মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:২৭ পি.এম
বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) রেজিস্ট্রার দপ্তরের প্রশাসনিক শাখার কম্পিউটার অপারেটর রশিদ হাসান রাজু ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন।
তিনি সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকার শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু শনাক্ত হওয়ার পর রাত সাড়ে ৮টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তার জানাজার নামাজ পরে পঞ্চগড় সুগার মিল হাইস্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. রাশেদা বেগম দিনা স্বাক্ষরিত একটি শোক বার্তায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জুলহাস উদ্দিন তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিনি গত শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) থেকে জ্বরে আক্রান্ত ছিলেন। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) তাকে শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওইদিন রাতে ডেঙ্গু শনাক্ত হওয়ার পর সাড়ে ৮টার দিকে তার মৃত্যু ঘটে। জানা যায়, তিনি আগে থেকেই জন্ডিসজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন এবং থ্যালাসেমিয়াজনিত জটিলতায় আক্রান্ত ছিলেন।
রশিদ হাসান রাজু পঞ্চগড় সদরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি সরকারি তিতুমীর কলেজ থেকে উদ্ভিদবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন। চলতি বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি তিনি বুটেক্সের রেজিস্ট্রার দপ্তরের প্রশাসনিক শাখায় কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েট প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে অস্থায়ীভাবে কম্পিউটার অপারেটরের দায়িত্ব পালন করছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) সম্প্রতি একটি তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, যেখানে টাইগারদের ভারতে না পাঠানোর জন্য তৎকালীন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুলকে দায়ী করা হয়েছে। এই প্রতিবেদন বর্তমানে আলোচনা ও বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। সাবেক এই উপদেষ্টা তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে মন্তব্য করেছেন।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) তিনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টের মাধ্যমে ভারতে দল না পাঠানোর কারণ ব্যাখ্যা করেন।
আরটিভির পাঠকদের জন্য পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো—
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: কেন ভারতে যাইনি?
ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলতে যাওয়ার সিদ্ধান্তটি তখনকার ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে মূলত আমারই ছিল। আমি এই বিষয়টি একাধিকবার প্রকাশ্যে বলেছি। তাই এতদিন পর ক্রীড়া মন্ত্রণালয় কর্তৃক বিষয়টি তদন্ত করে প্রকাশের কারণ আমি বুঝতে পারছি না।
ঘটনার শুরু হয়েছিল উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের চাপের কারণে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের নির্দেশে মোস্তাফিজকে আইপিএল থেকে অপমানজনকভাবে বাদ দেওয়ার পর। এরপর আমরা নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কা এবং বাংলাদেশের প্রতি অবমাননার প্রতিবাদে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়ার ব্যাপারে অনীহা প্রকাশ করি।
আমাদের আশঙ্কা যে অমূলক ছিল না, তা আইসিসির প্রথম রিপোর্টে স্বীকৃত হয়েছিল। সেখানে ভারতে নিরাপত্তা-আশঙ্কার তিনটি কারণ উল্লেখ করা হয়েছিল—বিশ্বকাপের দলে মোস্তাফিজ থাকলে, বাংলাদেশের সমর্থকরা মুক্তভাবে ঘোরাফেরা করলে এবং বাংলাদেশে নির্বাচন এগিয়ে আসার প্রেক্ষাপটে।
বিবিসি বাংলা ওই রিপোর্টের হুবহু বাংলা অনুবাদও প্রকাশ করেছিল। এই পরিস্থিতিতে আমরা ভারতে খেলতে যাব কেন?
আমরা শেষ পর্যন্ত অন্য কোনো ভেন্যুতে বিশ্বকাপ খেলার জন্য বহু চেষ্টা করেছি। কিছু দেশ থেকে সমর্থনও পেয়েছিলাম। কিন্তু সম্ভবত আইসিসির নেতৃত্বে ভারতীয়দের আধিপত্যের কারণে শেষ পর্যন্ত তা সম্ভব হয়নি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আমাদেরকে ভারতে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো যোগাযোগ করা হয়নি।
আমাদের সিদ্ধান্তের পেছনে তিনটি বিষয় ছিল অত্যন্ত পরিষ্কার—দেশের মর্যাদা, আমাদের ক্রিকেটার-সাংবাদিক-সমর্থকদের নিরাপত্তা এবং আগামী নির্বাচনের আগে দেশের পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা।
সে সময় বলা হয়েছিল, বিশ্বকাপ না খেললে বিদেশি দলগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের খেলা বন্ধ হয়ে যাবে। আমাদের ক্রিকেট বোর্ডের নানা উদ্যোগে সেই আশঙ্কাও শেষ পর্যন্ত দূর হয়েছিল।
আমি মনে করি, আমরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। একটি ছোট দেশ হিসেবে কেউ আমাদের ইচ্ছেমতো অপমান করবে, আর আমরা সবসময় তা মুখ বুঝে মেনে নিবো, এমন প্রত্যাশা করা ঠিক নয়। আমি সমমর্যাদার ভিত্তিতে ভারতের সাথে বন্ধুত্বে বিশ্বাসী। মাথা নত করে সব মেনে নেয়াতে নয়।
এদিকে তদন্ত কমিটির দাবি, তৎকালীন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলই এককভাবে সিদ্ধান্তটি গ্রহণ করেন। এ ক্ষেত্রে অন্য কারও মতামত নেওয়ার প্রয়োজন তিনি অনুভব করেননি। এমনকি ক্রিকেটারদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকেও তিনি শুধু নিজের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত কোনো একক ব্যক্তির ইচ্ছায় নেওয়া উচিত নয়। সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করে, ক্রিকেটারদের ভবিষ্যৎ এবং দেশের কোটি কোটি ক্রিকেটপ্রেমীর প্রত্যাশাকে সামনে রেখে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন বলেও মত দিয়েছে কমিটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) আলাওল হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. জমালুল আকবর চৌধুরীকে শিক্ষার্থীরা অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন। আবাসিক হলের বিভিন্ন অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগে তারা তাকে অবরুদ্ধ করে তার কার্যালয়ে বাইরে থেকে তালা ঝুলিয়ে দেন।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে আলাওল হল সংসদের প্রতিনিধিদের নেতৃত্বে সাধারণ শিক্ষার্থীরা এই কর্মসূচি শুরু করেন। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রভোস্টের সঙ্গে হল সংসদের সমন্বয়হীনতা, হল সংসদের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটানো, শিক্ষার্থীদের প্রতি দুর্ব্যবহার, উন্নয়নমূলক কাজে দীর্ঘসূত্রিতা, সিট বণ্টনে অসচ্ছতা, সাংবাদিক পরিচয়ে শিক্ষার্থীদের হুমকি, ঠিকাদারের কাছে চাঁদা দাবি এবং জরুরি সংস্কারকাজ থমকে থাকার কারণে তারা এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।
হল সংসদের নেতাদের দাবি, এসব সমস্যার সমাধানে তারা একাধিকবার মৌখিক ও লিখিত আবেদন জানালেও হল প্রশাসন কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, প্রভোস্ট দায়িত্ব পালনে অবহেলা করেন এবং শিক্ষার্থীদের তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের কার্ড জমা নিয়ে রাখেন এবং নিজের ইচ্ছামতো কাজ করেন। হল সংসদের সঙ্গে তার কোনো সমন্বয় নেই। প্রশাসনিক কাজে ঢিলেঢালাভাবের কারণে হলের সার্বিক পরিবেশ বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
আজ (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা হল কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন। একপর্যায়ে, প্রভোস্ট ভেতরে থাকা অবস্থায় হল কার্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন শিক্ষার্থীরা। হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) বলেন, "তিনি হল সংসদের কোনো কাজে কাউকে সহায়তা করেন না। তিনি সবার ওপরে স্বৈরাচারী আচরণ করেন। আমরা তার পদত্যাগ চাই। সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে তাকে হলে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে। তার এই হলে থাকার কোনো অধিকার নেই।"
সমাজসেবা, পরিবেশ ও মানবাধিকার সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বলেন, "তিনি সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন বিষয়ে হয়রানি করেন। কেউ তার কক্ষে কোনো দাবি নিয়ে গেলে তিনি সবকিছু লিখিত দিতে বলেন। যেকোনো সাধারণ বিষয় নিয়েও শিক্ষার্থীদের অনেক বেশি হয়রানি করেন। সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে আমরা তার পদত্যাগ চাই।"
ক্রীড়া ও খেলাধুলা বিষয়ক সম্পাদক বনি আল আমিন সরকার বলেন, "হলের শিক্ষার্থীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো- তারা এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিজে অংশ নেবেন; কিন্তু প্রভোস্ট বিভিন্ন সময় খেলাধুলা ও ক্রীড়া সামগ্রী ক্রয়সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়সহ সবকিছুতে বাধা দেন। তার কারণে শিক্ষার্থীরা অতিষ্ঠ।"
অবরুদ্ধ অবস্থার বিষয়ে জানতে চাইলে আলাওল হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. জমালুল আকবর চৌধুরী বলেন, "আপনি হলে আসেন। আমরা সরাসরি দেখা করে কথা বলব।" তিনি আবাসিক হলে অবরুদ্ধ হয়ে আছেন কিনা—এ প্রশ্ন এড়িয়ে যান।
চবির সহকারী প্রক্টর খায়রুল ইসলাম সুজন বলেন, "আলাওল হলে তালা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছি। আমরা প্রক্টরিয়াল বডি হল সংসদের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করছি। তবে এখনো কোনো সমাধান আসেনি।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরের সদরপুরে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা এক শিশুর উপর অটোরিকশার ধাক্কা লাগার ফলে তার মৃত্যু হয়েছে। নিহত শিশুর নাম জান্নাতুল আক্তার জান্নাতি (০৭)। তিনি উপজেলার চরবিষ্ণুপুর ইউনিয়নের বৈদ্যডাঙ্গী গ্রামের শেখ রিপনের কন্যা।
মঙ্গলবার ( ১৫ সেপ্টেম্বর ) বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৩টায় সদরপুরের বৈদ্যডাঙ্গী গ্রামে প্রতিবেশী শেখ শহিদের বাড়ির সামনে মেইন রাস্তায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহতের আত্মীয়স্বজন ও পুলিশের সূত্রে জানা যায়, জান্নাতি প্রতিবেশী শেখ শহিদের বাড়ির সামনে পাকা রাস্তার উপর দাঁড়িয়ে ছিল। এ সময় চরভদ্রাসন থেকে সদরপুরের দিকে আসা একটি অজ্ঞাত অটোরিকশা তাকে ধাক্কা দিলে সে অটোরিকশার নিচে পড়ে যায়। বিকট শব্দ শুনে শেখ রিপন ও অন্যান্য আত্মীয়স্বজন তাকে উদ্ধার করে চরভদ্রাসন উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরবর্তীতে চরভদ্রাসন উপজেলা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ থানা পুলিশকে বিষয়টি জানালে চরভদ্রাসন থানার জরুরি ডিউটি অফিসার এসআই (নিঃ) মোঃ রিপন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করেন।
এ প্রসঙ্গে সদরপুর থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ মোখলেসুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, লাশ উদ্ধার করে চরভদ্রাসন থানা পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেছে। সদরপুর থানায় এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নরসিংদী, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলার মনোহরদী পৌরসভায় বিদ্যুৎ সরবরাহের স্থিতিশীলতা এবং নিরবচ্ছিন্নতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পৌরসভাকে একটি নির্দিষ্ট ফিডারের আওতায় আনার কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার মনোহরদী পৌরসভায় এই উন্নয়নকাজের উদ্বোধন করেন মনোহরদী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুর রহমান সরকার দোলন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মনোহরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহামুদুল হাসান।
নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর আওতাধীন মনোহরদী পৌর এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের সমস্যা বিদ্যমান। এর ফলে পৌরবাসীকে নানা দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহকে আরও নিরবচ্ছিন্ন ও স্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে পৌরসভাকে এক ফিডারের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ উন্নয়নকাজ বাস্তবায়নের দায়িত্ব পেয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এমআর এন্টারপ্রাইজ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহামুদুল হাসান বলেন, "মনোহরদী পৌরবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ। পৌরসভাকে এক ফিডারের আওতায় আনার ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে বলে আশা করছি।"
তিনি আরও বলেন, "উন্নয়নকাজ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।"
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজের মান বজায় রেখে দ্রুত কাজ শেষ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, "জনস্বার্থের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে হবে।"
ইউএনও আরও বলেন, "এ প্রকল্প বাস্তবায়নে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হবে।"
উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুর রহমান সরকার দোলন বলেন, "মনোহরদী পৌরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা। সেই দাবির বাস্তবায়নে পৌরসভাকে এক ফিডারের আওতায় আনার কাজ শুরু হওয়ায় আমরা আশাবাদী।"
তিনি উল্লেখ করেন, "স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুলের প্রচেষ্টা ও সংশ্লিষ্টদের উদ্যোগে এ কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মনোহরদী পৌর এলাকার বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা আসবে এবং পৌরবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে।"
তিনি মনোহরদী পৌরসভার সার্বিক উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করে বলেন, "জনগণের স্বার্থে প্রয়োজনীয় সব উন্নয়নকাজ বাস্তবায়নে আমরা পাশে থাকব।"
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এমআর এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধি আবদুল্লাহ আল জোবায়ের অনিক বলেন, "মনোহরদী পৌরসভার বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নয়নে নির্ধারিত কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে।"
তিনি আরও বলেন, "কাজের গুণগত মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটি আন্তরিক।"
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মনোহরদী উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মাসুদুর রহমান সুহাগ, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি জাকির হোসেন আকন্দ বাবুল, সাধারণ সম্পাদক মো. তোফাজ্জল হোসেন, মনোহরদী পৌরসভা যুবদলের সভাপতি আ. সামাদ আকন্দ বকুল, মনোহরদী বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি কামরুজ্জামান বকুল, পৌরসভা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সালাউদ্দিন, পৌরসভা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শিপন, মহসিন মিয়াসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, কাজটি সম্পন্ন হলে মনোহরদী পৌর এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ আরও স্থিতিশীল হবে এবং ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে পৌরবাসীর যে দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়, তা অনেকাংশে কমে আসবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ