ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সাতক্ষীরা-ভেটখালী মহাসড়কের উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করলেন এমপি রবিউল বাশার


সাতক্ষীরা-ভেটখালী মহাসড়কের উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করলেন এমপি রবিউল বাশার

সাতক্ষীরা-ভেটখালী মহাসড়কের চলমান উন্নয়নকাজ পরিদর্শন করেছেন সাতক্ষীরা-৩ (কালিগঞ্জ-আশাশুনি) আসনের সংসদ সদস্য, হাফেজ মুহাদ্দিস রবিউল বাশার। তিনি পরিদর্শনকালে নির্মাণকাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন, সড়কের মাঝখানে থাকা বিদ্যুতের খুঁটি দ্রুত স্থানান্তর করার নির্দেশ দেন এবং জনভোগান্তি কমাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য উপদেশ দেন।

শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে কালিগঞ্জ উপজেলার ফুলতলা মোড়সহ আশপাশের এলাকায় সরেজমিনে পরিদর্শন করেন সংসদ সদস্য। বৃষ্টির মধ্যেও তিনি নির্মাণাধীন মহাসড়কের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

পরিদর্শনের সময় কালিগঞ্জ ফুলতলা মাছের আড়তে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার বিষয়টি তার দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এ সমস্যার সমাধানে তিনি মাছের আড়ত থেকে মহাসড়ক পর্যন্ত একটি ছোট আকারের পানি নিষ্কাশন ড্রেন নির্মাণের পরিকল্পনা দেন। এই বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন।

আরও পড়ুন: মাদারীপুরে খাবারের অভাবে লোকালয়ে ছড়িয়ে পড়ছে বানর, সংখ্যা কমছে

এ সময় তিনি চলমান সড়ক উন্নয়নকাজের কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহের সমস্যার বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন।

সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কালিগঞ্জ জোনাল অফিসের ডিজিএম জাহাঙ্গীর আলম জানান, মহাসড়কের উন্নয়নকাজ এবং কিছু কারিগরি কারণে মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে। তবে এটি ইচ্ছাকৃত নয়। সড়কের কাজ সম্পন্ন হওয়ার আগেই আগামী তিন মাসের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহের বিদ্যমান সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

পরিদর্শন শেষে, সংসদ সদস্য হাফেজ মুহাদ্দিস রবিউল বাশার সংশ্লিষ্ট সব বিভাগকে সমন্বয়ের মাধ্যমে দ্রুত উন্নয়নকাজ সম্পন্ন করতে এবং জনদুর্ভোগ কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা দেন।

আরও পড়ুন: কাঁঠালিয়ায় ৫০ চুল্লিতে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি, জনস্বাস্থ্যে ঝুঁকি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নারীর কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিতের আহ্বান প্রিন্সের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:১৮ পি.এম


স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নারীর কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিতের আহ্বান প্রিন্সের

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নারীর কার্যকর অংশগ্রহণ ও প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক দল, প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন, নাগরিক সমাজ এবং গণমাধ্যমকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।

শনিবার হাঙ্গার প্রজেক্ট ও বিকশিত নারীর উদ্যোগে ‌‌‌‌‌‌‘আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নারীর প্রতিনিধিত্ব, প্রত্যাশা ও করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ময়মনসিংহ নগরীর একটি স্থানীয় রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত এ গোলটেবিল বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিকশিত নারী ময়মনসিংহ জেলা শাখার সভাপতি লুৎফুন্নাহার।

এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, ‌নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ কোনো অনুগ্রহ নয়, এটি তাদের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার। জনগণের সবচেয়ে কাছের প্রতিষ্ঠান স্থানীয় সরকারকে আরও কার্যকর, জবাবদিহিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক করতে নারীর সক্রিয় নেতৃত্ব নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করতে হলে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রতিটি স্তরে নারীর অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। স্থানীয় সরকার জনগণের সবচেয়ে নিকটবর্তী প্রতিষ্ঠান হওয়ায় এখানেই নারীর নেতৃত্ব বিকাশের সবচেয়ে বড় সুযোগ রয়েছে। যোগ্য, সৎ ও জনসম্পৃক্ত নারীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করা রাষ্ট্র ও সমাজের সম্মিলিত দায়িত্ব বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সভায় বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক শেখ আমজাদ আলী, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির আবদুল করিম, কন্যা শিশু অ্যাডভোকেসি ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট শিব্বির আহমেদ লিটন, ময়মনসিংহ মহানগর মহিলা দলের সভানেত্রী ফরিদা পারভীন, সাংবাদিক নিয়ামুল কবীর সজল এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও নারী সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

এ সময় বক্তারা বলেন, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও গণমুখী করতে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নারীরা যাতে ভয় ও প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন, সে জন্য সকলের সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি যোগ্য নারী নেতৃত্ব বিকাশে রাজনৈতিক দলগুলোর কার্যকর ভূমিকা এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহীর নগরবাসীরা আগামী বছরই পাবেন ২০ কোটি লিটার সুপেয় পানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:১৮ পি.এম


রাজশাহীর নগরবাসীরা আগামী বছরই পাবেন ২০ কোটি লিটার সুপেয় পানি

রাজশাহী, দেশের খরাপ্রবণ বরেন্দ্র অঞ্চলের বৃহত্তম শহর, বর্তমানে দ্রুত নগরায়ন ও ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার কারণে সুপেয় পানির তীব্র সংকটে আক্রান্ত হয়ে পড়েছে। নগরীর পানির সরবরাহ অবকাঠামোর সক্ষমতা চাহিদার সঙ্গে তাল মেলাতে অক্ষম হওয়ার ফলে এ সংকটটি ক্রমেই বাড়তে থাকে।

বর্তমানে, রাজশাহী শহরে প্রতিদিন প্রায় ৩ কোটি ৭৫ লাখ লিটার সুপেয় পানির ঘাটতি বিদ্যমান, যা পানি সংকটের ভয়াবহতা তুলে ধরছে। বরেন্দ্র অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তরের চাপ কমাতে এবং নগরবাসীর জন্য টেকসই পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে 'সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট প্রকল্প' চালু করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ অর্থায়নে প্রায় ৪ হাজার ৬২ কোটি ২২ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন এই মেগা প্রকল্পের ভৌত কাজ ইতোমধ্যে ৬৫ শতাংশ সম্পন্ন হয়ে গেছে। প্রকল্পের সার্বিক কাজ শেষ হলে পদ্মা নদীর পানি এনে পরিশোধনের মাধ্যমে প্রতিদিন ২০ কোটি লিটার বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ সম্ভব হবে। এটি ২০৩৫ সালের সম্ভাব্য পানির চাহিদা পূরণে সক্ষম হবে বলেও জানা গেছে।

বর্তমানে, রাজশাহী মহানগর এলাকার মোট পানির চাহিদা প্রায় ১১ লাখ ৩২ হাজার লিটার। ওয়াসা মূলত গভীর নলকূপের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ উৎস থেকে প্রতিদিন ৮ লাখ ৬৫ হাজার লিটার পানি উত্তোলন করছে। এই প্রকল্পটি তিনটি প্রধান ধাপে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রথম ধাপে প্রধান পানির উৎস নিশ্চিত করতে গোদাগাড়ীতে পদ্মা ও মহানন্দা নদীর মিলনস্থলে আধুনিক ইনটেক পয়েন্ট নির্মাণ করা হচ্ছে। সমীক্ষা অনুযায়ী, সেখানে সারা বছর অন্তত ৩০ ফুট গভীরতায় নিরবচ্ছিন্ন পানিপ্রবাহ নিশ্চিত থাকবে।

দ্বিতীয় ধাপে ইনটেক পয়েন্টের পাশে প্রতিদিন ২০ কোটি লিটার পানি পরিশোধন করতে সক্ষম একটি কেন্দ্রীয় প্ল্যান্ট নির্মাণ করা হচ্ছে। তৃতীয় ধাপে পবা উপজেলার হরিপুরে একটি বুস্টার পাম্প প্রকল্প ও বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রধান প্ল্যান্ট থেকে হরিপুর হয়ে নগরী পর্যন্ত ২৬ দশমিক ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ ট্রান্সমিশন পাইপলাইনের কাজ ইতোমধ্যে ২১ কিলোমিটার সম্পন্ন হয়েছে।

গোদাগাড়ী-রাজশাহী মহাসড়কসংলগ্ন এলাকায় পাইপলাইন স্থাপনের কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। নগরীতে ১৬ কিলোমিটার ডিস্ট্রিবিউশন লাইন স্থাপন করা হয়েছে এবং আরও ১০ কিলোমিটার লাইনের নির্মাণকাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

এই প্রকল্পে বিশ্বের প্রসিদ্ধ ফরাসি পানি পরিশোধন প্রযুক্তি এবং চীনের জিংজিয়ান কোম্পানির উন্নতমানের দীর্ঘস্থায়ী পাইপলাইন ব্যবহার করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী এসব পাইপলাইন নির্বাচন করা হয়েছে, যেগুলোর স্থায়িত্বকাল অন্তত ৭০ বছর।

শনিবার (২৫ জুলাই) ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী পারভেজ মামুদ বলেন, ২০৩৫ সালের সম্ভাব্য নাগরিক চাহিদা এবং নগরীর সীমানা সম্প্রসারণকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্ল্যান্টটির নকশা তৈরি করা হয়েছে। ২৬ দশমিক ৫ কিলোমিটারের মধ্যে ২১ কিলোমিটার পাইপলাইনের কাজ সম্পন্ন হওয়া আমাদের জন্য একটি বড় ধরনের সাফল্য যা কোনো সন্দেহ নেই।

প্রকল্পের আওতায় পদ্মা নদী থেকে পানি সংগ্রহ করে তা পরিশোধনের পর পাইপলাইনের মাধ্যমে পবা উপজেলার হরিপুরে স্থাপিত বুস্টার পাম্প স্টেশনে নেওয়া হবে। পরিশোধিত পানি নগরবাসীর মধ্যে সরবরাহ করা হবে। পাশাপাশি, এই প্রকল্পের আওতায় কাটাখালী, নওহাটা ও গোদাগাড়ীর ৩০টি ওয়ার্ডের বাসিন্দারাও নিরাপদ সুপেয় পানি পাবেন।

চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রধান প্রকৌশলী সানচিং বাসস’কে জানান, ভূমি ভরাট ও সমতলকরণের পর মূল সাইটের স্ট্রাকচারাল পাইলিং এবং উপকেন্দ্র নির্মাণের কাজ শেষ হওয়ার পর্যায়ে রয়েছে। তারা নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখার বিষয়েও অঙ্গীকারবদ্ধ।

বিশ্লেষকরা রাজশাহীর পরিবেশ সুরক্ষায় এ মেগা প্রকল্পকে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন। রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবদুল ওয়াকিল বলেন, বরেন্দ্র অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর আশঙ্কাজনকভাবে নিচে নেমে যাচ্ছে। এতে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর শতভাগ নির্ভরশীলতা পরিবেশের জন্য বিপজ্জনক। পদ্মার পানি নগরীতে আনার এ উদ্যোগ রাজশাহীর জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

নাগরিক সংগঠন ‘সুজন’ এর রাজশাহী জেলা সভাপতি সুফিউদ্দিন আহমেদ মনে করেন, বরেন্দ্র অঞ্চলের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে দীর্ঘমেয়াদি ও সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা প্রয়োজন। এদিকে, প্রকল্পটির প্রাথমিক মেয়াদ চার বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে কাজের বর্তমান গতি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ২০২৭ সালের মধ্যে পানি পরিশোধনাগারের শতভাগ নির্মাণকাজ শেষ করে পাইপলাইনের মাধ্যমে নগরবাসীর কাছে বিশুদ্ধ পানি পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেরা গোলের দৌড়ে মেসি-আলভারেজ, সমর্থকদের ভোটে নির্বাচিত হবে বিজয়ী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:১৯ পি.এম


সেরা গোলের দৌড়ে মেসি-আলভারেজ, সমর্থকদের ভোটে নির্বাচিত হবে বিজয়ী

বিশ্বকাপের পর, শিরোপা উঠেছে স্পেনের হাতে। কিন্তু টুর্নামেন্টের রোমাঞ্চ শেষ হয়নি এখনো। এবার বিশ্বকাপের ‘গোল অব দ্য টুর্নামেন্ট’ বেছে নেওয়ার সময় এসেছে। এই লক্ষ্যে ফিফা সেরা ১২টি গোলের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশ করেছে, যেখানে আর্জেন্টিনার দুই তারকা লিওনেল মেসি এবং হুলিয়ান আলভারেজ জায়গা পেয়েছেন।

ফিফার ঘোষণার মতে, বিশ্বের সমস্ত ফুটবলপ্রেমীদের ভোটেই নির্ধারিত হবে আসরের সেরা গোল। সমর্থকেরা আগামী ২৭ জুলাই পর্যন্ত নিজেদের পছন্দের গোলের পক্ষে ভোট দিতে পারবেন।

এ বিষয়টি উল্লেখযোগ্য যে, ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপের ৪৮ দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হলো। অতিরিক্ত সময়ের নাটকীয় লড়াই শেষে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন। পুরো টুর্নামেন্টে ১০৪ ম্যাচে মোট ৩০৮টি গোল হয়েছে, যা বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোল।

ম্যাচপ্রতি গড়ে প্রায় ২.৯৬ গোলের দিক থেকে এবারের আসর আক্রমণাত্মক ফুটবলের নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। মনোনীত গোলের মধ্যে মেসির গোলটি আসে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ অভিযান শুরুর ম্যাচে আলজেরিয়ার বিপক্ষে। রদ্রিগো ডি পলের পাস নিয়ন্ত্রণ করে বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত শটে গোল করেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। সেই গোলটি টুর্নামেন্টের অন্যতম নান্দনিক মুহূর্ত হিসেবে ইতোমধ্যেই আলোচনায় রয়েছে।

অন্যদিকে, আলভারেজের মনোনয়ন পাওয়া গোলটি আসে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে। অতিরিক্ত সময়ের ১১২তম মিনিটে বক্সের বাঁ প্রান্ত থেকে নেওয়া তার বাঁকানো শটটি জড়িয়ে যায় জালের কোণে। ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেওয়া এই গোলটি আগে কোয়ার্টার ফাইনালের সেরা গোল নির্বাচিত হয়েছিল। এবারে সেটিই ‘গোল অব দ্য টুর্নামেন্ট’-এর অন্যতম শক্তিশালী দাবিদার।

মেসি এবং আলভারেজ ছাড়াও সংক্ষিপ্ত তালিকায় রয়েছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপে, ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহাম এবং কেপ ভার্ডের সিডনি লোপেস কাব্রালসহ আরও কয়েকজন ফুটবলারের দর্শনীয় গোল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাঙ্গামাটিতে নেশাগ্রস্ত ছেলেকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন মা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:২১ পি.এম


রাঙ্গামাটিতে নেশাগ্রস্ত ছেলেকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন মা

শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরের দিকে রাঙামাটি শহরের আসামবস্তি এলাকার সিরাজ সওদাগরের ভাড়া বাসায় এই ঘটনাটি ঘটেছে।

স্থানীয়রা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত সাকিবুল ইসলাম নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়েন। যখন এই পরিস্থিতি তৈরি হয়, তখন তার মা রেখা ইসলাম ক্ষুব্ধ হয়ে ছেলেকে দা দিয়ে কোপ দেয়।

স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় সাকিবুলকে উদ্ধার করে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত সাকিবুল ইসলামের বাবা রফিকুল ইসলাম পেশায় একজন সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক।

রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. ফুহাদ হাসান খান জানান, হাসপাতালে আনার আগেই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে ওই যুবকের মৃত্যু ঘটেছে। মরদেহের ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ঘটনার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং সংশ্লিষ্ট আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জসীম উদ্দিন জানান, রাঙ্গামাটি শহরের মির্জা টিলা এলাকায় পারিবারিক কলহের জেরে মায়ের দায়ের কোপে ছেলের মৃত্যু হয়েছে। নিহতের মা ও বাবাকে পুলিশ হেফাজতে তাদের নিরাপত্তার জন্য নেওয়া হয়েছে। পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%