ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নারায়ণগঞ্জে আদালত পাড়ায়, বিএনপি দুই পন্থির মধ্যে সংঘর্ষ


নারায়ণগঞ্জে আদালত পাড়ায়, বিএনপি দুই পন্থির মধ্যে সংঘর্ষ

৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দের মঙ্গলবার, আইনজীবী সমিতির দ্বিতীয় তলায় সংঘর্ষ বাদে দুই পক্ষের মধ্যে ঘটনা ঘটে।

প্রশাসক এডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান স্যার এবং সেক্রেটারি এডভোকেট এইচ এম আনোয়ার প্রধান ভাই, যারা ২০১৩ সাল থেকে একই দলে আছেন, তাদের ত্যাগ এবং দলের প্রতি ভালবাসা আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি। বিএনপির পরীক্ষিত দুই ত্যাগী নেতা, এই দুজন বিগত আওয়ামী আমলে বহু মামলা হামলার শিকার হয়েও নারায়নগঞ্জের বিএনপি হাল এবং নারায়নগঞ্জ জেলা জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী তাদের একত্রিত করার লক্ষ্যে একসাথে বহু ত্যাগ এবং সংগ্রামে একসাথে হাত ধরে চলেছেন। এখন দলের সুদিনে এমন কি হলো যে এ দুজন একে অপরের শত্রু হয়ে গেল।

দলের একজন ক্ষুদ্র কর্মী হিসেবে আমি শুধু বলব, আপনারা দুজন তৃতীয় নব্য হাইব্রিড দুষ্ট লোকদের প্ররোচনায় ভুলবেন না। আপনারা দুজন আমাদের দলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই অন্যদের নব্য বিএনপি ও চাটুকারদের থেকে নিজেদের দূরে রাখুন এবং ত্যাগীদের মূল্যায়ন করুন। গতকাল আমি খুবই কষ্ট পেয়েছি, হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছে দুইজন ত্যাগী নেতার এহেন আচরণ দেখে। এতে তৃতীয় পক্ষ ও লোভীরা সুযোগ পাচ্ছে।

আরও পড়ুন: নাটোরে পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসকের শুভেচ্ছা

আপনারা দুজন আমাদের দলের নেতা কর্মীদের ভরসার একটি জায়গা। তাই এহেন আচরণ আমাদের দলের জন্য মঙ্গলজনক নয়। আসুন, আমাদের দলের এই সুদিনে দুর্দিনের ত্যাগীদের মূল্যায়ন করি। আপনাদের ভালবাসা ও সুদৃষ্টি শুধু আমাদের কাম্য।

এডভোকেট আমেনা প্রধান শিল্পী

সুপ্রিম কোর্ট অফ বাংলাদেশ

সাবেক মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা

আরও পড়ুন: সুনামগঞ্জে সাংবাদিক এম এ মোতালিবের ওপর হামলার ঘটনায় আটক ১

জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম নারায়ণগঞ্জ বার ইউনিট

এসিস্ট্যান্ট পাবলিক প্রসিকিউটর

যুগ্ম জেলা ১ম আদালত নারায়নগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালত।

আরও পড়ুন: কুষ্টিয়ায় লালন সাঁইয়ের আখড়া বাড়ি থেকে বোমা উদ্ধার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছয় মাসের মধ্যেই ইন্দোনেশিয়ায় পৌঁছাচ্ছে চীনের শক্তিশালী জে-১০সিই যুদ্ধবিমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০৬ পি.এম


ছয় মাসের মধ্যেই ইন্দোনেশিয়ায় পৌঁছাচ্ছে চীনের শক্তিশালী জে-১০সিই যুদ্ধবিমান

মুসলিম প্রধান দেশ ইন্দোনেশিয়া চীনের সাথে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে একটি নতুন অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা বিশ্বের একক আধিপত্যের বিরুদ্ধে বড় ধরনের ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনের অংশ হিসেবে, জাকার্তা এবার চীনের তৈরি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে, আগামী ছয় মাসের মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার বিমানবাহিনীতে যুক্ত হবে চীনের তৈরি প্রথম ব্যাচের জে-১০সিই (J-10CE) মাল্টিরোল ফাইটার জেট।

হংকংভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের (SCMP) একটি বিশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। ইন্দোনেশিয়ার স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ‘রিপাবলিকা’র সূত্রে জানা গেছে, দেশটির বিমানবাহিনী প্রধান জনসাধারণকে অধৈর্য না হয়ে ‘কেবল অপেক্ষা করার’ পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি ইঙ্গিত করেছেন যে, প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আগামী ছয় মাসের মধ্যে এসব যুদ্ধবিমান ইন্দোনেশিয়ায় এসে পৌঁছাবে।

জাকার্তা কতগুলো যুদ্ধবিমান কিনছে, সেই সংখ্যা এখনও গোপন রাখা হয়েছে। তবে সামরিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মার্কিন লকহিড মার্টিনের তৈরি এফ-১৬ ফাইটার জেটের বিকল্প হিসেবে এই জে-১০সি অত্যন্ত সাশ্রয়ী এবং কার্যক্ষমতায় সমান দক্ষতা প্রদর্শন করবে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইন্দোনেশিয়া বর্তমানে তাদের বিমানবাহিনী আধুনিকায়নে নির্দিষ্ট কোনো ব্লকের ওপর নির্ভর না করে বহুমুখী কৌশল গ্রহণ করছে। তাদের বহরে মার্কিন, ফরাসি ও তুর্কি যুদ্ধবিমান রয়েছে, এবং এবার নতুন করে যুক্ত হচ্ছে চীনের ৪.৫ প্রজন্মের শক্তিশালী ফাইটার জেট।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ইন্দোনেশিয়ার এই পদক্ষেপের পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়াতেও চীনের ফাইটার জেটের ব্যাপক চাহিদা দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশও তাদের বিমানবাহিনীকে আধুনিক করতে চীনের সাথে প্রায় ২.২ বিলিয়ন ডলারের চুক্তিতে ২০টি জে-১০সিই যুদ্ধবিমান ক্রয়ের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছে। ফলে, বিশ্ব সামরিক বাজারে চীনের তৈরি সমরাস্ত্র মার্কিন ও পশ্চিমা আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ করছে, যা ইন্দোনেশিয়ার এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আবারও প্রমাণিত হলো।

সূত্র : সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে জাপানের ১ লাখ ৪৫ হাজার ডলার অনুদান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০৭ পি.এম


বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে জাপানের ১ লাখ ৪৫ হাজার ডলার অনুদান

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে এবং প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক চিকিৎসাসেবা পৌঁছানোর লক্ষ্যে আবারও বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে সূর্যোদয়ের দেশ জাপান। ঢাকার সুবিধাবঞ্চিত ও বস্তি এলাকার মানুষের যক্ষ্মা রোগ নির্ণয় ও স্ক্রিনিং কার্যক্রমকে আরও জোরদার করতে জাপান সরকারের পক্ষ থেকে ১ লাখ ৪৫ হাজার মার্কিন ডলার অনুদান প্রদান করা হয়েছে। এই আর্থিক সহায়তা জাপানের বিখ্যাত ‘গ্রাসরুটস হিউম্যান সিকিউরিটি প্রজেক্টস’ (GGP) বা তৃণমূল পর্যায়ের মানব নিরাপত্তা প্রকল্পের আওতায় দেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ঢাকার জাপান দূতাবাসে এ সংক্রান্ত একটি ঐতিহাসিক অনুদান চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিতে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি এবং বিশ্বখ্যাত আন্তর্জাতিক চিকিৎসাবিজ্ঞান গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘আইসিডিডিআর,বি’র প্রতিনিধিরা নিজ নিজ পক্ষে স্বাক্ষর করেন।

দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, এ অনুদানের অর্থ দিয়ে ঢাকার সুবিধাবঞ্চিত অঞ্চলের জন্য ‘যক্ষ্মা রোগ নির্ণয়ে ল্যান্ড ক্রুজার গাড়ি সংগ্রহ প্রকল্প’ বাস্তবায়ন করা হবে। প্রকল্পের আওতায় আইসিডিডিআর,বি একটি অত্যাধুনিক টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার গাড়ি এবং একটি ফুজিফিল্ম পোর্টেবল ডিজিটাল এক্স-রে ইউনিট ক্রয় করবে। এই ভ্রাম্যমাণ যানটি ঢাকার বস্তি ও স্বাস্থ্যসেবাবঞ্চিত প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে প্রতি বছর প্রায় ৯ হাজার মানুষের বিনামূল্যে যক্ষ্মা স্ক্রিনিং সেবা নিশ্চিত করবে। এর ফলে একদিকে যেমন আগে শনাক্ত না হওয়া রোগীরা দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আসবে, অন্যদিকে মারাত্মক এ রোগের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রোধ করা সম্ভব হবে।

উক্ত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে টয়োটা সুশো কর্পোরেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ইচিরো কাশিটানি উপস্থিত ছিলেন। জাপানের এ বিখ্যাত টয়োটা সুশো কর্পোরেশন এবং ফুজিফিল্ম যৌথভাবে এ প্রকল্পের ব্যবহৃত গাড়ি ও এক্স-রে যন্ত্রপাতির টেকনিক্যাল বা কারিগরি প্রশিক্ষণের দায়িত্ব পালন করবে। জাপানি উন্নত প্রযুক্তির সাথে আইসিডিডিআর,বি-র জনস্বাস্থ্য বিষয়ক অভিজ্ঞতার এক অনন্য সমন্বয় ঘটবে এ প্রকল্পে।

অনুষ্ঠানে জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি বলেন, ‘জাপান মানব নিরাপত্তাকে তথা মানুষের জীবন ও মর্যাদা রক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়। যারা বিভিন্ন বাধার কারণে মূলধারার স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, এই ভ্রাম্যমাণ প্রকল্পের মাধ্যমে তাদের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিয়ে জাপান তার দীর্ঘদিনের প্রতিশ্রুতিরই বাস্তব প্রতিফলন ঘটাচ্ছে’।

আইসিডিডিআর,বি-র মতো একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান এ অনুদানের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিয়ে বাংলাদেশের যক্ষ্মা নির্মূল কর্মসূচিতে এক নতুন মাইলফলক সৃষ্টি করবে বলে আশা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভেনেজুয়েলায় বিদ্যুৎ সংকটে নাগরিকদের দিশেহারা, বাড়ছে বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০৮ পি.এম


ভেনেজুয়েলায় বিদ্যুৎ সংকটে নাগরিকদের দিশেহারা, বাড়ছে বিক্ষোভ

ভেনেজুয়েলায় বিদ্যুৎ সংকট দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় জনজীবন ক্রমাগত বিপর্যস্ত হয়ে উঠছে। ঘরবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং জরুরি সেবায় বিদ্যুৎ সরবরাহের অনিয়মিততা সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করছে। বিভিন্ন শহরে এই পরিস্থিতির প্রতিবাদে বিক্ষোভও ছড়িয়ে পড়েছে।

দেশটির কারাবোবো রাজ্যের ভ্যালেন্সিয়ায় ৩৪ বছর বয়সী অনাসিস মুনোজ সপ্তাহে তিনবার কিডনি ডায়ালাইসিসের জন্য হাসপাতালে যান। কিন্তু বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার কারণে তার চিকিৎসা একাধিকবার ব্যাহত হয়েছে। তিনি জানান, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে প্রতিদিন প্রায় সাত ঘণ্টা বিদ্যুৎ নেই। ক্লিনিকের জরুরি ব্যাটারির মজুত শেষ হয়ে গেছে এবং বিকল্প জেনারেটরও কাজ করছে না।

মুনোজ বলেন, "বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে চিকিৎসা ব্যাহত হওয়ায় আমার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে।" বাড়ি ফেরার পরও অনেক সময় বিদ্যুৎ থাকে না। গরম ও মশার কারণে বিশ্রাম নেওয়া তার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।

ভেনেজুয়েলার বিভিন্ন অঞ্চলে বিদ্যুৎ সংকটের বিরুদ্ধে মানুষ ‘কাসেরোলাজোস’ নামে পরিচিত বিক্ষোভে অংশ নিচ্ছেন। এই ধরনের প্রতিবাদে মানুষ হাঁড়ি-পাতিল পিটিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে। কোথাও কোথাও বিক্ষোভকারীরা সড়ক অবরোধ করে এবং রাস্তায় টায়ারে আগুনও দিয়েছেন।

আনোভা পলিসি রিসার্চের সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২৬ সালে ভেনেজুয়েলার ৬২ দশমিক ৮ শতাংশ পরিবার প্রতিদিন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সম্মুখীন হবে। ২০২৪ সালে এই হার ছিল ৩৭ দশমিক ১ শতাংশ। একই সময়ে মাত্র ৬ দশমিক ৯ শতাংশ পরিবার নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়ার কথা জানিয়েছে।

বিদ্যুৎ সংকটের কারণ নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা রয়েছে। ভেনেজুয়েলার সরকার জলবায়ু পরিস্থিতি এবং এল নিনোর প্রভাবকে সংকটের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে। দেশটির প্রায় ৯০ শতাংশ বিদ্যুৎ জলবিদ্যুৎ থেকে উৎপাদিত হওয়ায় অতিরিক্ত তাপ ও খরার মতো পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন ঝুঁকির মুখে পড়ে।

তবে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ নেলসন হার্নান্দেজের মতে, শুধুমাত্র জলবায়ু পরিস্থিতি দিয়ে চলমান সংকট ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয়। তার দাবি, বিদ্যুৎ অবকাঠামোর দীর্ঘদিনের অবহেলা, দুর্বল ব্যবস্থাপনা, কৌশলগত পরিকল্পনার অভাব এবং পুরোনো প্রযুক্তি সংকটকে আরও গভীর করেছে।

ভেনেজুয়েলার তেলশিল্পের পরিবর্তনও বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে বলে মনে করেন হার্নান্দেজ। বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রমাণিত তেল মজুতের অধিকারী দেশটি সম্প্রতি তেল উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। ওপেকের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারিতে দেশটির দৈনিক তেল উৎপাদন ছিল ৯ লাখ ২৪ হাজার ব্যারেল। আগস্টে তা বেড়ে ১২ লাখ ১ হাজার ব্যারেলে দাঁড়ায়, অর্থাৎ এ সময়ে উৎপাদন প্রায় ৩০ শতাংশ বেড়েছে।

হার্নান্দেজের মতে, তেলক্ষেত্রে বিদ্যুৎ সরবরাহ কমানো হলে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। ফলে বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ঘাটতির বড় অংশ আবাসিক ও বাণিজ্যিক গ্রাহকদের ওপর গিয়ে পড়ছে। তার হিসাব অনুযায়ী, তেল উত্তোলন, পাম্পিং, পরিবহন ও পরিশোধন কার্যক্রমে প্রায় ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বা তার বেশি বিদ্যুৎ প্রয়োজন হতে পারে।

তবে অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজের সরকার জানিয়েছে, বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থিতিশীল করতে কাজ চলছে। বছরের শেষ প্রান্তিকে আরও ১ হাজার ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ খাতের ওপর চাপ কমাতে জ্বালানি কোম্পানিগুলোকে নিজেদের বিদ্যুৎ অবকাঠামোয় বিনিয়োগের জন্য আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

শিল্প বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদে সংকট কাটাতে পুরোনো বিদ্যুৎকেন্দ্র সংস্কার এবং স্থানীয় ও নবায়নযোগ্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে বড় বিনিয়োগ প্রয়োজন।

বিদ্যুৎ সংকটের প্রভাব শুধু ব্যবসা ও উৎপাদনেই সীমাবদ্ধ নয়, মানুষের দৈনন্দিন জীবনেও এর বড় প্রভাব পড়ছে। কারাবোবোর নাগুয়ানাগুয়া এলাকার বেকারি ব্যবসায়ী ম্যানুয়েল রেয়েস জানান, ঘন ঘন বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় নিয়মিত উৎপাদন করা কঠিন হয়ে পড়েছে। অনেক দিন বিদ্যুৎ থাকার সময় কাজে লাগাতে তাদের মধ্যরাত পর্যন্ত দোকান খোলা রাখতে হয়।

বিভিন্ন রাজ্যের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, দীর্ঘস্থায়ী বিদ্যুৎ বিভ্রাট তাদের মানসিক চাপও বাড়িয়ে দিচ্ছে। আরাগুয়া রাজ্যের মারাকে শহরের বাসিন্দা মাইলেইদি ব্লাঙ্কো প্রতিদিন ভোর ৪টার দিকে উঠে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার আগেই পরিবারের খাবার প্রস্তুত করেন।

তার ছয় বছর বয়সী মেয়েও বিদ্যুৎ সংকটে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে বলে জানান ব্লাঙ্কো। একদিন মেয়ের স্কুলে, পরে বাড়িতে এবং এরপর নাচের ক্লাসে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর শিশুটি কান্নায় ভেঙে পড়ে। বিদ্যুৎ কখন আসবে এবং এই পরিস্থিতি আর কতদিন চলবে, তা জানতে চেয়ে সে বারবার প্রশ্ন করতে থাকে।

বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে দেশজুড়ে ক্ষোভ বাড়ার মধ্যে বিক্ষোভও অব্যাহত রয়েছে। ফলে বিদ্যুৎ বিভ্রাট এখন শুধু জনজীবনের সংকট নয়, ক্রমেই বড় সামাজিক অসন্তোষের কারণ হয়ে উঠছে। তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরিচ্ছন্ন নারায়ণগঞ্জ গড়তে জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোহাম্মদ অহিদুল ইসলাম ফাহিম, ফটো সাংবাদিক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:১৭ পি.এম


পরিচ্ছন্ন নারায়ণগঞ্জ গড়তে জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগ

নারায়ণগঞ্জকে পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর করার উদ্দেশ্যে জেলা প্রশাসন এবং নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এই কার্যক্রমটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে চানমারী মাইক্রোস্ট্যান্ড পর্যন্ত পরিচালিত হচ্ছে।

নগরীর পরিবেশকে স্বাস্থ্যসম্মত ও পরিচ্ছন্ন রাখতে এই ধরনের কার্যক্রম নিয়মিতভাবে চলতে থাকবে। জেলা প্রশাসক নারায়ণগঞ্জ সকলের প্রতি অনুরোধ করেছেন—যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেলুন এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সহযোগিতা করুন।

আমরা সবাই মিলে একটি পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও বাসযোগ্য নারায়ণগঞ্জ গড়ে তুলি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%