ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জিয়ানগরে বলেশ্বর নদীতে পড়ে জেলে নিখোঁজ


জিয়ানগরে বলেশ্বর নদীতে পড়ে জেলে নিখোঁজ

পিরোজপুরের জিয়ানগরে মাছ ধরার ট্রলার থেকে বলেশ্বর নদীতে পড়ে এক জেলে নিখোঁজ হয়েছে। জানা যায়, শনিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বলেশ্বর ব্রিজের নিচে ৩ নম্বর পিয়ারের কাছে বসে জিয়ানগরের পার্শ্ববর্তী মোড়েলগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের বাসিন্দা বুরজুক আলী ব্যাপাীর ছেলে মোঃ মাহালুম বেপারী (৬০) এফবি ‘মায়ের দোয়া’ নামে একটি মাছ ধরার ট্রলারে বসে জাল বুনছিল। হঠাৎ টয়লেটে যাওয়ার সময় পা পিছলে সে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয়। খবর পেয়ে জিয়ানগর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ও স্থানীয়রা অনেক খোঁজাখুজি করে তার কোন সন্ধান পায়নি। পরে ফায়ার সার্ভিসের পটুয়াখালী জোনের একটি ডুবুরী দলকে খবর দিলে তারা এসে দুপুর থেকে উদ্ধার কাজ শুরু করে।
ট্রলারের মালিক মোঃ মারুফ হোসেন জানান, নিখোঁজ জেলে ট্রলারে বসে জাল বুনছিল। টয়লেটে যাওয়ার সময় পা পিছলে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয়। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করা হলেও তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
জিয়ানগর ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন কর্মকর্ত মোঃ নুরুজ্জামান শরীফ জানান, ‘আমাদের উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে। পটুয়াখালী থেকে ডুবুরি দল এসে উদ্ধার কাজ শুরু করেছে। তবে প্রবল স্রোতের কারণে উদ্ধার কাজ ব্যাহত হচ্ছে।’
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিখোঁজ জেলের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণীয় করে রাখতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৪১ পি.এম


জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণীয় করে রাখতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সরকার শহীদদের আত্মত্যাগ এবং আহতদের অবদানকে স্মরণীয় করে রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

শহীদদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে বলেন, ‘জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের যথাযথ মূল্যায়ন ও পুনর্বাসন করা সরকারের পবিত্র দায়িত্ব।’

তিনি তার বক্তব্যে আরও জানান, ‘শহীদদের সর্বোচ্চ সম্মান ও স্বীকৃতি, আহতদের জীবনমান নিশ্চিত করতে এবং তাদের পূর্ণাঙ্গ পুনর্বাসন ও সহায়তা প্রদানে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।’

আজ শনিবার সকালে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে, প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে জুলাই জাতীয় সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেছেন।

তাঁরেক রহমান বলেন, ‘এই অনুষ্ঠান চলাকালে আমি বারবার ভাবছিলাম, যদি আমি এই মুহূর্তে আমার মা’কে জিজ্ঞেস করতে পারতাম, আপনার ওপর যে অবিচার ও অন্যায় হয়েছে, আপনি কি চান আমি এর প্রতিশোধ নেই? আমি বিশ্বাস করি মা বলতেন, তোমার কাজ এই মুহূর্তে সকলকে ঐক্যবদ্ধ করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। আমি জানি যদি আমি আমার ভাইকে জিজ্ঞেস করতাম, তিনিও আমাকে একই উত্তর দিতেন।’

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, জুলাই শহীদদের বিচার এদেশের মাটিতেই হবে। তবে তিনি বললেন, 'বিচারের নামে কারো প্রতি যেনো অবিচার না হয়। এর জন্য আমাদের অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। একটু বিলম্ব হোক, তবে অন্যায়কারীর যেনো সঠিক বিচার হয়। আমরা সেই চেষ্টাই করবো।'

তিনি আরও বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে যারা ত্যাগ স্বীকার করেছেন এবং শহীদ হয়েছেন, তাঁদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ছিলো দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন। তাই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ৫ আগস্ট যে অর্জন আমরা করেছি, তা একক কোনো ব্যক্তি বা দলের নয়। এটি দেশের প্রতিটি গণতন্ত্রকামী মানুষের অর্জন। এটি হলো জনতার সম্মিলিত ত্যাগের ফসল।’

জাতিকে বিভক্ত করে দেশকে সামনে এগিয়ে নেয়া যায় না, উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত জুলাই পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, ‘তবে সে মানুষই ত্যাগ করতে পারে যার সাহস আছে। আপনারা আপনার আপনজনকে হারিয়েছেন, কেউ কেউ অঙ্গও হারিয়েছেন। যে অঙ্গ হারিয়েছেন, তা কি ঠিক হবে? না, ঠিক হবে না। তবে আমরা সবাই মিলে যদি দেশকে এগিয়ে নিতে পারি, একদিন গর্ব করে বলতে পারবেন, আপনার আপনজনের ত্যাগের বিনিময়ে দেশের ভাগ্যের উন্নয়ন হয়েছে। তাই আসুন সমস্ত দেশ, মাটি এবং মানুষের কল্যাণে সকলেই ঐক্যবদ্ধ হই।’

জুলাই ২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটি এবং আমরা জুলাই যোদ্ধা কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই জাতীয় সম্মেলনে শতাধিক জুলাই যোদ্ধা পরিবারের সদস্য সরকার প্রধানের সামনে নিজেদের বুকের যন্ত্রণা, মনের ভাব তুলে ধরেন। এসময় সন্তান এবং স্বজন হারানোর শোকাতুর স্বজনদের চোখের পানি এবং দীর্ঘশ্বাসে গ্যালারিটি ভারী হয়ে ওঠে।

সকাল সোয়া ১০ টায় পবিত্র কোরআন থেকে তেলোয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে শহীদদের স্মরণে দোয়া ও মোনাজাত এবং জাতীয় সংগীতের পর জুলাই আন্দোলনের ওপর প্রামান্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়।

জাতীয় এই সম্মেলনের মূলমন্ত্র হলো ‘সবার আগে বাংলাদেশ’।

অনুষ্ঠানের শুরুতে শহীদ পরিবারের সদস্যদের হাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জুলাই স্মৃতি স্মারক তুলে দেন।

এসময় শহীদ মিরাজের বাবা রব মিয়া, শহীদ সেলিমের ভাই উজ্জ্বল হোসেন, জুলাই অভ্যুত্থানে আহত আল মিরাজ, এবং জুলাই যোদ্ধা আমিনুল ইসলাম ঈমন প্রধানমন্ত্রী থেকে স্মারক গ্রহণ করেন। পরে উপস্থিত সকলের জন্যে রাখা স্মৃতি স্মারক তাদের কাছে পৌঁছে দেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়।

পরে শহীদ পরিবারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে স্মৃতি স্মারক তুলে দেয়া হয়।

জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ নুরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে, জুলাই সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন, এবং গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের।

এছাড়াও সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং পেশাজীবী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোহিঙ্গা ক্যাম্প ঘুরে দেখলেন জাইকা প্রেসিডেন্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৪৫ পি.এম


রোহিঙ্গা ক্যাম্প ঘুরে দেখলেন জাইকা প্রেসিডেন্ট

জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)-এর প্রেসিডেন্ট ড. তানাকা আকিহিকো নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেছেন।

শনিবার (৪ জুলাই) সকালে, ঠিক ১০টার দিকে তারা রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শনটি করেছিলেন।

এ সময় প্রতিনিধিদল চলমান মানবিক কার্যক্রমের বিষয়ে পর্যবেক্ষণ করেন এবং শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি), সরকারি কর্মকর্তা ও উন্নয়ন অংশীদারদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

আরআরআরসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মায়ানমারের নাগরিক (এফডিএমএন) ও স্থানীয় আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীর জন্য মানবিক সহায়তা এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার এবং জাইকার দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বকে আরো সুদৃঢ় করতেই এই সফরের গুরুত্ব রয়েছে।

আরআরআরসি জানাচ্ছে যে, ২০১২ সাল থেকে কক্সবাজারে স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, শিক্ষা, জীবিকা, মৎস্য, পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি (ওয়াশ) এবং নগর উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে ঋণ, অনুদান ও কারিগরি সহায়তার মাধ্যমে প্রায় ৩৩ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছে জাইকা।

এছাড়া, রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলার জন্য আরআরআরসিকে কারিগরি সহায়তা, সক্ষমতা বৃদ্ধি, জাতিসংঘের স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েন এবং লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের কাজও গভীরভাবে সম্পন্ন করছে সংস্থাটি।

সফরকালে প্রতিনিধিদল মানবিক কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করে রোহিঙ্গা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য প্রয়োজনীয় সেবার মানোন্নয়ন, দুর্যোগ-সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই সমাধান নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা করেছেন।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার জাইকার অব্যাহত সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বের জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, ভবিষ্যতেও এই সহযোগিতা কক্সবাজারে মানবিক কার্যক্রমকে আরো শক্তিশালী করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকার প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে ধাপে ধাপে এগোচ্ছে : তথ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৪৬ পি.এম


সরকার প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে ধাপে ধাপে এগোচ্ছে : তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার দেশকে ধাপে ধাপে একটি প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, ‘এই রূপান্তরের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো দেশের সামগ্রিক লেনদেন ব্যবস্থাকে আধুনিক ও ক্যাশলেস (নগদবিহীন) করা। বর্তমান সরকারের মেয়াদের মধ্যেই দেশ সর্বোচ্চ মাত্রায় প্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল লেনদেনে প্রবেশ করবে।’

আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেটের বইয়ের দোকান বাতিঘর ও প্রথমা প্রকাশনীতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগিতায় আয়োজিত ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা সম্প্রসারণে ‘বাংলা কিউআর’ কোড ব্যবহার উদ্বুদ্ধকরণ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী জানান, ‘বিশ্বের অনেক দেশই প্রযুক্তিনির্ভর লেনদেনে আমাদের চেয়ে অনেক এগিয়ে গেছে। কিন্তু বিগত দিনের সরকারগুলোর নীতিগত বিলম্ব বা ব্যর্থতার কারণে রাষ্ট্র ও জনগণকে এই আধুনিক প্রযুক্তির সাথে এতদিনেও পুরোপুরি সংযুক্ত করা সম্ভব হয়নি। তারেক রহমানের সরকার এই জড়তা ভেঙেছে এবং ‘বাংলা কিউআর’ কোডের মাধ্যমে আজ ক্যাশলেস লেনদেনের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো।’

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমি নিজে বহু বছর ধরে আজিজ সুপার মার্কেটের এই বইয়ের দোকানগুলোর একজন নিয়মিত ক্রেতা। এতদিন এখানে সবসময় নগদ টাকায় বই কিনেছি। কিন্তু আজ একজন ক্রেতা হিসেবে জীবনের প্রথমবারের মতো ‘বাংলা কিউআর’ কোড স্ক্যান করে ক্যাশলেস প্রযুক্তিতে বই কিনলাম। প্রযুক্তি ব্যবহার করার আগ পর্যন্ত একজন সাধারণ মানুষও বুঝতে পারে না যে লেনদেন কত সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হতে পারে। সর্বক্ষেত্রেই আমাদের প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার বাড়িয়ে দেওয়া উচিত।’

মন্ত্রীর এই ডিজিটাল উদ্যোগের জন্য সরকার প্রধান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে জনগণের পক্ষ থেকে বিশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান তথ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে তিনি এই কার্যক্রমে যুক্ত থাকা ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ‘রকেট’ মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্ট সব ব্যাংক ও দেশের সাধারণ মানুষকে নগদ লেনদেন পরিহার করে প্রযুক্তিনির্ভর ‘বাংলা কিউআর’ কোডের মাধ্যমে লেনদেন করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারি নিয়োগ ও পদোন্নতি পরীক্ষায় নতুন সম্মানি-ভাতার হার নির্ধারণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৪৭ পি.এম


সরকারি নিয়োগ ও পদোন্নতি পরীক্ষায় নতুন সম্মানি-ভাতার হার নির্ধারণ

সরকারি মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, পরিদপ্তর ও দপ্তরে নিয়োগ এবং পদোন্নতি-সংক্রান্ত কার্যক্রমে অংশ নেওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারী, নির্বাচন কমিটির সদস্য, পরীক্ষক এবং সংশ্লিষ্টদের সম্মানি ও পারিতোষিকের হার পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, পরীক্ষা গ্রহণ, উত্তরপত্র মূল্যায়ন, মৌখিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষা পরিচালনাসহ বিভিন্ন দায়িত্ব পালনের জন্য নির্দিষ্ট অঙ্কের সম্মানি দেওয়া হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের প্রবিধি অনুবিভাগের প্রবিধি-২ শাখা থেকে সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছে।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, প্রশ্নপত্র প্রণয়নের জন্য প্রতিটি জনপ্রতি ৬ হাজার টাকা সম্মানি নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে, বিভাগীয় নির্বাচন বা পদোন্নতি কমিটির সদস্যদের প্রতি সভায় জনপ্রতি ৬ হাজার টাকা এবং मौখিক বা ব্যবহারিক পরীক্ষা বোর্ডের সদস্য বা বিশেষজ্ঞদের জন্য দৈনিক ৬ হাজার টাকা সম্মানি দেওয়া হবে।

উত্তরপত্র মূল্যায়নের ক্ষেত্রে প্রতিটি পূর্ণ উত্তরপত্রের জন্য ১৩০ টাকা এবং প্রতিটি অবজেকটিভ (এমসিকিউ) উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য ৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া, উত্তরপত্র নিরীক্ষণের জন্য প্রতিটি খাতায় ১৫ টাকা করে সম্মানি দেওয়া হবে।

পরীক্ষা পরিচালনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আপ্যায়ন ব্যয়, সরকারের বিদ্যমান ‘আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ-২০২৬’ এবং সর্বশেষ সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী বহন করা হবে। পরীক্ষা পরিচালনায় প্রত্যক্ষভাবে সম্পৃক্ত কর্মচারীদের ক্ষেত্রেও গ্রেডভিত্তিক সম্মানি নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯ম গ্রেড ও তদূর্ধ্ব কর্মকর্তারা প্রতিদিন ১ হাজার ৮০০ টাকা, ১০ম থেকে ১৬তম গ্রেডের কর্মচারীরা ১ হাজার ২০০ টাকা এবং ১৭তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরা ১ হাজার টাকা সম্মানি পাবেন।

এ ছাড়া, খাতা পুনর্মূল্যায়নের জন্য প্রতি খাতায় ৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

লিখিত পরীক্ষার কেন্দ্রের ভেন্যুর প্রতিষ্ঠান প্রধান বা তার মনোনীত সমন্বয়কারী এককালীন ৩ হাজার ৫০০ টাকা এবং কেন্দ্র পরিদর্শক প্রতিদিন ১ হাজার ৮০০ টাকা সম্মানি পাবেন।

পরিপত্র অনুযায়ী, লিখিত পরীক্ষার আসনবিন্যাস বাবদ পরীক্ষার্থীপ্রতি ৩ টাকা, উত্তরপত্র প্রস্তুত বাবদ ১২ টাকা এবং প্রশ্নপত্র প্রস্তুত, কাগজ, ডুপ্লিকেটিং মেশিন ভাড়া (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) ও কালি বাবদ পরীক্ষার্থীপ্রতি ৫ টাকা ব্যয় করার অনুমতি থাকবে।

ওএমআর (ওএমআর) টপশিট মুদ্রণ ও ক্রয়ের জন্য ইউনিটপ্রতি ২০ টাকা, লিথোগ্রাফিক কোডিং ও ডি-কোডিংয়ের জন্য ৫ টাকা এবং প্রচলিত কোডিং ও ডি-কোডিংয়ের জন্য ৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া, ট্রাঙ্ক, তালা-চাবি, কাগজ, কলম ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক সামগ্রীর জন্য সর্বোচ্চ ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ব্যয় করা যাবে।

পরিপত্রে আরো বলা হয়েছে, এসব ব্যয় সংশ্লিষ্ট নিয়োগের জন্য বরাদ্দকৃত বাজেট থেকেই নির্বাহ করতে হবে। এ উদ্দেশ্যে অতিরিক্ত বরাদ্দ দাবি করা যাবে না। এছাড়া, একাধিক পদের পরীক্ষা একই দিনে অনুষ্ঠিত হলেও, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন বা নির্বাচন কমিটির সদস্য ও বিশেষজ্ঞরা দৈনিক জনপ্রতি একটির বেশি সম্মানি পাবেন না বলেও পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%