ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাজধানীতে চলন্ত ট্রেন থেকে নামতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু


রাজধানীতে চলন্ত ট্রেন থেকে নামতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু

রাজধানীর খিলগাঁওয়ে চলন্ত ট্রেন থেকে নামতে গিয়ে চাকার নিচে কাটা পড়ে তন্ময় বর্মন আকাশ (৩৩) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে সাড়ে ১০টায় খিলগাঁও পুলিশ ফাঁড়ি সংলগ্ন রেললাইনে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহত তন্ময় বর্মন আকাশ গাজীপুর জেলার গাছা থানার বোর্ড বাজারের তাপস বর্মনের ছেলে। তিনি তিন ভাইয়ের মধ্যে বড় ছিলেন এবং নয় মাস পূর্বে তিনি বিবাহ করেছিলেন। তন্ময় ইনস্টিটিউট অব অ্যাপারেল রিসার্চ অ্যান্ড টেকনোলজির (আইএআরটি) অধীনে অ্যাডভান্সড গার্মেন্টস প্রোডাকশন অ্যান্ড লিন ম্যানেজমেন্ট কোর্সের শিক্ষার্থী ছিলেন।

নিহতের ছোট ভাই তমাল বর্মন জানিয়েছেন, বড় ভাই তন্ময় সকালে গাজীপুরের নিজ বাসা থেকে চাকরি পরীক্ষার ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিংয়ের জন্য ঢাকায় আসেন। ট্রেনটি খিলগাঁও এলাকা পার করার সময় গতি কমে যায়। সে সময় চলন্ত ট্রেন থেকে নামার সময় তন্ময়ের পা পিছলে পড়ে যায় এবং তার পা ট্রেনের চাকায় পিষ্ট হয়।

আরও পড়ুন: কুড়িলে প্রাইভেট কারের ধাক্কায় পথচারী ইয়াসিন নিহত, আহত ইমরান

পরে পথচারীরা তাকে উদ্ধার করার চেষ্টা করেন এবং সকাল সোয়া ১১টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে তাকে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানিয়েছেন, মৃতদেহটি হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট রেলওয়ে থানায় অবগত করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফাইনালের আগে ড্রেসিংরুমে মেসির বার্তা, ‘সবকিছু ভুলে যাও’ কেন বলেছিলেন তিনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১৬ পি.এম


ফাইনালের আগে ড্রেসিংরুমে মেসির বার্তা, ‘সবকিছু ভুলে যাও’ কেন বলেছিলেন তিনি

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভেসে যাচ্ছে মাত্র কয়েক সেকেন্ডের এক ভিডিও ক্লিপ। আর এই ভিডিওর চারপাশে ফুটবলজগত জুড়ে নতুন বিতর্ক এবং তুমুল আলোচনার সূচনা হয়েছে।

বিশ্বমঞ্চের ফাইনালের আগে সতীর্থদের উদ্দেশ্যে লিওনেল মেসির একটি বাক্য এখন নেটদুনিয়ার কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যমগুলো ইতিমধ্যে এই খবরটির প্রতি ব্যাপক আগ্রহ দেখিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে—ফাইনালে নামার আগে যখন এলএমটেন ইনস্টাগ্রামে আবেগঘন বার্তা দিয়ে দেশবাসীকে উদ্দীপিত করেছিলেন, সেই তিনিই মাঠে নামার মুহূর্তে সতীর্থদের হঠাৎ ‘সবকিছু ভুলে যাওয়ার’ তাগিদ দিলেন কেন?

আর্জেন্টাইন ক্রীড়ামাধ্যম ‘টিওয়াইসি স্পোর্টস’ ভাইরাল হওয়া ভিডিওর সূত্র ধরে জানাচ্ছে, ড্রেসিংরুমের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে সতীর্থদের উদ্দেশ্যে অধিনায়ক মেসি বলছিলেন, ‘সবাই শান্ত হও। মূল বিষয় হলো আমাদের ঠাণ্ডা মাথায় থাকতে হবে।’

এ পর্যন্ত সবকিছু স্বাভাবিক ও সাধারণ স্পোর্টস অনুশাসনের মতো মনে হলেও, গোল বাঁধিয়েছে তাঁর পরের বাক্যটি। সতীর্থদের উদ্দীপ্ত করতে মেসিকে বলতে শোনা যায়, ‘এসো, আমরা সবকিছু ভুলে যাই। আমরা শুধু খেলি। এসো, শুধু খেলায় মন দিই।’

ভিডিওতে স্পষ্ট, অধিনায়কের কথা শুনছিলেন যখন এনজো ফার্নান্দেজ, এমিলিয়ানো মার্তিনেজরা, তখন তাদের শরীরী ভাষায় ছিল গভীর গাম্ভীর্য। তবে প্রশ্ন উঠেছে, মহাগুরুত্বপূর্ণ ফাইনালের মুহূর্তের আগে সতীর্থদের ঠিক কী এমন ঘটনা বা বিতর্ক মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলতে বলছিলেন আর্জেন্টাইন জাদুকর?

৩৯ বছর বয়সী এই ফুটবল মহাতারকা ঠিক কোন ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন, তা স্পষ্ট নয়। তবে ফাইনাল উপলক্ষ্যে রেফারির সুবিধা পাওয়ার নিয়ে আর্জেন্টিনাকে ঘিরে সমালোচনার যে ঝড় উঠেছিল, তার দিকেই অনেকেই হয়তো আঙুল তুলছেন। ফাইনালের আগে স্প্যানিশ ডিফেন্ডার এমেরিক লাপোর্ত খোলামেলাভাবে অভিযোগের আঙুল উঠিয়েছিলেন আলবিসেলেস্তেদের দিকে।

লাপোর্ত বিতর্ক উসকে দিয়ে বলেছিলেন, ‘সাম্প্রতিক ম্যাচগুলোতে রেফারিংয়ের কিছু সিদ্ধান্ত আমাকে সত্যি অবাক করেছে। বিশেষ করে আর্জেন্টিনার ক্ষেত্রে এমন কিছু ঘটেছিল, যেখানে কোনো শাস্তিই দেওয়া হয়নি। তারা অনবরত প্রতিপক্ষ ও রেফারির ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করে। এত বড় আসরে এমন আচরণ ফুটবলের স্বার্থেই গ্রহণযোগ্য নয়, কারণ এতে প্রতিপক্ষের মনোযোগ নষ্ট হয়।’

ধারণা করা হচ্ছে, মাঠের বাইরের এই বিতর্ক এবং মনস্তাত্ত্বিক চাপ থেকে সতীর্থদের মুক্ত রাখতে মেসি হয়তো ‘সবকিছু ভুলে যাওয়ার’ মন্ত্র দিয়েছিলেন।

এছাড়া, মেটলাইফ স্টেডিয়ামের একপেশে ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ ব্যবধানে হেরে যায় আর্জেন্টিনা, যার মাধ্যমে দীর্ঘ ১৬ বছর পর আবার বিশ্বমঞ্চের রাজত্ব পুনরুদ্ধার করল স্প্যানিশরা। ম্যাচে রেফারিং নিয়ে নতুন কোনো বিতর্ক দেখা না গেলেও, শেষ বাঁশি বাজার পরপরই দুই দলের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফদের মধ্যে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা ইতিমধ্যেই সেই অপ্রীতিকর ঘটনার আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুই সপ্তাহে তিন মার্কিন সেনা নিহত, আহত ১০০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১৮ পি.এম


দুই সপ্তাহে তিন মার্কিন সেনা নিহত, আহত ১০০

ইরানের সাথে নতুন করে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরে গত দুই সপ্তাহে তিন মার্কিন সেনা প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ১০০ জন, এমন তথ্য পেন্টাগন আজ জানিয়েছে। নতুন করে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর মাকিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পিট হেগসেথ আজ প্রথমবারের মতো কংগ্রেসের আইনপ্রণেতাদের সামনে হাজির হবেন। তার আগে, পেন্টাগন সৈন্যদের হতাহতের খবর প্রকাশ করেছে। তবে প্রাণঘাতী নয় এমন হামলার তথ্য জানাতে পেন্টাগন ধীরগতি নীতি অবলম্বন করছে বলে বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পারনেল জানান, গত ৭ জুলাই থেকে এখন পর্যন্ত ইরান যুদ্ধে ৩ সেনা নিহত এবং প্রায় ১০০ সেনা আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ৯৬ শতাংশ ইতোমধ্যে আবার কাজে ফিরেছেন। পারনেল বলেন, অধিকাংশ সেনার মাথায় শুধুমাত্র হালকা ধরনের আঘাত ছিল। আহত সেনারা দ্রুতই আবার দায়িত্ব ফিরে পেতে আগ্রহী।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানাচ্ছে, মার্কিন সামরিক বাহিনী সেনাদের আহত হওয়ার তথ্য প্রকাশে ধীরগতি দেখাচ্ছে। তাদের দাবি, সেনাদের নিরাপত্তার স্বার্থেই এই বিলম্ব করা হচ্ছে।

এদিকে, যুদ্ধে নিহত মার্কিন সেনাদের মরদেহ গ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা মঙ্গলবারের পরিবর্তে বুধবার অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা। অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উপস্থিত থাকতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় যুদ্ধটি শুরু হয়। গত ১৭ জুন সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। তবে হরমুজ প্রণালীতে হামলার কারণে যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা ভেঙে পুনরায় হামলা শুরু করে, ইরানও পাল্টা জবাব দিচ্ছে। গত ৭ জুলাই থেকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে বিরাহমীন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

গত ১৭ জুলাই জর্ডানের বিমান ঘাঁটিতে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ২ জন মার্কিন সেনা নিহত হন এবং ইরাকে ড্রোন হামলার গোলাবারুদ নিষ্ক্রিয় করার সময় ১ জন মার্কিন সেনা প্রাণ হারান। এছাড়া জর্ডানের ওই ঘটনায় এক মাকিন সেনা নিখোঁজ রয়েছেন। যুদ্ধের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ইরান সংঘাতে মোট ১৭ জন মার্কিন সেনা জীবন দিয়েছেন। পেন্টাগনের 'ডিফেন্স ক্যাজুয়ালিটি অ্যানালিসিস সিস্টেম'-এর তথ্য অনুযায়ী, শুরু থেকে এ পর্যন্ত ৪২৭ জনেরও বেশি মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চিলিতে প্রবল বৃষ্টিতে নিহত ১০, জরুরি অবস্থা ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১৮ পি.এম


চিলিতে প্রবল বৃষ্টিতে নিহত ১০, জরুরি অবস্থা ঘোষণা

চিলির উত্তরাঞ্চলে টানা ভারি বৃষ্টির কারণে অন্তত ১০ জন নিহত এবং ১৭ জন আহত হয়েছে। এদিকে, চারজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

বৃষ্টির ফলে এক হাজার ১০০টিরও বেশি বাড়িঘর ধ্বংস অথবা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরিস্থিতির অবনতি ঘটায় সরকার জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছে।

গত সপ্তাহ থেকে কোকিম্বো ও আতাকামা অঞ্চলে সাধারণত শুষ্ক আবহাওয়ার মাঝেও অস্বাভাবিকভাবে ভারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। কর্মকর্তাদের মতে, এই ধরনের ত্রুটিপূর্ণ বর্ষণ এসব এলাকায় খুবই বিরল ঘটনা।

চিলির জাতীয় জরুরি পরিষেবা সংস্থা সেনাপ্রেডের পরিচালক আলিসিয়া সেব্রিয়ান বলেন, বৃষ্টির কারণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সৃষ্টি হয়েছে এবং উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

রাষ্ট্রপতি হোসে আন্তোনিও কাস্ট উল্লেখ করেন, পরিস্থিতি ক্রমেই আরো গুরুতর হয়ে উঠছে। এজন্য ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। এর ফলে, সরকার দ্রুত ত্রাণ সহায়তা পাঠানো, সেনাবাহিনী মোতায়েন করা এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষমতা অর্জন করেছে।

প্রবল বৃষ্টির কারণে নদীর পানির উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে বহু সড়ক বন্ধ হয়ে গেছে এবং বেশ কয়েকটি জনপদ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। কোকিম্বো অঞ্চলে কাদা ও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে পানীয় জলের সরবরাহও ব্যাহত হয়েছে।

উপ-অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী ম্যাক্সিমো পাভেজ জানান, কিছু নির্দিষ্ট এলাকায় এক ঘণ্টার মধ্যে যে পরিমাণ বৃষ্টি পড়েছে, তা সাধারণত পুরো এক মাসে পড়ে। তিনি এই পরিস্থিতিকে অত্যন্ত অস্বাভাবিক ও চরম বলেছেন।

জাতীয় আবহাওয়া বিভাগের কর্মকর্তা আর্নাল্ডো জুনিগা জানিয়েছেন, গত দুই দশকের মধ্যে চিলিতে এত বেশি বৃষ্টিপাত দেখা যায়নি।

তার মতে, বহু বছর পর দেশটি এমন চরম আবহাওয়ার সম্মুখীন হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১৯ পি.এম


মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

মধ্যপ্রাচ্যে অব্যাহত উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে একটি অভূতপূর্ব সামরিক সংঘাতের সৃষ্টি হয়েছে। টানা ১০ রাত ধরে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার প্রতিশোধ হিসেবে এবার মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে সমন্বিত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান।

বাহরাইন, কুয়েত এবং জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন একাধিক বিমান ঘাঁটি, রাডার এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি করেছে ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। অন্যদিকে, ইরান তেহরানের অনুমোদন না মেনে প্রবাহে প্রবেশের চেষ্টা করা দুটি তেলবাহী ট্যাঙ্কারেও আঘাত হেনেছে, যার ফলে হরমুজ প্রণালি ঘিরে জ্বালানি সরবরাহের ক্ষেত্রে চরম অনিশ্চিতাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

ইরানি সেনা সূত্রের বরাত দিয়ে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, বাহরাইনের মুহাররাক এলাকায় মার্কিন রাডার এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সঙ্গে রিফায় প্যাট্রিয়ট সিস্টেমকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। এছাড়া শেখ ইসা সামরিক ঘাঁটিতেও তারা ড্রোন আক্রমণ চালিয়েছে। কুয়েতের আহমেদ আল-জাবের ও আলি আল-সালেম বিমান ঘাঁটিতে স্যাটেলাইট এবং টেলিযোগাযোগ কেন্দ্রসহ ক্যাম্প আরিফজানে মার্কিন সেনা আবাসনে হামলা চালানোর অভিযোগ করেছে তেহরান। জর্ডানে অবস্থিত একটি মার্কিন ঘাঁটিতে এফ-ফিফটিন যুদ্ধবিমান এবং রাডার ধ্বংসের খবর পাওয়া যায়।

আইআরজিসি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলা সম্পূর্ণ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত অঞ্চলটিতে হরমুজ প্রণালিতে এক ফোঁটা তেল রপ্তানি করতে দেওয়া হবে না।

২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ আক্রমণের মাধ্যমে এই সংঘাতের সূচনা হয়। মাঝখানে জুনের মাঝামাঝি সময়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলেও ওয়াশিংটনের চুক্তি পুনঃব্যাখ্যার প্রচেষ্টা এবং হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন অবরোধ পুনরায় আরোপের পর সংঘাতের নতুন মাত্রা দেখা দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের এই চলমান সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধে দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে কঠোর সমালোচনা চলমান রয়েছে।

সিনেটের ডেমোক্র্যাট নেতা চাক শুমার অবিলম্বে এই যুদ্ধ বন্ধের জোর দাবি জানিয়েছেন এবং মার্কিন সেনাদের সুরক্ষায় প্রতিনিধি পরিষদে ভোটাভুটির ঘোষণা করেছেন। এই বহুমুখী সংঘাত এবং আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতার গুঞ্জনের মধ্যে বিশ্ববাজারে তেলের দামে ওঠানামা চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%