাবি করেছেন, ১৯৯৯ সালে তিনি পাসপোর্ট ছাড়াই যুক্তরাজ্যে গেছেন এবং ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের একটি বিমান ভাড়া করে সেখানে চলে গেছেন এবং সেখানে এক লাখ চল্লিশ হাজার পাউন্ড নগদ নিয়ে গেছেন।

সবশেষে, সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী সালমান শাহের মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড দাবি করে মামলা করেছেন। সেই মামলার মুড় ঘুরে যাওয়ার কারণে অভিযুক্তরা পালিয়ে থাকছে। শাবনূর তার বক্তব্যে সঠিক তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন এবং বলেছেন, সালমান শাহের মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য জানার আকাঙ্ক্ষা তার রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাড়ে ৬ বছরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ঝরেছে ১৫ হাজার ৭১২ প্রাণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:২৪ পি.এম


সাড়ে ৬ বছরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ঝরেছে ১৫ হাজার ৭১২ প্রাণ

গত সাড়ে ৬ বছরে দেশে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার সংখ্যা ১৬ হাজার ৬৫ বলে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন থেকে তথ্য জানানো হয়েছে। ২০২০ থেকে চলতি বছরের জুলাই মাস পর্যন্ত এইসব দুর্ঘটনায় সড়কে মারা গেছে ১৫ হাজার ৭১২ জন; আহত হয়েছেন ১৪ হাজার ১৪৩ জন। নিহতদের মধ্যে একটি বড় অংশ কিশোর ও তরুণ। এবং আহতদের অর্ধেকের বেশির বয়স ১৩ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে রয়েছে।

শনিবার (৮ আগস্ট) রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে পাঠানো প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার ৩৯.৩০ শতাংশই ঘটেছে ভারী যানবাহনের ধাক্কার কারণে। আরো ৩৪.২১ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটেছে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারানোর ফলে।

প্রতিবেদনে দুর্ঘটনার জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী করা হয়েছে পণ্যবাহী যানবাহনগুলিকে। অন্যদিকে কিশোর-যুবকদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানোর প্রবণতাকেও অন্যতম কারণে চিহ্নিত করা হয়েছে।

জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনায় আক্রান্তদের ৫৮ শতাংশের বয়স ১৩ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। সংস্থাটি বলছে, চার চাকার অন্যান্য যানবাহনের তুলনায় মোটরসাইকেল ৩০ গুণ বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কিন্তু দেশের গণপরিবহন ব্যবস্থা উন্নত ও সহজলভ্য না হওয়া এবং যানজটের কারণে মানুষ মোটরসাইকেল ব্যবহারে বাধ্য হচ্ছেন। ফলে দুর্ঘটনা বেড়ে চলেছে।

এছাড়া রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জানায় যে, প্রধানত বেপরোয়া চালানো, ট্রাফিক আইন না মানা ও আইন প্রয়োগে দুর্বলতার কারণে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ কারণে মানসম্পন্ন হেলমেট, কঠোর আইন প্রয়োগ এবং নিরাপত্তা প্রযুক্তি ব্যবহারের সুপারিশ করেছে সংগঠনটি।

রিপোর্টটিさらに বিশ্লেষণ করে জানায় যে, ২২ শতাংশ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটেছে মুখোমুখি সংঘর্ষের কারণে। ৩৪ শতাংশের বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে। আর ৩৯ শতাংশের বেশি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা হয়েছে ভারী যানবাহনের ধাক্কায়।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, মোটরসাইকেল চালকরা ৩৬ শতাংশের বেশি ক্ষেত্রে এককভাবে দায়ী। পণ্যবাহী যানবাহনের কারণে ৪০ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটছে এবং বাসের চালকদের বেপরোয়া আচরণের কারণে প্রায় ১৩.৫ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটছে।

গত সাড়ে ৬ বছরে ঘটে যাওয়া মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার ৩০ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে ঘটেছে। আঞ্চলিক সড়কে ৪২, গ্রামীণ সড়কে ১২ শতাংশ এবং শহরের সাড়ে ১৬ শতাংশ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটেছে।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জানাচ্ছে, বাংলাদেশে নিবন্ধিত মোট মোটরযানের ৭১ শতাংশ মোটরসাইকেল। যার মধ্যে কিশোর-যুবদের অংশ বেশি। কিশোর-যুবকদের মধ্যে বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানোর প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। মোটরসাইকেল উৎপাদন ও বিপণন প্রতিষ্ঠানগুলোর বিজ্ঞাপনের ভাষা-ভঙ্গি কিশোর-যুবকদের মধ্যে অতিরিক্ত গতিতে চালানোর প্রতি আকৃষ্ট করছে এবং গতি বৃদ্ধির জন্য প্রেরণা দিচ্ছে।

সংস্থাটির মতে, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার কারণগুলোর মধ্যে কিশোর-যুবকদের বেপরোয়া চালানো, ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন, রাজনৈতিক সহিংসতায় বেপরোয়া চালনার সংস্কৃতি, ট্রাফিক আইনের দুর্বল প্রয়োগ, সচেতনতার অভাব, ত্রুটিপূর্ণ সড়ক অবকাঠামো, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং নজরদারির অভাব, সহজ-সাশ্রয়ী গণপরিবহনের ঘাটতি এবং অসহনীয় যানজট অন্তর্ভুক্ত।

দুর্ঘটনা কমিয়ে আনার জন্য সংস্থাটি সুপারিশ করেছে যে মোটরসাইকেলে নিরাপত্তা ও নজরদারি প্রযুক্তি লাগু করতে হবে, মানসম্পন্ন হেলমেট বাধ্যতামূলক করতে হবে, ট্রাফিক আইনের কঠোর প্রয়োগ করতে হবে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সচেতনতা বৃদ্ধি করার কর্মসূচি চালাতে হবে, বিটিআরসির মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিরাপত্তামূলক প্রচারণা চালাতে হবে, মোটরসাইকেলের বিজ্ঞাপনের ভাষা পরিবর্তন করতে হবে, নিরাপদ সড়ক অবকাঠামো নির্মাণ করতে হবে এবং সহজ-সাশ্রয়ী যাত্রীবান্ধব গণপরিবহনকে চালু করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%