ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

কুয়েত ও পাকিস্তানের মধ্যে যৌথ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি সই


কুয়েত ও পাকিস্তানের মধ্যে যৌথ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি সই

কুয়েত ও পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে যৌথ প্রতিরক্ষা ও সামরিক সহযোগিতা চুক্তি সই করেছে। 

পাকিস্তান সফররত কুয়েতের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সামরিক সমন্বয় জোরদার, পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রস্তুতি ও সক্ষমতার মাত্রা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: বিশ্ববাসী একদিন বাংলাদেশের উদাহরণ দেবে

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভাষ্য, চুক্তির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে অপারেশনাল সমন্বয় জোরদার, সামরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রস্তুতি ও পারস্পরিক সক্ষমতার মাত্রা বাড়ানো।

এছাড়া প্রতিরক্ষা ও সামরিক ক্ষেত্রে দুই দেশের প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে পাকিস্তান ও কুয়েত। পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিরক্ষা সহযোগিতার পরিধি আরও বিস্তৃত করার বিষয়েও দুই পক্ষ সম্মত হয়েছে।

বাড়ছে পাকিস্তানের উপসাগরীয় প্রতিরক্ষা সহযোগিতা
কুয়েতের সঙ্গে নতুন এই চুক্তি পাকিস্তানের উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে সামরিক ও প্রতিরক্ষা সম্পর্ক জোরদারের ধারাবাহিকতায় গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এর আগে চলতি মাসেই পাকিস্তান সৌদি আরব ও তুরস্কের সঙ্গে একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করেছে। ফলে অল্প সময়ের ব্যবধানে সৌদি আরব, তুরস্ক ও কুয়েতের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও আনুষ্ঠানিক ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেল।

আরও পড়ুন: ভ্যান্সকে গালিবাফের খোঁচা: বসকে এসব বলছেন না কেন?

পাকিস্তানের সঙ্গে উপসাগরীয় দেশগুলোর দীর্ঘদিনের সামরিক সম্পর্ক রয়েছে। প্রশিক্ষণ, সামরিক শিক্ষা, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেশগুলোর মধ্যে যোগাযোগ রয়েছে।

নতুন চুক্তির ফলে এসব সহযোগিতা আরও কাঠামোবদ্ধ হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

সামরিক প্রস্তুতি ও সমন্বয়ে গুরুত্ব
চুক্তিতে বিশেষভাবে সামরিক বাহিনীর প্রস্তুতি, সমন্বয় ও পারস্পরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর আওতায় দুই দেশের সামরিক বাহিনী নিজেদের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা বিনিময়ের সুযোগ পাবে।

আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির পরিবর্তনের মধ্যে এ ধরনের সহযোগিতা দুই দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতেও ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে সামরিক বাহিনীর মধ্যে সমন্বিত কার্যক্রম পরিচালনা, প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে পারস্পরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে।

আরও পড়ুন: শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী ধারণায় অর্থায়ন করবে সরকার: মাহদী আমিন

পাকিস্তান ও কুয়েত উভয় পক্ষই জানিয়েছে, তারা দুই দেশের প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায় এবং পারস্পরিকভাবে লাভজনক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো সম্প্রসারণে আগ্রহী।

এর ফলে শুধু সামরিক পর্যায়েই নয়, দুই দেশের সামগ্রিক কৌশলগত সম্পর্কও আরও ঘনিষ্ঠ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সূত্র: আল-জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৪০ হাজার মানুষের জন্য এক পাতিলে রান্না ১০১ মণ চালের তবারক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫২ পি.এম


৪০ হাজার মানুষের জন্য এক পাতিলে রান্না ১০১ মণ চালের তবারক

একটি বিশাল আকৃতির পাতিলের মধ্যে রান্না করা হচ্ছে ১০১ মণ চালের তবারক।

 

মানিকগঞ্জের ঘিওরে হাজারো মানুষ ভিড় করেছেন এই ব্যতিক্রমী আয়োজন দেখতে। প্রায় ৪০ হাজার ভক্ত-আশেকানের জন্য একসঙ্গে চাল, ডাল ও সবজি দিয়ে রান্না করা হয়েছে এই তবারক।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) উপজেলার জাবরা ইমামবাড়ি দরবার শরিফের ১০৬তম ওরস মাহফিল উপলক্ষে এই আয়োজনের ব্যবস্থা করা হয়। প্রধান বাবুর্চিসহ ৩০ জন মিলে প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা ধরে তবারক রান্নার কাজ সম্পন্ন করেন।

 

দুপুরের পর থেকে আগত ভক্ত-আশেকান ও দর্শনার্থীদের মধ্যে তবারক বিতরণ শুরু হয়।

দরবারের দায়িত্বপ্রাপ্ত পীর সাহেব মাওলানা আবুল কালাম আল চিশতি জানান, প্রায় নয় বছর আগে নাটোরে এক ভক্তের বাড়িতে অবস্থানকালে রাতে স্বপ্নে এ ধরনের একটি পাতিলে তবারক রান্নার বিষয়টি তাঁর মনে আসে। পরে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ নিয়ে দুই মিস্ত্রির মাধ্যমে প্রায় চার মাস ধরে পাতিলটি তৈরি করা হয়। এরপর ভারতের আজমীর শরিফের খাদেমের ফর্মুলা ও অনুমতি নিয়ে এতে তবারক রান্না শুরু করা হয়।

 

তিনি আরও বলেন, পাতিলটি স্টেইনলেস স্টিল (এসএস) দিয়ে তৈরি করতে প্রায় সাত লাখ টাকা খরচ হয়েছে। পরে ১২ হাজার ইট দিয়ে এর জন্য বিশেষ একটি বিশাল চুলা নির্মাণ করা হয়। চুলার এক পাশে সুড়ঙ্গ করে জ্বালানি দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। বছরে মূলত দুইবার এ পাতিলে তবারক রান্না করা হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজারো মানুষ রোগমুক্তি ও মনের আশা পূরণের আশায় এ তবারক গ্রহণ করেন।

 

এ আয়োজনের খরচ মূলত ভক্তরাই বহন করেন।

প্রধান বাবুর্চি সাইফুল ইসলাম বলেন, পীর সাহেবের নির্দেশনায় তিনি রান্নার কাজ করেন। এবারের পাতিলে ৩৬ মণ চাল, ২০ মণ সবজি, ছয় মণ ডাল, আট মণ ঘি, দুই বস্তা লবণ ও প্রয়োজনীয় মসলা দেওয়া হয়েছে। পাতিলের মাঝখানে মোটরের সাহায্যে চাল, ডালসহ উপকরণ মেশানোর ব্যবস্থা রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, একসঙ্গে এত পরিমাণ চাল ও ডাল দিয়ে খিচুড়ি রান্নার জন্য ব্যবহৃত এ পাতিলে দেশের সবচেয়ে বড় রান্নার ড্যাগ।

দরবারে আসা কয়েকজন নারী ভক্ত জানান, তাঁদের সন্তান হচ্ছিল না। পরে এ বিশাল পাতিলে রান্না করা তবারক খাওয়ার পর তাঁরা সন্তান লাভ করেছেন। তাঁদের মতো আরো অনেকে তবারক খেয়ে রোগমুক্তি ও মনের আশা পূরণের কথা জানিয়েছেন।

ভক্তরা জানান, সন্তান লাভ, মনের আশা পূরণ ও বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তির আশায় অনেকে এ তবারক গ্রহণ করতে আসেন।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘ভারতও পার পাবে না’, প্রতিবেশীকে সতর্ক করে নেপালের বার্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫৪ পি.এম


‘ভারতও পার পাবে না’, প্রতিবেশীকে সতর্ক করে নেপালের বার্তা

নেপাল থেকে ভারতকে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেশী দেশটির পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটময় হয়ে উঠেছে। নেপালে হিমালয়ের রুদ্ররোষের কারণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। শত শত মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে এই ছোট্ট দেশটিতে, যা পাহাড়ের কোলে অবস্থিত।

নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল ভারতকে সতর্ক করে বলেছেন, পরিস্থিতি যদি এভাবে চলতে থাকে, তাহলে ভারতও নেপালের মতো বিপর্যয়ের সম্মুখীন হবে। ভারত ও নেপালের মধ্যে ঐতিহাসিক সম্পর্ক বরাবরই সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনে বাঁধা ছিল। তবে, এখন পরিবেশগত বিষয় নিয়ে চিন্তা করার সময় এসেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে শিশির বলেন, ‘ভারত ও নেপালের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। এই সম্পর্ককে আমরা বরাবরই আত্মিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধন দিয়ে ব্যাখ্যা করে এসেছি। আমাদের ধর্মীয় ও সভ্যতার মেলবন্ধন অবশ্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু বর্তমান সময়ের প্রেক্ষিতে দুই দেশের সম্পর্ককে পরিবেশগত সুরক্ষার নিরিখে নতুনভাবে পর্যবেক্ষণ করা জরুরি।’

তিনি আরও বলেন, ‘হিমালয় গললে সমুদ্রে পানিস্তর বাড়বেই।

 

বুধবার ভয়াবহ এই ঘটনা আমাদের সামনে ঘটেছে। আচমকা পানিস্তর বেড়ে গিয়ে নেপালের একের পর এক এলাকা ধ্বংস হয়ে গেছে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে একাধিক শহর ভেসে গেছে।’

নেপালের এই পরিস্থিতি ভারতের জন্যও একটি অশনি সংকেত। পরিবেশগতভাবে চীন, নেপাল, ভারত এবং ভুটান একে অপরের সঙ্গে যুক্ত।

 

শিশির খানাল যোগ করেন, আমাদের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে আগামী দিনে হিমালয়ের পরিবেশ বাঁচিয়ে রাখার ওপরে।

তিনি মনে করিয়ে দেন, হড়পা বান এবার সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করেনি। তবে ভবিষ্যতে ভারতেও এমন বিপর্যয় ঘটতে পারে। তাই জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিষয়গুলো মাথায় রেখে শত্রুতা ভুলে সব দেশের সচেতন হওয়া উচিত।

এদিকে, নেপালে এই বিপর্যয়ে স্থানীয় নাগরিকদের পাশাপাশি ভারতীয়রাও সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বিপর্যয়ে এখন পর্যন্ত ২৮৮ জন ভারতীয় নিখোঁজ রয়েছে। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে একাধিক ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে মানুষ নেপাল গিয়েছিলেন। সেখান থেকে নেওয়া তথ্য ও নেপালে কর্মরতদের মধ্যে মোট ২৮৮ জন ভারতীয় এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। তিব্বতে উদ্ধারের অপেক্ষায় রয়েছেন ২০০ জন। জয়সওয়াল এটাও জানান, যেটুকু তথ্য পাওয়া গিয়েছে তা প্রাথমিক। বাস্তবে সংখ্যাটা আরো বেশি হতে পারে।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘১৭ বছরের জঞ্জাল পরিষ্কার করে প্রশাসন পুনর্গঠনে সময় প্রয়োজন’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫৭ পি.এম


‘১৭ বছরের জঞ্জাল পরিষ্কার করে প্রশাসন পুনর্গঠনে সময় প্রয়োজন’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান মন্তব্য করেছেন যে, বর্তমান সরকারের কার্যক্রম শুরু হয়েছে ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও অগোছালো প্রশাসনিক কাঠামোর মধ্যে। তিনি উল্লেখ করেন, "গত ১৭ বছরের জঞ্জাল পরিষ্কার করে প্রশাসনকে পুনর্গঠন করতে কিছুটা সময় প্রয়োজন।"

এজন্য তিনি দেশবাসীকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান মরহুম কাজী জাফর আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় এসব কথা বলেন। স্মরণসভাটি আয়োজন করে জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর অংশ)।

নজরুল ইসলাম খান আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তেজগাঁওয়ের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে না বসে সচিবালয়ে অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে একই ভবনে একটি ছোট অফিসে বসছেন।

এতে সচিবদের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে তেজগাঁওয়ে যেতে হচ্ছে না। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী প্রতিদিন সকাল ৯টার মধ্যে অফিসে পৌঁছে যাচ্ছেন। ফলে সচিবালয়ের পিয়ন থেকে শুরু করে সচিব পর্যন্ত সবাই এখন সময়মতো অফিসে উপস্থিত হচ্ছেন। মাঝে মাঝে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন অফিসেও আকস্মিকভাবে ঢুকে পড়ছেন।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, "১৭ বছরে দেশের প্রশাসনকে ধ্বংস ও পলিউটেড করে ফেলা হয়েছে।" তিনি উল্লেখ করেন যে, দলীয় ও আঞ্চলিক বিবেচনায় অযোগ্যদের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হয়েছে এবং যোগ্যদের বিদায় করা হয়েছে। এই প্রশাসনকে পুনর্গঠনের কাজ চলছে।

প্রধানমন্ত্রী এই উপদেষ্টা বলেন, দেশের সমস্যা সমাধানে সরকার সব রাজনৈতিক দল, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবীদের কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট পরামর্শ নিতে আগ্রহী। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যে জামায়াত, এনসিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কাছে দেশ পুনর্গঠনে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব চেয়েছেন।

তিনি বলেন, সরকারের মূল লক্ষ্য জনদুর্ভোগ কমানো এবং সমস্যার সমাধান করা। রাজনৈতিক উসকানি বা প্ররোচনার পরিস্থিতিও প্রধানমন্ত্রী শান্তভাবে মোকাবেলা করছেন। জনগণকে সেবা দেওয়ার মানসিকতা এবং পারস্পরিক সহযোগিতা ছাড়া দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেপালে শুটিংয়ে গিয়ে বন্যায় আটকা খরাজ মুখার্জি ও তার স্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:০০ পি.এম


নেপালে শুটিংয়ে গিয়ে বন্যায় আটকা খরাজ মুখার্জি ও তার স্ত্রী

কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেতা খরাজ মুখার্জি এবং তার স্ত্রী প্রতিভা মুখার্জি নেপালে শুটিং করতে গিয়ে ভয়াবহ বন্যার কবলে আটকা পড়েছেন। তবে তাদের ছেলে তমঘ্ন মুখার্জি জানিয়েছেন, দুজনেই নিরাপদে আছেন।

নেপালের পোখারায় একটি সিনেমার শুটিংয়ের উদ্দেশ্যে গিয়েছিলেন খরাজ ও তার স্ত্রী। বন্যার কারণে শুটিং কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। একইসাথে, পোখারা থেকে তাদের ফেরার ফ্লাইটও বিলম্বিত হয়েছে।

 

র এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে খরাজের ছেলে বাবা-মায়ের সাথে কথা বলেছেন। তিনি জানিয়েছেন, দুজনেই নিরাপদে রয়েছেন এবং শুটিংয়ের স্থানটি বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার তুলনায় কিছুটা দূরে অবস্থিত ছিল।

তিনি আরো উল্লেখ করেছেন, খরাজ ও তার স্ত্রী বর্তমানে পোখারা থেকে গোরখপুরের দিকে আসছেন।

 

সেখান থেকে তারা বিমানে কলকাতায় ফেরার পরিকল্পনা করছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে ২৮ আগস্ট তারা কলকাতায় ফিরে আসবেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, খরাজ মুখার্জি, তার স্ত্রী এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা ২০ আগস্ট একটি বাংলাদেশি সিনেমার শুটিং দলের সাথে নেপালে গিয়েছিলেন। ছবিটির শুটিং নেপালের বিভিন্ন স্থানে চলছিল।

বন্যার কারণে শুটিংয়ের কাজ ব্যাহত হয়েছে।

 

একই সিনেমার শুটিংয়ে অংশগ্রহণকারী অভিনেতা রজতাভ দত্তও ছিলেন। তার শুটিং শেষ হয়ে যাওয়ায় তিনি আগেই ফিরে এসেছেন বলে স্থানীয় প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

নেপালের চীন সীমান্তবর্তী এলাকায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সড়ক ও সেতুর ক্ষতির কারণে অনেক স্থানে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হয়েছে। নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযানও চলছে।

এই পরিস্থিতিতে নেপালে অবস্থানরত পর্যটক ও শুটিং দলের সদস্যদের ফেরাতে নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। তবে খরাজ মুখার্জি ও তার স্ত্রী নিরাপদে আছেন—পরিবারের পক্ষ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়ায় ভক্তদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%