ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কেরানীগঞ্জে দর্জিকে মারধর, গু-রুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি


কেরানীগঞ্জে দর্জিকে মারধর, গু-রুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি

 

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুর এলাকায় বিএনপি নেতা গাজী জাহাঙ্গীরের ছেলের বিরুদ্ধে আজগর আলী নামের এক দর্জিকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়রা হামলায় গুরুতর আহত দর্জি আজগর আলীকে উদ্ধার করে রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: মন্দিরে অর্থ সহায়তা করলেন আলিনগর ইউপি নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী কাওসার হাওলাদার

রবিবার (৫ জুলাই) রাত ৮টার দিকে আব্দুল্লাহপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কাজ শেষে আজগর আলী বাসায় ফেরার জন্য আব্দুল্লাহপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে রিকশায় উঠতে গেলে পূর্ব শত্রুতার জেরে তেঘরিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য গাজী জাহাঙ্গীরের ছেলে গাজী সায়মনের নেতৃত্বে কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়।

এতে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন আহত অবস্থায় আজগর আলীকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যান।

পরে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আরও পড়ুন: আলফাডাঙ্গা পৌরসভার ১১ পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক সহায়তা দিলেন মেয়র পদপ্রার্থী আব্দুল মান্নান মিয়া আব্বাস

আহতের বড় ভাই আবু অভিযোগ করে বলেন, গাজী সায়মনের নেতৃত্বে কয়েকজন অতর্কিত হামলা চালিয়ে আমার ভাইকে গুরুতর আহত করে। হামলার পর থানায় অভিযোগ করলে গুলি করে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়েছে।

তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপি নেতা গাজী জাহাঙ্গীর বলেন, আমার ছেলের সঙ্গে কিছুটা ঝামেলা হয়েছে বলে শুনেছি। তবে সে কাউকে মারধর করেছে কি না, সে বিষয়ে আমি নিশ্চিত নই। বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজ-খবর নিয়ে পরে আপনাকে জানাচ্ছি।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ বলেন, ঘটনাটি শুনেছি ভিকটিম মিটফোর্ড হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন। এ বিষয়ে আমরা কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি।

আরও পড়ুন: ফেনীতে মাদক কারবারিদের হামলায় আহত দিনমজুর মোহাম্মদ হানিফের মৃত্যু

লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হোমনায় সিএনজি ভাড়া চালকদের ইচ্ছেমতো বৃদ্ধি, যাত্রীরা ক্ষুব্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:২৪ এম


হোমনায় সিএনজি ভাড়া চালকদের ইচ্ছেমতো বৃদ্ধি, যাত্রীরা ক্ষুব্ধ

হোমনা, কুমিল্লা থেকে এফএনএস-এর মোর্শেদুল ইসলাম শাজুর রিপোর্ট অনুযায়ী, কুমিল্লার হোমনায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকরা কোনো নিয়ম কিংবা নীতির তোয়াক্কা না করে নিজেদের ইচ্ছেমতো ভাড়া বাড়িয়ে নিয়েছে। এই ঘটনায় সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ভাড়ার বৃদ্ধি করে এক মাস পার হলেও সিএনজিচালিত অটোরিকশার বাড়তি ভাড়া এখনো হ্রাস পায়নি। ঈদ ও নানা ধরনের অজুহাতে ভাড়া বৃদ্ধি করার এই অনৈতিক প্রথা বর্তমানে একটি স্থায়ী রূপ ধারণ করেছে। ফলস্বরূপ, প্রতিটি রুটে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে ১০ টাকা বেশি আদায় করা হচ্ছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রশাসন কর্তৃক নির্ধারিত ভাড়ার তোয়াক্কা না করে চালকরা নিজেদের মতো করে হোমনা ব্রিজের নিচ থেকে শ্রীমদ্দি কালি বাড়ি ২.৫ কিলোমিটার ২০ টাকা, দড়িচর ৩ কিলোমিটার ২০ টাকা, আলীপুর ৪ কিলোমিটার ৩০ টাকা, দুলালপুর ৭ কিলোমিটার ৪০ টাকা, দৌলতপুর ৯ কিলোমিটার ৫০ টাকা, রামকৃষ্ণপুর ১১ কিলোমিটার ৬০ টাকা, ঘাড়মোড়া ৪ কিলোমিটার ২০ টাকা, শ্রীপুর ৫ কিলোমিটার ৩০ টাকা, কাশিপুর ৮ কিলোমিটার ৪০ টাকা, চান্দেরচর বাগের হাট ১০ কিলোমিটার ৬০ টাকা, চান্দেরচর ৯ কিলোমিটার ৫০ টাকা, ঘনিয়ারচর ৭ কিলোমিটার ৪০ টাকা, কলাগাছিয়া সাড়ে ৭ কিলোমিটার ৪০ টাকা এবং আসাদপুর ৬ কিলোমিটার ও মঙ্গলকান্দি সাড়ে ৪ কিলোমিটার ভাড়া ৩০ টাকা করে আদায় করছে।

চালকদের সাথে কথা বললে জানা গেছে যে, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের পেছনে প্রশাসনের কোনো নির্দেশনা আগে ছিল, তবে এখন নেই। তারা নিজেদের মধ্যে বসে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে প্রতিদিন যাত্রীদের সঙ্গে চালকদের মধ্যে কথাকাটি ও মনোমালিন্যের ঘটনা ঘটছে। হোমনা-কাশিপুর রুটের নিয়মিত যাত্রী মো. দুলাল জানিয়েছেন, হোমনা থেকে কাশিপুর ৪০ টাকা ভাড়া নেওয়া স্পষ্ট 'জুলুম'। একই ধরনের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হোমনা-চান্দেরচর ও রামকৃষ্ণপুর রুটে নিয়মিত যাত্রী তথা স্থানীয় সংবাদকর্মী মো. হারুন অর রশিদ এবং মো. রাসেল। রাসেল জানিয়েছেন, জনঅসন্তোষের এই বিষয়টি তিনি পূর্বে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

হোমনা পৌর প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আহাম্মেদ মোফাচ্ছের বলেছন, পৌরসভার অভ্যন্তরে কিংবা কোনো রুটে প্রশাসনের নির্ধারিত তালিকার বাইরে সিএনজি চালকদের ইচ্ছেমতো বাড়তি ভাড়া আদায়ের আইনগত কোনো সুযোগ নেই। যাত্রীদের কাছ থেকে জোরপূর্বক অতিরিক্ত টাকা নেওয়া সম্পূর্ণ অবৈধ। জনভোগান্তির এই বিষয়টি আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছি। দ্রুতই পৌর কর্তৃপক্ষ এবং উপজেলা প্রশাসন যৌথভাবে ব্যবস্থা নেবো।

এ বিষয়ে হোমনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শহিদুল ইসলাম বলেছেন, সরকার নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কোনো সুযোগ নেই। পৌরসভা যেহেতু স্ট্যান্ডগুলো ইজারা দেয়, সেহেতু পৌরসভার প্রশাসককে বলেছি সংশ্লিষ্টদের থেকে কারণ জেনে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য। সমস্যা সমাধান না হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রশাসন নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কোনো সুযোগ নেই। পৌরসভা যেহেতু স্ট্যান্ডগুলো ইজারা দেয়, তাই এসি ল্যান্ডকে বলেছি, যথাযথ কারণ জেনে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য। পরে প্রশাসনিকভাবেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দীর্ঘ কারাবাস ও অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে আবারও সক্রিয় আসলাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:২৭ এম


দীর্ঘ কারাবাস ও অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে আবারও সক্রিয় আসলাম

দীর্ঘ প্রায় নয় বছরের কারাবাস, একাধিক মামলা নিয়ে আইনি লড়াই এবং ব্যবসায়িক খাতে বড় ধরনের সংকট পেরিয়ে আবারও উত্তর চট্টগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় হয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আসলাম চৌধুরী। তার দীর্ঘ অনুপস্থিতির পর রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দুটি ক্ষেত্রেই তার পুনরায় সক্রিয়তা উত্তর চট্টগ্রামে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি করেছে। আসলাম চৌধুরী একসময় উত্তর চট্টগ্রামের রাজনীতি ও ব্যবসায়ী অঙ্গনে পরিচিত মুখ ছিলেন। ২০১৩ সালে পরবর্তী রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামের সময় তিনি সীতাকুণ্ড, মিরসরাই, সন্দ্বীপ, ফটিকছড়ি, হাটহাজারী, রাউজান ও রাঙ্গুনিয়া সহ বিভিন্ন এলাকায় বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং মাঠভিত্তিক রাজনীতির মাধ্যমে তিনি দ্রুতই উত্তর চট্টগ্রামের অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছিলেন। তবে, ২০১৬ সালে গ্রেপ্তারের পর তার রাজনৈতিক জীবনে একটি দীর্ঘ বিরতি আসে। পরবর্তী সময়ে ৭৬টি মামলায় জড়িয়ে তাকে দীর্ঘ ৯ বছর কারাগারে থাকতে হয়। এই দীর্ঘ সময়ের মধ্যে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি তার গড়ে তোলা বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানও নানা সংকটের মুখোমুখি হয়। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও শিল্প সংশ্লিষ্টদের মতে, নেতৃত্বের অনুপস্থিতি, বিনিয়োগ স্থবিরতা, আর্থিক চাপ এবং ব্যবস্থাপনা জটিলতার কারণে একসময়কার সক্রিয় ব্যবসায়িক কার্যক্রমের অনেকাংশ দুর্বল হয়ে পড়ে। দীর্ঘ প্রতিকূল সময় পেরিয়ে কারামুক্ত হয়ে আবারও রাজনীতির মাঠে সক্রিয় হয়েছেন আসলাম চৌধুরী।

দলীয় সূত্র অনুযায়ী, উত্তর চট্টগ্রামে বিএনপির সাংগঠনিক কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করা, তরুণ নেতৃত্বকে সামনে নিয়ে আসা এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলকে সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে কাজ করছেন আসলাম চৌধুরী। তার প্রত্যাবর্তনে নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়েছে বলেও তাদের ধারণা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ অনুপস্থিতির ফলে উত্তর চট্টগ্রামের রাজনৈতিক বাস্তবতায় পরিবর্তন এসেছে, তবে আসলাম চৌধুরীর সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং তৃণমূল পর্যায়ে তার গ্রহণযোগ্যতা এখনও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ফলস্বরূপ, তার সক্রিয়তা স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন গতি সৃষ্টি করতে পারে। সেই সাথে রাজনৈতিক কার্যক্রমের পাশাপাশি ব্যবসায়িক খাতে নতুন করে মনোযোগ দিচ্ছেন তিনি। দীর্ঘদিন স্থবির হয়ে থাকা বিভিন্ন উদ্যোগ পুনর্গঠন এবং কর্মসংস্থানমুখী কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিষয়ে কাজ চলছে বলে তার ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো জানিয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, দীর্ঘ কারাবাস ও অর্থনৈতিক সংকটের মতো কঠিন সময় অতিক্রম করার পর আসলাম চৌধুরীর পুনরায় সক্রিয় হওয়া শুধু একটি ব্যক্তিগত প্রত্যাবর্তনের ঘটনা নয়, এটি উত্তর চট্টগ্রামের রাজনীতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনাও বটে। কর্মী-সমর্থকদের প্রত্যাশা, অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং জনসম্পৃক্ততাকে কাজে লাগিয়ে তিনি আগামী দিনে উত্তর চট্টগ্রামের রাজনীতিতে আরও কার্যকর ও ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁদপুরে মানসিক ভারসাম্যহীন কিশোরীর নবজাতকের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রশাসক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:২৯ এম


চাঁদপুরে মানসিক ভারসাম্যহীন কিশোরীর নবজাতকের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রশাসক

چাঁদপুরে একটি মানসিক ভারসাম্যহীন কিশোরীর নবজাতক কন্যাশিশুর জন্ম হয়েছে। পিতৃপরিচয়বিহীন এই শিশু এবং তার মায়ের চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন জেলা প্রশাসক। ঘটনা সম্পর্কে জানার পর জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান রোববার (৫ জুলাই) সকালে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নবজাতককে দেখতে যান। হাসপাতালে গিয়ে তিনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে শিশুটির জন্য উপহার প্রদান করেন এবং মা ও নবজাতকের চিকিৎসার সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জিজ্ঞাসা করেন।

জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, মা ও শিশুর চিকিৎসা চলছে। ইতোমধ্যে শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার জন্য আবেদন জমা পড়ে গিয়েছে। তবে আইনগতভাবে সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে যেই পরিবার শিশুটির নিরাপদ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পারবে, তাদের কাছে শিশুকে হস্তান্তর করার পরিকল্পনা রয়েছে। এসময় হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. একেএম মাহাবুবুর রহমান, সিনিয়র মেডিকেল অফিসার ডা. কাজলসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। হাসপাতাল সূত্র ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত কয়েক দিন ধরে ওই মানসিক ভারসাম্যহীন তরুণী একই কাপড়ে চাঁদপুর সদর হাসপাতালের আশেপাশে ঘোরাঘুরি করছিলেন। তার অস্বাভাবিক চলাফেরা দেখে হাসপাতালের নার্স ও চিকিৎসকরা কয়েকবার পরীক্ষা-নিরীক্ষার চেষ্টা করলেও তার আপত্তির কারণে সফল হওয়া সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় এক নারী শাহনাজ বেগম জানান, তিনি প্রথমে তরুণীটিকে শহরের ইসলামী ব্যাংকের সামনে অসহায় অবস্থায় দেখতে পান। এরপর তাকে উদ্ধার করে নিজের মেসে নিয়ে আসেন। সেখানে তরুণীটির শারীরিক অবস্থার অবনতি এবং প্রসবের যন্ত্রণা লক্ষ্য করে তিনি শুক্রবার (৩ জুলাই) রাত ১১টার দিকে তাকে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক মানবিক দিক বিবেচনা করে দ্রুত তাকে গাইনি বিভাগে স্থানান্তর করেন। সেখানেই শনিবার (৪ জুলাই) তিনি একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন।

হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স শারমিন আক্তার জানান, প্রসূতি এবং নবজাতক উভয়ই বর্তমানে সুস্থ আছেন। তবে মানসিক ভারসাম্যহীনতার কারণে ওই তরুণী নিজের নাম-পরিচয় বা সন্তানের বাবার সম্পর্কে কোনো তথ্য দিতে পারছেন না। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মাহবুবুর রহমান বলেন, রোগী এবং নবজাতক উভয়ই বর্তমানে আমাদের পর্যবেক্ষণে আছেন। মানবিক দিক বিবেচনা করে হাসপাতাল থেকে তাদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাবনায় শিক্ষার্থী ধর্ষণের বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৩৩ এম


পাবনায় শিক্ষার্থী ধর্ষণের বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

পাবনা সাঁথিয়া উপজেলার আতাইকুলার বিলকুলা গ্রামের ৮ম শ্রেণির এক স্কুল শিক্ষার্থীকে নিজ বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের ঘটে এমন ঘটনাকে কেন্দ্র করে অভিযুক্ত জুয়েল ও মামুনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং বিচারের দাবিতে অঞ্চলটির শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে। রবিবার, ০৫ জুলাই, বিকালে বিলকুলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ঘন্টাব্যাপী এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, এলাকায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী জুয়েল ও মামুনসহ তাদের সহযোগীরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে। ১ জুলাই (বুধবার) দিবাগত রাতে মেয়েটি বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে। ধর্ষণের শিকার হওয়া মেয়েটি বিলকুলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ০৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী। ঘটনার পর মেয়েটির মা স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

এই ধরনের ঘটনার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে স্থানীয় জনগণ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। একই সাথে ধর্ষকদেদের দ্রুত গ্রেফতার করে ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। স্থানীয় জনগণ অভিযোগ করেছেন, থানা পুলিশের গাফিলতির কারণে ধর্ষণে জড়িতদের পুলিশ এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি। এসময় বক্তব্য দেন বিলকুলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লুৎফর রহমান, হামিদ ফকির, শাকিল হোসেন, আলগীর হোসেন, মাসুদ রানা, আরমান হোসেন, সোহেল রানা, ফজলাল ফকিরসহ শিক্ষার্থীরা। আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মজিবর রহমান জানান, এই ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে এবং দ্রুত দুষ্কৃতিকারীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%