বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:০৮ পি.এম
গাইবান্ধায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন দুইজন, গোলাম রব্বানী (৩৩) ও মাসুদ রানা (৩৫) নামে। এই ঘটনায় অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলার সাদুল্লাপুর ও পলাশবাড়ী উপজেলায় দুর্ঘটনাগুলো ঘটে।
নিহত গোলাম রব্বানী সাদুল্লাপুর ডিগ্রি কলেজের হিসাবরক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি গাইবান্ধা সদরের সাহাপাড়া ইউনিয়নের বিষ্ণপুর এলাকার জিন্নাহ মিয়ার পুত্র। অপরদিকে, মাসুদ রানা ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বাঁশঘেরা এলাকার ফয়জার আলীর ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে সাদুল্লাপুরের পশ্চিম পাড়া এলাকায় ফাতেমা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে গোলাম রব্বানী, যিনি মোটরসাইকেল চালক ছিলেন, ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।
সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল ইসলাম জানান, বাসটিকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে এবং মামলার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
অন্যদিকে, একই দিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পলাশবাড়ী উপজেলার সাঁকোয়া মাঝিপাড়া এলাকায় আলহামরা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে মাসুদ রানা (৩৫) নামে এক মাইক্রোবাস চালক নিহত হন। এই ঘটনায় অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন। আহতদের পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের নাম পরিচয় জানা যায়নি।
পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সারোয়ারে আলম খান জানান, দুর্ঘটনার পর কিছু সময় সড়কে যানচলাচল ব্যাহত হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে মাদক, কিশোর অপরাধ ও স্মার্টফোনের অপব্যবহারের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরিতে ব্যতিক্রমী কর্মসূচি পালন করেছে শিক্ষার্থীরা। এ সময় মাদক ও সামাজিক অপরাধকে ‘না’ বলার পাশাপাশি উন্নত চরিত্র গঠনের শপথ নেয় তারা।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বেগমগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন লাল সবুজ উন্নয়ন সংঘের উদ্যোগে সচেতনতামূলক আলোচনা সভা ও চরিত্র গঠনের শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কায়েসুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নোয়াখালী পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিন। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেগমগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আ ন ম ইমরান খান এবং বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুজ্জামান।
পরে পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিন শিক্ষার্থীদের উন্নত চরিত্র গঠন, মাদক ও কিশোর অপরাধ থেকে দূরে থাকা এবং স্মার্টফোনের অপব্যবহার না করার শপথ পাঠ করান।
আয়োজক সংগঠনটি জানায়, শিক্ষার্থীদের টিফিনের টাকা সাশ্রয় করে পরিচালিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন লাল সবুজ উন্নয়ন সংঘ গত ১৫ বছর ধরে দেশের ৬৪ জেলায় শিক্ষার্থীদের সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে। বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে গঠিত সংগঠনটি এ পর্যন্ত প্রায় ৪৫ লাখ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে উদ্বুদ্ধ করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তেলেগু সুপারস্টার মহেশ বাবুর ছেলে গৌতম ঘট্টামনেনির একটি চলচ্চিত্রের রেটিং নিয়ে বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনা ও তুমুল চর্চা শুরু হয়েছে। কন্নড় তারকা যশের নতুন মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘টক্সিক’কে জনপ্রিয় সিনেমা রিভিউ প্ল্যাটফর্ম ‘লেটারবক্সড’-এ ২০ বছর বয়সী এই তারকা সন্তান মাত্র ০.৫ (আধা) স্টার দিয়েছেন।
গীতু মোহনদাস পরিচালিত এই সিনেমাটি নিয়ে দর্শক ও সমালোচকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। ঠিক সেই মুহূর্তে গৌতমের দেওয়া এই সর্বনিম্ন রেটিং নেটিজেন ও চলচ্চিত্রপ্রেমীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
ছবি রিভিউ করার জন্য গৌতমের লেটারবক্সডে অ্যাকাউন্ট ও কার্যক্রম সিনেপ্রেমীদের নজর কেড়েছে। দেখা গেছে, তরুণ বয়সে তিনি বিভিন্ন ভাষা ও ঘরানার প্রায় ৪০০টিরও বেশি চলচ্চিত্র দেখে সেগুলোর রেটিং দিয়েছেন। তেলেগু বিনোদনজগতের সঙ্গে সরাসরি পারিবারিক যোগাযোগ থাকলেও গৌতমের নিজস্ব রুচি এবং স্বাধীন মতামত তার প্রোফাইলে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। যশ অভিনীত ‘টক্সিক’ মুক্তির আগে থেকেই দর্শকদের মধ্যে প্রবল আগ্রহ তৈরি হয়েছিল। তবে মুক্তির পর থেকেই এর গল্প ও নির্মাণের ধরন নিয়ে দর্শকরা দ্বিখণ্ডিত হয়ে পড়েন।
গৌতমের কাছ থেকে যশের ‘টক্সিক’ সিনেমাটি একমাত্র নয়, বিজয় দেবরাকোন্ডা অভিনীত ‘লাইগার’ ছবিটিকেও তিনি একইভাবে মাত্র ০.৫ স্টার দিয়েছিলেন। এতে স্পষ্ট হয় যে ‘টক্সিক’ ছবিটিকে কম রেটিং দেওয়া কোনো হঠাৎ নেওয়া সিদ্ধান্ত নয়, বরং নিজের কঠোর ব্যক্তিগত রুচির ভিত্তিতে তিনি এই মূল্যায়ন করেছেন।
মহেশ বাবুর সিনেমার ক্ষেত্রেও গৌতম পেশাদার ও নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রেখেছেন। তিনি মহেশ বাবুর ব্লকবাস্টার হিট ‘পোকিরি’ এবং ‘১: নেনোক্কাদিনে’ সিনেমা দুটিকে পূর্ণ ৫ স্টার রেটিং দিয়েছেন। তবে বাবার সব ছবি তার মন জয় করতে পারেনি। ‘নিজাম’ এবং ‘বংশী’ ছবি দুটিকে তিনি দিয়েছেন মাত্র ২ স্টার, আর মহেশ বাবুর ‘ব্রহ্মোৎসবম’ ছবিটি পেয়েছে তার থেকে সর্বনিম্ন ১ স্টার রেটিং।
গৌতমের পছন্দের পরিধি কেবল তেলেগু সিনেমার গণ্ডিতেই সীমাবদ্ধ নয়। তিনি ভারতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের বেশ কিছু কালজয়ী ছবিকে ৫ স্টার দিয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে ‘শোলে’, ‘প্রজেক্ট হেইল ম্যারি’, ‘নাইভস আউট’, ‘জার্সি’ এবং এস এস রাজামৌলির ‘বাহুবলী ২’। এছাড়া ‘পেল্লি চুপুলু’ এবং ‘সীতা রামম’ ছবিগুলিকে তিনি ৪.৫ স্টার দিয়েছেন। সমসাময়িক ও সাম্প্রতিক মুক্তির মধ্যে আদিত্য ধর পরিচালিত ‘ধুরন্ধর’ ছবিটিকে তিনি ৪ নম্বর এবং এর সিক্যুয়েল ‘ধুরন্ধর ২’ (ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ)-কে ৩ নম্বর রেটিং দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, গীতু মোহনদাস পরিচালিত অ্যাকশন-ড্রামা ‘টক্সিক’ সিনেমাটিতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন যশ। ছবিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা গেছে কিয়ারা আদভানি, নয়নতারা, হুমা কুরেশি এবং তারা সুতারিয়ার মতো জনপ্রিয় তারকাদের। ব্যাপক প্রচারণা ও বড় বাজেটের এই চলচ্চিত্রটি চলতি বছরের ২৬ আগস্ট বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়।
সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংক বাংলাদেশের যোগাযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়নে সহযোগিতা আরও জোরদার করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। উভয়পক্ষ দেশের সড়ক, রেল এবং নৌপরিবহন খাতের উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র চিহ্নিত করে ভবিষ্যতে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহন এবং রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সঙ্গে ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংক গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আল জাসেরের (H.E. Dr. Mohammad Al Jasser) নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাতে এসব বিষয়ে আলোচনা করে।
বৈঠকে বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, চলমান প্রকল্প, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং উন্নয়ন সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা হয়। মন্ত্রী বলেন, "দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও উন্নয়নকে আরও গতিশীল করতে উন্নত, নিরাপদ ও টেকসই যোগাযোগ অবকাঠামো গড়ে তোলাকে বর্তমান সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।" সড়ক, রেল ও নৌপথের সমন্বিত উন্নয়নের মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ যোগাযোগব্যবস্থা শক্তিশালী করার পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগ সম্প্রসারণে সরকার কাজ করছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের যোগাযোগ খাতে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। জনগণের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ, যানজট নিরসন, পরিবহন ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে নতুন প্রকল্পের পাশাপাশি বিদ্যমান অবকাঠামোর আধুনিক ব্যবস্থাপনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংকের অর্থায়ন, অভিজ্ঞতা ও কারিগরি সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সড়কমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংকের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের এবং এটি পারস্পরিক আস্থার ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, বাংলাদেশের অগ্রাধিকারভিত্তিক অবকাঠামো প্রকল্পে ভবিষ্যতে এই সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে।
ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংক গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আল জাসের বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা ও অবকাঠামো খাতের অগ্রগতির প্রশংসা করে বলেন, "বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা অত্যন্ত উজ্জ্বল।" তিনি বলেন, কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান ও ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সক্ষমতাকে কাজে লাগাতে উন্নত যোগাযোগ অবকাঠামো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংক একটি নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে পাশে থাকতে চায়। সড়ক, রেল ও নৌপরিবহন খাতের সমন্বিত ও টেকসই উন্নয়নে সহযোগিতার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে দক্ষ পরিবহনব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে বাংলাদেশের অগ্রাধিকার ও প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ভবিষ্যৎ প্রকল্পগুলোতে সহযোগিতার সুযোগ নিয়ে ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংক ইতিবাচকভাবে কাজ করতে আগ্রহী।
বৈঠকে উভয়পক্ষ বাংলাদেশের যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়নকে আরও এগিয়ে নিতে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে একমত পোষণ করে। বৈঠকের ফলাফল নিয়ে উভয়পক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করে এবং বাংলাদেশ ও ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংকের উন্নয়ন অংশীদারত্ব ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে।
এ সময় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হকসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং মৌলভীবাজার-৩ (সদর-রাজনগর) আসনের সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান নির্বাচিত হয়েছেন জাতীয় সংসদের ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত এই স্থায়ী কমিটিটি গঠন করা হয় বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে।
ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী পক্ষ থেকে কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম। পরবর্তীতে উক্ত প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
প্রস্তাব উত্থাপনকালে চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বলেন, “সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে আমি মো. নূরুল ইসলাম (১১০, বরগুনা-২), বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ, প্রস্তাব করছি যে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি-বিধির ২৪৬, ২৪৭ ও ২৪৮ বিধি অনুসারে উক্ত বিধিসমূহে বর্ণিত কমিটির নিয়োগ, কমিটির গঠন, কমিটির কাজ ও কমিটির দায়িত্ব পালনের জন্য নিম্নলিখিত সংসদ-সদস্যগণের সমন্বয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ‘ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি’ গঠন করা হোক।”
নাসের রহমান ছাড়াও ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন—ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদীন, সরদার সরফ উদ্দিন আহমেদ, শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন, এরশাদুল্লাহ, সুলতানা আহমেদ, মাহবুবুর রহমান বেলাল ও মাহমুদুল্লাহ।
জাতীয় সংসদের স্থায়ী কমিটিগুলো মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং সংসদের কাছে প্রয়োজনীয় সুপারিশ দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
এই কমিটির মাধ্যমে ভূমি মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম, ভূমি ব্যবস্থাপনা, ভূমিসংক্রান্ত নীতি ও প্রশাসনিক কার্যক্রমসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সংসদীয় নজরদারি ও পর্যালোচনার সুযোগ রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ