মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৩১ পি.এম
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমানের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বজনপ্রীতি, নিয়োগ বাণিজ্য এবং বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য একটি নতুন টিম পুনর্গঠন করেছে।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দুদকের জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক মো. তানজির আহমেদ বাসসকে।
দুদক জানায়, ইয়াফেস ওসমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তার ছেলে ইশরার ওসমানের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানকে ক্ষমতার অপব্যবহার ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে ঠিকাদারি কাজ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, মো. সলিমুল্লাহকে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি (এনআইবি)-এর মহাপরিচালক পদে বিধিবহির্ভূতভাবে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। পাশাপাশি, এনআইবির দুই কর্মকর্তাকে ছুটিতে থাকা অবস্থায় দুটি বড় প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (পিডি) হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টিও অভিযোগের অন্তর্ভুক্ত।
দুদক আরও জানায়, ইয়াফেস ওসমানের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধানাধীন রয়েছে।
অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য পূর্ববর্তী অনুসন্ধান টিমের সদস্যদের বহাল রেখে দলনেতা মোহাম্মদ সিরাজুল হককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি উপপরিচালক হিসেবে পিআরএলে যাওয়ায়, তার পরিবর্তে উপপরিচালক মো. রাশেদুল ইসলামকে নতুন দলনেতা করে অনুসন্ধান টিম পুনর্গঠন করেছে কমিশন। নতুন টিমের সদস্য হিসেবে রয়েছেন সহকারী পরিচালক মো. রাকিবুল হায়াত এবং উপসহকারী পরিচালক আফিয়া খাতুন।
দুদকের নির্দেশনায়, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এবং দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ অনুসরণ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনুসন্ধান কার্যক্রম সম্পন্ন করে প্রতিবেদন দাখিল করতে নতুন টিমকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক ও বিভিন্ন অপরাধ দমনের লক্ষ্যে ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ অভিযানে ৩ কেজি গাঁজা ও ৫১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে চারজন মাদক মামলায়, সাতজন আদালতের পরোয়ানাভুক্ত, ১৮ জন মাদকসেবনের অভিযোগে এবং জনশৃঙ্খলা রক্ষায় ১৫১ ধারায় একজন রয়েছেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় সোনারগাঁ থানার ওসি আব্দুল বারিকের নেতৃত্বে একাধিক পুলিশ টিম এই অভিযান পরিচালনা করে।
মাদক মামলায় গ্রেপ্তার চারজন হলেন—চেঙ্গাকান্দি এলাকার আবু সাঈদ (২৮), পাকুন্ডা মধ্যপাড়ার আব্দুল কাদির (৪১), ভাটিবন্দর এলাকার আছিয়া (৫৫) এবং শাহপুর এলাকার কাউসার (৪০)।
এছাড়া, আদালতের পরোয়ানাভুক্ত হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে মোফাজ্জল মিয়া, নুর হোসেন, রুহুল আমিন, সুলতান মিয়া, সাব্বির হোসেন, আলামিন ও মোহাম্মদ আলীকে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মাদকসেবনের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১৮ জনের মধ্যে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি বিভিন্ন জেলা থেকে সোনারগাঁয়ে এসে বসবাসকারী ও ভাড়াটিয়াও রয়েছে। জনশৃঙ্খলা রক্ষায় ১৫১ ধারায় মো. আরাফাত (১৯) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
সোনারগাঁ থানা পুলিশ জানিয়েছে, মাদকসহ যেকোনো ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধ দমনে সাধারণ মানুষের সহযোগিতা কামনা করে পুলিশকে তথ্য দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ২৫টি আধুনিক এক্সপ্লোসিভ ট্রেস ডিটেক্টর (ইটিডি) যুক্ত করা হয়েছে। এই যন্ত্রগুলো যাত্রীদের ব্যাগেজ, কার্গো এবং বিভিন্ন পৃষ্ঠে থাকা অতি সামান্য পরিমাণ বিস্ফোরক ও মাদকজাতীয় পদার্থ দ্রুত শনাক্ত করার সক্ষমতা রাখে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) মুখপাত্র ও সহকারী পরিচালক কাওছার মাহমুদ।
বেবিচক সূত্রে জানা গেছে, নাকটেক টিআর ২০০০ ডিসি মডেলের এই ইটিডিগুলো বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় স্থাপন করা হয়েছে। যন্ত্রগুলো অত্যন্ত অল্প পরিমাণে অবশিষ্ট থাকা বিস্ফোরক এবং অবৈধ মাদকজাতীয় পদার্থ শনাক্ত করতে সক্ষম।
ইটিডি মূলত বিভিন্ন বস্তু বা পৃষ্ঠ থেকে সংগৃহীত অতি ক্ষুদ্র নমুনা পরীক্ষা করে সন্দেহজনক পদার্থ শনাক্ত করবে। এই যন্ত্রে আয়ন মোবিলিটি স্পেকট্রোমেট্রি (আইএমএস) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। পাশাপাশি এতে অ-তেজস্ক্রিয় আয়নীকরণ উৎসও রয়েছে।
প্রশিক্ষণ পেলেন ৪৪ কর্মী
নতুন প্রযুক্তিটি কার্যকরভাবে ব্যবহারের জন্য এভিয়েশন সিকিউরিটির (এভসেক) নির্বাচিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণও প্রদান করা হয়েছে। যন্ত্রটির মূল প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের (ওইএম) বিশেষজ্ঞরা এই প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন।
প্রশিক্ষণে ৪৪ জন এভসেক কর্মকর্তা ও কর্মচারী অংশগ্রহণ করেন। এতে ইটিডি পরিচালনা, নমুনা সংগ্রহ, শনাক্তকরণ, ফলাফল বিশ্লেষণ এবং নিরাপদভাবে যন্ত্র ব্যবহারের বিষয়ে প্রয়োজনীয় দক্ষতা প্রদান করা হয়।
বেবিচকের সদস্য (নিরাপত্তা) এয়ার কমোডর আসিফ ইকবাল মন্তব্য করেন, নতুন প্রযুক্তি যুক্ত হওয়ায় বিস্ফোরক ও মাদক শনাক্ত করার সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে নিরাপত্তা তল্লাশির কার্যকারিতা বাড়বে এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি দ্রুত চিহ্নিত করা সম্ভব হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘মানুষ, পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জয়পুরহাটে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসটি উদযাপন করা হয়েছে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে।
দিবসটি উপলক্ষে মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসন এবং জেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর যৌথ উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সদর উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে শুরু হওয়া র্যালিটি শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।
পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক আল মামুন মিয়া। সভায় বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক যাদব সরকার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জেসমিন নাহার, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলজার হোসেন, জেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রমের সহকারী পরিচালক আবু তারিক মো. রওনক এবং সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল ইসলাম।
সভায় বক্তারা উল্লেখ করেন, একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত সমাজ গঠনের জন্য শতভাগ সাক্ষরতা অর্জন করা অপরিহার্য। নিরক্ষরতামুক্ত জয়পুরহাট গড়ে তোলার জন্য এবং শিক্ষার হার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সমাজের সকল স্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসন ও জেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফেনীর ছাগলনাইয়া সীমান্ত এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৪২ কেজি ভারতীয় গাঁজা ও ৮ বোতল বিদেশি মদ জব্দ করেছে (বিজিবি)।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজিবির তথ্যমতে, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে ছাগলনাইয়া সীমান্ত এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ৪২ কেজি ভারতীয় গাঁজা ও ৮ বোতল বিদেশি মদ জব্দ করা হয়। জব্দ করা মাদক ও অন্যান্য মালামাল পরবর্তী আইনগত কার্যক্রমের জন্য স্থানীয় থানায় জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান বলেন, সীমান্তে চোরাচালান ও মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিহত, সীমান্তের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যেকোনো ধরনের সীমান্ত অপরাধ দমনে বিজিবি সর্বদা সজাগ, সতর্ক ও তৎপর রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও মাদক প্রতিরোধে বিজিবির নিয়মিত ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ