প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ২৫টি আধুনিক এক্সপ্লোসিভ ট্রেস ডিটেক্টর (ইটিডি) যুক্ত করা হয়েছে। এই যন্ত্রগুলো যাত্রীদের ব্যাগেজ, কার্গো এবং বিভিন্ন পৃষ্ঠে থাকা অতি সামান্য পরিমাণ বিস্ফোরক ও মাদকজাতীয় পদার্থ দ্রুত শনাক্ত করার সক্ষমতা রাখে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) মুখপাত্র ও সহকারী পরিচালক কাওছার মাহমুদ।
বেবিচক সূত্রে জানা গেছে, নাকটেক টিআর ২০০০ ডিসি মডেলের এই ইটিডিগুলো বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় স্থাপন করা হয়েছে। যন্ত্রগুলো অত্যন্ত অল্প পরিমাণে অবশিষ্ট থাকা বিস্ফোরক এবং অবৈধ মাদকজাতীয় পদার্থ শনাক্ত করতে সক্ষম।
ইটিডি মূলত বিভিন্ন বস্তু বা পৃষ্ঠ থেকে সংগৃহীত অতি ক্ষুদ্র নমুনা পরীক্ষা করে সন্দেহজনক পদার্থ শনাক্ত করবে। এই যন্ত্রে আয়ন মোবিলিটি স্পেকট্রোমেট্রি (আইএমএস) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। পাশাপাশি এতে অ-তেজস্ক্রিয় আয়নীকরণ উৎসও রয়েছে।
প্রশিক্ষণ পেলেন ৪৪ কর্মী
নতুন প্রযুক্তিটি কার্যকরভাবে ব্যবহারের জন্য এভিয়েশন সিকিউরিটির (এভসেক) নির্বাচিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণও প্রদান করা হয়েছে। যন্ত্রটির মূল প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের (ওইএম) বিশেষজ্ঞরা এই প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন।
প্রশিক্ষণে ৪৪ জন এভসেক কর্মকর্তা ও কর্মচারী অংশগ্রহণ করেন। এতে ইটিডি পরিচালনা, নমুনা সংগ্রহ, শনাক্তকরণ, ফলাফল বিশ্লেষণ এবং নিরাপদভাবে যন্ত্র ব্যবহারের বিষয়ে প্রয়োজনীয় দক্ষতা প্রদান করা হয়।
বেবিচকের সদস্য (নিরাপত্তা) এয়ার কমোডর আসিফ ইকবাল মন্তব্য করেন, নতুন প্রযুক্তি যুক্ত হওয়ায় বিস্ফোরক ও মাদক শনাক্ত করার সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে নিরাপত্তা তল্লাশির কার্যকারিতা বাড়বে এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি দ্রুত চিহ্নিত করা সম্ভব হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন