ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রাকের চাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রাকের চাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ট্রাকের চাপায় নিহত হয়েছেন দুই মোটরসাইকেল আরোহী, যাদের নাম অনুপ কুমার (৫৫) এবং আনোয়ারুল আজমি (৪০)।

এই দুর্ঘটনাটি ঘটে বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে সাতটার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বিশ্বামুড়া এলাকায়। নিহতদের বাড়ি নরসিংদী জেলা সদরে বলে জানা গেছে।

খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হালিম জানিয়েছেন, নরসিংদী থেকে মোটরসাইকেলে করে সিলেটের দিকে যাচ্ছিলেন অনুপ কুমার ও আনোয়ারুল আজমি। বিশ্বামুড়া এলাকায় পৌঁছানোর পর সড়কে কিছুটা যানজট সৃষ্টি হয়। এ সময় পেছন থেকে আসা একটি ট্রাক তাদের মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। ঘটনাস্থলে অনুপ কুমার নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় আনোয়ারুল আজমিকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হলে, সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁরও মৃত্যু ঘটে।

আরও পড়ুন: জাতীয় সম্মাননায় ভূষিত বরিশালের তরুণ সংগঠক আরিফুর রহমান, এক দশকের কাজের স্বীকৃতি

ওসি আরও জানান, দুর্ঘটনার পর চালক পালিয়ে গেলেও ট্রাকটি বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হোয়াইট হাউসে সিএনএনসহ ৩ সংবাদমাধ্যমের প্রবেশের নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০৩ পি.এম


হোয়াইট হাউসে সিএনএনসহ ৩ সংবাদমাধ্যমের প্রবেশের নির্দেশ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কর্তৃক আরোপিত নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সিএনএন, এমএস নাও এবং পলিটিকোকে হোয়াইট হাউসে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বিচারক টিম কেলি পর্যবেক্ষণ করেছেন যে, সংবাদমাধ্যমগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা সংবিধানের প্রথম সংশোধনীতে প্রদত্ত মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকার লঙ্ঘন করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের জেলা আদালতের বিচারক কেলি মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) এ আদেশ দেন। তাঁর মতে, ট্রাম্পের নিজস্ব বক্তব্য থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে, সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন ও মতামতের কারণে তাদের হোয়াইট হাউসে প্রবেশের অনুমতিপত্র বাতিল করা হয়েছে। যদি এটি প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ হয়ে থাকে, তাহলে তা সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে।

বিচারক আদেশে উল্লেখ করেন যে, ট্রাম্প সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনকে সাধারণভাবে ভুল ও পক্ষপাতদুষ্ট মনে করে সম্ভবত তাদের হোয়াইট হাউস থেকে দূরে রাখতে চেয়েছেন।

জাতীয় নিরাপত্তার কারণে নিষেধাজ্ঞা আরোপের যুক্তিকে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের পক্ষ থেকে প্রত্যাখ্যান করেন কেলি। তিনি বলেন, আদালতে জাতীয় নিরাপত্তার ভিত্তিতে অনুমতিপত্র বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। ট্রাম্পও কখনো সরাসরি বলেননি যে, জাতীয় নিরাপত্তার কারণে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে নিয়োগ পাওয়া বিচারক কেলির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, প্রেসিডেন্টের বক্তব্যের ভিত্তিতে নিষেধাজ্ঞাটি নির্দিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গির বিরুদ্ধে বৈষম্য হিসেবে বিবেচিত হতে পারে, যা অসাংবিধানিক হওয়ার আশঙ্কা তৈরি করে।

মামলার প্রাথমিক পর্যায়ে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের যুক্তিতে সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রবেশের অনুমতিপত্র পুনর্বহালের নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। তখন বিচারকের মন্তব্য ছিল যে, প্রবেশাধিকার বাতিলের আগে সংবাদমাধ্যমগুলোকে যথাযথভাবে কারণ জানানো বা বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি।

মামলা দায়েরের পর হোয়াইট হাউস সংবাদমাধ্যমগুলোর কাছে চিঠি পাঠিয়ে নিষেধাজ্ঞার কারণ ব্যাখ্যা করে এবং জবাব দেওয়ার জন্য সময়সীমা নির্ধারণ করে। তবে কেলি মনে করেন, নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার পর চিঠি পাঠানোর ফলে পূর্বের আইনি ত্রুটিগুলো যথাযথভাবে দূর হয়নি।

নতুন আদেশের ফলে ট্রাম্প প্রশাসনের সামনে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। এর আগে হোয়াইট হাউসের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করে দেওয়া আদালতের আদেশের মেয়াদ মঙ্গলবার শেষ হওয়ার কথা ছিল।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার পর থেকে ট্রাম্প বারবার এর পক্ষে যুক্তি দিয়েছেন। তাঁর দাবি, সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন নেতিবাচক ও একপেশে হওয়ায় তিনি তাদের সাংবাদিকদের হোয়াইট হাউসে প্রবেশ বন্ধ করতে চেয়েছেন।

অন্যদিকে, আদালতে দেওয়া নথিতে বিচার বিভাগ জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টিও নিষেধাজ্ঞার কারণ হিসেবে তুলে ধরে। এ ক্ষেত্রে ইরান যুদ্ধ, হোয়াইট হাউসের ইস্ট উইংয়ে বলরুম নির্মাণ এবং মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে রিপাবলিকান পার্টির সম্মেলন নিয়ে সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন উল্লেখ করা হয়।

সংবাদমাধ্যমগুলোর আইনজীবীরা বলেছেন, এ নিষেধাজ্ঞা শুধু প্রেসিডেন্টকে নিয়ে সংবাদ সংগ্রহের সুযোগ সীমিত করেনি, বরং অন্যান্য সংবাদমাধ্যমগুলোর মধ্যেও ভীতি তৈরি করেছে।

গত বৃহস্পতিবার মামলার শুনানিতে বিচারক কেলি ট্রাম্প ও বিচার বিভাগের আইনজীবীদের যুক্তি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, যখন সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ব্যক্তি কোনো পদক্ষেপের কারণ হিসেবে নির্দিষ্ট বিষয় উল্লেখ করেন, পরে সরকার যখন ভিন্ন কারণ দেখায়, তখন তা অস্বাভাবিক।

বিচার বিভাগের আইনজীবী মাইকেল ভেলচিক আদালতকে বলেন, সাংবাদিক বা সংবাদমাধ্যমকে হোয়াইট হাউস থেকে সরিয়ে দেওয়ার বিষয়টি প্রেসিডেন্টের এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে। তাঁর দাবি, সিএনএন বহু বছর ধরেই জানে যে ট্রাম্প সংবাদমাধ্যমটিকে ‘ভুয়া খবর’ বলে সমালোচনা করেন।

অন্যদিকে, সংবাদমাধ্যমগুলোর আইনজীবী টেড বুট্রোস জুনিয়র বলেন, নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত ট্রাম্প নিজেই নিয়েছেন এবং এ বিষয়ে তিনি বারবার প্রকাশ্যে কথা বলেছেন। তাঁর ভাষ্য, প্রেসিডেন্ট হয়তো একদিন সকালে খারাপ মেজাজে ঘুম থেকে উঠে নিষেধাজ্ঞা জারির সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাঝ আকাশে বোমাতঙ্ক, এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইট জরুরি অবতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০৩ পি.এম


মাঝ আকাশে বোমাতঙ্ক, এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইট জরুরি অবতরণ

হঠাৎ করে বিমান ছিনতাইয়ের সতর্কবার্তা আসে মাঝ আকাশে, এর সঙ্গে যুক্ত হয় বোমা থাকার আশঙ্কা। এই সতর্কবার্তা পাওয়ার পর বিমানের যাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

হাইজ্যাক অ্যালার্টের পর, ফ্রাঙ্কফুর্ট থেকে দিল্লিগামী বিমানটি গন্তব্যের দিকে না গিয়ে জয়পুরের দিকে ঘুরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জরুরি অবতরণ করে এয়ার ইন্ডিয়ার আন্তর্জাতিক ফ্লাইট এআই-২০৩০। বুধবার সকালে এই ঘটনা ঘটে। সব যাত্রী ও ক্রু সদস্যকে নিরাপদে বিমান থেকে নামিয়ে আনা হয়েছে।

বিমানটি অবতরণের পরপরই শুরু হয় তল্লাশি। তবে বিমানে সত্যিই কোনো বিস্ফোরক ছিল কি না, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্য সামনে আসেনি।

যখন বিমানটি ভারতীয় আকাশসীমার কাছাকাছি পৌঁছায়, তখনই নিরাপত্তার এই সতর্কতা জারি করা হয়। এরপর এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল ও নিরাপত্তা সংস্থাকে বিষয়টি জানানো হয়। নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বিমানটিকে দিল্লির পরিবর্তে জয়পুরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

আরএ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কম দামের ক্যাসিও ঘড়ি পরছেন থাই মন্ত্রী-আমলারা, কারণ কী?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০৪ পি.এম


কম দামের ক্যাসিও ঘড়ি পরছেন থাই মন্ত্রী-আমলারা, কারণ কী?

থাইল্যান্ডের রাজনীতিতে দামি ঘড়ির প্রতি আগ্রহ দীর্ঘদিনের। তবে বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ৬০ ডলারেরও কম দামের একটি ঘড়ি, যা প্রধানমন্ত্রী নিজেই বিতরণ করছেন।

প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল-এর নাম খোদাই করা ‘ক্যাসিও এইই১২০০ডব্লিউএইচ’ ঘড়িটি এখন মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, শীর্ষ আমলা এবং রাজনৈতিক মিত্রদের কব্জিতে দেখা যাচ্ছে।

বিশ্বের মানচিত্রসংবলিত রেট্রো-ফিউচারিস্টিক ডিজাইন সহ এই ডিজিটাল ঘড়িটি ‘ক্যাসিও রয়্যাল’ নামে পরিচিত। ক্ষমতার নিকটবর্তী থাকার প্রতীক হিসেবে এর ব্যবহারকারীদের ‘ক্যাসিও কানেকশন’ বলা হচ্ছে।

দশকের পর দশক ধরে থাইল্যান্ডে স্থিতিশীল সরকার গঠনে ব্যক্তিগত সম্পর্কের গুরুত্ব রয়েছে। এই ঘড়িগুলো যেন সেই সম্পর্কের একটি প্রতীক। রাজনৈতিক কুশলী অনুতিন থাইল্যান্ডের বিভক্ত রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে মিত্রতা গড়ে তুলেছেন। এর মধ্যে রয়েছে তার দল ভুমিজাই থাই পার্টির প্রভাবশালী প্রাদেশিক পরিবারগুলো এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

সিরিপং জানান, অনুতিন ব্যাংককসহ বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতের সময় ছোট দোকান বা বাজার থেকে ক্যাসিও ঘড়িগুলো ক্রয় করেন। পরে সেগুলোতে নিজের নাম খোদাই করে উপহার হিসেবে দেন। ঘড়ি পাওয়ার জন্য তাকেও অপেক্ষা করতে হয়েছিল। ঘড়ি পাওয়ার পর ব্যবহারকারীরা নিজেদের মধ্যে মেটাল বেল্ট এবং রেজিন বেল্টের তুলনা করতে শুরু করেছেন।

এই সাধারণ ক্যাসিও ঘড়িগুলো ক্ষমতা প্রদর্শনের বৈশ্বিক ধারার অংশ। সস্তা বা সাধারণ কিছু জিনিসও কারো সম্পদ এবং বিশেষ মহলে প্রবেশের সুযোগকে ফুটিয়ে তুলতে পারে। অভিজাত মডেলিং এজেন্সির সাধারণ টিন ব্যাগের মতো ছোটখাটো নিদর্শনগুলোও বিশেষ দলের সদস্যপদ নির্দেশ করে।

সরকারি মুখপাত্র একাপব পিয়ানপিসেস এই উপহারগুলোর পেছনে রাজনৈতিক কোনো উদ্দেশ্য থাকার কথা নাকচ করেছেন। তার মতে, প্রধানমন্ত্রী অনুতিন ঘড়িটির ব্যবহারিক সুবিধার জন্য এটি পছন্দ করেন এবং অন্যদের সঙ্গে তা ভাগ করে নিতে চান। তিনি বলেন, ‘এটি রাজনৈতিক কোনো কিছুর ইঙ্গিত নয়।’

‘আনুগত্যের অনুভূতি’

থাইল্যান্ডের রাজনীতিবিদদের সঙ্গে ঘড়ির সম্পর্ক পুরোনো। ২০১৭ সালে তৎকালীন উপপ্রধানমন্ত্রী প্রাউত ওংসুয়ান একের পর এক দামি ঘড়ি পরে সামনে আসার পর দুর্নীতিবিরোধী তদন্তের মুখোমুখি হন। প্রাউতের দাবি অনুযায়ী, ১ মিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের ২২টি ঘড়ি তদন্তে দেখা যায়। পরবর্তী বছর তাকে এই অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

অনুতিনের নিজের সংগ্রহে ৬০ মিলিয়নের বেশি বাথ (১.৮ মিলিয়ন ডলার) মূল্যের ২২টি বিলাসবহুল ঘড়ি রয়েছে। সম্প্রতি ভুমিজাই পার্টির নেতা নেভিন চিডচব-এর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে তাকে ‘রোলেক্স ডে-ডেট ৪০’ পরে দেখা গেছে। ওই অনুষ্ঠানে নেভিন পরেছিলেন একটি ‘রিচার্ড মিল আরএম ৩০-০১’ ঘড়ি।

রাজনৈতিকভাবে এই উপহার পাওয়ার তালিকায় থামানাত প্রমপাও অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নাম। ‘ক্লা থাম পার্টি’ অনুতিনের ক্ষমতাসীন জোটে যোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তার কব্জিতে খোদাই করা ক্যাসিও ঘড়ি দেখা যাওয়ার পর নতুন এই জোট নিয়ে গুঞ্জন বেড়ে যায়, বিশেষ করে যখন তার দলের সাধারণ সম্পাদক ইঙ্গিত দেন যে ঘড়িটি সরাসরি অনুতিনের কব্জি থেকেই এসেছে।

নাপন বলেন, ‘এই ঘড়িগুলোর মাধ্যমে অনুতিন নিঃসন্দেহে বন্ধু, অনুসারী এবং নতুন বলয় তৈরি করছেন।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদানী অ্যাভিনিউয়ের ১০০ ফুট সড়কের ৯০ ফুট বেদখল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০৪ পি.এম


মাদানী অ্যাভিনিউয়ের ১০০ ফুট সড়কের ৯০ ফুট বেদখল

রাজধানীর ভাটারা থানার মাদানী এভিনিউয়ের ১০০ ফুট সড়কের ৯০ ফুটই বেদখল হয়ে পড়েছে। এই এলাকায় চলাচলকারীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে, কারণ বেপরোয়া অটোরিকশা, যত্রতত্র পার্কিং এবং টাফিক পুলিশের কার্যকর নিয়ন্ত্রণের অভাব রয়েছে। বর্তমানে সড়কটি জনদুর্ভোগের পাশাপাশি জননিরাপত্তা ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, হকাররা ফুটপাত পেরিয়ে মূল সড়কের ভেতর পর্যন্ত তিন থেকে চার সারি দখল করে দোকান ও অস্থায়ী ব্যবসা পরিচালনা করছে। এর ফলে ১০০ ফিট নামে পরিচিত সড়কটি মাত্র ১০ ফিটে পরিণত হয়েছে!

হকারদের রাস্তা দখলের কারণে ব্যস্ত সময়ে যানবাহনের চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে এবং প্রতিনিয়ত দীর্ঘ যানজট তৈরি হচ্ছে। সড়কের পাশ, ফুটপাত ও হাঁটার জায়গা বেদখল হয়ে যাওয়ায় পথচারীরা বাধ্য হয়ে চলন্ত যানবাহনের একেবারে পাশে বা মূল সড়কের ওপর দিয়ে চলাচল করছে। এতে নারী-শিশুসহ পথচারীদের দুর্ঘটনার ঝুঁকি বহুগুণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। সন্ধ্যা ও রাতের দিকে ভিড় বাড়লে পরিস্থিতি আরো অনিরাপদ হয়ে ওঠে।

রাজধানীর অন্যান্য এলাকার মতো ১০০ ফিট নামে পরিচিত ওই সড়কেও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও অন্যান্য ছোট যানবাহনের নিয়ন্ত্রণহীন চলাচল দেখা যাচ্ছে। এসব যানবাহনের একটি বড় অংশ দৃশ্যত কোনো নির্দিষ্ট শৃঙ্খলা বা নিয়ম-কানুন অনুসরণ করে না। ফলে তাদের চলাচল আরো বেশি বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

নিয়ন্ত্রণহীন গাড়িগুলো সাধারণত হঠাৎ লেন পরিবর্তন, উলটো পথে চলা, যেখানে সেখানে থামা, যাত্রী তোলার জন্য মূল সড়কের মাঝামাঝি দাঁড়িয়ে পড়া এবং অনিয়ন্ত্রিত গতিতে নিয়মিত চলাচল করতে দেখা যাচ্ছে। এসব আচরণ যানজটের পাশাপাশি সংঘর্ষ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি করছে।

এ ছাড়া সড়কের দুই পাশে এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশ ও সংযোগস্থলের কাছে ব্যক্তিগত গাড়ি, অটোরিকশা ও অন্যান্য যানবাহন দীর্ঘ সময় ধরে যত্রতত্র পার্ক করে রাখতে দেখা গেছে। পাশাপাশি এই সড়কে হকাররা নিয়ম না মেনে মূল রাস্তার ওপর কয়েক সারি করে পসরা সাজিয়ে বসেছে। ফুটপাত ও রাস্তা দখলের সঙ্গে অনিয়ন্ত্রিত পার্কিং যুক্ত হয়ে সড়কে যান চলাচলের রাস্তা আরো সংকুচিত করছে এবং স্বাভাবিক যান চলাচলকে বাধাগ্রস্ত করছে।

সরেজমিনে আরো দেখা যায়, রাস্তা দখলের কারণে স্বল্প দূরত্ব অতিক্রম করতেও পথচারী ও যাত্রীদের অস্বাভাবিক সময় লাগছে। এতে প্রতিদিনের অফিসযাত্রী, শিক্ষার্থী, স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াতকারী মানুষদের ব্যাপক ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, এ ধরনের স্থায়ী জট ও সংকুচিত চলাচলের জায়গা অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ বা অন্য জরুরি সেবার যানবাহন চলাচলকে বাধাগ্রস্ত করছে। কোনো জরুরি প্রয়োজন বা অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নিতে হলে স্থানীয়দের অনেক ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

স্থানীয়রা গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটিকে দখলমুক্ত করে নিরাপদ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার দাবি জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%