বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৫৩ পি.এম
জুলাই আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে দায়ের হওয়া দুটি হত্যা মামলায় আগাম জামিনের জন্য হাইকোর্টে হাজির হয়েছিলেন চিত্রনায়ক রিয়াজ। বৃহস্পতিবার তিনি সশরীরে আদালতে গিয়ে জামিনের আবেদন করেন। তবে শুনানি শেষে আদালত তার আবেদন গ্রহণ না করে ফিরিয়ে দেয়।
রিয়াজের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর মধ্যে একটি হলো বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় রাজধানীর সরকারি আলিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থী সাইফুদ্দিন মোহাম্মদ এমদাদকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে। এই মামলা ২০২৫ সালের ২ মে দায়ের করা হয়। মামলায় শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করে শিল্পী, সাংবাদিক, শিক্ষক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিসহ মোট ২০১ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এর আগে, ২০২৫ সালের ৩০ এপ্রিল ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুল ইসলামের আদালত অভিযোগটি গ্রহণ করে শাহবাগ থানাকে এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। মামলায় আসামি করা ১৪ অভিনয়শিল্পীর মধ্যে চিত্রনায়ক রিয়াজ, ফেরদৌস আহমেদ, চঞ্চল চৌধুরী, মামুনুর রশীদ, অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন, অরুণা বিশ্বাস, জ্যোতিকা জ্যোতি, শামীমা তুষ্টি, শমী কায়সার, সাজু খাদেম, আশনা হাবীব ভাবনা, সোহানা সাবা, রোকেয়া প্রাচী ও জায়েদ খান অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
এ মামলায় সাংবাদিকদের মধ্যেও ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে, তাদের মধ্যে কালবেলা সম্পাদক সন্তোষ শর্মা এবং এটিএন নিউজের মুন্নী সাহা উল্লেখযোগ্য। শিক্ষকদের মধ্যে জাফর ইকবাল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য মিজানুর রহমান ও মুনতাসির মামুনসহ ১৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া ইমরান এইচ সরকার ও লাকী আক্তারকেও মামলার আসামি করা হয়েছে।
জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া অন্য একটি হত্যা মামলাতেও রিয়াজের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। ওই দুই মামলায় আগাম জামিনের জন্য বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে আবেদন করেন তিনি। কিন্তু আদালত শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন ফিরিয়ে দেয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নিথর রাতগুলোতে মাঝে মাঝে বৃদ্ধাশ্রমের ঘরটিতে বসে হরিনামে সুর তুলতেন ৯৭ বছর বয়সী বৃদ্ধা গুণ মায়া বোহরা। কিন্তু হঠাৎ করে সেই সুরে ছেদ পড়েছে। এখন ‘হরে রাম, হরে কৃষ্ণ’ ভজনের সুর বাতাসে মিলিয়ে গিয়ে ভেসে আসছে একটি উদাস প্রশ্ন; পানি কেন আমাকে ওভাবে এসে আঘাত করল? হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে তিনি এই একই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন। বর্তমানে নেপালের রাজধানী কাঠমাণ্ডুর বীর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এই প্রবীণ নারী চরম মানসিক ট্রমা (অ্যাকিউট স্ট্রেস ডিসঅর্ডার)-এ ভুগছেন। তার দুই হাত ও পা জুড়ে কালো আর নীল দাগ, শরীরের ভেতর বয়ে চলেছে এক অলৌকিক টিকে থাকার গল্প।
গত ২৬ আগস্টের সেই কালরাত আর সকালের স্মৃতি এখনও তার মনে তাড়া করে ফিরছে। নুয়াকোটের দেবীঘাট এলাকার নদীতীরবর্তী বৃদ্ধাশ্রমের নিচতলার একটি কামরায় ছিলেন গুণ মায়া। হিমালয়ের সুউচ্চ চূড়ায় যে এক বিশাল হিমবাহ ধসে পড়েছে, এবং সেই ধস থেকে সৃষ্টি হওয়া ভূমিধসের জলরাশি ত্রিশূলী নদীতে আছড়ে পড়ে প্রলয়ঙ্করী বন্যা তৈরি করেছে, এসবের কিছুই তার জানা ছিল না। দেখতে দেখতে সেই উত্তাল জলস্রোত আর কাদা-পাথরের পাহাড়ি ঢল আছড়ে পড়ে বৃদ্ধাশ্রমটির নিচতলায়। স্রোতের তীব্র ধাক্কায় গুণ মায়া নিচতলার এক কোণে গিয়ে আটকে পড়েন। যদিও ধ্বংসাত্মক স্রোতে অনেকেই জীবন হারালেও অলৌকিকভাবে গুণ মায়ার আশপাশের পানির তীব্রতা কিছুটা কম ছিল।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে নেপাল পুলিশ ও নেপালি সেনাবাহিনী উদ্ধার কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ে। প্রায় চার ঘণ্টা ধরে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে চলে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ, যাতে ভেতরে আটকে থাকা বৃদ্ধার কোনো ক্ষতি না হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে তার আত্মীয়স্বজনরাও ছুটে আসেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তারা একটি জেসিবি এস্কেভেটর যন্ত্র নিয়ে সেখানে হাজির হন। গুণ মায়ার এক বড় নাতি দীপকের স্মৃতিচারণ অনুযায়ী, তারা ধাপে ধাপে কাদা ও পাথরের স্তূপ সরিয়ে অবশেষে এস্কেভেটরের বালতিতে করে তাকে পরম যত্নে নিরাপদে তুলে নিয়ে আসেন। ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে তুলে আনা এই দীর্ঘজীবী নারী যেন মৃত্যুর মুখ থেকে নতুন এক জীবন ছিনিয়ে আনলেন।
তবে গত সপ্তাহের এই প্রলয়ঙ্করী বন্যা গুণ মায়ার জীবনে আসা ঘাত-প্রতিঘাতের প্রথম গল্প নয় বরং দীর্ঘ প্রায় এক শতাব্দীর জীবনে বারবার শোক ও হার না মানা সংগ্রামের মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। ৯৭ বছর বয়সে দাঁড়িয়ে তিনি তার স্বামীর মৃত্যুর ৮১ বছর পার করেছেন। তৎকালীন সমাজের বাল্যবিবাহের রেওয়াজ অনুযায়ী মাত্র আট বছর বয়সে নুয়াকোটের সূর্যগড়িতে তাঁর বিয়ে হয়েছিল। কিন্তু বিয়ের মাত্র আট বছরের মাথায় স্বামীকে হারান তিনি। শোকের মিছিল এখানেই থামেনি; এর চার বছরের মধ্যে মা-বাবাকে হারান গুণ মায়া এবং তার কিছুদিন পর বিদায় নেন তাঁর একমাত্র ভাইও। কুড়ি বছর বয়সে পৌঁছানোর আগেই তার নিজের রক্তের সম্পর্কের প্রায় সব মানুষ পৃথিবী ছেড়ে চলে যান।
জীবনের এই দীর্ঘ যাত্রায় নিজের কোনো সন্তান হয়নি গুণ মায়ার। কিন্তু রক্তের সম্পর্ক না থাকলেও তিনি কখনোই একা ছিলেন না। স্বামীর তিন ভাই, তাদের স্ত্রী এবং পরবর্তীতে তাঁদের সন্তানদের নিজের পরিবার বানিয়ে নিয়েছিলেন তিনি। তেরো জন ভাইপো আর বারো জন ভাইঝিকে নিজের সন্তানের মতো স্নেহ-ভালোবাসায় লালন-পালন করে বড় করেছেন। প্রতিদিন সকালে তাদের স্কুলে পাঠানোর জন্য পরম আদরে ভুট্টা ভেজে নাস্তা প্যাক করে দিতেন। দীপকের মতে, গুণ মায়াদের প্রজন্মের নারীরা তখনকার দিনে নীরবে-নিভৃতে কীভাবে গোটা সংসারকে আগলে রেখেছেন, তা আজকের দিনে সত্যি অবিশ্বাস্য। রক্তের কেউ বেঁচে না থাকলেও তার নিজের হাতে গড়া সেই পরিবারের ২৫ জন ভাইপো-ভাইঝি আজও পর্যায়ক্রমে বীর হাসপাতালের শয্যা পাশে রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন তাদের প্রিয় ‘মা’ সদৃশ অভিভাবককে।
৮৩ বছর বয়সে তিনি নিজ ইচ্ছাতেই দেবীঘাটের ‘সিনিয়র সিটিজেন ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন’ নামের ওই বৃদ্ধাশ্রমটিকে নিজের নতুন ঠিকানা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন, যাতে কাছাকাছি থাকা ভাইঝিরা এসে প্রতিদিন দেখা করে যেতে পারেন। বৃদ্ধাশ্রমের সমবয়সী মানুষদের মাঝে বেশ ভালোই কাটছিল তার দিন। সবার জন্মদিন উদ্যাপন করা, একসাথে ভজন গাওয়াই ছিল তার আনন্দের খোরাক। পায়ের পুরোনো সমস্যা আর বন্যায় হাতে পাওয়া চোট নিয়ে এখনও ডাক্তারদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি। তবে এত বয়সেও তাঁর শারীরিক যে সক্ষমতা, তা সত্যিই বিস্ময়কর। দুর্ঘটনার পর প্রথম দুই দিন কেবল ফলের রস খেয়ে থাকলেও এখন দুধ ও সাধারণ খাবার হজম করতে পারছেন তিনি।
শারীরিক জখম হয়তো সময়ের সাথে সাথে শুকিয়ে যাবে, কিন্তু মনের ভেতরের গভীর ক্ষত মিটতে সময় লাগছে। চিকিৎসাধীন গুণ মায়া বারবার জিজ্ঞেস করছেন, পানি কেন তাঁকেই এসে ওভাবে আঘাত করল। পরম মমতায় নাতি দীপক তাঁকে বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করেন যে, অনেক উঁচুতে থাকা গোসাইকুণ্ড হ্রদটি ভেঙে পড়ার কারণেই এই বিপত্তি ঘটেছে। বুড়িমা কিছুক্ষণ চুপ থেকে হয়তো বিষয়টি বোঝার চেষ্টা করেন, কিন্তু কয়েক ঘণ্টা বাদেই সেই পুরোনো আতঙ্ক আবার তাকে গ্রাস করে, আবার ভেসে আসে সেই একই কাতর প্রশ্ন। কাঠমাণ্ডুর হাসপাতালের কোণে বসে ২৫ জন স্বজন এখন অপেক্ষা করছেন সেই দিনের, যেদিন দীর্ঘ সংগ্রামের প্রতীক ৯৭ বছরের এই বৃদ্ধার মন থেকে বন্যার আতঙ্ক মুছে যাবে এবং তিনি আবার আগের মতো শান্তিতে ভজনের সুরে হারিয়ে যাবেন।
সূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, আগামী ৮ থেকে ১০ জানুয়ারি প্রথম পর্ব এবং ১৫ থেকে ১৭ জানুয়ারি দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমা আয়োজনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এই তারিখ নির্ধারণের প্রক্রিয়া সবার সঙ্গে আলোচনা করে সম্পন্ন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার, তাবলিগের মাওলানা সাদপন্থিরা মন্ত্রীর সঙ্গে একটি বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে তিনি এ বিষয়টি তুলে ধরেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, নির্বাচনের কারণে গত এক বছর ধরে তাবলিগ জামাতের বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়নি। আজকের আলোচনায় দুই অংশের একটি পক্ষ (মওলানা সাদপন্থি) নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এর আগে কিছুদিন আগে জুবায়েরপন্থিদের সঙ্গেও আলোচনা করা হয়েছিল। তাদেরও জানানো হয়েছিল যে, আমরা দুই পক্ষের সঙ্গেই কথা বলব।
তিনি উল্লেখ করেন, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত থাকবে। সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হচ্ছে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা। সংঘর্ষের ঘটনা যাতে না ঘটে, সেই লক্ষ্যে আমরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করব। কারণ অতীতে এ ধরনের ঘটনার ফলে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। তাই বিষয়টি মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। যেহেতু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও নেওয়া হয়নি, তাই এই মুহূর্তে এর চেয়ে বেশি কিছু বলা সম্ভব নয়।
সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, জুবায়েরপন্থিদের দাবি হচ্ছে প্রথম ও দ্বিতীয় পর্ব তারা করতে চান। অন্যদিকে সাদপন্থিদের দাবি হলো, রমজানের আগে এবং ওই দুই পর্বের মধ্যবর্তী সময়ে একটি পর্ব ইজতেমা করার। অথবা নভেম্বরের শেষের দিকে প্রস্তাবিত এই দুই পর্ব শুরুর আগে সাদপন্থিরা ইজতেমা করতে চান।
মন্ত্রী বলেন, মাওলানা সাদ সাহেবের আগমনের বিষয়টি ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ধর্ম অনুসারে দেখা হবে এবং সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এটি ভিসানীতি অনুসারে পরিচালিত হবে। এ বিষয়ে এখন চূড়ান্ত কিছু বলা সম্ভব নয়। ভিসানীতি অনুযায়ী যেভাবে ক্লিয়ারেন্স নিতে হয়, সেভাবে নেওয়া হবে, তারপর বিষয়টি দেখা যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেপালের রসুয়া জেলার দুর্গম এলাকা থেকে ৪৫ দিনের এক শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে আকস্মিক বন্যার মধ্যে। এই দুর্যোগের ভয়াবহতার মাঝে শিশুটির উদ্ধারের ঘটনা স্বস্তি ও আশার এক বিরল মুহূর্ত সৃষ্টি করেছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) টাইমস অব ইন্ডিয়া
প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ১ সেপ্টেম্বর বন্যায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত রসুয়া জেলা থেকে শিশুটিকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। পরে শিশুটিকে রসুয়া ধাঙ্গে ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়।
শিশুটিকে উদ্ধারের দৃশ্যের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা মানুষের মধ্যে ব্যাপক আবেগের সঞ্চার করেছে। ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে এত অল্প বয়সী একটি শিশুর নিরাপদে উদ্ধার হওয়াকে অনেকেই অলৌকিক ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করছেন।
নেপালের বিভিন্ন এলাকায় বন্যার পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক রূপে বিরাজ করছে। এর মধ্যেই ৪৫ দিনের শিশুটির জীবিত উদ্ধার স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন দুইজন, গোলাম রব্বানী (৩৩) ও মাসুদ রানা (৩৫) নামে। এই ঘটনায় অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলার সাদুল্লাপুর ও পলাশবাড়ী উপজেলায় দুর্ঘটনাগুলো ঘটে।
নিহত গোলাম রব্বানী সাদুল্লাপুর ডিগ্রি কলেজের হিসাবরক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি গাইবান্ধা সদরের সাহাপাড়া ইউনিয়নের বিষ্ণপুর এলাকার জিন্নাহ মিয়ার পুত্র। অপরদিকে, মাসুদ রানা ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বাঁশঘেরা এলাকার ফয়জার আলীর ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে সাদুল্লাপুরের পশ্চিম পাড়া এলাকায় ফাতেমা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে গোলাম রব্বানী, যিনি মোটরসাইকেল চালক ছিলেন, ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।
সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল ইসলাম জানান, বাসটিকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে এবং মামলার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
অন্যদিকে, একই দিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পলাশবাড়ী উপজেলার সাঁকোয়া মাঝিপাড়া এলাকায় আলহামরা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে মাসুদ রানা (৩৫) নামে এক মাইক্রোবাস চালক নিহত হন। এই ঘটনায় অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন। আহতদের পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের নাম পরিচয় জানা যায়নি।
পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সারোয়ারে আলম খান জানান, দুর্ঘটনার পর কিছু সময় সড়কে যানচলাচল ব্যাহত হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ