০৫:১৮ পি.এম
চিলির উত্তরাঞ্চলে টানা ভারি বৃষ্টির কারণে অন্তত ১০ জন নিহত এবং ১৭ জন আহত হয়েছে। এদিকে, চারজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
বৃষ্টির ফলে এক হাজার ১০০টিরও বেশি বাড়িঘর ধ্বংস অথবা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরিস্থিতির অবনতি ঘটায় সরকার জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছে।
গত সপ্তাহ থেকে কোকিম্বো ও আতাকামা অঞ্চলে সাধারণত শুষ্ক আবহাওয়ার মাঝেও অস্বাভাবিকভাবে ভারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। কর্মকর্তাদের মতে, এই ধরনের ত্রুটিপূর্ণ বর্ষণ এসব এলাকায় খুবই বিরল ঘটনা।
আরও পড়ুন: সুরঞ্জিতের নেতৃত্বে অভিজ্ঞতা নিয়ে আসিফ নজরুল ও সালাহউদ্দিন আহমদের মতভেদ
চিলির জাতীয় জরুরি পরিষেবা সংস্থা সেনাপ্রেডের পরিচালক আলিসিয়া সেব্রিয়ান বলেন, বৃষ্টির কারণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সৃষ্টি হয়েছে এবং উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
রাষ্ট্রপতি হোসে আন্তোনিও কাস্ট উল্লেখ করেন, পরিস্থিতি ক্রমেই আরো গুরুতর হয়ে উঠছে। এজন্য ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। এর ফলে, সরকার দ্রুত ত্রাণ সহায়তা পাঠানো, সেনাবাহিনী মোতায়েন করা এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষমতা অর্জন করেছে।
প্রবল বৃষ্টির কারণে নদীর পানির উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে বহু সড়ক বন্ধ হয়ে গেছে এবং বেশ কয়েকটি জনপদ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। কোকিম্বো অঞ্চলে কাদা ও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে পানীয় জলের সরবরাহও ব্যাহত হয়েছে।
উপ-অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী ম্যাক্সিমো পাভেজ জানান, কিছু নির্দিষ্ট এলাকায় এক ঘণ্টার মধ্যে যে পরিমাণ বৃষ্টি পড়েছে, তা সাধারণত পুরো এক মাসে পড়ে। তিনি এই পরিস্থিতিকে অত্যন্ত অস্বাভাবিক ও চরম বলেছেন।
আরও পড়ুন: যুদ্ধের শঙ্কার মধ্যে দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন না ইরানের শীর্ষ নেতা
জাতীয় আবহাওয়া বিভাগের কর্মকর্তা আর্নাল্ডো জুনিগা জানিয়েছেন, গত দুই দশকের মধ্যে চিলিতে এত বেশি বৃষ্টিপাত দেখা যায়নি।
তার মতে, বহু বছর পর দেশটি এমন চরম আবহাওয়ার সম্মুখীন হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন