০৫:২১ পি.এম
বুধবার বিকেলে জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে শূন্য পদে নিয়োগ সংক্রান্ত একটি সম্পূরক প্রশ্নের জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, সরকার সরকারি শূন্য পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া খুব দ্রুত শুরু করতে যাচ্ছে।
আজ বুধবার বিকেলে জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে কুমিল্লা-৯ আসনের বিএনপি দলের সংসদ সদস্য আবুল কালামের একটি সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এই তথ্য জানান।
আরও পড়ুন: আজ ৬ ঘণ্টা টোলমুক্ত ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘এই মহান সংসদকে আমি এতটুকু জানাতে চাই যে, সরকারের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন পদ খালি রয়েছে; যেগুলো আরো গতিশীল করার জন্য, দেশের মানুষের কাছে আরো সহজে সুবিধাজনকভাবে সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য কিছু নিয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পর্যালোচনা করছে।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘যত দ্রুত সম্ভব আমরা এই শূন্যপদগুলোতে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করবো ইনশাআল্লাহ।’
বিকেল ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়।
বৈঠকের প্রথম ৩০ মিনিট প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোপর্ব রাখা হয়। প্রধানমন্ত্রীর জন্য মোট ৫টি তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন ছিলো। এরমধ্যে ৩০ মিনিটে তিনটি প্রশ্ন এবং বিভিন্ন সংসদ সদস্যের এ সংক্রান্ত সম্পূরক প্রশ্নের জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে আজ যেসব সড়ক দিয়ে যাবে বিএনপির শোভাযাত্রা
পাবনা-৫ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের অনুপস্থিতিতে তার তারকা চিহ্নিত অপর এক প্রশ্ন উত্থাপন করেন পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য একেএম সেলিম রেজা হাবিব।
জবাব দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার ৫ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং অধীনস্থ দপ্তর ও সংস্থাসমূহে শূন্য পদের বিপরীতে ২ হাজার ৮৭৯ জন লোক নিয়োগের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’
সরকার সম উন্নয়নের প্রতি বিশ্বাসী উল্লেখ করে মাদারীপুর-২ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান তালুকদার খোকনের একটি সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কয়েকদিন আগে আপনার নেতৃত্বে আমরা কীভাবে এই সংসদ সেশনটা চলবে সে বিষয়ে আমাদের কমিটির মিটিংয়ে বসেছিলাম। সেখানে মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতাও উপস্থিত ছিলেন। তিনি একটি বিষয় উল্লেখ করেছিলেন যে, ঈদের আগে সরকারের পক্ষ থেকে কিছু কিছু সহযোগিতা দিয়েছিল, যেগুলো বিরোধীদলীয় নেতারা হয়তো পাননি। আমি মিটিং থেকে বেরিয়েই এলজিআরডি মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী উভয়কেই সঙ্গে সঙ্গে নির্দেশনা দিয়েছিলাম যাতে বিরোধী দলে কোন সংসদ সদস্য যদি সহযোগিতা না পেয়ে থাকেন, সেই ব্যবস্থা যত দ্রুত সম্ভব নেওয়া হয়।’
তিনি বলেন, ‘এই নির্দেশনা দিয়ে আমি বোঝাতে চাইছি যে, বর্তমান সরকার দেশের সম উন্নয়নে বিশ্বাস করে এবং সরকারদলীয় সংসদ সদস্যরা যেভাবে এলাকার উন্নয়ন করবেন, ঠিক সেভাবেই সরকারের সম্পূর্ণ সহযোগিতা থাকবে। বিরোধীদলীয় সদস্যবৃন্দ যারা আছেন, তাদের এলাকায় আমরা সমানভাবে কাজ করার চেষ্টা করবো।’
আরও পড়ুন: সরকারের ২০৩০ সালের মধ্যে দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন