ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের বিধিমালা দ্রুত প্রণয়ন জরুরি: নারী ফোরাম


তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের বিধিমালা দ্রুত প্রণয়ন জরুরি: নারী ফোরাম

তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের পর এর বিধিমালা প্রণয়ন দ্রুততার সঙ্গে জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন তামাকবিরোধী নারী ফোরামের সদস্যরা। তারা উল্লেখ করেছেন, আইনের বিধান কার্যকর করার জন্য বিধিমালা প্রণয়ন অপরিহার্য। তাই সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে বিধিমালা প্রণয়নের বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে নারী মৈত্রী আয়োজিত ‘সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন ২০২৬: প্রত্যাশা ও অর্জন’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

সভায় বক্তারা সংসদের প্রথম অধিবেশনেই ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫ (সংশোধিত ২০২৬)’ পাস করায় সরকারকে ধন্যবাদ জানান। তারা একই সঙ্গে সংশোধিত আইনের কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য দ্রুত বিধিমালা প্রণয়নের দাবি জানান।

আরও পড়ুন: সৌদি আরব থেকে ৯ মাসে ২ হাজার মরদেহ, নারী কর্মীরা সন্তানের বাবার পরিচয় জানেন না

সভায় জানানো হয়, বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তামাক ব্যবহারকারী দেশ। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে তামাক ব্যবহারের হার সবচেয়ে বেশি, যা ৩৫ দশমিক ৩ শতাংশ। ভারতে এই হার ২৮ দশমিক ৬ শতাংশ এবং পাকিস্তানে ১৯ দশমিক ১ শতাংশ। গ্লোবাল অ্যাডাল্ট টোব্যাকো সার্ভে (গ্যাটস, ২০১৭)-এর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে বর্তমানে ৩ কোটি ৭৮ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাক ব্যবহার করেন।

টোব্যাকো অ্যাটলাস ২০২৫-এর তথ্য তুলে ধরে সভায় বলা হয়, তামাক ব্যবহারজনিত রোগে বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ২ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। এ ছাড়া কয়েক লাখ মানুষ পঙ্গুত্বের শিকার হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের সাম্প্রতিক গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তামাক খাত থেকে সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে প্রায় ৪১ হাজার কোটি টাকা। অন্যদিকে, তামাক ব্যবহারের কারণে মৃত্যু, স্বাস্থ্য ও পরিবেশের ক্ষতি মিলিয়ে বছরে প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকার অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়। অর্থাৎ তামাক থেকে পাওয়া রাজস্বের তুলনায় এর অর্থনৈতিক ক্ষতি দ্বিগুণেরও বেশি।

এমন বাস্তবতায় গত ১০ এপ্রিল ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫ (সংশোধিত ২০২৬)’ পাস হয়। বক্তারা বলেন, তামাক নিয়ন্ত্রণে সংশোধিত আইন পাস একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তবে আইনের পরবর্তী ধাপ হিসেবে বিধিমালা প্রণয়নেও একই মাত্রার গুরুত্ব ও অগ্রাধিকার দিতে হবে।

নেওয়াজ হালিমা আরলি এমপি বলেন, “বর্তমান সরকার তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে জনস্বাস্থ্যকে রক্ষা করতে বদ্ধপরিকর। সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়নের মাধ্যমে বর্তমান সরকার তার নীতিগত ভিত্তি তৈরি করেছে। এখন এই উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে দ্রুত বিধিমালা প্রণয়ন করা প্রয়োজন। বিধিমালা প্রণয়নের ক্ষেত্রে ইতিমধ্যে একটি কমিটি গঠিত হয়েছে। আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাব, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যেন বিধিমালা প্রণয়নের প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে যায়।”

আরও পড়ুন: দুধের উৎপাদন খরচ ৪৪.৮০ টাকা, বিক্রি ১০০-১১০ টাকায়

ফরিদা ইয়াসমিন এমপি বলেন, “বাংলাদেশ ২০০৩ সালে WHO FCTC-তে স্বাক্ষর করেছে, যা তামাক নিয়ন্ত্রণে বিশ্বের প্রথম আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য চুক্তি। তবে সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে FCTC-এর সব গুরুত্বপূর্ণ দিকের প্রতিফলন এখনও নেই। বিশেষ করে তামাকশিল্পের প্রভাব থেকে জনস্বাস্থ্য নীতি সুরক্ষা, তামাকজাত পণ্যের উপাদান ও নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ, জনসচেতনতা এবং তামাক ছাড়তে সহায়তার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সংশোধিত আইনে প্রতিফলিত হয়নি। তাই বিধিমালা প্রণয়নের সময় FCTC-এর বাধ্যবাধকতা ও বাস্তবায়ন নির্দেশিকাগুলো বিবেচনায় নিয়ে দেশের তামাক নিয়ন্ত্রণ কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করা জরুরি।”

হেলেন জেরিন খান এমপি বলেন, “সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে এখনও কিছু গুরুত্বপূর্ণ সীমাবদ্ধতা রয়ে গেছে। ই-সিগারেট ও হিটেড টোব্যাকোসহ উদীয়মান নিকোটিন ও তামাকজাত পণ্যের নিয়ন্ত্রণ এবং খুচরা শলাকা ও খোলা তামাকজাত পণ্যের বিক্রয় নিয়ন্ত্রণের মতো বিষয়গুলো আইনে যথাযথভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়নি। এসব পণ্য বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে তামাক ও নিকোটিন ব্যবহারের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। একইভাবে খুচরা শলাকা বিক্রির ফলে তামাকজাত পণ্য তরুণদের জন্য সহজলভ্য হয়ে উঠছে। তাই বিধিমালা প্রণয়নের সময় এসব সীমাবদ্ধতা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।”

সেলিনা সুলতানা এমপি বলেন, “সংশোধিত আইনে পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহণে শর্তসাপেক্ষে নির্ধারিত ধূমপান এলাকা রাখার সুযোগ রয়েছে। তামাক কোম্পানিগুলো যাতে বিভিন্ন কূটকৌশল অবলম্বন করে এই সুযোগের অপব্যবহার করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে বিধিমালায় সুস্পষ্ট ও কার্যকর নির্দেশনা থাকতে হবে।”

নারী মৈত্রীর নির্বাহী পরিচালক শাহিন আকতার ডলির সভাপতিত্বে সভায় তামাকবিরোধী মায়েদের ফোরাম, তামাকবিরোধী শিক্ষক ফোরাম, তামাকবিরোধী নারী সাংবাদিক ফোরাম ও তামাকবিরোধী ইয়ুথ ফোরামের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তারা দ্রুত যথাযথ বিধিমালা প্রণয়ন করে তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমকে আরও সুস্পষ্ট ও কার্যকর করার দাবি জানান।

আরও পড়ুন: লিবিয়ার বন্দিশালা থেকে দেশে ফিরছেন ১৭২ বাংলাদেশি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাঝি নেই, রশিই ভরসা; কুমার নদে ১০ গ্রামের মানুষ পার হচ্ছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৩ পি.এম


মাঝি নেই, রশিই ভরসা; কুমার নদে ১০ গ্রামের মানুষ পার হচ্ছেন

ফরিদপুরের সালথায় কুমার নদের উপর একটি সেতুর অভাবের কারণে ১০ গ্রামের মানুষ বছরের পর বছর ধরে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। গট্টি ইউনিয়নের বড়দিয়া ও দিয়াপাড়া এলাকার ঘাটে কোনো মাঝি নেই। নদী পার হতে হলে নৌকার সঙ্গে বাঁধা রশি টেনে মানুষকে নিজেদেরই নৌকা পার করতে হয়।

বিশেষ করে নারী, শিশু, শিক্ষার্থী ও অসুস্থ ব্যক্তিরা বেশি বিপাকে পড়েন। অনেক সময় নারীদের একজন পুরুষের জন্য ঘাটে অপেক্ষা করতে হয়। কুমার নদের পূর্ব পাড়ে বড়দিয়া বাজার, মেহেরদিয়া, নারায়নদিয়া, ছোট লক্ষনদিয়া ও বড় লক্ষনদিয়া এবং পশ্চিম পাড়ে দিয়াপাড়া, রসুলপুর, রঘুয়ারকান্দি, জয়ঝাপ ও বালিয়া গট্টি গ্রামের মানুষ এই ঘাট ব্যবহার করে চলাচল করেন।

দুই পাড়ে একাধিক স্কুল, কলেজ ও মাদরাসা হাসপাতাল রয়েছে। প্রতিদিন এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় নদী পার হতে হয়। বর্ষায় নদীতে ঢেউ ও স্রোত বৃদ্ধি পেলে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। অনেক সময় নৌকা পারাপারের জন্য অপেক্ষা করতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের ক্লাসও মিস হয়ে যায়।

স্থানীয় কলেজছাত্রী তামান্না আক্তার বলেন, “ব্রিজ না থাকায় প্রতিদিন শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে মেয়েদের রশি টেনে নৌকা পার হওয়ার সুযোগ নেই। তাই ঘাটে পুরুষের অপেক্ষায় থাকতে হয়। অনেক সময় সেই অপেক্ষায় ক্লাসও মিস হয়ে যায়। দ্রুত এখানে ব্রিজ নির্মাণ করা না হলে এই দুর্ভোগের কোনো সমাধান হবে না।”

কৃষক আব্দুর রহমান, স্থানীয় বাসিন্দা লূতফর রহমান ও ব্যবসায়ী নজরুল শেখ মন্তব্য করেন, “শত বছর ধরে রশি টেনে নৌকায় ১০ গ্রামের মানুষ নদী পার হচ্ছেন। নদীর দুই পাড়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকায় শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করতে হয়। কৃষকদের ফসল নিয়ে ১০-১৫ কিলোমিটার ঘুরে বাজারে যেতে হয়। একটি ব্রিজ নির্মাণ হলে মানুষের যাতায়াত ও কৃষিপণ্য পরিবহন সহজ হবে, সময় ও খরচ কমবে; পাশাপাশি পুরো এলাকার বেচাকেনা ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হবে।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রতিনিধিদের কাছে সেতু নির্মাণের দাবি জানানো হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তাঁদের দাবি, বড়দিয়া–দিয়াপাড়া এলাকায় কুমার নদের ওপর একটি সেতু নির্মাণ করা হলে ১০ গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান হবে। পাশাপাশি শিক্ষা, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থায়ও পরিবর্তন আসবে।

এ বিষয়ে সালথা উপজেলা প্রকৌশলী আবু জাফর মিয়া জানান, “গট্টি ইউনিয়নের কুমার নদের বড়দিয়া বাজারসংলগ্ন এলাকায় সেতু নির্মাণের জন্য স্থানীয় অনেকেই আমার কাছে দাবি জানিয়েছেন। বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে সেতু নির্মাণের প্রস্তাব পাঠিয়েছি। এ ছাড়া মন্ত্রী মহোদয়ের ডিও লেটারও পেয়েছি। প্রস্তাবটি যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। আশা করছি, এখানে দ্রুত ব্রিজ নির্মাণ করতে পারবো।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নোয়াখালীর হাতিয়ায় আড়াই কেজির বেশি ওজনের রুপালি ইলিশ ১০ হাজার ৪৫০ টাকায় বিক্রি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৩ পি.এম


নোয়াখালীর হাতিয়ায় আড়াই কেজির বেশি ওজনের রুপালি ইলিশ ১০ হাজার ৪৫০ টাকায় বিক্রি

নোয়াখালীর হাতিয়ার বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে একটি বড় আকারের রুপালি ইলিশ, যার ওজন ২ কেজি ৬০০ গ্রাম।

মাছটি রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের নামার বাজার ঘাটে নিলামে ১০ হাজার ৪৫০ টাকায় বিক্রি হয়। স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. আলতাফ হোসেন মাছটি ক্রয় করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের জেলে মো. রাজিব হোসেন ছয়জন মাঝিমাল্লা নিয়ে একটি ছোট ট্রলারে করে কবিরার চরের কাছে বঙ্গোপসাগরে ইলিশ শিকারে যান। অন্যান্য ইলিশের সঙ্গে তাঁদের জালে ধরা পড়ে এই বড় আকারের মাছটি।

পরে রোববার সকালে মাছটি নামার বাজার ঘাটে নিয়ে আসা হলে এটি দেখতে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের ভিড় জমে যায়। বড় আকারের ইলিশটি নিলামে তোলা হলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা দর হাঁকাতে শুরু করেন। একপর্যায়ে মাছটির দাম ১০ হাজার ৪৫০ টাকা ওঠে। পরে ব্যবসায়ী মো. আলতাফ হোসেন সর্বোচ্চ দর দিয়ে মাছটি কিনে নেন।

এনায়েত মৎস্য আড়তের মালিক এনায়েত হোসেন বলেন, সকালে জেলেরা মাছটি ঘাটে নিয়ে আসেন। এত বড় ইলিশ দেখে আড়তে থাকা ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়। নিলামে মাছটির দাম ১০ হাজার ৪৫০ টাকা ওঠে। পরে স্থানীয় ব্যবসায়ী আলতাফ হোসেন মাছটি কিনে নেন।

স্থানীয় এক জেলে জানান, আমরা ছয়জন মাঝিমাল্লা নিয়ে সাগরে মাছ ধরতে যাই। অন্যান্য ইলিশের সঙ্গে জালে বড় এই মাছটি ধরা পড়ে। এত বড় ইলিশ পাওয়ায় আমরা সবাই আনন্দিত। ভালো দাম পাওয়ায় আমাদেরও ভালো লেগেছে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ বলেন, ইলিশ বাংলাদেশের জাতীয় মাছ। সাগরে বড় আকারের ইলিশ ধরা পড়া স্বাভাবিক। তবে ইলিশের উৎপাদন ও প্রজনন বাড়াতে সরকার নির্ধারিত সময়ে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা মেনে চলা এবং জাটকা সংরক্ষণ করা জরুরি। মৎস্যসম্পদ রক্ষায় জেলেসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন হতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিএমপি’র ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ২,৪৪৯টি মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৪ পি.এম


ডিএমপি’র ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ২,৪৪৯টি মামলা

ঢাকা, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে শনিবার ট্রাফিক আইন কার্যকর করার উদ্দেশ্যে পৃথক অভিযান পরিচালনা করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ ২,৪৪৯টি মামলা দায়ের করেছে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে।

ডিএমপি’র ট্রাফিক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, রমনা ট্রাফিক বিভাগ ৬৬টি মামলা দায়ের করেছে। এই মামলাগুলোর মধ্যে চারটি বাস, একটি ট্রাক, নয়টি সিএনজিচালিত অটোরিকশা এবং ১৬টি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে মামলা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

লালবাগ ট্রাফিক বিভাগ ১০০টি মামলা দায়ের করেছে, যার মধ্যে তিনটি বাস, চারটি ট্রাক, একটি কাভার্ড ভ্যান, পাঁচটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা এবং ৭৪টি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মতিঝিল ট্রাফিক বিভাগ ২৮৫টি মামলা দায়ের করেছে। এই মামলার তালিকায় ১৩টি বাস, একটি ট্রাক, ২৩টি কাভার্ড ভ্যান, ৫৯টি সিএনজিচালিত অটোরিকশা এবং ১৫৩টি মোটরসাইকেল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ওয়ারী ট্রাফিক বিভাগ ৩০৫টি মামলা দায়ের করেছে, যার মধ্যে ১২টি বাস, ১৮টি ট্রাক, ২৮টি কাভার্ড ভ্যান, ৪৭টি সিএনজিচালিত অটোরিকশা এবং ১২০টি মোটরসাইকেল রয়েছে।

এদিকে, তেজগাঁও ট্রাফিক বিভাগ ১২৯টি মামলা দায়ের করেছে। এই মামলাগুলোর মধ্যে ছয়টি বাস, একটি ট্রাক, আটটি কাভার্ড ভ্যান, ২১টি সিএনজিচালিত অটোরিকশা এবং ৪৫টি মোটরসাইকেল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

মিরপুর ট্রাফিক বিভাগ ১৮টি বাস, ২৭টি ট্রাক, ৫২টি কাভার্ড ভ্যান, ৫৩টি সিএনজিচালিত অটোরিকশা এবং ১৮৮টি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে মোট ৪৭৬টি মামলা দায়ের করেছে।

তবে, উত্তরা ট্রাফিক বিভাগ সবচেয়ে বেশি মামলা দায়ের করেছে। উত্তরা ট্রাফিক বিভাগের দায়ের করা মামলার সংখ্যা ৬৭০টি, যার মধ্যে ৬২টি বাস, ১২টি ট্রাক, ১৪টি কাভার্ড ভ্যান, ৯৬টি সিএনজিচালিত অটোরিকশা এবং ২৬০টি মোটরসাইকেল রয়েছে।

একইসঙ্গে, গুলশান ট্রাফিক বিভাগ ৪১৮টি মামলা দায়ের করেছে; এর মধ্যে ৭১টি বাস, ছয়টি ট্রাক, ১৪টি কাভার্ড ভ্যান, ৫০টি সিএনজি-চালিত অটোরিকশা এবং ১১৯টি মোটরসাইকেল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ডিএমপি জানায়, এই অভিযান চলাকালে মোট ৪৯১টি যানবাহন ডাম্পিং স্টেশনে পাঠানো হয়েছে এবং ৩৮২টি যানবাহনকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগ জানায়, ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিজয়নগরে পূর্ববিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২০ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:০৪ পি.এম


বিজয়নগরে পূর্ববিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২০ জন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে পূর্ববিরোধের কারণে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। এই সংঘর্ষের ঘটনা শুরু হয় গত (২৬ সেপ্টেম্বর) শনিবার সকালে। উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আক্তার ও বকুল গ্রুপের সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে আবারও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে উভয় পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী চলা এই সংঘর্ষে বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগও উঠেছে। দেশীয় অস্ত্র হাতে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

জানা যায়, গত শনিবার স্থানীয় বাজারে আক্তার গ্রুপের এনাম ও বকুল গ্রুপের রুবেলের মধ্যে কথাকাটাকাটির জেরে প্রথমে সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে। পরে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় উভয় পক্ষের ঘরবাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার পর রোববার সকাল সাতটা থেকে আবারও সংঘর্ষ শুরু হয়। সকাল দশটা পর্যন্ত প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ চলতে থাকে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার খবর পেয়ে বিজয়নগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়। এ সময় স্থানীয় ও উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরাও ঘটনাস্থলে এসে দুই পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ জানান, পূর্ববিরোধের কারণে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এলাকার পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%