ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভোটার তালিকায় মৃত ঘোষণা, তবু প্রতিবছর ভোট দিচ্ছেন কামতা প্রসাদ


ভোটার তালিকায় মৃত ঘোষণা, তবু প্রতিবছর ভোট দিচ্ছেন কামতা প্রসাদ

ভারতের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন কার্যক্রমে (এসআইআর) প্রায় ১৩ কোটি মানুষের নাম বাদ পড়ার অভিযোগ উঠেছে। দিল্লির ৫৩ বছর বয়সী দর্জি কামতা প্রসাদ প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন ভোটাধিকার ফিরে পেতে।

কামতা প্রসাদ, যিনি জীবিত এবং নিয়মিত কাজ করছেন, ভোটার তালিকায় নিজেকে মৃত হিসেবে দেখতে পেয়েছেন। তিনি বছরের পর বছর ভোট দিয়ে আসছেন এবং এখন নিজের অস্তিত্ব প্রমাণ করতে সরকারি দপ্তরে দপ্তরে যেতে হচ্ছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে কামতা প্রসাদের এই ভোগান্তির চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ভারতের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন কার্যক্রমে প্রায় ১৩ কোটি মানুষের নাম বাদ পড়েছে।

আরও পড়ুন: জ্বালানি ও সার সরবরাহে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় আলজেরিয়া

প্রতিবেদন অনুযায়ী, দিল্লিতে প্রায় ৪২ লাখ ভোটারের নামও তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। কামতা প্রসাদের নাম ভোটার তালিকায় ‘কান্তা প্রসাদ’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। নতুন তালিকায় তাকে মৃত হিসেবে চিহ্নিত করায় ভোটাধিকার ফিরে পেতে প্রশাসনিক জটিলতার সম্মুখীন হয়েছেন তিনি।

দীর্ঘদিনের ভোটার থাকা সত্ত্বেও নিজের নাম ও পরিচয় সংশোধন করতে তাকে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে যোগাযোগ করতে হচ্ছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ, পরিচয় যাচাই এবং প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে গিয়ে তার ভোগান্তি বাড়ছে।

ভারতের নির্বাচন কমিশনের এই বিশেষ নিবিড় সংশোধন কার্যক্রম নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। বিরোধী দল ও আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করছেন, ভোটার তালিকা থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষের নাম বাদ পড়ায় প্রকৃত ভোটারদের ভোটাধিকার ঝুঁকির মুখে পড়েছে। তারা দাবি করেছেন, ক্ষমতাসীন বিজেপিকে নির্বাচনে সুবিধা দিতে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে নির্বাচন কমিশন ও বিজেপি এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

নিম্ন আয়ের মানুষদের মধ্যে এই নাম বাদ পড়ার কারণে সবচেয়ে বেশি সমস্যা দেখা দিয়েছে। প্রয়োজনীয় নথিপত্রের অভাব, ঠিকানা যাচাই এবং প্রশাসনিক জটিলতার কারণে অনেকের পক্ষে নিজেদের ভোটার পরিচয় পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা কঠিন হয়ে উঠেছে। ভোটাধিকার হারানোর আশঙ্কার পাশাপাশি সরকারি রেশন ও অন্যান্য জনকল্যাণমূলক সুবিধা পাওয়ার বিষয়েও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

আরও পড়ুন: কিশোরের চোখের ওপরে দাঁত গজানোর বিরল ঘটনা

বিতর্কের মধ্যে ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া ব্যক্তিদের তথ্য পুনরায় যাচাইয়ের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বাদ পড়া ভোটাররা আবেদন করে তালিকায় নিজেদের নাম পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ পাচ্ছেন। তবে দীর্ঘ প্রক্রিয়া, প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহ এবং সরকারি দপ্তরে বারবার যাতায়াতের কারণে আবেদনকারীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

কামতা প্রসাদের ঘটনা কেবল একজন জীবিত ব্যক্তিকে ভোটার তালিকায় মৃত দেখানোর বিষয় নয়। এটি ভারতের ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ার নির্ভুলতা, স্বচ্ছতা এবং সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার সুরক্ষা নিশ্চিত করার বিষয়টিও সামনে নিয়ে এসেছে।

তথ্যসূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

আরও পড়ুন: বিশ্বজুড়ে সাইবার হামলার আশঙ্কায় বহু সরকারি ও কোম্পানির ওয়েবসাইট বন্ধ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুর সীমান্তে হাতি-মানুষের সংঘাত নিরসনে সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪৮ পি.এম


শেরপুর সীমান্তে হাতি-মানুষের সংঘাত নিরসনে সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজন

শেরপুর, ২২ অক্টোবর ২০২৬ : গারো পাহাড় এলাকায় বন্য হাতি ও মানুষের মধ্যে সংঘাতের ঘটনা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই সংঘাতের স্থায়ী সমাধানের জন্য বন বিভাগের নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি প্রশাসনের সমন্বিত পরিকল্পনা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ, গবেষক ও স্থানীয় ভুক্তভোগীরা।

বাংলাদেশ এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের প্রশিক্ষক আদনান আজাদ বাসসকে জানিয়েছেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি হাতির নিরাপদে বেঁচে থাকার পরিবেশ তৈরি করতে হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলের একযোগে কাজ করা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, হাতি লোকালয়ে প্রবেশ করলে আতঙ্কিত হয়ে হাতিকে ঘিরে ধরা, আঘাত করা কিংবা অনিরাপদভাবে তাড়ানোর চেষ্টা করা উচিত নয়। এ ধরনের পরিস্থিতিতে প্রশিক্ষিত রেসপন্স টিমের সহায়তা নেওয়া প্রয়োজন। স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বন বিভাগের সঙ্গে মানুষের সমন্বয় জোরদার করেও এই সংঘাত কমানো সম্ভব।

বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সীমান্তবর্তী তিন উপজেলার বনাঞ্চল ও আশপাশের এলাকায় প্রায় ১২০টি বন্য হাতি বিচরণ করছে। প্রতিটি দলে হাতির সংখ্যা ৩০ থেকে ৪০ টি।

এছাড়া খাদ্যের সন্ধানে হাতির পাল প্রায়ই লোকালয় ও কৃষি জমিতে ঢুকে পড়ছে। এতে ফসল নষ্ট হচ্ছে, ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং মানুষের প্রাণহানির ঝুঁকি বাড়ছে। অন্যদিকে, হাতিরাও হারাচ্ছে নিরাপদ বিচরণক্ষেত্র ও স্বাভাবিক চলাচলের সুযোগ। ফলে মানুষ ও বন্য হাতি উভয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সূত্র জানায়, জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার কাটাবাড়ি, মধুটিলা ও ঝিনাইগাতী উপজেলার তাওয়াকুচি, ছোটো গজনী ও বড় গজনী এবং শ্রীবরদী উপজেলার বালিজুড়ী ও রানী শিমুল ইউনিয়নের পাহাড়ি এলাকায় হাতির বিচরণ রয়েছে। বর্তমানে হাতির দলগুলো নালিতাবাড়ী উপজেলার বুরুঙ্গা-পোড়াবাড়ি পাহাড়ি অঞ্চলে অবস্থান করছে।

মধুটিলা রেঞ্জের ডেপুটি রেঞ্জার মো. আব্দুল করিম জানান, হাতিগুলো কয়েকটি দলে বিভক্ত হয়ে শেরপুর ও জামালপুরের প্রায় ১২ হাজার হেক্টর বনাঞ্চল ও আশপাশের এলাকায় বিচরণ করছে। এসব দলে ২৫ থেকে ৩০টি শাবকও রয়েছে। বনাঞ্চলে পর্যাপ্ত খাবার না থাকায় হাতিরা প্রায়ই কৃষিজমি ও লোকালয়ে প্রবেশ করছে।

জানা যায়, ২০০০ সালের দিকে ভারতের মেঘালয় রাজ্য থেকে ১৫ থেকে ২০টি বন্যহাতি বাংলাদেশের গারো পাহাড় এলাকায় আসে। পরবর্তী সময়ে বংশ বিস্তারের ফলে হাতির সংখ্যা দিনদিন বাড়তে থাকে। একসময় হাতিগুলো বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তবর্তী বনাঞ্চলের মধ্যে দিয়ে নিয়মিত চলাচল করত।

২০০৭ সালে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের মেঘালয় রাজ্য সংলগ্ন শেরপুর এলাকায় কয়েক কিলোমিটার কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করা হয়। সেসময় হাতির চলাচলের সুবিধার্থে ৪৪টি গেট ও নদী-ছড়ার ওপর ১১টি আন্ডারপাস তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু, অজানা কারণে সেই গেটগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় হাতির স্বাভাবিক চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়। ফলে মেঘালয় থেকে আসা হাতিগুলো আর নিজ আবাসস্থলে ফিরতে পারেনি।

স্থানীয়রা জানান, দিনের আলোয় জমিতে ফসলের পরিচর্যা করেন কৃষকেরা। আর রাত নামলেই শুরু হয় ফসল পাহারা। কেউ টর্চলাইট জ্বালিয়ে, কেউ আগুনের আলো দেখিয়ে, আবার কেউ দল বেঁধে হাঁকডাক করে হাতির পাল ঠেকানোর চেষ্টা করেন। তবুও কোনো কোনো রাতে হাতির আক্রমণে নষ্ট হয়ে যায় কয়েক মাসের পরিশ্রমে ফলানো ফসল।

ঝিনাইগাতী উপজেলার রাংটিয়া এলাকার কৃষক সুনীল মারাক বাসসকে বলেন, ‘আমরা কৃষিকাজ করে সংসার চালাই। অনেক কষ্ট করে জমিতে ধানসহ অন্যান্য ফসল ফলাই। কিন্তু বন্য হাতি রাতে এসে ক্ষেতের সব ফসল নষ্ট করে দেয়। এক রাতেই আমাদের কয়েক মাসের পরিশ্রম শেষ হয়ে যায়। হাতির ভয়ে রাতে জমি পাহারা দিতে হয়, আবার জীবনের ঝুঁকিও থাকে।’

তিনি হাতির আক্রমণ থেকে ফসল রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ ও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আহ্বান জানান।

নালিতাবাড়ী উপজেলার মধুটিলা এলাকার কৃষক চিন্ময় ম্রং বলেন, ‘হাতির ভয়ে আমরা রাতে ঠিকমতো ঘুমাতে পারি না। কখন হাতি লোকালয়ে ঢুকে পড়ে, কখন ঘরবাড়ি বা ফসলের ক্ষতি করে, সেই আতঙ্কে থাকতে হয়। হাতি তাড়াতে গিয়ে মানুষ আহত হওয়ার বা প্রাণ হারানোর আশঙ্কাও থাকে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা হাতি মেরে ফেলতে চাই না। আমরা চাই মানুষ ও হাতি দুই পক্ষই নিরাপদে থাকুক। এজন্য বন বিভাগের নিয়মিত নজরদারি, আগাম সতর্কবার্তা এবং স্থানীয় মানুষের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন।’

শ্রীবরদী উপজেলার বালিজুড়ী এলাকার কৃষক হারেজ আলী বলেন, শুধু হাতি তাড়িয়ে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। হাতির চলাচলের পথ সংরক্ষণ, বনের খাদ্য ও আবাসস্থলের উন্নয়ন, ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত ক্ষতিপূরণ এবং গ্রামবাসীর সঙ্গে বন বিভাগের সমন্বয় বাড়াতে হবে।

ময়মনসিংহ বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ ও ২০২৫-২৬ অর্থবছরে শেরপুরে মানুষ-হাতির সংঘাতের ঘটনায় প্রায় ৪৩৫ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে। ২০১৪ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত হাতির আক্রমণে ২৯ জন নিহত ও ২৬ জন আহত হয়েছেন। পাশাপাশি গাছপালাসহ ৮২৯টি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অন্যদিকে, মানুষের তৈরি বৈদ্যুতিক ফাঁদসহ বিভিন্ন কারণে ৩০টি বন্যহাতির মৃত্যু হয়েছে।

বন বিভাগ জানায়, এসব ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের মধ্যে ৫৫ লাখ টাকা, আহত ব্যক্তিদের পরিবারের মধ্যে ৯ লাখ টাকা এবং বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া পরিবারগুলোর মধ্যে ১ কোটি ৭১ লাখ টাকা সরকারি সহায়তা হিসেবে বিতরণ করা হয়েছে।

তবে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হলেও ফসলের ক্ষতি, প্রাণহানির আশঙ্কা ও নিরাপত্তাহীনতা থেকে যাচ্ছে। তাই ক্ষয়ক্ষতির পর সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি সংঘাত প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন পাহাড়ি জনপদের স্থানীয় বাসিন্দারা।

মধুটিলা রেঞ্জের ডেপুটি রেঞ্জার মো. আব্দুল করিম বলেন, হাতির আবাসস্থলে পর্যাপ্ত খাবার না থাকলে তারা খাদ্যের সন্ধানে কৃষি জমি ও লোকালয়ে প্রবেশ করে। এতে কৃষকেরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন এবং সীমান্তবর্তী গ্রামের মানুষ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।

তিনি বলেন, হাতির লোকালয়ে প্রবেশ বন্ধ করতে হাতির চলাচলের পথ প্রশস্ত করা, বনাঞ্চলে খাদ্যের প্রাপ্যতা এবং মানুষের কৃষিজমি ও বসতি সম্প্রসারণের বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করতে হবে।

গত ১০ অক্টোবর শেরপুরের নালিতাবাড়ীর মধুটিলা ইকোপার্কে মানুষ-হাতির সংঘাত নিরসন ও বন্যহাতি সংরক্ষণ বিষয়ক এক আলোচনায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ‘বিদ্যমান প্রটোকলের আওতায় ভারতের সঙ্গে আলোচনা শুরুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

হাতির স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করতে সীমান্তের গেট খুলে দেওয়ার জন্য ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানানো হবে বলেও মন্ত্রী ঐ আলোচনায় উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘শেরপুরের বনাঞ্চলকে হাতির নিরাপদ আবাসস্থল হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে গারো পাহাড়ের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও বন্য হাতিকে কেন্দ্র করে পর্যটনের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।’

শেরপুরের গারো পাহাড় এলাকায় হাতি-মানুষের সংঘাত এখন শুধু ফসলের ক্ষতি কিংবা বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের বিষয় নয়। এটি মানুষের জীবন, জীবিকা ও নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত। একদিকে কৃষকেরা নিজেদের ফসল ও পরিবার রক্ষায় রাত জাগছেন, অন্যদিকে হাতিরা খাদ্য ও নিরাপদ চলাচলের সংকটে লোকালয়ের দিকে আসছে।

এ পরিস্থিতিতে হাতি তাড়ানো বা ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে সংকটের স্থায়ী সমাধান হবে না। সীমান্তের গেটগুলো নিয়ে ভারতের সঙ্গে কার্যকর আলোচনা, হাতির চলাচলের পথ সংরক্ষণ, বনাঞ্চলের উন্নয়ন, আগাম সতর্ক ব্যবস্থা এবং স্থানীয় মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

মানুষ ও বন্যহাতি দুই পক্ষের জীবন রক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া গেলে গারো পাহাড়ে দীর্ঘদিনের এই সংঘাত কমিয়ে আনা সম্ভব। এখন সীমান্তবাসীর প্রশ্ন একটাই, কবে শেষ হবে ফসল রক্ষার এই লড়াই, আর কবে ফিরবে পাহাড়ি জনপদে বসবাসকারী মানুষ ও হাতির নিরাপদ সহাবস্থান ?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে ঢাকার চার স্থানে বিআরটিএর রোড শো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪৯ পি.এম


জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে ঢাকার চার স্থানে বিআরটিএর রোড শো

জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সচেতনতামূলক রোড শো ও প্রচারাভিযান পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। দিবসটির প্রতিপাদ্য হলো—‘নিরাপদ সড়ক সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো সার্কেল-১, ২, ৩ ও ৪-এর উদ্যোগে রাজধানীর চারটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এই কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে গাবতলী বাস টার্মিনাল, সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল, বিমানবন্দর এলাকার সামনের সড়ক এবং কুড়িল বিশ্বরোড ফ্লাইওভারের নিচে হ্যান্ডবিল ও লিফলেট বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি, হ্যান্ডমাইকে সড়ক নিরাপত্তা ও ট্রাফিক আইন মেনে চলার বিষয়ে জনসচেতনতামূলক প্রচার চালানো হয়।

এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন বিআরটিএ ঢাকা বিভাগের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো. মাসুদ আলমসহ সংস্থাটির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এছাড়া, মোটরযান মালিক ও শ্রমিক, রোভার স্কাউট, ড্রাইভারস ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন, নিরাপদ সড়ক চাই এবং নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের সদস্যরাও এতে অংশ নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছাত্রবিক্ষোভ ও রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে আন্তর্জাতিক যোগসূত্রের প্রশ্ন উঠেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৫০ পি.এম


ছাত্রবিক্ষোভ ও রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে আন্তর্জাতিক যোগসূত্রের প্রশ্ন উঠেছে

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শিক্ষার্থী ও তরুণদের বিক্ষোভের পেছনে আন্তর্জাতিক বামপন্থী নেটওয়ার্কের ভূমিকা রয়েছে কি না, তা নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের একটি প্রতিবেদনে ফ্রান্স ও ভারতের বিক্ষোভের মধ্যে সম্ভাব্য যোগসূত্রের অভিযোগ তোলা হয়েছে। প্রতিবেদনে আমেরিকান ব্যবসায়ী নেভিল রয় সিংহাম ও ভারতীয় মার্ক্সবাদী বুদ্ধিজীবী বিজয় প্রসাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বিক্ষোভে তাদের প্রত্যক্ষ ভূমিকার অভিযোগ স্বাধীনভাবে প্রমাণিত হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।

ফক্স নিউজের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, কমিউনিস্ট, সমাজতান্ত্রিক ও ইসলামপন্থী বিভিন্ন সংগঠনের একটি নেটওয়ার্ক বিভিন্ন দেশে বিক্ষোভের প্রচার ও বিস্তারে ভূমিকা রাখছে। ফ্রান্সের সাম্প্রতিক ছাত্রবিক্ষোভকে কেন্দ্র করে এই নেটওয়ার্কের তৎপরতা নতুন করে আলোচনায় এসেছে। একই নেটওয়ার্ক ভারতে ছাত্রবিক্ষোভেও সমর্থন দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে সংবাদমাধ্যমটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব বিক্ষোভকে বৃহত্তর রাজনৈতিক ও আদর্শিক লক্ষ্য অর্জনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। তবে বিভিন্ন দেশের আন্দোলনের কারণ ও প্রেক্ষাপট এক নয়। বিক্ষোভগুলোর মধ্যে সমন্বিত কোনো আন্তর্জাতিক পরিকল্পনা রয়েছে কি না, তা নির্ধারণে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ প্রয়োজন।

প্রতিবেদনটিতে নেভিল রয় সিংহামের অর্থায়ন ও আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। সিংহাম বর্তমানে চীনের সাংহাইয়ে বসবাস করেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন দেশের বামপন্থী সংগঠন ও সংবাদমাধ্যমকে অর্থায়নের অভিযোগও রয়েছে। ২০২৩ সালের আগস্টে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস-এর একটি প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছিল, সিংহামের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিভিন্ন গোষ্ঠীর কাছে পৌঁছেছে। এসব অর্থের একটি অংশ বামপন্থী সংগঠন ও সংবাদমাধ্যমের কার্যক্রমে ব্যবহৃত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়। ওই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনকে উদ্ধৃত করে ফক্স নিউজও সিংহামের কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

ফক্স নিউজের প্রতিবেদনে বিজয় প্রসাদকেও সিংহামের ভারতীয় সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কলকাতায় জন্ম নেওয়া প্রসাদ একজন মার্ক্সবাদী বুদ্ধিজীবী এবং মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি ও পুঁজিবাদের সমালোচক হিসেবে পরিচিত। তিনি ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী)-এর নেত্রী বৃন্দা কারাতের ভাতিজা।

তবে সিংহাম ও প্রসাদ ভারতের সাম্প্রতিক বিক্ষোভ সংগঠিত বা পরিচালনায় সরাসরি যুক্ত ছিলেন কি না, তা নিশ্চিত করার মতো প্রমাণ প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ফক্স নিউজের প্রতিবেদন নিয়ে আলোচনায় ভারতের বিক্ষোভের সঙ্গে বিদেশি পক্ষের সম্ভাব্য সংশ্লিষ্টতার বিষয়টিও উঠে এসেছে।

সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এক টেলিভিশন আলোচনায় ভারতের কয়েকটি বিক্ষোভের পেছনে আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের ভূমিকা থাকতে পারে বলে প্রশ্ন তোলা হয়। আলোচনায় বলা হয়, মিসরের জেসমিন বিপ্লব এবং শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ ও নেপালের বিভিন্ন আন্দোলনের ক্ষেত্রেও বিদেশি শক্তির সংশ্লিষ্টতা নিয়ে অতীতে অভিযোগ উঠেছে। বিজেপির পক্ষ থেকেও বিভিন্ন আন্দোলনে সরকার পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে পরিচালিত তৎপরতার ভূমিকা থাকার অভিযোগ তোলা হয়েছে।

ভারতের গণতন্ত্র ও নির্বাচন নিয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর অভিযোগও ওই আলোচনায় উঠে আসে। রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেছেন, দেশে ভোট চুরি হচ্ছে এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হয়ে পড়েছে। তিনি নির্বাচনে ব্যালট পেপার ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন। এর জবাবে বিজেপির এক নেতা রাহুল গান্ধীর অভিযোগকে রাজনৈতিক বয়ান হিসেবে বর্ণনা করেন। তার দাবি, ২০১৪ ও ২০১৯ সালের নির্বাচনে বিজেপির জয় এবং ২০২৪ সালে আসনসংখ্যা কমে যাওয়ার পরও এনডিএ সরকারের ক্ষমতায় থাকা বিরোধীদের অবস্থান পরিবর্তনের বিষয়টি তুলে ধরে।

বিজেপি নেতার বক্তব্য অনুযায়ী, একই নির্বাচন কমিশনের অধীনে বিভিন্ন রাজ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং বিরোধী দলগুলো সেসব নির্বাচনের ফল মেনে নিয়েছে। তার অভিযোগ, কিছু রাজনৈতিক গোষ্ঠী ও উপদেষ্টা ‘ভোট চুরি’র বয়ান সামনে এনেছেন। তবে নির্বাচন নিয়ে রাহুল গান্ধীর অভিযোগ এবং তার জবাবে বিজেপির বক্তব্য—দুটিই রাজনৈতিক পক্ষগুলোর অবস্থান। এসব দাবির সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন, অভিযোগ ও প্রমাণ আলাদাভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

আলোচনায় অংশ নেওয়া সাংবাদিক গৌরব সাওয়ান্ত বলেন, বিভিন্ন দেশের বিক্ষোভের মধ্যে যোগসূত্র থাকার অভিযোগ তদন্তের বিষয়। তার মতে, কোনো ব্যক্তি বা সংগঠন বেআইনি কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকলে তা প্রমাণের জন্য যথেষ্ট তথ্য সংগ্রহ করতে হবে এবং আদালতে প্রমাণ উপস্থাপন করতে হবে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তরুণদের বিক্ষোভের পেছনে একই ধরনের রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক অসন্তোষ কাজ করছে কি না, কিংবা কোথাও সমন্বিত সাংগঠনিক তৎপরতা রয়েছে কি না—তা বুঝতে প্রতিটি আন্দোলনের নিজস্ব প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করা জরুরি। অভিযোগের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনকে দায়ী করার আগে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ ও যথাযথ তদন্তের প্রয়োজনীয়তাও আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘আজ আমি মারা যাচ্ছি, কিন্তু মা ও ছোট ভাইয়ের কী হবে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৫০ পি.এম


‘আজ আমি মারা যাচ্ছি, কিন্তু মা ও ছোট ভাইয়ের কী হবে’

ভারতের মহারাষ্ট্রের কোনকানকাদা পাহাড় থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যা করেছেন গুজরাটের এক যুবক। মৃত্যুর পূর্বে তিনি ১৩ মিনিটের একটি ভিডিও রেকর্ড করেন। ভিডিওতে সাবেক স্ত্রী ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে বৈবাহিক বিরোধ এবং আইনি লড়াই নিয়ে গভীর হতাশার কথা জানান যুবকটি।

নিহত যুবকের নাম বিশ্বরাজসিংহ ময়ূরসিংহ গোহিল। তিনি গুজরাটের ভাবনগরের বাসিন্দা এবং ডাক বিভাগে কর্মরত ছিলেন। কোনকানকাদা পাহাড়ের উচ্চতা প্রায় ১ হাজার ৭০০ ফুট।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ৮ ফেব্রুয়ারি বিয়ে করেন বিশ্বরাজসিংহ। কিন্তু আট মাসের মধ্যে তাদের সংসার ভেঙে যায়। গত ১২ সেপ্টেম্বর তার স্ত্রী যৌতুক ও নির্যাতনের অভিযোগে মামলা করেন। ওই মামলায় গত ৯ অক্টোবর আদালতে হাজিরাও দিয়েছিলেন তিনি।

মৃত্যুর পূর্বে ধারণ করা ভিডিওতে বিশ্বরাজসিংহ দাবি করেন, স্ত্রীর সঙ্গে সাধারণ মতবিরোধকে তার স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা পারিবারিক সহিংসতার অভিযোগে রূপ দিয়েছেন। তিনি বলেন, তার, তার মা এবং ১৬ বছর বয়সী ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো মিথ্যা ও বানোয়াট।

ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘আজ আমি খাদে লাফিয়ে আত্মহত্যা করতে যাচ্ছি। আপনারা হয়তো ভাবছেন, কী এমন ঘটল? যখন জীবনে আর কিছু বা কোনো আশাই অবশিষ্ট থাকে না, তখন পরিস্থিতি মানুষকে ভেতর থেকে ভেঙে দেয়।’

তিনি আরও অভিযোগ করেন, মামলার কারণে তাকে মানসিক, আর্থিক ও সামাজিক চাপের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে। তার দাবি, শ্বশুরবাড়ির লোকজন তার স্ত্রীকে জোর করে বাড়ি থেকে নিয়ে যান। এছাড়া স্বর্ণালংকার নিয়ে বিরোধের কথাও ভিডিওতে তুলে ধরেন তিনি।

বিশ্বরাজসিংহের অভিযোগ, তার স্ত্রী চলে যাওয়ার সময় তাদের দেওয়া স্বর্ণালংকার পরেছিলেন। কিন্তু পরে নিজেদের জিনিসপত্র ফেরত চাইলেও তারা কোনো প্রতিকার পাননি। তার দাবি, পুরো ঘটনায় কেবল তার পরিবারের ওপরই চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে।

ভিডিওতে নিজের শ্বশুরের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিশ্বরাজসিংহ। তিনি বলেন, তার শ্বশুর নিজেকে বাবার মতো দাবি করতেন। অথচ তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সবশেষে, যুবকটি নিজের মা ও ছোট ভাইয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘আজ আমি মারা যাচ্ছি, কিন্তু আমার মা এবং আমার ১৬ বছরের ছোট ভাইয়ের কী হবে, যাকে মিথ্যাভাবে যৌতুক ও নির্যাতনের মামলায় জড়ানো হয়েছে?’

বিশ্বরাজসিংহের ভিডিওতে তার সাবেক স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠে এসেছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এবং মামলার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%