বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:১৬ পি.এম
রংপুর নগরীর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার দুই অভিযুক্তের ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট তদন্তকারী সংস্থার কাছে পৌঁছেছে। ওই বাড়ির বিভিন্ন স্থান থেকে জব্দ করা রক্তের দাগ ও অন্যান্য আলামতের সঙ্গে গ্রেফতার দুজনের ডিএনএর মিল পাওয়া গেছে।
চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের জন্য গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্ত সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের রক্তের নমুনা এবং ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত আলামত পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) দ্বারা সংগ্রহ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে, রংপুর মেট্রোপলিটন ডিবি পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর জিন্নাত আলী গত ২৯ সেপ্টেম্বর সেগুলো ঢাকায় সিআইডির প্রধান কার্যালয়ের ফরেনসিক ল্যাবে পরীক্ষার জন্য পাঠান।
সেখানে নিখুঁত রাসায়নিক ও ডিএনএ পরীক্ষার পর তৈরি করা চূড়ান্ত রিপোর্টটি বৃহস্পতিবার রংপুর মেট্রোপলিটন ডিবি পুলিশের কাছে এসে পৌঁছেছে।
গত ২০ আগস্ট শনিবার দিবাগত রাতে রংপুর নগরীর কামালকাছনা দাসপাড়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫৫), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী (২৫) এবং ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী প্রিয়মের (১১) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। দেশজুড়ে আলোড়ন তোলা এই ঘটনায় ২৩ আগস্ট ভোরে প্রতিবেশী মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস নামে দুজনকে আটক করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। পরে তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে তোলা হলে তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। বর্তমানে মামলাটির বিস্তারিত তদন্ত রংপুর মহানগর ডিবি পুলিশ পরিচালনা করছে।
একই পরিবারের চার সদস্যকে নির্মমভাবে হত্যার এই ঘটনায় দেশ-বিদেশে ব্যাপক তোলপাড় ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশ আইনজীবী ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের আইন বিষয়ক সম্পাদক সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য, বাংলাদেশ আইনজীবী ঐক্য পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী জয়া ভট্টাচার্য এবং রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট পলাশ কান্তি নাগ এই ঘটনায় বিচারবিভাগীয় তদন্তের দাবি তুলেছেন।
ডিবি পুলিশের তদন্তের অগ্রগতি ও খুনের কারণ নিয়ে শুরু থেকেই বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও বিতর্ক চলছিল। তবে এই ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফলের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের সময় ঘটনাস্থলে আসামিদের সরাসরি উপস্থিতি ও সম্পৃক্ততা অকাট্যভাবে নিশ্চিত হয়েছে।
রংপুর মেট্রোপলিটন ডিবি পুলিশের উপকমিশনার (ডিসি) সনাতন চক্রবর্তী জানান, ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত আলামতের সঙ্গে গ্রেফতারকৃতদের ডিএনএর মিল পাওয়ায় মামলায় অকাট্য বৈজ্ঞানিক প্রমাণ যুক্ত হলো। তবে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আরও কারও প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদদ কিংবা সম্পৃক্ততা রয়েছে কিনা, তা মামলার চূড়ান্ত তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে বলা যাবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অতীতের প্রতিকূলতার কথা তুলে ধরে শিগগিরই শীর্ষ গণমাধ্যমে দায়িত্ব নেওয়ার প্রত্যয়
একসময় বরিশালের গণমাধ্যম অঙ্গনে সাহসী ও স্পষ্টভাষী সাংবাদিক হিসেবে পরিচিত ছিলেন সাকিব বিপ্লব। তাঁর লেখনিতে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন বিষয় উঠে আসত। একপর্যায়ে তাঁর প্রকাশিত সংবাদ ও পত্রিকা ঘিরে পাঠকদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছিল। দীর্ঘ বিরতির পর এবার আবারও সাংবাদিকতায় সক্রিয়ভাবে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
সাকিব বিপ্লবের ভাষ্য অনুযায়ী, বিগত সরকারের সময়ে দায়ের করা কয়েকটি মামলায় দীর্ঘদিন কারাভোগ এবং পরবর্তী সময়ে পেশাগত ক্ষেত্রে তৈরি হওয়া নানা প্রতিকূলতার কারণে তিনি প্রায় সাত বছর মূলধারার সাংবাদিকতা থেকে দূরে ছিলেন।
তিনি দাবি করেন, কারাভোগের পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে তাঁর বিরুদ্ধে জাতীয় পর্যায়ের কয়েকটি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে নেতিবাচক তথ্য ও অভিযোগ উপস্থাপন করা হয়েছিল। তাঁর মতে, এসব কারণে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পেশাগত দায়িত্ব পাওয়ার ক্ষেত্রেও জটিলতা তৈরি হয়। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
দীর্ঘ বিরতি প্রসঙ্গে সাকিব বিপ্লব বলেন, **“বুকে সেই চাপা কষ্ট নিয়ে এখনো ঘুরে বেড়াচ্ছি। ফ্যাসিস্টদের দালালরা বিগত দিনে সব ধরনের সুবিধা ভোগ করে নিজেদের আখের গুছিয়েছে। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, তারা এখনো নিজ নিজ অবস্থানে বহাল থেকে বরিশাল মিডিয়া অঙ্গনকে বর্তমান সময়েও নিয়ন্ত্রণ করছে।”
তবে তাঁর এই বক্তব্যের বিষয়ে নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা বা সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
বরিশালের বর্তমান সাংবাদিকতার চর্চা নিয়েও নিজের অসন্তোষের কথা জানিয়েছেন সাকিব বিপ্লব। তাঁর মতে, স্থানীয় পর্যায়ে অনুসন্ধানী ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার চর্চা আরও জোরদার হওয়া প্রয়োজন।
তিনি বলেন, “বরিশালে এখন নেই কোনো সত্য বা অনুসন্ধানী রিপোর্ট। আছে শুধু বিএনপি ও জামায়াতের একচেটিয়া দালালি ও তোষামোদির রাজনীতি।”
এটি তাঁর ব্যক্তিগত মূল্যায়ন ও মতামত বলে উল্লেখ করে তিনি স্থানীয় গণমাধ্যমে আরও স্বাধীন, তথ্যনির্ভর ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন।
দীর্ঘ সাত বছরের বিরতির পর এবার নতুন করে সাংবাদিকতায় ফেরার ব্যাপারে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন সাকিব বিপ্লব। তিনি জানান, দেশের একটি শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নিয়ে শিগগিরই মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
সাকিব বিপ্লব বলেন, “ইনশাআল্লাহ, খুব শিগগিরই রাজকীয়ভাবে ফিরব মিডিয়া ভুবনের শীর্ষ কোনো হাউসের দায়িত্বভার নিয়ে। আমার এই প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে মাঠে আবার প্রমাণিত হবে—সৎ ও সাহসী সাংবাদিকতা কাকে বলে।
সাংবাদিকতার জগতে তাঁর দীর্ঘ বিরতি এবং ফেরার ঘোষণাকে ঘিরে বরিশালের গণমাধ্যম অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে তিনি ঠিক কোন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে এবং কী দায়িত্বে ফিরছেন, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশ করা হয়নি।
সাকিব বিপ্লবের উত্থাপিত মামলা, পেশাগত প্রতিবন্ধকতা, অপপ্রচার ও গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণসংক্রান্ত অভিযোগগুলোর স্বতন্ত্র সত্যতা এই প্রতিবেদনে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালি থানার বিআরটিসি ফলমন্ডী এলাকায় ফুটপাতে ঘুমিয়ে থাকা দম্পতির দুই মাসের শিশু মোহাম্মদ হোসাইন চুরির ঘটনায় পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। শিশুটিকে পরে পাহাড়তলী এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়।
বুধবার (৭ অক্টোবর) রাতে নগরীর পাহাড়তলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারদের নাম মহরম আলী (৫০) ও মোহাম্মদ ইব্রাহিম (৩৮) বলে জানা গেছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মোহাম্মদ রাজীব তাঁর স্ত্রী রুবি বেগম এবং দুই মাসের ছেলে মোহাম্মদ হোসাইনকে নিয়ে গত তিন-চার মাস ধরে কোতোয়ালি থানার বিআরটিসি ফলমন্ডী এলাকায় ভাসমান অবস্থায় বসবাস করছেন। ৩ অক্টোবর ভোর ৪টার দিকে রাজীব ও তাঁর স্ত্রী শিশুসন্তানকে নিয়ে ফুটপাতে মশারি টানিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ঘুম থেকে উঠে তাঁরা দেখেন, তাঁদের দুই মাসের শিশুসন্তান নেই। এরপর তাঁরা কোতোয়ালি থানার পুলিশকে বিষয়টি জানান।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহেদুল কবির কালের কণ্ঠকে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পাহাড়তলী থানার ৩ নম্বর পাহাড়তলী রেলগেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে মহরম আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর হেফাজত থেকে চুরি যাওয়া শিশু মোহাম্মদ হোসাইনকে উদ্ধার করা হয়। পরে মহরমের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ইব্রাহিমকেও গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই আসামিসহ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধভাবে শিশু পাচারের উদ্দেশ্যে শিশু চুরির অভিযোগে মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইনে কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার মালঞ্চ জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মো. মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে সোনার হার দেখিয়ে এবং বিভিন্ন অজুহাতে কয়েকজনের কাছ থেকে টাকা নিয়ে আত্মগোপনে চলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, তিনি তাঁদের কাছ থেকে মোট ৭ লাখ ৬৫ হাজার টাকা নিয়েছেন।
এ ঘটনায় বুধবার (৭ অক্টোবর) রাতে মেলান্দহ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগীরা। অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন মাস আগে মালঞ্চ জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হিসেবে যোগদান করেন মিজানুর রহমান। অল্প সময়ের মধ্যে তিনি মুসল্লি ও এলাকাবাসীর আস্থা অর্জন করেন। পরে ব্যক্তিগত আর্থিক সংকট, বেতন না পাওয়া ও জরুরি প্রয়োজনের কথা বলে তিনি কয়েকজনের কাছ থেকে টাকা ধার নেন। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন যে, টাকা ফেরতের নিশ্চয়তা দিতে তিনি হংকং থেকে আসা সোনার নেকলেসের ছবি দেখান।
লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. ইমরানের কাছ থেকে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা, জাহাঙ্গীর মাস্টারের কাছ থেকে ৪০ হাজার টাকা, আব্দুল্লাহর কাছ থেকে ২ লাখ টাকা, কাদেরের কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা এবং ইসমাঈল হোসেন রাজার কাছ থেকে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। তবে অভিযোগে উল্লেখ করা পাঁচজনের কাছ থেকে নেওয়া টাকার মোট পরিমাণ ৬ লাখ ১৫ হাজার টাকা। বাকি টাকার বিষয়ে অভিযোগে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ অনুযায়ী, বুধবার দুপুর পর্যন্ত মিজানুর রহমান স্বাভাবিকভাবে মসজিদে ছিলেন এবং মুসল্লিদের সঙ্গে নামাজ আদায় করেন। এরপর থেকে তাঁকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তাঁর মুঠোফোনও বন্ধ রয়েছে।
অভিযোগকারী মো. জুবায়ের বলেন, গত ৫ অক্টোবর মিজানুর রহমান তাঁর কাছে টাকার প্রয়োজনের কথা জানান। পরে তিনি মুঠোফোনে সোনার একটি নেকলেসের ছবি দেখিয়ে কয়েক দিনের মধ্যে টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দেন। ইমামের ওপর বিশ্বাস করে তিনি নগদ ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেন। কিছুদিন পরই মিজানুর রহমান চলে যান বলে অভিযোগ করেন তিনি।
মালঞ্চ জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘অভিযোগের বিষয়টি আমরা আগে জানতাম না। কেউ অর্থ লেনদেনের আগে কমিটিকে অবহিত করেননি। বিষয়টি নিয়ে দ্রুত সভা করে আইনি করণীয় ঠিক করা হবে।’
অভিযোগের বিষয়ে জানতে মিজানুর রহমানের ব্যবহৃত মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম মাহমুদুল হক বলেন, ‘এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক রয়েছেন। তাঁর ব্যবহৃত মুঠোফোন নম্বর পর্যালোচনা করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ