ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হরমুজ প্রণালীতে ‘টোল’ নয়, ‘ফি’—এর অর্থ কী?


হরমুজ প্রণালীতে ‘টোল’ নয়, ‘ফি’—এর অর্থ কী?

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালী এই সপ্তাহের মধ্যেই ‘স্থায়ীভাবে টোলমুক্ত’ এবং ‘সম্পূর্ণ উন্মুক্ত’ হবে। কিন্তু ইরান একই সময়ে সংকেত দিয়েছে যে, প্রণালীটি অতিক্রমকারী বাণিজ্যিক ট্যাঙ্কারগুলোর কাছ থেকে নির্দিষ্ট কিছু সেবার বিনিময়ে ‘ফি’ আদায় করা হতে পারে।

এই ‘সেবা ফি’ বাণিজ্যিক নৌপরিবহনে অতিরিক্ত ব্যয় ও জটিলতা সৃষ্টি করতে সক্ষম হতে পারে এবং এটি এমন পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে যা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার পূর্বে ভাবেনি। বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই সংকীর্ণ নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত হচ্ছে। কিন্তু যদি তেহরান এই ফি নেওয়ার পদক্ষেপ বাস্তবায়িত করে, তবে এটি আন্তর্জাতিক নৌপথ ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি নতুন ও বিতর্কিত দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, তেহরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর উপর নিরাপত্তা, পরিবেশ সুরক্ষা ও অন্যান্য সামুদ্রিক সেবার সঙ্গে সম্পর্কিত ফি আরোপের বিষয়টি বিবেচনা করছে।

আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সমাজের কার্যকর ভূমিকা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

এদিকে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, 'হরমুজ প্রণালী আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক আইনের আলোকে ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা ও ইসলামি প্রজাতন্ত্রের স্বার্থ রক্ষায় আমরা কিছু নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া গ্রহণ করেছি।'

বাঘাই আরও বলেন, 'আমরা ট্রানজিট টোল আরোপ করতে চাই না। তবে যেসব সেবা প্রদান করা হবে, তার বিনিময়ে ফি নেয়া হবে।'

কিন্তু কী ধরনের সেবা দেওয়া হবে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি। তিনি জানান, এ প্রস্তাব নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আরও আলোচনা দরকার।

বিশ্লেষকদের মতে, এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের ওপর নিজেদের প্রভাবকে অর্থনৈতিকভাবে কাজে লাগানোর প্রচেষ্টার অংশ হতে পারে ইরানের এই নতুন উদ্যোগ।

আরও পড়ুন: সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় গুজব ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

আইনগতভাবে টোল ও সেবা ফি- এর মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। টোল হচ্ছে কোনো পথ ব্যবহারের জন্য সরাসরি অর্থ প্রদান। আর সেবা ফি হচ্ছে বাস্তব কোনো সেবা প্রদানের বিনিময়ে নেয়া অর্থ, যেমন– ট্রানজিটের সময় বন্দরে বর্জ্য নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা।

আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইন নিয়ন্ত্রণকারী ইউনাইটেড নেশনস করভেনশন অন দ্য ল অব দ্য সি (ইউএনসিএলওএস)-এর তথ্য অনুযায়ী, প্রণালীর সীমান্তবর্তী দেশগুলো শুধুমাত্র যাতায়াতের অনুমতির জন্য অর্থ দাবি করতে পারে না।

তবে পাইলটিং, টাগিং বা বন্দরসেবার মতো নির্দিষ্ট কিছু সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে সীমিত ফি আরোপ করা যেতে পারে। তবে এসব ফি কোনো নির্দিষ্ট দেশের জাহাজের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলকভাবে চাপানো যাবে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু ক্ষেত্রে ইরান ফি নিতে পারলেও, দীর্ঘদিন ধরে উন্মুক্ত থাকা একটি প্রাকৃতিক নৌপথ দিয়ে চলাচলের জন্য সরাসরি টোল আরোপ আইনসম্মত হবে না।

আরও পড়ুন: সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করাই বিএনপির রাজনীতি: পানিসম্পদ মন্ত্রী

নেভাল ওয়ার কলেজের সামুদ্রিক কৌশল বিভাগের প্রধান জেমস আর হোমস নিউইয়র্ক টাইমসকে বলেন, 'আন্তর্জাতিক আইনে কোনো উপকূলীয় রাষ্ট্রের প্রাকৃতিক জলপথ দিয়ে যাতায়াতের জন্য মাশুল আদায়ের কোনো বিধান নেই, আপনি একে টোল বা ফি বা অন্য যা-ই বলুন না কেন।'

তিনি উদাহরণ হিসেবে মালাক্কা ও তাইওয়ান প্রণালীর কথা উল্লেখ করেন। তবে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, পানামা বা সুয়েজ খালের মতো কৃত্রিম নৌপথের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রগুলো নানা ধরনের অবকাঠামো ও সেবা দিয়ে থাকে, যার জন্য অর্থ নেওয়া হয়।

হোমসের মতে, 'হরমুজ একটি প্রাকৃতিক নৌপথ। আমার বিবেচনায়, ইরান যদি কোনো সেবার জন্য অর্থ নিতে চায়, তবে সেটি সম্ভবত জাহাজে হামলা না করার বিনিময়ে। কিন্তু শুধু হামলা না করাকে কোনো প্রকৃত সেবা হিসেবে গণ্য করা যায় না।'

হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজ কাছ থেকে অর্থ আদায়ের ধারণাটি প্রথম সামনে আসে ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী: ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমরা সবাই এই দেশের সন্তান

ইরান আঞ্চলিক জলসীমায় নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর পদক্ষেপ নেয়ার পর মার্চ মাসে ঘোষণা দেয় যে, প্রণালীটি ব্যবহারকারী জাহাজগুলোর কাছ থেকে অর্থ নেয়া হতে পারে।

পরবর্তীতে মে মাসে 'নিরাপদ যাতায়াত অনুমতিপত্র' ব্যবস্থাপনার জন্য পারস্য উপসাগরীয় প্রণালী কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয়।

একই মাসে ইরান ও হরমুজ প্রণালীর অপর পাড়ের প্রতিবেশী দেশ ওমান জাহাজ চলাচলের জন্য সেবা-ভিত্তিক অর্থপ্রদানের একটি সম্ভাব্য ব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা করে।

এদিকে হরমুজ প্রণালী ব্যবহারকারী জাহাজের ওপর সম্ভাব্য ফি আরোপের ধারণা বিশ্বনেতাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে। তারা আশঙ্কা করছেন যে, গুরুত্বপূর্ণ এই সামুদ্রিক রুট হয়তো আর কখনো যুদ্ধপূর্ব অবস্থায় ফিরবে না।

আরও পড়ুন: গাজায় প্রায় প্রতিদিনই ইসরাইলি হামলা, যুদ্ধবিরতির পর নিহত ১৫২২

সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৭০৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮০ হাজার টন সার কিনবে সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:২৯ পি.এম


৭০৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮০ হাজার টন সার কিনবে সরকার

দেশের কৃষি খাতে সার সরবরাহের চাহিদা মেটানোর উদ্দেশ্যে শিল্প মন্ত্রণালয় তিনটি পৃথক প্রস্তাবে ৮০ হাজার টন সার এবং চট্টগ্রামের টিএসপিসিএলের জন্য রক সালফার/ব্রাইট ইয়েলো সালফার ক্রুড আমদানি করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এই আমদানির জন্য ব্যয় হবে প্রায় ৭০৪ কোটি ৬৯ লাখ ৬৮ হাজার ৯৭৭ টাকা।

বুধবার (১৭ জুন) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সম্মেলন কক্ষে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় এই তিনটি প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন কমিটির সদস্য এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সভা সূত্রে জানা গেছে, ডিরেক্ট প্রকিউরমেন্ট মেথড (ডিপিএম) অনুসরণ করে ৪০ হাজার টন ইউরিয়া সার আমদানির দরপ্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। গত ২০২৬ সালের ৪ জুলাই ডেলটা স্টার ট্রেডিং এফজেড-এফএস, ইউএই এবং তাদের প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান পিজেএসসি আরকন, রাশিয়া সার সিএফআর ভিত্তিতে ডিপিএমের মাধ্যমে সরবরাহের জন্য দরপ্রস্তাব জমা দেয়।

প্রস্তাবটি কারিগরিভাবে গ্রহণযোগ্য বিবেচনা করা হয়। প্রস্তাবের সব প্রক্রিয়া শেষে টিইসি কর্তৃক নেগোসিয়েশনের মাধ্যমে বিসিআইসির বিদ্যমান জিটুজি চুক্তির প্রাইস ফর্মুলা অনুসারে সারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

১ম লটে ৪০ হাজার টন ইউরিয়া সার আমদানি করা হবে। এতে প্রতি টনে ৬৭৫.৮৩ ডলার বরাবর মোট ২ কোটি ৭০ লাখ ৩৩ হাজার ২০০ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩৪৮ কোটি ৫৫ লাখ ৫৯ হাজার ৩০০ টাকায় সমপরিমাণ।

সূত্র জানায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সাবিক এগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি, সৌদি আরব থেকে ১৯তম লটে ২৫ হাজার টন (+১০%) বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানির প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সাবিক এগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি, সৌদি আরব থেকে ৩.৩০ লাখ টন এবং আপদকালীন ও জরুরি পরিস্থিতির জন্য ৩.০০ লাখ টনসহ মোট ৬.৩০ লাখ টন ইউরিয়া সার আমদানির চুক্তি করা হয়। চুক্তির শর্তাবলী অনুযায়ী সমুদয় সার আমদানি করা হয়।

সাবিক-সৌদি আরবকে অতিরিক্ত অপশনাল ২ লাখ টন সার সরবরাহের প্রস্তাব করা হলে সাবিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে প্রস্তাবিত ২ লাখ টন সম্পূর্ণ সার সরবরাহ করা বর্তমানে নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। তবে তারা সর্বোচ্চ পরিমাণ সার সরবরাহ করতে আন্তরিকভাবে প্রস্তুত হবে। পারস্পরিক আলোচনা ও সমঝোতার ভিত্তিতে ১৯তম লটে ২৫ হাজার টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সারের চুক্তির শর্ত অনুসারে প্রতি টনে ৬০০.৮৩ ডলারে মূল্য নির্ধারণ করা হয়। ওই হিসাবে মোট ১ কোটি ৫০ লাখ ২০ হাজার ৭৫০ ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় ১৮৫ কোটি ১৩ লাখ ৭ হাজার ৪৩৭ টাকায় প্রয়োজন হবে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ইউরিয়া সার ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে ৩০ লাখ টন।

সভায় চট্টগ্রামের টিএসপিসিএলের জন্য ১৫ হাজার টন (+১০%) রক সালফার/ব্রাইট ইয়েলো সালফার ক্রুড আমদানি করার প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। টিএসপি কমপ্লেক্স লি., চট্টগ্রামের উৎপাদন ধারাবাহিকভাবে বজায় রাখার লক্ষ্য নিয়ে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ১৫ হাজার টন (+১০%) রক সালফার/ব্রাইট ইয়েলো সালফার ক্রুড আমদানির জন্য আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে দরপত্র আহ্বান করা হয়, যেখানে তিনটি দরপত্র জমা পড়ে। এর মধ্যে মাত্র একটি প্রস্তাব কারিগরি ও আর্থিকভাবে রেসপনসিভ বিবেচিত হয়।

দরপত্রের সব প্রক্রিয়া শেষে টিইসির সুপারিশ করা একমাত্র রেসপনসিভ দরদাতা প্রতিষ্ঠান মেসার্স ফ্যবসস্কো কন্সট্রাকশন লি. সিসিলিস (প্রস্তুতকারক: তাইওয়ান/তুর্কেমেনিস্তান/নরওয়ে/কাজাকিস্থান/ওমান/ইউএসএ/ইউএই/ইরাক/ইন্ডিয়া) থেকে ১৫ হাজার টন রক সালফার/ব্রাইট ইয়েলো সালফার ক্রুড আমদানি করা হবে। এতে আশা করা হচ্ছে ১৭১ কোটি ১ লাখ ২ হাজার ২৪০ টাকা ব্যয় হবে। প্রতি টনে দাম পড়বে ৮৭৩ ডলার। বর্তমানে রক সালফার মজুত রয়েছে মাত্র ৬৭৪ টন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন এমপি জীবা আমিন খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩১ পি.এম


শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন এমপি জীবা আমিন খান

এমপি জীবা আমিন খান শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেছেন। সংসদ সদস্য জীবা আমিন খান বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার মদনখালীর জাফরপাড়া বাবনপুর এলাকায় গিয়ে কবর জিয়ারত করেন।

এরপর তিনি শহীদ আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন।

এসময় জেলা প্রশাসক রুহুল আমিন, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম, পীরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাহামুদুন নবী চৌধুরী পলাশসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতারা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

জীবা আমিন বলেন, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আবু সাঈদের আত্মত্যাগ জাতি দীর্ঘদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের ইলেকট্রনিকস খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী দক্ষিণ কোরিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩১ পি.এম


বাংলাদেশের ইলেকট্রনিকস খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী দক্ষিণ কোরিয়া

বুধবার ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত জি-জুন কিম।

দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশের ইলেকট্রনিকস পণ্য তৈরি ও প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগে জোরালো আগ্রহ প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে দুই দেশ অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগিতা আরও জোরদারের বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা করেছে।

আজ ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত জি-জুন কিম এ আগ্রহের কথা জানান।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বৈঠকে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের দ্রুত অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের প্রশংসা করেন।

তিনি বাংলাদেশের ইলেকট্রনিকস পণ্য তৈরি ও প্রযুক্তি খাতে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগের আগ্রহের কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি, তথ্যপ্রযুক্তি, উৎপাদনশিল্প এবং অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণেরও আগ্রহ প্রকাশ করেন।

উভয় পক্ষ বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, শিল্পায়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা করেন।

হুমায়ুন কবির বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন অংশীদারিত্বের প্রশংসা করেন। তিনি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং শিল্প সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বাংলাদেশে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগকে স্বাগত জানান। এ ধরনের বিনিয়োগ আরও সহজ করতে সরকারের পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ওপর উভয় পক্ষ তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ-দক্ষিণ কোরিয়া সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারি বস্তায় ধান বহন, ফকিরহাটে ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩৩ পি.এম


সরকারি বস্তায় ধান বহন, ফকিরহাটে ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

বাগেরহাটের ফকিরহাটে সরকারি ট্যাগ লাগানো বস্তায় ধান বহন করার অপরাধে পুলিশ সাধন ঘোষ (৩৮) নামে এক ধান ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে। এই ঘটনার সময় ৪৩১ বস্তা ধানসহ একটি ট্রাক জব্দ করা হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুন) সকালে ফকিরহাট মডেল থানায় এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া সাধন ঘোষ বটিয়াঘাটার ভাদগাতী এলাকার মৃত পরিতোষ ঘোষের ছেলে।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাত ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার পালেরহাট এলাকা থেকে ট্রাকসহ বস্তাভর্তি ধান জব্দ করা হয়। ট্রাকে থাকা ৪৩১ বস্তায় সরকারি সিল রয়েছে, যা ধানের ব্যবসায়ীর অবৈধ ব্যবহারের প্রমাণ।

ধান ব্যবসায়ী সাধন ঘোষ বিভিন্ন এলাকা থেকে ধান ক্রয় করে বাড়তি সুবিধার জন্য সরকারি বস্তায় ধান নিয়ে খুলনা উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। এসময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। থানার এসআই মো. হাসানুজ্জামান বাদী হয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

ফকিরহাট মডেল থানার ওসি শেখ সাইফুল ইসলাম এই বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘সরকারি বস্তায় ধান বহন করার অপরাধে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জব্দ করা ট্রাকসহ বস্তা ভর্তি ধান খাদ্য গুদামে রাখা হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় একটি মামলা হয়েছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%