বুলবুল আহম্মেদ বুলু নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি
১০:১১ পি.এম
নওগাঁ সদর মডেল থানার চারতলা বিশিষ্ট নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি জনাব মো. আশিক সাঈদ, পিপিএম। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
নওগাঁ সদর মডেল থানার নতুন ভবন নির্মাণকাজের সার্বিক তত্ত্বাবধানে রয়েছেন নওগাঁর পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম। ভবনটির নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে গণপূর্ত বিভাগ, নওগাঁ। ভিত্তিপ্রস্তর শেষে ডিআইজি মহোদয় এবং পুলিশ সুপার থানা প্রাঙ্গনে গাছের চারা রোপন করেন।
ভিত্তি প্রস্তর অনুষ্ঠানে নির্বাহী প্রকৌশলী গণপূর্ত বিভাগ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারগণ, অফিসার ইনচার্জ সদর থানা সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান মন্তব্য করেছেন, "এনসিপিকে অবশ্যই জামায়াত থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।" তিনি সতর্ক করেছেন যে, অন্যথায় আরও অনেকেই জামায়াত থেকে বেরিয়ে যাবে।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ঝিনাইদহ জেলা শহরের একটি মসজিদে জুমার নামাজ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
এনসিপি ও জামায়াতের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে রাশেদ বলেন, "যে স্বপ্ন নিয়ে এনসিপিতে যুক্ত হয়েছিল, তাদের অনেকেই বের হয়ে যাচ্ছে।" তিনি এনসিপির ব্যর্থতা হিসেবে উল্লেখ করেন, সামান্তা শারমিনদের দলকে ধরে রাখতে না পারা। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এর আগে মন্তব্য করেছিলেন যে, "জামায়াত সংস্কার চায় না, জামায়াত আসলে সংস্কারের নামে ভণ্ডামি করছে।" একই ধরনের অভিযোগ এনে সামান্তা শারমিন পদত্যাগ করেছেন। এর মানে, এই অভিযোগগুলো সত্য। জামায়াতের রাজনৈতিক কৌশল হলো ইসলামকে পুঁজি করে জনগণকে বিভ্রান্ত করা।
তিনি আরও বলেন, "বিদেশিদের সঙ্গে বৈঠক করে তারা বলে যে, আমরা ক্ষমতায় গেলে শরিয়াহ আইন কায়েম করব না।" অথচ, গঠনতন্ত্রে উল্লেখ আছে যে, তারা ক্ষমতায় গেলে শরিয়াহ আইন কায়েম করবে। জামায়াতের সঙ্গে যারা জোটে আছে, তাদেরকে বলছে যে, "আমরা ক্ষমতায় গেলে সংবিধান অনুযায়ী দেশ পরিচালনা করব।" কর্নেল অলি সাহেব জনসভায় বক্তব্য দিয়েছেন যে, জামায়াতের আমির তাকে কথা দিয়েছেন, ভবিষ্যতে ক্ষমতায় গেলে শরিয়াহ আইন নয়, প্রচলিত আইন ও সংবিধান অনুযায়ী দেশ চালাবে। এর মানে, জামায়াত জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে, ঠিক একইভাবে জোটসঙ্গীদের সঙ্গেও প্রতারণা করছে।
এনসিপি ও জামায়াতের আদর্শিক পার্থক্য তুলে ধরে রাশেদ বলেন, "জামায়াত এবং এনসিপির মধ্যে আসলে টানাপোড়েন চলছে।" জামায়াতের আদর্শ এবং এনসিপির আদর্শের মধ্যে কোনো মিল নেই। তেল এবং জল যেমন একসঙ্গে থাকতে পারে না, এনসিপি এবং জামায়াতও একসঙ্গে রাজনীতি করতে পারে না। তিনি মনে করেন, নাহিদ ইসলামের উচিত হবে জামায়াত জোট থেকে বেরিয়ে আসা।
এছাড়াও, সমসাময়িক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বলেন, "আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের তুলনায় অবশ্যই ভালো।" স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চেষ্টা করছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যে অবনতি হয়েছিল, সেই পরিস্থিতির উন্নতির জন্য তিনি কাজ করছেন। যারা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদকে টিকিয়ে রাখার জন্য গুম, খুন, ক্রসফায়ারসহ বিভিন্ন অন্যায়ের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, তাদের সরকার আইনের আওতায় আনতে বদ্ধপরিকর। ইতোমধ্যে অনেককে গ্রেফতার করা হয়েছে, বাকিদের বিষয়ে তদন্ত চলমান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম মন্তব্য করেছেন, ডিসেম্বরে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ পুনর্বাসিত হবে বা ফিরে আসবে—এটি সাধারণ কোনো প্রোপাগান্ডা নয়; বরং এটি দিল্লির প্রোপাগান্ডা, যা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাচ্ছে। তবে তিনি উল্লেখ করেন, ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) ফেরার কোনো সম্ভাবনা নেই; বরং গত আট মাস ধরে সরকার বিভিন্নভাবে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগকে কার্যক্রম চালানোর সুযোগ প্রদান করছে।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় জয়পুরহাট শহরের স্বপ্ন ছায়া কমিউনিটি সেন্টারে জেলা এনসিপি আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
নাহিদ ইসলাম সরকারের সমালোচনা করে বলেন, গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে অর্জিত বাংলাদেশে গণতন্ত্র, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, বৈষম্যহীনতা ও সার্বভৌম পররাষ্ট্রনীতি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমানে দেশে কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না।
তিনি অভিযোগ করেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় সরকারের সমালোচনা করায় এবং সাংবাদিকসহ সরকারবিরোধী অনেক মানুষকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার, মারধর ও নির্যাতন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সরকার জনগণের গণ-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন না করে একটি সাংবিধানিক সংশোধন কমিটি গঠন করে পুরো সংস্কার প্রক্রিয়াকে ভণ্ডুল করতে চাচ্ছে, অথচ তারা নির্বাচনে ৭০ শতাংশ মানুষের ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল।
শ্রমিক অসন্তোষ নিয়ে এনসিপির আহ্বায়ক মন্তব্য করেন, শ্রমিক আন্দোলন শুরু হওয়ার প্রায় এক সপ্তাহ পরে মজুরি বোর্ড গঠন করা সরকারের একটি গাফিলতি ছিল, যার সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন পক্ষ নাশকতার চেষ্টা চালিয়েছে।
এ মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব সারজিস আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জোনায়েদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান ইমন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাকিব মাহাদী, জেলা এনসিপির আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম রুঞ্জু ও সদস্য সচিব ইসমাঈল হোসেন হাদী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) একটি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হাসিনা নিশাদ, প্রতিষ্ঠানের নারী কর্মীদের প্রত্যেককে নতুন আইফোন উপহার দিয়ে চমকে দিয়েছেন।
উপহার পেয়ে কর্মীরা আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন। তাদের মধ্যে কয়েকজন আবেগাপ্লুত হয়ে কেঁদেও ফেলেন। বিশেষ করে, প্রতিষ্ঠানের পরিচ্ছন্নতাকর্মী এক নারী আইফোন উপহার পাওয়ার পর কান্নায় ভেঙে পড়লে মুহূর্তটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, কেরালায় জন্ম নেয়া হাসিনা নিশাদ ইউএইভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। সম্প্রতি তিনি নারী কর্মীদের জন্য এই চমকপ্রদ উপহারের আয়োজন করেন।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানের নারী কর্মীদের একটি সম্মেলনকক্ষে ডেকে আসন গ্রহণ করতে বলা হয়। তবে তাদের জন্য যে চমক অপেক্ষা করছে, সে বিষয়ে আগে থেকে কিছুই জানতেন না তারা। চেয়ারে বসতে গিয়ে টেবিলের নিচে রাখা মোড়ানো উপহারের বাক্স দেখতে পান কর্মীরা। বাক্স খুলতেই বেরিয়ে আসে নতুন আইফোন। উপহার পেয়ে উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন তারা।
তবে সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্তটি তৈরি হয় পরিচ্ছন্নতাকর্মী এক নারীকে ঘিরে। ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি হাসিনা নিশাদকে শরবত পরিবেশন করছিলেন। এ সময় তাকেও একটি আইফোন উপহার দেয়া হয়। অপ্রত্যাশিত উপহার পেয়ে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি ওই নারী। হাসিনাকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।
ইনস্টাগ্রামে ভিডিওটি প্রকাশ করে হাসিনা নিশাদ লেখেন, "প্রত্যেক নারীরই নিজস্ব স্বপ্ন, দায়িত্ব ও চ্যালেঞ্জ রয়েছে।" তার ইচ্ছা, প্রতিষ্ঠানের নারী কর্মীরা আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠুন এবং নিজেদের স্বপ্ন পূরণ করুন।
তিনি আরও লেখেন, "অন্য কোনো নারীকে এগিয়ে যেতে ও সফল হতে দেখার চেয়ে আনন্দের কিছু নেই তার কাছে। একজন নারী এগিয়ে গেলে অন্য নারীর জন্যও এগিয়ে যাওয়ার সাহস তৈরি হয়।"
এটি অবশ্য কর্মীদের দামি উপহার দেয়ার প্রথম ঘটনা নয়। এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত আরেকটি ভিডিওতেও একই ধরনের আয়োজন দেখা গিয়েছিল। সেখানে হাসিনার স্বামী ও প্রতিষ্ঠানের মালিক নিশাদ হুসেইন কর্মীদের মোড়ানো উপহারের বাক্স দেন, যার মধ্যে ছিল আইফোন।
দুটি ভিডিওই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। বিশেষ করে পরিচ্ছন্নতাকর্মীকেও উপহারের তালিকায় রাখায় হাসিনা নিশাদের প্রশংসা করেছেন অনেকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ