ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

নারীরা সুযোগ পেলে বিদেশে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করবে: শামা ওবায়েদ


নারীরা সুযোগ পেলে বিদেশে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করবে: শামা ওবায়েদ

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম মন্তব্য করেছেন যে, নারীদের যদি সুযোগ প্রদান করা হয়, তাহলে বিদেশে বাংলাদেশের নাম আরও উজ্জ্বল হবে।

তিনি শনিবার (৭ নভেম্বর) রাজধানীর ধানমন্ডিতে জাতীয় এসএমই নারী উদ্যোক্তা সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে এই আশাবাদ প্রকাশ করেন।

শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, নারী উদ্যোক্তারা বিশেষ কোনো সুবিধা চান না। তারা তাদের অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম করছেন। যেদিন সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে তারা সত্যিকার অর্থে সমান অধিকার পাবেন, সেদিন দেশের অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত হবে।

আরও পড়ুন: সৈয়দপুরে শিল্প সাহিত্য সংসদের আয়োজনে লালন সংগীতের আসর অনুষ্ঠিত

তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশের নারী উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত পণ্যের ব্যবহার বিদেশে বাড়ানোর জন্য মিশনগুলোকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

নারীদেরকে দেশের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির সাথে যুক্ত না করলে, সরকারের লক্ষ্য অনুযায়ী অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব হবে না। নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে হলে, নারী উদ্যোক্তাদের সম্পৃক্ত করতে হবে। এছাড়া, নারী উদ্যোক্তাদের ঋণ প্রদান প্রক্রিয়া সহজতর করার পাশাপাশি তাদের জন্য বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা প্রদান করা প্রয়োজন, যোগ করেন শামা ওবায়েদ ইসলাম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাইতিতে গ্যাং নেতার মৃত্যু, প্রধানমন্ত্রী উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৩১ পি.এম


হাইতিতে গ্যাং নেতার মৃত্যু, প্রধানমন্ত্রী উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন

হাইতিতে নিরাপত্তা বাহিনীর একটি অভিযানে কুখ্যাত অপরাধী চক্রের নেতা মাথিয়াস সেইনটিল নিহত হয়েছেন।

দেশটির জাতীয় পুলিশ বাহিনী (পিএনএইচ) জানায়, সাম্প্রতিক এক অভিযানে তাকে ‘হত্যা’ করা হয়েছে।

এই ঘটনার পর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী অ্যালিক্স দিদিয়ার ফিলস-এইমে। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘আরেকজন গ্যাং নেতা কমল।’

শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক পোস্টে পুলিশ জানিয়েছে, মাথিয়াস সেইনটিল রাজধানী পোর্ট-অ-প্রিন্সের দরিদ্র এলাকা সিতে সোলেইয়ের বোস্টন গ্যাংয়ের নেতা ছিলেন। অপরাধী চক্রটির নাম ওই এলাকার নাম অনুসারে রাখা হয়েছে।

পুলিশের অভিযানে মাথিয়াস সেইনটিলের শরীরে একাধিক গুলি লাগে বলে জানা গেছে। পরে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়েছে বলে পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী অ্যালিক্স দিদিয়ার ফিলস-এইমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই অভিযানের খবর উদ্‌যাপন করেন। তিনি ফরাসি ও হাইতিয়ান ক্রেওল ভাষায় লেখেন, ‘আরেকজন গ্যাং নেতা কমল। দস্যুদের কবল থেকে দেশকে মুক্ত করার লড়াই দৃঢ় সংকল্পে অব্যাহত থাকবে। গ্যাং সদস্যরা আর শান্তিতে ঘুমাতে পারবে না।’

প্রেসিডেন্ট হত্যার পর ভয়াবহ সংকট

হাইতিতে গত কয়েক বছর ধরে অপরাধী চক্রগুলোর সহিংসতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২১ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জোভেনেল মইজকে হত্যার পর পরিস্থিতি আরও অবনতি ঘটে।

প্রেসিডেন্ট হত্যার ঘটনা দেশটিকে গভীর রাজনৈতিক সংকটে ফেলে। এরপর থেকে সেখানে কোনো জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। রাজনৈতিক অস্থিরতার সুযোগে সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রগুলো নিজেদের প্রভাব বৃদ্ধি করতে থাকে। একপর্যায়ে তারা দেশের বিস্তীর্ণ এলাকা নিয়ন্ত্রণে নেয়।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, রাজধানী পোর্ট-অ-প্রিন্সের প্রায় ৯০ শতাংশ এলাকা এখন গ্যাংগুলোর নিয়ন্ত্রণে। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও সমুদ্রবন্দরও তাদের দখলে রয়েছে। রাজধানী ও এর আশপাশে অন্তত ২৬টি অপরাধী চক্র সক্রিয় রয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক অবনতি এবং একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে লড়ছে হাইতি। দেশটি পশ্চিম গোলার্ধের সবচেয়ে দরিদ্র দেশ হিসেবে বিবেচিত হয়।

অপরাধী চক্রগুলো প্রায়ই খাবার, অর্থ উপার্জন এবং নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তরুণদের দলে ভেড়ায়। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, হাইতিতে গ্যাং সদস্যদের অর্ধেকই ১৮ বছরের কম বয়সি শিশু ও কিশোর।

বাস্তুচ্যুত ১৪ লাখের বেশি মানুষ

গ্যাংগুলোর সহিংসতায় দেশটিতে ভয়াবহ মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় সহিংসতার কারণে অন্তত ১৪ লাখ মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন।

জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত হাইতিতে সহিংসতায় অন্তত ১ হাজার ১২৩ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো ৪৪০ জন।

যৌন সহিংসতার ঘটনাও উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে। জুলাই ও আগস্ট—এই দুই মাসে গ্যাং-সংশ্লিষ্ট ধর্ষণের ৬৮৯টি ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে।

গ্যাং দমনে আন্তর্জাতিক বাহিনী

হাইতির নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতিতে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত এপ্রিল মাসে নতুন আন্তর্জাতিক গ্যাং দমন বাহিনীর (জিএসএফ) সদস্যরা দেশটিতে পৌঁছাতে শুরু করেন। গ্যাংগুলোকে নিষ্ক্রিয় করা, বিচ্ছিন্ন করা এবং তাদের তৎপরতা ঠেকানোই এই বাহিনীর মূল লক্ষ্য।

বাহিনীটির ১২ মাসের দায়িত্ব পালনের মেয়াদ গত সেপ্টেম্বরে নবায়ন করা হয়। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ ২০২৭ সালের মার্চ পর্যন্ত এর কার্যক্রমের অনুমোদন দিয়েছে।

তবে আগের কেনিয়ার নেতৃত্বাধীন বহুজাতিক নিরাপত্তা সহায়তা বাহিনীর (এমএসএস) মতো নতুন বাহিনীটিও নানা সমস্যার মুখে পড়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পর্যাপ্ত অর্থ ও জনবলের অভাব।

জিএসএফের সমর্থকেরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি বাহিনীটির জন্য দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ এবং প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, হাইতির অপরাধী চক্রগুলোর সঙ্গে সংঘর্ষে জিএসএফের সদস্যরাও হামলার শিকার হচ্ছেন। গত ১৮ অক্টোবর বাহিনীটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এল সালভাদরের চারজন বিমান চলাচলবিষয়ক কারিগরি কর্মী অপহৃত হন।

এর জবাবে হাইতিতে সর্বোচ্চ ২ হাজার সেনা পাঠানোর উদ্যোগ নেয় এল সালভাদর। দেশটির প্রেসিডেন্ট নায়েব বুকেলে এই সেনা মোতায়েনকে উদ্ধার অভিযান হিসেবে বর্ণনা করেন।

২১ অক্টোবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন বুকেলে। এতে হাইতির রাস্তায় সাঁজোয়া যান টহল দিতে দেখা যায়। কয়েকটি যান থেকে গুলিও ছোড়া হচ্ছিল।

বুকেলে লেখেন, ‘আমাদের একটাই লক্ষ্য—আমাদের চার নাগরিককে জীবিত ও অক্ষত অবস্থায় দেশে ফিরিয়ে আনা।’

গ্যাং নেতাদের উদ্দেশে তিনি আরো বলেন, ‘একটি বিষয় খুব স্পষ্টভাবে বুঝতে হবে। চার জিম্মিকে জীবিত অবস্থায় ফিরিয়ে না দিলে আজকের হামলা সামনে যা আসছে, তার তুলনায় কিছুই নয়।’

এরপর বুকেলে হাইতির জনগণকে নিজেদের সম্প্রদায় ও এলাকাগুলোর নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে জেগে ওঠার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, তার দেশের সেনারা হাইতিতে ‘দখলদার’ হিসেবে যায়নি।

হাইতিতেও কঠোর অভিযানের হুঁশিয়ারি বুকেলের

এল সালভাদরে গ্যাং দমনে বুকেলের কঠোর পদক্ষেপের সমালোচনা করে আসছে মানবাধিকার পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলো। অপরাধী চক্র দমনের নামে দেশটিতে ব্যাপক ধরপাকড় ও গণবিচারের আশ্রয় নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার সরকারের বিরুদ্ধে।

বুকেলে সতর্ক করে বলেছেন, হাইতির গ্যাংগুলোর বিরুদ্ধেও তিনি একই ধরনের কঠোর কৌশল প্রয়োগ করতে সক্ষম।

শুক্রবারের সর্বশেষ এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে হাইতির একজন প্রভাবশালী গ্যাং নেতার বাড়ি শনাক্ত করার দাবি করা এক ব্যবহারকারীর সঙ্গে কথোপকথন করেন তিনি।

ওই ব্যক্তির কাছে বাড়িটির অবস্থান জানতে চান বুকেলে। তিনি লেখেন, ‘বাড়িটি কোথায় অবস্থিত? আমাদের সুনির্দিষ্ট ঠিকানা দিন, আমরা সেটি ধ্বংস করে দেব।’

হাইতিতে গ্যাং সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে দেশটির নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনীর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাহিনীর তৎপরতা বাড়লেও সংকটের স্থায়ী সমাধান এখনো অধরা। রাজনৈতিক অস্থিরতা, দুর্বল অর্থনীতি ও মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যে দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ অব্যাহত রয়েছে।

এএম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নীলফামারীতে নানা আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত: দলকে সুসংগঠিত করার আহ্বান অধ্যাপক আমিনুল ইসলামের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নীলফামারী: প্রতিনিধি রায়হান আলী

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৩২ পি.এম


নীলফামারীতে নানা আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত: দলকে সুসংগঠিত করার আহ্বান অধ্যাপক আমিনুল ইসলামের

যথাযথ উৎসাহ-উদ্দীপনা ও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে নীলফামারীতে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে জেলা বিএনপির উদ্যোগে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণ প্রচার করা হয়।
শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে জেলা শহরের পৌর বাজার এলাকায় দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। পরে দলীয় কার্যালয় চত্বর থেকে একটি বিশাল শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়। এ সময় নেতাকর্মীদের হাতে দলীয় ও জাতীয় পতাকা এবং শহীদ জিয়ার প্রতিকৃতি সংবলিত প্ল্যাকার্ড শোভা পায়। এছাড়া শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে মাইকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণ প্রচার করা হয়।
শোভাযাত্রা শেষে দলীয় কার্যালয়ে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (রংপুর বিভাগ) অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম।
জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সোহায়েল পারভেজের সঞ্চালনায় এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে সভায় আরও বক্তব্য দেন সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কাজী আখতারুজ্জামান জুয়েলসহ অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম বলেন, "৭ নভেম্বর আমাদের জাতীয় ইতিহাসের একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও ঐতিহাসিক দিন। এই দিনে সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে তৎকালীন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে দেশকে এক গভীর সংকট থেকে রক্ষা করেছিল।"
তিনি আরও বলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ৭ নভেম্বরের চেতনা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে সকল ভেদাভেদ ভুলে দলকে আরও বেশি সুসংগঠিত করতে হবে। দেশের সার্বিক কল্যাণ, স্থিতিশীলতা এবং অগ্রযাত্রায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে এবং তাঁর সরকারকে সর্বাত্মক সহযোগিতার জন্য তিনি দলীয় নেতাকর্মীসহ দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।
আলোচনা সভা শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজায় যুদ্ধের ক্ষত বুকে ২৫০ দম্পতির বিয়ের উৎসব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৩২ পি.এম


গাজায় যুদ্ধের ক্ষত বুকে ২৫০ দম্পতির বিয়ের উৎসব

যুদ্ধের ধ্বংসের মাঝে, স্বজন হারানোর বেদনা ও ভয়াবহ মানবিক সংকটের মধ্যে নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখছেন ফিলিস্তিনিরা। গাজার উপকূলে একসঙ্গে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন ২৫০ দম্পতি। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) গাজা সিটিতে এই গণবিয়ের আয়োজন করা হয়, যা সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইউএই ভিত্তিক মানবিক ত্রাণ কার্যক্রম ‘অপারেশন শিভ্যালরাস নাইট’ এই অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে বর-কনের পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক ফিলিস্তিনি উপস্থিত ছিলেন। ইসরাইলি হামলায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের পরও নবদম্পতি ও অতিথিরা বিয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন। তবে উৎসবের মাঝে অনেকের মনে ছিল যুদ্ধের ক্ষত, স্বজন হারানোর বেদনা ও অনিশ্চিত ভবিষ্যতের শঙ্কা।

গণবিয়েতে অংশগ্রহণকারী সায়েদ আল নাজার নামে এক যুবক মন্তব্য করেন, ‘আমরা যুদ্ধবিধ্বস্ত পরিস্থিতিতে বসবাস করছি। আমরা নিজেদের এলাকায়, নিজেদের বাড়িতে ফিরে যেতে চাই। বিয়ের মধ্য দিয়ে আমরা নতুন জীবন শুরু করছি।’

তাসিল আবু মাতার নামে এক নারী জানান, অনুষ্ঠানে তার মা ও বোন উপস্থিত ছিলেন, কিন্তু তার বাবা আসতে পারেননি। তিনি পশ্চিম তীরে থাকেন এবং তার দাদি হুইলচেয়ার ছাড়া চলাফেরা করতে পারেন না। তাছাড়া হামলায় আহত তার এক ভাইয়ের চিকিৎসা চলছে।

তাসিল বলেন, ‘আমাদের আনন্দ আসলে অসম্পূর্ণ। তবুও এই অর্জনে আমি আনন্দিত।’

যুদ্ধের ভয়াবহতা ও ব্যক্তিগত নানা শোকের মধ্যে গাজার এসব দম্পতির নতুন জীবন শুরুর আয়োজন যেন ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আশার আলো দেখাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উন্নয়ন ও নেতৃত্বে নতুন প্রত্যাশা, সাংগঠনিক গতিতে উজ্জীবিত বাকেরগঞ্জ আস্থার কেন্দ্রে এমপি আবুল হোসেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আবিদ ইসলাম আশিক বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধি

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৩৩ পি.এম


উন্নয়ন ও নেতৃত্বে নতুন প্রত্যাশা, সাংগঠনিক গতিতে উজ্জীবিত বাকেরগঞ্জ আস্থার কেন্দ্রে এমপি আবুল হোসেন

বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন খানের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সন্তোষ প্রকাশ করছেন স্থানীয় বাসিন্দাদের একটি বড় অংশ। উন্নয়নমূলক কার্যক্রম, রাস্তাঘাট ও কালভার্ট নির্মাণ, মসজিদ-মাদ্রাসার উন্নয়ন এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন তারা।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে রাস্তাঘাট নির্মাণ ও সংস্কার, বিভিন্ন স্থানে কালভার্ট নির্মাণসহ অবকাঠামোগত উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নেও বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে মসজিদ ও মাদ্রাসার উন্নয়নে সহযোগিতার বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

রাজনৈতিক অঙ্গনেও সংসদ সদস্যের কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা রয়েছে। পৌর বিএনপির ১নং ওয়ার্ডের সভাপতি মিজানুর রহমান ফিরোজ বলেন, সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খানের কঠোর তৎপরতায় এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে চাঁদাবাজির মতো অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই। দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধেও চাঁদাবাজির অভিযোগ বন্ধে কঠোর অবস্থান বজায় রাখার প্রত্যাশা করছেন সাধারণ মানুষ।

অন্যদিকে, সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে দলীয় নেতাকর্মীদের সক্রিয়তা ও মনোবল বৃদ্ধির বিষয়টিও ইতিবাচক পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে যোগাযোগ, সমন্বয় ও সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার হলে দল আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন তারা।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি রাজনৈতিক সহনশীলতা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরলস শ্রম দিচ্ছেন সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খান। তার এ উদ্যোগে বাকেরগঞ্জে ইতিবাচক পরিবর্তনের ধারা আরও বেগবান হয়েছে বলে ধারণা স্থানীয়দের।

তবে এসব উন্নয়ন ও শৃঙ্খলামূলক উদ্যোগের ধারাবাহিকতা বজায় রাখাই এখন তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, দল-মত নির্বিশেষে সবার জন্য উন্নয়ন নিশ্চিত করে বাকেরগঞ্জকে একটি শান্তিপূর্ণ, উন্নত ও সম্ভাবনাময় জনপদ হিসেবে গড়ে তুলবেন সংসদ সদস্য আবুল হোসেন।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আবুল হোসেন খান এমপি খান জানান, এলাকার উন্নয়ন ও জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে মডেল বাকেরগঞ্জ উপজেলা গড়ে তোলায় তার একমাত্র লক্ষ্য। মাদকের বিরুদ্ধে তিনি জিরো টলারেন্স রয়েছেন। দলীয় নেতাকর্মীরা চাঁদাবাজি বা অন্যায়ের সাথে জড়িত থাকলে তাদেরকেও ছাড় দেয়া হবে না বলে তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি আরও বলেন, বাকেরগঞ্জের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় তিনি সর্বদা সজাগ রয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%