ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এপ্রিল-মার্চ অর্থবছর চালুর জন্য ২৫ অক্টোবরের মধ্যে কর্মপরিকল্পনা চেয়েছে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়


এপ্রিল-মার্চ অর্থবছর চালুর জন্য ২৫ অক্টোবরের মধ্যে কর্মপরিকল্পনা চেয়েছে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়

ঢাকা, ২২ অক্টোবর ২০২৬ : এপ্রিল-মার্চ অর্থবছর চালুর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থাগুলোর কাছে সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা চেয়েছে। এটি প্রচলিত জুলাই-জুন অর্থবছরের পরিবর্তে কার্যকর হবে।

এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট আইন, বিধিমালা, পরিপত্র, এসআরও, চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধন ও সমন্বয়ের পরিকল্পনা আগামী ২৫ অক্টোবরের মধ্যে মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন শাখা-৬ থেকে গত ১৫ অক্টোবর জারি করা এক চিঠিতে এ নির্দেশনা প্রদান করা হয়। উপসচিব মোহাম্মদ আবদুল আউয়াল স্বাক্ষরিত চিঠিটি রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষসহ (রাজউক) মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন অধিদপ্তর, কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট শাখায় পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: জাপান বাংলাদেশে ৬.৩৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকার দীর্ঘদিনের প্রচলিত জুলাই-জুন অর্থবছরের পরিবর্তে এপ্রিল-মার্চ অর্থবছর চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ১৭ আগস্ট অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২০২৭-২৮ অর্থবছরকে অন্তর্বর্তীকালীন অর্থবছর হিসেবে বিবেচনা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই অর্থবছরের মেয়াদ ১২ মাসের পরিবর্তে নয় মাস নির্ধারণ করে জুলাই থেকে পরবর্তী বছরের মার্চ পর্যন্ত কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পরবর্তী সময়ে ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সময়কে অর্থবছর হিসেবে নির্ধারণ করে সরকারি কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

নতুন অর্থবছর কাঠামো কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় আইনগত ভিত্তি প্রতিষ্ঠার কাজ ২০২৭-২৮ অর্থবছর শুরুর আগেই, অর্থাৎ চলতি অর্থবছরের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।

এতে উল্লেখ করা হয়েছে, অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তনের ফলে সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি), সামগ্রিক উন্নয়ন কার্যক্রম, জাতীয় উৎপাদন ও পরিসংখ্যানগত কাঠামো এবং তথ্যপ্রযুক্তি ও সফটওয়্যারভিত্তিক ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও সমন্বয় করতে হবে। আইবাস++, ভ্যাট ও ট্রেজারি ব্যবস্থাপনাসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি ব্যবস্থাগুলো নতুন অর্থবছরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে।

আরও পড়ুন: ভারতের একক বৃহত্তম তেল শোধনাগার পরিদর্শনে রুবিও, কিন্তু কেন?

মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, প্রতিটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের আওতাধীন সংশ্লিষ্ট আইন, বিধিমালা, পরিপত্র, এসআরও, চুক্তি, সমঝোতা স্মারক এবং পরিসংখ্যানগত ও তথ্যপ্রযুক্তিগত কাঠামো নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করতে হবে।

পর্যালোচনার ভিত্তিতে কোথায় সংশোধন, সংযোজন, পরিমার্জন ও সমন্বয় প্রয়োজন, তা চিহ্নিত করে সুনির্দিষ্ট ও সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা গেলে নতুন অর্থবছর ব্যবস্থায় সরকারি কার্যক্রমের আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এ নির্দেশনার আওতায় রাজউক, নগর উন্নয়ন অধিদপ্তর, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ, গণপূর্ত অধিদপ্তর, স্থাপত্য অধিদপ্তর, সরকারি আবাসন পরিদপ্তর ও হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: সাইবার নিরাপত্তার কারণে বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট

এ ছাড়া চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, ময়মনসিংহ, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, রংপুর ও কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থাকে এ নির্দেশনার আওতায় আনা হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন, আইন, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন, অডিট, ভূমি ব্যবস্থাপনা, পরিত্যক্ত সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা এবং আইসিটি শাখাসহ বিভিন্ন শাখাকেও এ কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও সংস্থাকে নিজ নিজ এখতিয়ারভুক্ত বিষয় পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর্মপরিকল্পনা পাঠানোর মাধ্যমে নতুন অর্থবছর কাঠামো বাস্তবায়নের প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়াই এ নির্দেশনার উদ্দেশ্য।

আরও পড়ুন: সরকার দেশের সব সার কারখানা খুব দ্রুত চালু করতে চায়: বিসিআইসি চেয়ারম্যান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দাদু ভাই গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অগ্রভাগে ছিলেন: কেসিসি প্রশাসক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:২৩ পি.এম


দাদু ভাই গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অগ্রভাগে ছিলেন: কেসিসি প্রশাসক

খুলনা, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ : খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু উল্লেখ করেছেন যে ভাষাসংগ্রামী এম নুরুল ইসলাম দাদু ভাই গণতন্ত্র ও জনগণের মুক্তির সকল আন্দোলনের অগ্রভাগে ছিলেন।

বুধবার, নগরীর পিটিআই জামে মসজিদে বিএনপি কর্তৃক আয়োজিত এক দোয়া মাহফিলে তিনি এই মন্তব্য করেন। এ দোয়া মাহফিলটি খুলনা মহানগর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সংসদ সদস্য দাদু ভাইয়ের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, দাদু ভাইয়ের ভাষা আন্দোলন, স্বাধিকার আন্দোলন এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তিনি এই বর্ষীয়ান নেতার সাহস, দৃঢ় সংকল্প এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তার আজীবন অবদানের কথা স্মরণ করেন।

এর আগে, বিএনপির নেতাকর্মীরা নগরীর টুটপাড়া কবরস্থানে গিয়ে দাদু ভাইয়ের কবর জিয়ারত করেন এবং তার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া করেন।

দোয়া মাহফিল শেষে দলের নেতারা দাদু ভাইয়ের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৩১ অক্টোবর ১১ দলের ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চের জন্য সর্বাত্মক প্রস্তুতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:২৩ পি.এম


৩১ অক্টোবর ১১ দলের ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চের জন্য সর্বাত্মক প্রস্তুতি

জুলাই গণহত্যার বিচারসহ বিভিন্ন দাবির পক্ষে আগামী ৩১ অক্টোবর ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চের কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই লংমার্চের মূল দাবি হলো ‘জুলাই গণহত্যার বিচার’ যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

লংমার্চের সফলতা নিশ্চিত করার জন্য প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ঢাকা থেকে শুরু হতে যাওয়া এই লংমার্চের প্রথম পথসভার স্থান শরীয়তপুরের নাওডোবা এলাকা পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতারা। পরিদর্শনের পর তারা উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেন।

পরিদর্শনের সময় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চল পরিচালক মো. মোবারক হোসাইন উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া, এই প্রস্তুতিমূলক কর্মসূচিতে অন্যান্য নেতাদের মধ্যে ফরিদপুর অঞ্চল টিমের সদস্য ও ফরিদপুর জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা বদরুদ্দীন, শরীয়তপুর জেলা আমির মাওলানা আব্দুর রব হাশেমী, মাদারীপুর জেলা আমির মাওলানা মোখলেসুর রহমান, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ কামাল হোসেন এমপি এবং ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ডা. মো. ফখরুদ্দিন মানিকসহ আঞ্চলিক ও স্থানীয় জামায়াত নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনের পর নেতারা জানান, আগামী ৩১ অক্টোবরের লংমার্চ এবং শরীয়তপুরের নাওডোবায় অনুষ্ঠিতব্য প্রথম পথসভাকে কেন্দ্র করে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে। তারা আশা প্রকাশ করেন যে, এতে সাধারণ জনগণের ব্যাপক সমাগম ঘটবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুরোনো বাণিজ্যমেলা মাঠের মালিকানা নিয়ে গণপূর্ত ও শেকৃবির বিরোধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:২৪ পি.এম


পুরোনো বাণিজ্যমেলা মাঠের মালিকানা নিয়ে গণপূর্ত ও শেকৃবির বিরোধ

পুরানো বাণিজ্যমেলা মাঠের মালিকানা নিয়ে গণপূর্ত ও শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অবস্থান দেখা যাচ্ছে। উভয় পক্ষই নিজেদের মালিকানা দাবি করছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন জানাচ্ছে, প্রয়োজনে তারা আইনি লড়াইয়ে যেতে প্রস্তুত। গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, সরকারি মালিকানার খালি মাঠে সচিবালয় স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এদিকে, স্থপতি ইকবাল হাবিব পরিবেশগত দিক বিবেচনা করে শহরের কেন্দ্রে প্রশাসনিক কাঠামো নির্মাণ না করে বিকল্প স্থান খোঁজার পরামর্শ দিয়েছেন।

স্বাধীন বাংলাদেশের প্রশাসনিক কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে সচিবালয়। গত পাঁচ দশকে মন্ত্রণালয়ের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং কাজের পরিধি বেড়েছে। নতুন এবং পুরাতন মিলে গাদাগাদি করে সাড়ে ১৭ একর জমিতে ১৩টি ভবনের ১৮ লাখ ৭৬ হাজার বর্গফুটের মধ্যে জায়গার সংকুলান হচ্ছে না। এর আগে সচিবালয় স্থানান্তরের উদ্যোগ নেয়া হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি।

শেরেবাংলা নগরে পুরাতন বাণিজ্য মেলা মাঠে সাড়ে ৩১ একর জমিতে পার্কিং, লেক, সবুজায়নের নকশা অনুযায়ী ৩৩ লাখ বর্গফুটের ১২ তলা বিশিষ্ট ১৪টি ভবন নির্মাণের অনুমোদন মন্ত্রিসভা দিয়েছে।

সরকারের সিদ্ধান্তের পর মাঠটি উন্মুক্ত স্থান, খেলার মাঠ বা কৃষি গবেষণায় কাজে লাগানোর প্রস্তাব দিয়ে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন প্রফেসর ড. এম সালাহউদ্দিন দাবি করেছেন যে, জায়গাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পত্তি।

তিনি বলেন, "আইনগতভাবে, দলিল-দস্তাবেজে এটি শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পত্তি। সরকারকে এটি নিতে হলে ক্রোক করে নিতে হবে। সরকার দাবি করছে এটি সরকারের জায়গা, আর আমি দাবি করছি এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জায়গা। এই বিষয়টি আদালত সমাধান করবেন। সরকারের সঙ্গে আমাদের কোনো বিরোধ নেই। আমরা শুধুমাত্র সরকারকে বলতে চাই, আপনারা বিকল্প খুঁজে এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বা পরিবেশের জন্য খালি রাখেন।"

গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর জানান, জমিটি সরকারি সম্পত্তি। সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কাজ শুরুর প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে। স্থানান্তরের পর বর্তমান সচিবালয়ের ব্যবহার নিয়ে আলোচনা চলছে।

তিনি বলেন, "১৬ ডিসেম্বর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে। এটি সরকারের জায়গা। খালি জায়গা পেয়ে শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা করতো। এই জমি বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে বরাদ্দ দেয়া হয়নি। অবশ্যই এটি ব্যবহার করা হবে।"

তবে পরিবেশগত দিক চিন্তা করে, সরকারি সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার পরামর্শ দিয়েছেন নগর পরিকল্পনাবিদ স্থপতি ইকবাল হাবিব।

তিনি বলেন, "সকলের একটা পরামর্শভিত্তিক কাঠামোর মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া গণতান্ত্রিক সরকারের কাছে প্রত্যাশিত। আমরা পরিবেশবাদীরা সে কারণে আবার পুনর্বিবেচনা করার কথা বলছি। বাধা দিচ্ছি না। আমরা ভবিষ্যতের পরিকল্পনা করছি বর্তমানের না।"

লুই আই কানের মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে সচিবালয় স্থাপনের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সরকারের নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৯ সালে নতুন স্থানে অফিস শুরু হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মালদ্বীপে বাংলাদেশি ব্যাংকের শাখা খুলে প্রবাসী আয় বাড়ানোর উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:২৫ পি.এম


মালদ্বীপে বাংলাদেশি ব্যাংকের শাখা খুলে প্রবাসী আয় বাড়ানোর উদ্যোগ

ঢাকা, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলাদেশ ব্যাংক মালদ্বীপে একটি বাংলাদেশি ব্যাংকের শাখা খুলতে এবং বিকল্প মুদ্রা নিষ্পত্তি ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে মালদ্বীপে কর্মরত বাংলাদেশিদের প্রবাসী আয় বৈধ চ্যানেলে দেশে পাঠানো সহজ হবে এবং ব্যাংকিং সেবার পরিধি বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বাসসকে জানিয়েছেন, "প্রবাসী আয় যাতে বৈধ পথে দেশে আসে, সে জন্য মালদ্বীপে বাংলাদেশি ব্যাংকের শাখা খোলার চেষ্টা করছি।"

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. মোস্তাকুর রহমান মালদ্বীপ মনিটারি অথরিটির (এমএমএ) গভর্নর আহমেদ মুনাওয়ারকে সহযোগিতা চেয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। বর্তমানে তাদের জবাবের জন্য অপেক্ষা করছে বাংলাদেশ।

এই উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি মালদ্বীপে বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে একটি ভার্চুয়াল বৈঠক করেছে। বৈঠকে বাংলাদেশি ব্যাংকের শাখা স্থাপন এবং প্রবাসীদের আয় বৈধ চ্যানেলে দেশে পাঠানোর সুযোগ আরও শক্তিশালী করার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

বাংলাদেশের ব্র্যাক ব্যাংক ও ন্যাশনাল ব্যাংকসহ কিছু বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক মালদ্বীপে শাখা স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই করেছে বলেও ওই কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

বর্তমানে শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান ও ভারতের কয়েকটি ব্যাংক মালদ্বীপে শাখা পরিচালনা করছে, যা বাংলাদেশের জন্য একটি কার্যকর উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, মালদ্বীপে বাংলাদেশি ব্যাংকের উপস্থিতি বৃদ্ধি পেলে প্রবাসীরা সহজে ব্যাংকিং সেবা পাবেন এবং অনুমোদিত চ্যানেলে দেশে অর্থ পাঠানো আরও সুবিধাজনক হবে। তবে এ জন্য দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও পারস্পরিক সহযোগিতা প্রয়োজন হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের দেশভিত্তিক প্রবাসী আয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মালদ্বীপ থেকে বাংলাদেশে ১১ কোটি ৮০ লাখ ডলার এসেছে। আগের অর্থবছরে এ অঙ্ক ছিল ১৪ কোটি ১১ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক বছরে প্রায় ১৬ দশমিক ৪ শতাংশ কমেছে প্রবাসী আয়।

তবে চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে মালদ্বীপ থেকে ৩ কোটি ৮০ লাখ ৫০ হাজার ডলার দেশে এসেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, প্রবাসী আয় কমে যাওয়ার এবং অর্থ পাঠাতে বাংলাদেশি কর্মীদের নানা জটিলতার কারণে বৈধ রেমিট্যান্স সেবা আরও সহজ, সাশ্রয়ী ও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ব্যাংক শাখা স্থাপনের পাশাপাশি মালদ্বীপ থেকে রেমিট্যান্স পাঠানো সহজ করতে বাংলাদেশ ব্যাংক তিনটি নতুন ব্যবস্থা প্রস্তাব করেছে।

গত ৮ অক্টোবর এমএমএ গভর্নরের কাছে পাঠানো চিঠিতে গভর্নর ড. মোস্তাকুর রহমান দুই দেশের মুদ্রা কর্তৃপক্ষের মধ্যে নিরাপদ, দক্ষ, স্বচ্ছ ও কম ব্যয়ের রেমিট্যান্স ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সহযোগিতা চান।

প্রথম প্রস্তাবে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (এসিইউ) আওতায় উপযুক্ত ব্যবস্থার মাধ্যমে মালদ্বীপের স্থানীয় মুদ্রা রুফিয়া ব্যবহারের সম্ভাবনা যাচাইয়ের কথা বলা হয়েছে। এ ব্যবস্থায় বাংলাদেশে উপকারভোগীরা অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকের মাধ্যমে টাকায় সমপরিমাণ অর্থ পাবেন।

দ্বিতীয় প্রস্তাবে মালদ্বীপের লাইসেন্সধারী ব্যাংক ও অর্থ স্থানান্তর প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশি নাগরিকদের ভ্রমণসংক্রান্ত যোগ্য পরিশোধ রুফিয়ায় করার সুযোগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। বাংলাদেশে অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকগুলো টাকাভিত্তিক কার্ড ইস্যু করবে এবং দুই দেশের সমন্বিত নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থার মাধ্যমে এর নিষ্পত্তি হবে।

তৃতীয় প্রস্তাবে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় কারেন্সি সোয়াপ ব্যবস্থা চালুর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার কথা বলা হয়েছে, যাতে বাংলাদেশি কর্মীদের উপার্জন দেশে ফিরিয়ে আনা আরও সহজ হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এসব ব্যবস্থা বাস্তবায়ন দুই দেশের আইন ও নিয়ন্ত্রক অনুমোদনের ওপর নির্ভর করবে।

এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা ও মালদ্বীপে বাংলাদেশ মিশনের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি যৌথ প্রতিনিধিদল গঠনের মাধ্যমে এমএমএর সঙ্গে বৈঠক করতেও প্রস্তুতি রয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের। সম্ভাব্য ওই বৈঠকে নিয়ন্ত্রক শর্ত, পরিচালনাগত ব্যবস্থা এবং নিষ্পত্তি কাঠামো নিয়ে আলোচনা হবে।

মালদ্বীপে বর্তমানে এক লাখের বেশি বাংলাদেশি কর্মরত। ২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে দুই লাখের বেশি বিদেশি কর্মী রয়েছেন, যার মধ্যে এক লাখের বেশি বাংলাদেশি।

এত বড় বাংলাদেশি কর্মীসমাজ থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় মুদ্রা রুফিয়া সরাসরি গ্রহণে ব্যাংক ও মানি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠানগুলোর অনীহার কারণে প্রবাসীরা বৈধ পথে অর্থ পাঠাতে সমস্যায় পড়ছেন।

ফলে অনেককে অনানুষ্ঠানিক বাজার থেকে আগে মার্কিন ডলার কিনে পরে ব্যাংক বা এক্সচেঞ্জ হাউসের মাধ্যমে অর্থ পাঠাতে হয়। এর সঙ্গে উচ্চ কমিশন যোগ হওয়ায় বৈধ পথে অর্থ পাঠানোর ব্যয় আরও বেড়ে যায়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, এসব জটিলতা বৈধ চ্যানেলের ব্যবহার নিরুৎসাহিত করে এবং হুন্ডিসহ অনানুষ্ঠানিক ব্যবস্থার ওপর নির্ভরতা বাড়ায়, যার ফলে দেশের আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং ব্যবস্থায় প্রবাসী আয়ের প্রবাহ সীমিত হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আশা, প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে মালদ্বীপে বাংলাদেশি ব্যাংকের শাখা চালু এবং প্রস্তাবিত মুদ্রা নিষ্পত্তি ব্যবস্থাগুলো একসঙ্গে বাস্তবায়নের মাধ্যমে অনানুষ্ঠানিক মুদ্রাবাজারের ওপর নির্ভরতা কমবে, লেনদেনের স্বচ্ছতা বাড়বে এবং প্রবাসীরা আরও সহজে পরিবারের কাছে অর্থ পাঠাতে পারবেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এই উদ্যোগের লক্ষ্য প্রবাসী আয় স্থানান্তরকে আরও নিরাপদ, দ্রুত ও কম ব্যয়বহুল করা এবং বৈধ চ্যানেলে দেশে আসা প্রবাসী আয়ের পরিমাণ বাড়ানো। তবে পুরো উদ্যোগের বাস্তবায়ন মালদ্বীপ মনিটারি অথরিটির সাড়া, প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রক অনুমোদন এবং দুই দেশের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%