প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন দেশের শীর্ষ সামরিক নেতৃত্বে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনেছেন। এর মধ্যে প্রতিরক্ষামন্ত্রী নো কোয়াং চোলকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
রবিবার (৩০ আগস্ট) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
কেসিএনএ জানায়, কাঠামোগত পুনর্গঠন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে শনিবার (২৯ আগস্ট) অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে কিম জং উন এসব সিদ্ধান্তের অনুমোদন দেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে নো কোয়াং চোলকে সরিয়ে শাসক দলের অস্ত্রশিল্প বিভাগের প্রথম উপ-পরিচালক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে কোরিয়ান পিপলস আর্মির জেনারেল পলিটব্যুরোর প্রধান কিম সং গি নিয়োগ পেয়েছেন।
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা পাক জং চোনকে কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান এবং ক্ষমতাসীন দলের পলিটব্যুরোর সদস্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
সামরিক প্রযুক্তি ও নতুন যুদ্ধাস্ত্র ব্যবস্থা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য গবেষক ও কর্মকর্তাদের প্রশংসার পরপরই এই রদবদল ঘটে। কেসিএনএ জানায়, দেশটির অস্ত্র গবেষণাকেন্দ্র সম্প্রতি এমন কিছু অনন্য প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে, যা উত্তর কোরিয়ার যুদ্ধ করার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে। দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের বার্ষিক যৌথ সামরিক মহড়া শেষ হওয়ার পরপরই পিয়ংইয়ংয়ের এই পদক্ষেপ সামনে এসেছে।
পিয়ংইয়ং দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত এসব সামরিক মহড়াকে তাদের ওপর হামলার প্রস্তুতি বলে অভিহিত করে আসছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ বছর মহড়াটি নির্ধারিত সময়ের আগে শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাড়তি নজর কেড়েছে। ট্রাম্প এ ধরনের সামরিক মহড়াকে উত্তর কোরিয়ার প্রতি সরাসরি ‘উসকানিমূলক’ বলে মনে করেন। পাশাপাশি, ইরানের বিরুদ্ধে তার নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপে সমর্থন না দেওয়ায় তিনি দক্ষিণ কোরিয়ারও কঠোর সমালোচনা করেছেন।
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের প্রতি ট্রাম্প তার ইতিবাচক মনোভাব বজায় রেখেছেন।
কিমের সঙ্গে নিজের প্রথম মেয়াদে দুইটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেওয়ার পর, ট্রাম্প চলতি বছরেই তার সঙ্গে আরেকটি বৈঠকে বসার উদ্যোগ নিচ্ছেন বলে আলোচনা চলছে।
ট্রাম্পের এমন উদ্যোগ সত্ত্বেও উত্তর কোরিয়া এখন পর্যন্ত তেমন কোনো ইতিবাচক সাড়া দেয়নি। বরং দেশটি নিয়মিত ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়ার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। অন্যদিকে, আগামী ৭ থেকে ১১ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ার জেজু দ্বীপের কাছে যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান যৌথ ‘ফ্রিডম এজ’ সামরিক মহড়া পরিচালনার ঘোষণা দিয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন