১১:৫৭ এম
লিগ পর্বে ছয়টি ম্যাচের মধ্যে পাঁচটিতে দাপুটে জয় অর্জন করে বাংলাদেশ এইচপি (হাই পারফরম্যান্স) ইউনিট সেমিফাইনালের মঞ্চে প্রবেশ করেছিল, যা টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বড় ফেভারিট হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল।
কিন্তু নকআউট পর্বের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ব্যাটারদের চরম ব্যর্থতার কারণে সব কিছু ভেঙে পড়ে। মাত্র ১০১ রানে অলআউট হওয়ার পর বোলারদের বীরত্বপূর্ণ ও রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের ফলে ম্যাচ জমলেও শেষ রক্ষা হয়নি। শেষ ওভারের নাটকীয়তায় ভিক্টোরিয়া ক্রিকেট একাডেমির কাছে মাত্র ১ উইকেটে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিল বাংলাদেশ।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ পুলিশের আধুনিকায়নে চীন সহায়তা দেবে
ভিক্টোরিয়া ১০২ রানের ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে ভালোই করেছিল।
একপর্যায়ে তারা ৪ উইকেটে ৭৫ রান তুলে সহজ জয়ের পথে ছিল। কিন্তু সেখান থেকেই অলৌকিক প্রত্যাবর্তনের গল্প শুরু করেন বাংলাদেশের বোলাররা। দারুণ সব ডেলিভারির মাধ্যমে ২৪ রানের ব্যবধানে চার ব্যাটারকে ড্রেসিংরুমে ফিরিয়ে ম্যাচে উত্তেজনা সৃষ্টি করেন বোলাররা।
ম্যাচটি শেষ ওভারে পৌঁছায়।
আরও পড়ুন: রিজভী: পতিত ফ্যাসিবাদকে উৎসাহিত করে এমন কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকুন
ভিক্টোরিয়ার জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল মাত্র ১ রান, অন্যদিকে ইতিহাস গড়তে বাংলাদেশের দরকার ছিল দুটি উইকেট। প্রথম বলেই দারুণ এক রান আউটে টড মার্ফি বিদায় নিলে গ্যালারিতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরের দুই বল ডট হলে সুপার ওভারের সম্ভাবনা বাড়ে। কিন্তু সেই আশায় জল ঢেলে দেন লিয়াম ব্ল্যাকফোর্ড। ওভারের চতুর্থ বলে পয়েন্ট অঞ্চল দিয়ে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে দুই বল হাতে রেখেই ভিক্টোরিয়ার জয় নিশ্চিত করেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশকে বিস্ফোরক সূচনা এনে দিয়েছিলেন জিসান আলম ও আরিফুল ইসলাম। হাবিবুর রহমান সোহান দ্রুত ফিরে গেলেও পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ১ উইকেটে ৫৬ রান তোলে এইচপি দল। কিন্তু পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার পর বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে।
আরও পড়ুন: ঢাকা-চট্টগ্রামের একাংশে বিদ্যুৎ বিপর্যয়
জিসান ২০ বলে ৩০ রান ও আরিফুল ১০ বলে ১৯ রান করে বিদায় নিলে মিডল অর্ডারে আর কেউ হাল ধরতে পারেননি। সাব্বির রহমান ৫ রান করে ফিরে গেলে ব্যাটিংয়ে ধস নামে। শেষ দিকে আব্দুল গাফফার সাকলাইনের ১০ এবং আবু হায়দার রনির ১২ রানের সৌজন্যে কোনোমতে ১০০ পার করে দল। ভিক্টোরিয়ার হয়ে বল হাতে একাই ৪ উইকেট নেন উইল সাদারল্যান্ড।
ছোট পুঁজি রক্ষা করতে নেমেও হাল ছাড়েননি এইচপির বোলাররা। বল হাতে সবচেয়ে বেশি উজ্জ্বল ছিলেন স্পিনার মোহাম্মদ রুবেল। ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রান খরচায় ৩টি মূল্যবান উইকেট নেন এই স্পিনার। চলতি টুর্নামেন্টে মোট ২৩ উইকেট নিয়ে তার পথচলা শেষ হলো।
এ ছাড়া শামীম হোসেন ১৮ রানে ২ উইকেট এবং আবু হায়দার রনি ১৬ রানে ১ উইকেট নিয়ে ভিক্টোরিয়াকে কোণঠাসা করে ফেলেছিলেন।
আরও পড়ুন: শহীদদের রক্তের দায় নিয়ে মাঠে, কোনো ষড়যন্ত্রে পা দেব না: মামুনুল হক
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন