বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:১৭ পি.এম
শেরপুর জেলা সদর উপজেলায় বিদ্যমান বিএসআইসি, বিএডিসি এবং খুচরা সার বিক্রেতা ও ডিলারদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরপুর জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ্ ফরিদা ইয়াসমিন। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শাকিল আহমেদ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (শেরপুর সদর) মিজ আসমা বিনতে রফিক, শেরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি কাকন রেজা এবং অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিগণ।
সভায় কৃষকদের মধ্যে সারের সুষ্ঠু ও ন্যায্য মূল্যে সরবরাহ নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। এছাড়া, সার বিতরণে স্বচ্ছতা বজায় রাখার পাশাপাশি সারের সঠিক সাপ্লাই চেইন পালন এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
কৃষকের স্বার্থ সংরক্ষণ ও কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের জন্য আহ্বান জানানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন মন্তব্য করেছেন যে, রুমিন ফারহানার মধ্যে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী হাসিনার ছায়া দেখা যায়। তিনি বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে এই মন্তব্য করেন।
ফেসবুক পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো: "রুমিন ফারহানা আপার মধ্যে শেখ হাসিনার ছায়া দেখা যায়! যখন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসাইনের ফেসবুক পোস্ট আর রুমিন ফারহানা আপার ফেসবুক পোস্টের মধ্যে কোন পার্থক্য থাকে না, তখন বলতেই হয়, জাতীয় সংসদে আওয়ামীলীগের একমাত্র যোগ্য প্রতিনিধি রুমিন ফারহানা আপা! হয়তো এই পারফরম্যান্স দেখে রুমিন ফারহানা আপাকে আ.লীগের বাংলাদেশ শাখার সভানেত্রী হিসেবেও দায়িত্ব দিতে পারে শেখ হাসিনা।"
তিনি উল্লেখ করেছেন যে, গতকাল তার বক্তব্য তার পূর্ববর্তী বক্তব্যের সাথে সাংঘর্ষিক। ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনে নমিনেশন পাওয়ার আগে এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির পক্ষ থেকে সংরক্ষিত নারী এমপি হয়ে সংসদে আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে দেওয়া বক্তব্যের ফটোকপি গতকাল বিএনপির বিরুদ্ধে উত্থাপন করেছেন রুমিন ফারহানা আপা।
এছাড়া, জামায়াতের আমির তাকে বেশ উৎসাহ দিয়েছেন। তবে তিনি কি ভুলে গেছেন যে, কিছুদিন আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদের বক্তব্যের সময় জামায়াতের ৯০ জন এমপি কিভাবে হট্টগোল করছিলো? নিজেদের সংস্কৃতির সূচনা করা সেই ধরনের সংস্কৃতির বিরুদ্ধে কথা বলা তো বেমানান!
অন্যদিকে, জামায়াতের এমপি শফিকুল ইসলাম মাসুদ ২০০১-২০০৬ পর্যন্ত বিএনপি সরকারের সমালোচনা করতে গিয়ে মূলত থুতু উপরের দিকে ফেলে নিজের গায়েই মাখলেন এবং স্মরণ করিয়ে দিলেন যে ঐ সরকারের কৃষিমন্ত্রী ছিলেন মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, আর সেটি ছিলো বিএনপি-জামায়াতের জোট সরকার। পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, জাতীয় সংসদে জামায়াত এমপি শফিকুল ইসলাম মাসুদ, হাসনাত আব্দুল্লাহ ও স্বতন্ত্র এমপি রুমিন ফারহানারা সবাই আওয়ামী বয়ানের পক্ষে বেঁধেছে জোট!
কিন্তু জাতি কি ভুলে গেছে, জাতীয় নির্বাচনের আগে রুমিন ফারহানা আপা হাসনাত আব্দুল্লাহকে ফকিন্নির বাচ্চা বলে সম্বোধন করেছিলো?
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভোলার মেঘনা নদীর ভাঙনকবলিত অংশ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে হাইকোর্ট একটি রুল জারি করেছে। একই সঙ্গে, নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গতকাল বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান এবং বিচারপতি ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রিট আবেদনের শুনানি শেষে রুলসহ এ আদেশ প্রদান করেন।
আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন রিটকারী আইনজীবী ও ভোলার দৌলতখান উপজেলার বাসিন্দা অ্যাডভোকেট মহিবুল্লাহ খোকন।
শুনানি শেষে অ্যাডভোকেট মহিবুল্লাহ খোকন মন্তব্য করেন, "ভোলা একটি গ্যাসে পরিপূর্ণ জেলা। সেখানে প্রায় ২২ লাখ মানুষের বসবাস। এটি সম্পূর্ণ নদীবেষ্টিত এলাকা। বর্তমানে সেখানে হাজার হাজার ড্রেজার বসিয়ে ভোলার মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। আমি ওই জেলার একজন সচেতন বাসিন্দা ও আইনজীবী হয়ে চুপ করে বসে থাকতে পারি না।"
তিনি আরও বলেন, "অবাধে বালু উত্তোলনের কারণে তীব্র নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। তাই পরিবেশ ও জনস্বার্থে আমি এ বিষয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করি। সেই রিট আবেদনের শুনানি শেষে উচ্চ আদালতের যৌথ বেঞ্চ আজ রুলসহ এই নির্দেশনামূলক আদেশ দেন।"
রিট আবেদনকারী জানান, ভোলা সদর উপজেলার কাচিয়া মৌজায় মেঘনা নদীর তীরে প্রায় ৩৯ দশমিক ৪৯ একর জমিতে অবস্থিত 'মেঘনা বালুমহাল-৩ ও ৪' ইজারা দেওয়ার আদেশের বিরুদ্ধে এবং এর ভিত্তিতে ওয়ার্ক অর্ডার ইস্যু, চুক্তি সম্পাদনসহ গৃহীত সব কার্যক্রম বাতিল ও স্থগিতের দাবিতে এই রিট দায়ের করা হয়।
রিট আবেদনে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান, বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার, ভোলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জেলার মনপুরা উপজেলা বাদে সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ভোলা সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি), ওয়াদুদ এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী জামিল হোসেন ওয়াদুদ এবং মহিষা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ শহীদসহ মোট ১৫ জনকে বিবাদী (রেসপনডেন্ট) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
উচ্চ আদালতের আদেশে ভোলা সদর উপজেলার মেঘনা নদীর তীরে অবস্থিত আলোচিত মেঘনা বালুমহাল দুটি থেকে অবিলম্বে সব ধরনের বালু উত্তোলন বন্ধের কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
এছাড়া ৩ ও ৪ নম্বর বিবাদীকে (বিআইডব্লিউটিএ এবং বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার) একটি বিশেষ কমিটি গঠন করে মেঘনা নদীর সঠিক হাইড্রোগ্রাফিক জরিপ পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জরিপের মাধ্যমে বালুমহাল গেজেট থেকে অস্তিত্বহীন 'মেঘনা বালুমহাল-৩ ও ৪' স্থায়ীভাবে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং আগামী ৯০ দিনের মধ্যে এ সংক্রান্ত স্ট্যাটাস রিপোর্ট আদালতে জমা দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে, তীব্র নদীভাঙন থেকে ভোলা জেলাকে রক্ষা করতে নদী থেকে সব ধরনের ড্রেজার ও যন্ত্রপাতি অবিলম্বে অপসারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিয়োজিত করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডেঙ্গু প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজের উদ্যোগে একটি সচেতনতামূলক র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজের প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে র্যালিটি শুরু হয়। র্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবার একই স্থানে এসে শেষ হয়।
র্যালিতে অংশগ্রহণ করেন পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মো. জিয়াউল করিম, অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এ সময় ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়।
সমাবেশে চিকিৎসকরা উল্লেখ করেন, "ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।" তারা বলেন, যদি জনসাধারণ নিজ নিজ বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখে, কোথাও জমে থাকা পানি জমতে না দেয় এবং ঘুমানোর সময় মশারির ব্যবহার নিশ্চিত করে, তবে এই মশাবাহিত রোগ থেকে সুরক্ষিত থাকা সম্ভব।
আয়োজকরা জানান, এ কর্মসূচির আওতায় পরবর্তী দুই দিন পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি পালিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের রাউজানে সাধারণ যাত্রীরা চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন, কারণ বেপরোয়া চাঁদের গাড়ির (জিপ) চলাচল বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতিদিন এই চাঁদের গাড়িগুলো বেপরোয়া গতিতে চলাচল করে, যার ফলে স্কুল, কলেজ এবং মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে থাকেন। স্থানীয়দের মুখে এখন একটি প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে- চাঁদের গাড়ির এই দাপট বন্ধ করবে কে?
সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখা গেছে, রাউজানের ব্যস্ততম হাফেজ বজলুর রহমান সড়ক, শহীদ জাফর সড়ক, নোয়াপাড়া সেকশন-১ ও ২ সড়ক, মাওলানা দোস্ত মো. সড়ক, অদুদিয়া সড়ক, হযরত এয়াছিনশাহ সড়ক, বাগোয়ানের বিভিন্ন উপ-সড়ক, নোয়াপাড়া, উরকিরচর, চিকদাইর, নোয়াজিষপুর, কদলপুর, পাহাড়তলী, ডাবুয়া, হলদিয়া, বিনাজুরি, বাগোয়ান, পূর্ব গুজরা, পশ্চিম গুজরা, পৌর এলাকা, কাপ্তাই সড়ক, রাঙ্গামাটি সড়ক এবং হলদিয়া ভিলেজ সড়কসহ গ্রামীণ সড়কগুলোতে চাঁদের গাড়ির দাপট দিন দিন বাড়ছে।
প্রতিটি সড়কে অদক্ষ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক চালকদের বেপরোয়া গতির কারণে পথচারীরা আতঙ্কিত হয়ে থাকেন। বিশেষ করে নম্বরহীন চাঁদের গাড়িগুলো বালি, ইটসহ বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রী পরিবহন করছে। ভোর ৫টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত সড়কজুড়ে এসব চাঁদের গাড়ির মধ্যে প্রতিযোগিতা চলে। সকালে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সময় চাঁদের গাড়ির বেপরোয়া গতির কারণে তারা সবচেয়ে বেশি আতঙ্কিত হন।
নথি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর বেপরোয়া গতির চাঁদের গাড়ির ধাক্কায় এয়াছিনশাহ সড়কের ফকিরটিলা এয়াছিন্নগর আদর্শ স্কুলের সামনে প্রাণ হারান এয়াছিনশাহ কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র মো. জাবেদ। এর দুবছর আগে একই সড়কে স্বাস্থ্যসেবা ফাউন্ডেশনের সামনে চাঁদের গাড়ির ধাক্কায় প্রাণ হারান এক ফার্নিচার মিস্ত্রি। প্রতিদিন এসব বেপরোয়া গতির গাড়ির ধাক্কায় বহু মানুষ আহত হচ্ছেন। অনেকেই আমৃত্যু পঙ্গুত্ববরণসহ নানাবিধ শারীরিক জটিলতায় শয্যাশায়ী হয়ে পরিবারের বোঝা হয়ে পড়ছেন এবং তুচ্ছতাচ্ছিল্যের শিকার হচ্ছেন। অনেকের উপার্জনের পথ হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়তে হচ্ছে, চিকিৎসায় সহায় সম্বল হারিয়ে পরিবারের ভরণপোষণের জন্য সমাজের দ্বারে দ্বারে ধর্না দিতে হচ্ছে। এমনকি চাঁদের গাড়ির ধাক্কা থেকে রক্ষা পাচ্ছে না গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগিসহ বিভিন্ন গৃহপালিত প্রাণীও।
এদিকে গত ৮ সেপ্টেম্বর সকালে নিজ বাড়ি থেকে ভিলেজ সড়ক হয়ে মোটরবাইক নিয়ে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন গর্জনিয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসার এবতেদায়ী শাখার প্রধান মাওলানা মুহাম্মদ দিদারুল আলম। বিপরীত দিক থেকে বেপরোয়া গতিতে আসা একটি চাঁদের গাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ থেকে অলৌকিকভাবে প্রাণে রক্ষা পান তিনি। তিনি বলেন, "ট্রাক ও জিপ গাড়ির অদক্ষ চালকদের গাড়ি চালানোর সময় এক হাতে মোবাইল ফোনে কথা বলতে দেখা যায়। এতেই ঘটে যায় মারাত্মক দুর্ঘটনা।"
আজ ১০ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) দুপুরে নম্বরবিহীন এসব চাঁদের গাড়ির বিষয়ে জানতে চাইলে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, লেখক ও গবেষক এবং রাউজান এয়াছিনশাহ কলেজের সহকারী অধ্যাপক ড. বিকিরণ বড়ুয়া বলেন, "একটি দুর্ঘটনা পরিবার, সমাজ, দেশ ও সমগ্র জাতির জন্য এক বিশাল ক্ষতি।" তিনি আরও জানান, "এগুলো অবৈধ গাড়ির লাইসেন্স, চালকের লাইসেন্স ও রোড পারমিটের বিষয়গুলো দেখভাল করার দায়িত্ব সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের। কিন্তু আমাদের দেশে আইন বা আইনের ধারাগুলো গেজেটেই সীমাবদ্ধ, প্রয়োগ নেই বললেই চলে।"
অধ্যাপক ড. বিকিরণ বড়ুয়া বলেন, "অর্থ উপার্জনের জন্য অবৈধ গাড়িগুলো সড়কে চলাচল করলেও তা রোধে সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে কঠোরভাবে এগিয়ে আসতে হবে। অন্যথায় দুর্ঘটনা ঘটতেই থাকবে এবং তরতাজা প্রাণ ঝরতে থাকবে।" তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আমাদের প্রতিটি বিভাগে তদারকির অভাব রয়েছে। এটি পূরণ করতে হলে শতভাগ সততার পাশাপাশি দেশপ্রেম লাগবে। একটি তাজা প্রাণ ঝরে যাওয়া মানে দেশের সম্পদ ঝরে যাওয়া, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।"
তিনি উল্লেখ করেন, "মেয়াদউত্তীর্ণ এসব চাঁদের গাড়ি ৭০ বা ৮০-র দশকের। এখন এগুলোর সড়কে চলার বৈধ রোড পারমিট আছে বলে আমি মনে করি না। তাই এগুলো সড়ক থেকে উচ্ছেদ করা দরকার এবং দুর্ঘটনা রোধে এসব যান বন্ধ করা এখন সময়ের দাবি।"
নম্বরবিহীন ও ফিটনেসবিহীন এসব চাঁদের গাড়ির বিরুদ্ধে অবিলম্বে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকার ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ