ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

১০ জুন: দেশে স্বর্ণ ও রুপার সর্বশেষ বাজারদর


১০ জুন: দেশে স্বর্ণ ও রুপার সর্বশেষ বাজারদর

দেশের বাজারে সর্বশেষ সমন্বয়ের ফলে স্বর্ণ ও রুপার দাম আরও কমানো হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ (বুধবার, ১০ জুন) মূল্যবান এই দুই ধাতু বিক্রি হচ্ছে সর্বশেষ নির্ধারিত দামে।

গত ৬ জুন সকালে, বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে স্বর্ণ ও রুপার দাম কমিয়েছে। ওই দিন ভরিতে মূল্যবান এই দুই ধাতুর দাম যথাক্রমে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা ও ৪০৮ টাকা কমানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ ও রুপার (পিওর গোল্ড ও সিলভার) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণ ও রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। ওই দিন সকাল ১০টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়।

আরও পড়ুন: ইসরাইলে নির্বাচন: ৮৫ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, চূড়ান্ত ফলাফল দুই দিনে আসবে

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৯ হাজার ৩৭৩ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৮ হাজার ৯৩৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৫২ হাজার ৮৫৭ টাকায়।

এর আগে, সকলশেষ ২ জুন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ০২৬ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৮৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯২ হাজার ১৬৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪৭৩ টাকা। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।

এই বছরের চলতি সময়ে দেশের বাজারে ৭১ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। যেখানে দাম ৩৭ দফা বাড়ানো হয়েছে; আর ৩৪ দফা কমানো হয়েছে। গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল।

আরও পড়ুন: ইসরায়েলে রাজনৈতিক অচলাবস্থা: সরকার গঠনের তিন সম্ভাব্য পথ

স্বর্ণের দাম কমানোর সাথে দেশের বাজারে কমানো হয়েছে রুপার দামও। ভরিতে ৪০৮ টাকা কমে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ২৪৯ টাকায়।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ২৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ২০৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এ পর্যন্ত চলতি বছর দেশের বাজারে ৪২ দফা রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। যেখানে দাম ২২ দফা বাড়ানো হয়েছে এবং ২০ দফা কমানো হয়েছে। ২০২৫ সালে দেশে মোট ১৩ বার রুপার দাম সমন্বয়ের ঘটনা ঘটেছিল, যার মধ্যে বেড়েছিল ১০বার এবং কমেছিল মাত্র ৩বার।

আরও পড়ুন: নির্বাচনে হারের মুখে আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগ লিকুদ পার্টির

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পেরেজের ‘সিক্রেট সুপারস্টার’ আলভারেজকে নিয়ে ২ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিল অ্যাতলেটিকো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:২০ এম


পেরেজের ‘সিক্রেট সুপারস্টার’ আলভারেজকে নিয়ে ২ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিল অ্যাতলেটিকো

রিয়াল মাদ্রিদ আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার হুলিয়ান আলভারেজকে দলের সদস্য বানানোর জন্য এমনি নগর প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের কাছে ১৫০ মিলিয়ন ইউরো (প্রায় ২১৩৩ কোটি টাকা) প্রস্তাব দিয়েছিল, তবে ক্লাবটি সেই প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে।

গত সপ্তাহে যখন ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ রিয়াল মাদ্রিদের প্রেসিডেন্ট পদ পুনর্নির্বাচনিত হন, তখন তিনি একটি ‘গ্যালাকটিকো’ তারকার জন্য ১৫০ মিলিয়ন ইউরোর প্রস্তাব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি জানান। রোববার (৭ জুন) নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর তিনি সেই প্রতিশ্রুতি কার্যকর করেন।

তবে ২৬ বছর বয়সী বিশ্বকাপজয়ী ফরোয়ার্ড আলভারেজকে ছাড়ার জন্য রাজি হয়নি অ্যাতলেটিকো। ক্লাবটি জানায়, খেলোয়াড়ের চুক্তিতে ৫০০ মিলিয়ন ইউরোর (প্রায় ৭১০৯ কোটি টাকা) রিলিজ ক্লজ বিদ্যমান রয়েছে এবং তার চেয়ে কম সম্পর্কে কোনো বিক্রি হতে পারে না।

রিয়াল মাদ্রিদ গতরাতে (৯ জুন) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানায়, ‘আজ অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আমরা হুলéan আলভারেজের খেলোয়াড়ি স্বত্বের জন্য ক্লাব অ্যাতলেটিকো দে মাদ্রিদের কাছে ১৫০ মিলিয়ন ইউরোর প্রস্তাব দিয়েছি। প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করার পর অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ আমাদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করেছে এবং খেলোয়াড়ের রিলিজ ক্লজের কথা উল্লেখ করেছে।’

এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ রিয়ালের বিবৃতিটি শেয়ার করে একগুচ্ছ হাসির ইমোজি পোস্ট করে কটাক্ষ করে।

আরেকটি পোস্টে তারা লেখে, ‘আপনারা হয়তো ভদ্রতাকে কৃতজ্ঞতা ভেবে ভুল করেছেন। পরিষ্কারভাবে বলছি, আমরা আপনাদের কোনো কিছুর জন্য ধন্যবাদ দিচ্ছি না। হুলিয়ানকে নিয়ে কোনো প্রস্তাব আমরা বিবেচনাও করছি না। আর সম্পর্ক খারাপ হবে কেন? আপনারা আমাদের বার্সেলোনার চেয়েও বেশি হাসান!'

শেষ পোস্টে অ্যাতলেটিকো আরও খোঁচা দিয়ে লেখে, ‘পুনর্নির্বাচিত সভাপতির সঙ্গে ভালো সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে বলছি, আমাদের একাডেমির খেলোয়াড় ‘চুরি’ করা বন্ধ করবেন আশা করি। ধন্যবাদ, রিয়াল মাদ্রিদ!’

উল্লেখ্য, ম্যানচেস্টার সিটি থেকে ২০২৪ সালে ৮১.৫ মিলিয়ন পাউন্ডে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদে যুক্ত হন আলভারেজ। ২০২২ সালের বিশ্বকাপজয়ী এই আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড গত মৌসুমে ৪৯ ম্যাচে ২০ গোল করেন। তার অসাধারণ পারফরম্যান্সের সুবাদেই অ্যাতলেটিকো লা লিগায় চতুর্থ স্থান লাভ করে এবং চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে পৌঁছায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চিকিৎসাসামগ্রীর সংকটে ঢাকা মেডিক্যালে পচন ধরেছে ২০ মরদেহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:২৩ এম


চিকিৎসাসামগ্রীর সংকটে ঢাকা মেডিক্যালে পচন ধরেছে ২০ মরদেহ

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল নানা ধরনের চিকিৎসাসামগ্রীর সংকটে ভুগছে। এই সংকটের কারণে অনেক ক্ষেত্রে রোগী এবং তাদের স্বজনদের নিজেদের অর্থে চিকিৎসাসেবায় ব্যবহৃত প্রয়োজনীয় উপকরণ কিনতে হচ্ছে।

সম্প্রতি, হাসপাতালের মর্গে মরদেহ সংরক্ষণ করার জন্য ব্যবহৃত হিমাগারটি বিকল হয়ে যাওয়ায় সেখানে রাখা অজ্ঞাতনামা নবজাতকসহ প্রায় ২০টি মরদেহ পচে যাচ্ছে এবং পোকা ধরে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে।

রাজধানীতে সড়ক দুর্ঘটনা, সংঘর্ষ, ছুরিকাঘাতসহ নানা ঘটনায় আহত রোগীদের তাৎক্ষণিক চিকিৎসার প্রধান ভরসা ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগ। প্রতিদিন এ বিভাগে প্রায় ১ হাজার ৫০০ রোগী চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করছেন, যার মধ্যে প্রায় ৩৫০ জন রক্তাক্ত ও গুরুতর আহত রোগী। এই রোগীদের জরুরি চিকিৎসা দেওয়া হয় এখানে।

হাসপাতালের অনুমোদিত শয্যা সংখ্যা ২ হাজার ৬০০ হলেও নিয়মিতভাবে সাড়ে ৩ হাজারের বেশি রোগী ভর্তি থাকছেন। অতিরিক্ত রোগীর চাপে, জরুরি বিভাগ ও বিভিন্ন ওয়ার্ডে চিকিৎসাসামগ্রীর সংকট দেখা দিয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার (০৯ জুন) হাসপাতালের ১১৫ নম্বর অর্থোপেডিক ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক সিনিয়র স্টাফ নার্স জানালেন যে, গজ, ব্যান্ডেজ ও প্লাস্টার ব্যান্ডেজের তীব্র সংকট বিরাজমান। এছাড়াও, কিছু সামগ্রীর সংকট রয়েছে, যা এখনও তাৎক্ষণিকভাবে বলা সম্ভব নয়।

তিনি আরো জানালেন, বর্তমানে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রোগীর স্বজনদের বাইরে থেকে চিকিৎসাসামগ্রী কিনে আনতে হচ্ছে। পাশাপাশি, ক্ষতস্থান পরিষ্কারের অ্যান্টিসেপটিক তরল ও ড্রেসিং সামগ্রীরও ঘাটতি দেখা দিয়েছে। তবে এই সংকটের মধ্যেও চিকিৎসাসেবা চালু রয়েছে।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গের কর্মচারী রামু দাস জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে মর্গের ৪০ মরদেহ সংরক্ষণক্ষমতাসম্পন্ন হিমাগারটি বিকল ছিল। এর ফলে সেখানে রাখা অজ্ঞাতনামা নবজাতকসহ প্রায় ২০টি মরদেহ পচে যায় এবং দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। পরে কলেজ কর্তৃপক্ষ দ্রুত হিমাগারটি মেরামত করে।

তিনি জানান, বর্তমানে যাত্রাবাড়ী, শ্যামপুর, ঢাকা রেলওয়ে থানা ও অন্যান্য এলাকার উদ্ধার করা নবজাতকসহ ছয়টি মরদেহ পচে যাওয়ার পরও মেরামতির পর হিমঘরে রাখা হয়েছে। এর আগে এসব মরদেহ লাশকাটা ঘরে এসি চালিয়ে সংরক্ষণ করা হয়েছিল।

নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর হিমঘরটি সময়মতো মেরামত না হওয়ায় ১৫টি মরদেহ দাফনের জন্য আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামকে হস্তান্তর করা হয়। সকালে আরও ছয়টি মরদেহ দাফনের জন্য তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলেও জানা গেছে।

ট্রেন দুর্ঘটনা, সড়ক দুর্ঘটনা ও বিভিন্ন ঘটনায় মৃত্যু হওয়া এসব মরদেহ সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। ময়নাতদন্ত শেষে পরিচয় শনাক্ত না হওয়া মরদেহগুলো পুলিশ আইনের নির্দেশ অনুযায়ী দাফনের জন্য আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেন, অর্থবছরের শেষের দিকে সাময়িক কিছু সংকট দেখা দিয়েছিল, তবে তা কাটিয়ে ওঠা হচ্ছে। জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসামগ্রী ক্রয়ের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং দুই-এক দিনের মধ্যেই সরবরাহ পৌঁছে যাবে।

জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন (আরএস) ডা. মোস্তাক আহমেদ বলেন, হাসপাতালে শয্যা সংখ্যার তুলনায় দেড় গুণের বেশি রোগী ভর্তি থাকেন। প্রতিদিন জরুরি বিভাগে প্রায় ১ হাজার ৫০০ রোগী চিকিৎসা গ্রহণ করেন এবং তাদের মধ্যে প্রায় ৫০০ জনকে ভর্তি করা হয়। এছাড়া আহত হয়ে প্রতিদিন প্রায় ৩৫০ জন রোগী এই বিভাগে চিকিৎসা নেন।

তিনি বলেন, অতিরিক্ত রোগীর চাপের কারণে প্লাস্টার ব্যান্ডেজ, ক্ষতস্থানের সেলাইয়ের সুতা, ড্রেসিং সামগ্রী ও কিছু অ্যান্টিসেপটিক দ্রব্য সাময়িক সংকটে পড়েছে। তবে, ওষুধের বড় কোনো সংকট নেই। ব্যথানাশক ও গ্যাস্ট্রিকের ইনজেকশন পর্যাপ্ত রয়েছে। হাসপাতালে যেসব ওষুধ বা সামগ্রী নেই, প্রয়োজন অনুযায়ী সেগুলো রোগীদের বাইরে থেকে সংগ্রহ করতে বলা হচ্ছে।

হাসপাতালের এক কর্মকর্তা জানান, অর্থবছরের শেষ সময়ে কিছু সরঞ্জাম সংকট তৈরি হলেও প্রয়োজনীয় সামগ্রী ক্রয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। হাসপাতালের অন্যান্য খাতের বরাদ্দের টাকা দিয়ে মালামাল ক্রয় করা হচ্ছে। তবে দ্রুতই পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাহুল অরুণোদয়ের স্মরণে বিশেষ উদ্যোগ, প্রয়াত অভিনেতার জন্য মাঠে নামবেন অ্যালভিটোরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৩১ এম


রাহুল অরুণোদয়ের স্মরণে বিশেষ উদ্যোগ, প্রয়াত অভিনেতার জন্য মাঠে নামবেন অ্যালভিটোরা

রাহুলের অন্যতম শেষ অভিনীত কাজ ‘ছবিওয়ালা’ ছিল। পরিচালক বাপ্পার উদ্যোগে, আগামী ১৫ জুন ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের মাঠে আয়োজিত হতে চলেছে একটি বিশেষ ‘ট্রিবিউট এগ্‌জ়িবিশন ম্যাচ’ এর।

কট্টর লাল-হলুদপ্রেমী হিসেবে পরিচিত ছিলেন রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রয়াত অভিনেতার স্মৃতির উদ্দেশ্যে ইস্টবেঙ্গল মাঠে আয়োজন করা হয়েছে এই বিশেষ ম্যাচ। যে দলের দ্বাদশ খেলোয়াড় রাহুল। কিছুদিনের মধ্যে মুক্তি পাবে রাহুলের ছবি ‘ছবিওয়ালা’। এজন্যই করা হয়েছে এই বিশেষ উদ্যোগ।

রাহুলের অন্যতম শেষ অভিনীত কাজটি হলো ‘ছবিওয়ালা’। পরিচালক বাপ্পার উদ্যোগে আগামী ১৫ জুন ইস্টবেঙ্গল ক্লাব মাঠে হতে চলেছে একটি বিশেষ ‘ট্রিবিউট এগ্‌জ়িবিশন ম্যাচ’। বাঙালির ফুটবলের আবেগে গ্যালারি ও সিনেমার মেলবন্ধন ঘটাতে এই বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। নাম দেওয়া হয়েছে, “লাল-হলুদ গ্যালারির ছবিওয়ালা।”

গ্যালারিতে রাহুলের পরিচিত মশাল, জয়ধ্বনি এবং ফুটবল নিয়ে উন্মাদনা দেখা যাবে। এবার সেই উন্মাদনায় শামিল হবে টলিউডও। প্রিয় সমর্থকদের উদ্দেশ্যে মাঠ থেকেই পরম শ্রদ্ধা জানাতে, এ বার বুট পায়ে সবুজ گালিচায় নামছেন একঝাঁক প্রাক্তন তারকা লাল-হলুদ ফুটবলাররা। এই বিশেষ ম্যাচে খেলতে দেখা যাবে অ্যালভিটো ডি’কুনহা, মেহতাব হোসেন, দীপঙ্কর রায়, রহিম নবী, অসীম বিশ্বাস, অর্ণব মণ্ডল, সৌমিক দে, মহম্মদ রফিক-সহ ইস্টবেঙ্গলের বহু প্রাক্তনীকে।

এই ঐতিহাসিক আয়োজনকে সফল করতে এবং মাঠের অনুমতি দিয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের শীর্ষকর্তা নীতু সরকারকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। ‘ছবিওয়ালা’ টিমের পক্ষ থেকে বিশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে। পরিচালক বাপ্পা বলেন, “মানুষটা হয়তো সশরীরে আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু ওঁর রেখে যাওয়া অন্যতম শেষ ছবি ‘ছবিওয়ালা’ আর এই মাঠের আবেগের মধ্যে দিয়েই রাহুলদা আমাদের মাঝে বেঁচে থাকবেন চিরকাল।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এক গ্লাস ঠান্ডা লিচুর শরবতে মুহূর্তেই মিলবে গরম থেকে স্বস্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৩৫ এম


এক গ্লাস ঠান্ডা লিচুর শরবতে মুহূর্তেই মিলবে গরম থেকে স্বস্তি

গরমের দিনে এক গ্লাস ঠান্ডা পানীয় যেন অতি সহজে এনে দেয় স্বস্তি। আর যেহেতু এখন লিচুর মৌসুম, তাই এই সুস্বাদু ফল ব্যবহার করে খুব সহজেই তৈরি করা যায় ঘরোয়া লিচুর শরবত। স্বাদে মিষ্টি ও সতেজ এই পানীয় যেন গরমে ক্লান্তি দূরে করতে পারে দারুণ একটি পছন্দ।

লিচু এমনিতেই রসালো ও সুস্বাদু একটি ফল। এর সঙ্গে সামান্য চিনি, লবণ এবং বরফ মিশিয়ে তৈরি করা যায় ঠান্ডা এবং মজাদার শরবত। খুব কম সময়ের মধ্যে সহজেই এই পানীয়টি তৈরি করা সম্ভব।

যা যা লাগবে:

- খোসা ও বিচি ছাড়ানো লিচু ১২টি

- পানি ২ গ্লাস

- চিনি পরিমাণমতো

- সামান্য লবণ

- কয়েক টুকরা বরফ

প্রস্তুত প্রণালি:

প্রথমে একটি মিশ্রণ যন্ত্রে লিচু, চিনি এবং সামান্য লবণ দিন। এরপর সব উপকরণ খুব ভালোভাবে মিশিয়ে নেওয়া উচিত। তারপর এর মধ্যে পানি যোগ করতে হবে এবং আবার মিশিয়ে নিতে হবে।

সব উপকরণ যত ভালোভাবে মিশে যাবে, তখন গ্লাসে ঢেলে নিতে হবে। শেষে বরফ যোগ করে পরিবেশন করুন ঠান্ডা লিচুর শরবত।

এই গরমে এক গ্লাস ঠান্ডা লিচুর শরবত যেন শরীরে এনে দিতে পারে প্রশান্তির ছোঁয়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%