ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাংলাদেশ সফরের ওপর নির্ভর করছে ভারতের আরেক সিরিজের সূচি


বাংলাদেশ সফরের ওপর নির্ভর করছে ভারতের আরেক সিরিজের সূচি

ভারত ক্রিকেট দল আগস্টের শেষ সপ্তাহে বাংলাদেশ সফরে আসবে কিনা, তা বর্তমানে নিশ্চিত নয়। তবে এই বহুল আলোচিত সফর যদি শেষ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়, তার সরাসরি প্রভাব পড়বে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ভারতের তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে।

এ বিষয়ে সিরিজটি পেছানোর সম্ভাবনা এখন জোরালো হতে শুরু করেছে।

ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (এসিবি) সংশ্লিষ্টদের নিশ্চিত করেছে যে, ভারতের বিপক্ষে তাদের টি-টোয়েন্টি সিরিজ পরিকল্পনামাফিকই অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু ভারত যদি বাংলাদেশ সফরে যায়, তাহলে সেই সিরিজের সময়সূচি সম্ভবত কয়েকদিন পিছিয়ে যেতে পারে।

আরও পড়ুন: সৌদি আরব থেকে ৯ মাসে ২ হাজার মরদেহ, নারী কর্মীরা সন্তানের বাবার পরিচয় জানেন না

ভারতের বিপক্ষে সিরিজটি যদিও ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠিত হবে, কিন্তু এর আয়োজক আফগানিস্তান। আগের সূচি অনুযায়ী, দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে ১৩, ১৫ ও ১৭ সেপ্টেম্বর তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার আশা করা হয়েছিল।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ১ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ভারতের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে ও তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ আয়োজন করতে চাইছে। দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের উন্নতি হওয়ায় এই সফরের সম্ভাবনা বেড়েছে। ফলে, যদি ভারতের বাংলাদেশ সফর নিশ্চিত হয়ে যায়, তবে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে সিরিজের সূচি নতুন করে সাজাতে হতে পারে।

তবে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ বেশি পিছিয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই। কারণ, ২৪ সেপ্টেম্বর শুরু হচ্ছে এশিয়ান গেমস। এরপর ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঘরের মাঠের সিরিজ ভারত খেলবে।

এ কারণে, বাংলাদেশ সফরের অনুমোদন হলেও আশা করা হচ্ছে যে আফগানিস্তান সিরিজের সূচি সর্বোচ্চ কয়েকদিন পরিবর্তন হতে পারে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)।

আরও পড়ুন: দুধের উৎপাদন খরচ ৪৪.৮০ টাকা, বিক্রি ১০০-১১০ টাকায়

নিরাপত্তজণিত কারণে আফগানিস্তান নিজেদের দেশে আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজন করতে না পারায়, তারা ভারতেই ‘হোম’ সিরিজ খেলবে।

সম্প্রচার ব্যবস্থাতেও থাকবে ভিন্নতা। কারণ, সিরিজটির আয়োজক এসিবি হওয়ায়, ভারতের নিয়মিত সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠান জিওস্টারের পরিবর্তে অন্য কোনো টেলিভিশন নেটওয়ার্ক বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ম্যাচগুলো প্রকাশ করা হতে পারে। ডিজিটাল স্বত্ব আগে থেকেই ফ্যানকোডের কাছে রয়েছে। এবং টেলিভিশন সম্প্রচার স্বত্ব কিনতে জি এন্টারটেইনমেন্ট ও সনি স্পোর্টস আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে দেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:১১ পি.এম


সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে দেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত: প্রধানমন্ত্রী

তৈরি পোশাক শিল্পের পর সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই বাংলাদেশের জন্য নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর নভোথিয়েটারে এক অনুষ্ঠানে দেশকে বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর ও ডিপ-টেক উদ্ভাবন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে আয়োজিত ‘ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম অ্যান্ড বিইএআর সামিট ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

তিনি জানান, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য সম্ভাবনাময় পরবর্তী এই প্রধান চালিকাশক্তিকে বাস্তবে রূপ দিতে সরকার ইতোমধ্যে ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিসহ বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে।

প্রধানমন্ত্রী এই সম্মেলনকে সাধারণ আয়োজন নয় বরং আগামীর প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণের অন্যতম কারিগরদের মিলনমেলা হিসেবে অভিহিত করে বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে নিজেদের মেধার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই নিজ উদ্যোগে এই জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ সামিটে অংশগ্রহণ করেছেন। বর্তমান সরকার এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চায়, যা হবে স্বনির্ভর, সমৃদ্ধ ও প্রযুক্তিনির্ভর।

চতুর্থ ও পঞ্চম শিল্প বিপ্লবের এই যুগে সেমিকন্ডাক্টরকে আধুনিক সভ্যতার ভিত্তি উল্লেখ করে তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবটিক্স, ডেটা সেন্টার, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, চিকিৎসা সরঞ্জাম, মোবাইল ফোন ও মহাকাশের স্যাটেলাইটের মতো প্রতিটি ক্ষেত্রেই চিপ বা সেমিকন্ডাক্টর অপরিহার্য।

বিশ্ববাজারে সেমিকন্ডাক্টরের বিশাল সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি আশা করছেন ২০২৬ সালের মধ্যে গ্লোবাল সেমিকন্ডাক্টর বাজার ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের কাছাকাছি পৌঁছাতে যাবে। এই বিশাল বাজারে বাংলাদেশের জন্য অপার সুযোগ বিদ্যমান এবং ২০৩০ সালের মধ্যে এই খাত থেকে নির্ধারিত রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা বাংলাদেশ অর্জন করতে পারবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

তিনি বলেন, আমরা সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকে একটি জাতীয় অগ্রাধিকারভিত্তিক খাত হিসেবে বিবেচনা করছি। তবে এই খাতের উন্নয়ন একক কোনো মন্ত্রণালয় বা প্রতিষ্ঠানের কাজ নয়; এটি একটি সম্মিলিত জাতীয় মিশন। সরকারের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, শিল্প মালিক, উদ্যোক্তা এবং প্রবাসী বিশেষজ্ঞদের একযোগে এই লক্ষ্যে কাজ করতে হবে।

এ খাতকে ত্বরান্বিত করতে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ বিষয়ক কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চলতি বাজেটে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর থেকে সব ধরনের কর ও শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছে। পাশাপাশি সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইন সার্ভিসের রপ্তানি আয়ের ওপর নগদ প্রণোদনা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তরুণ উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে সরকারের উদ্যোগের বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি জানান, নতুন নতুন উদ্ভাবন বাস্তবায়নের জন্য সরকার প্রথমবারের মতো বছরে ৫০০ কোটি টাকার ‘স্টার্টআপ অনুদান’ বরাদ্দ রেখেছে, যার বণ্টন প্রক্রিয়া ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে।

বিনিয়োগকারীদের আশ্বস্ত করতে সরকারপ্রধান বলেন, বিদেশি ও দেশি বিনিয়োগকে আকর্ষণ করতে শুল্কমুক্ত (বন্ডেড) সুবিধা প্রদান এবং বিশেষায়িত অবকাঠামো নিশ্চিত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। বিদ্যমান হাই-টেক পার্কগুলোর আধুনিকায়নের পাশাপাশি একটি নতুন বায়োটেক পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাজারের কঠিন প্রতিযোগিতার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, নানা সীমাবন্ধতা থাকা সত্ত্বেও আমাদের এগিয়ে যাওয়ার অদম্য ইচ্ছা রয়েছে। আমাদের মেধা, দক্ষতার তারুণ্য এবং উদ্ভাবনী শক্তির ওপর ভিত্তি করেই আমরা এই লক্ষ্য অর্জন করব। সরকার আপনাদের স্বপ্ন এবং অদম্য ইচ্ছাকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে প্রয়োজনে সবটুকু দিয়েই পাশে থাকবে।

প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এই সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন অংশীদারিত্ব, গবেষণা উদ্যোগ এবং বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতকে বহুদূর এগিয়ে নিয়ে যাবে।

অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী ‘ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম ও বিইএআর সামিট ২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অমুসলিম দেশে মুসলিমদের বসবাস নিয়ে ইসলামের বিধান জানালেন আজহারী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:১২ পি.এম


অমুসলিম দেশে মুসলিমদের বসবাস নিয়ে ইসলামের বিধান জানালেন আজহারী

জীবন ও জীবিকার প্রয়োজনে, মুসলমান মানুষকে বিশ্বের নানা স্থানে যেতে হয় এবং সেখানে বসবাস করতে হয়। কখনো কখনো তাদের মাতৃভূমি ছেড়ে মত ও আদর্শের বিপরীত একটি ভূমিকাও আবাসস্থল হিসেবে বেছে নিতে হয়। এমন পরিস্থিতিতে একটি প্রশ্ন সৃষ্টি হয়; যদি কোনো মুসলমান এমন দেশকে আবাসস্থল হিসেবে বেছে নেয় বা তার জন্মস্থানই হয় এমন দেশ—যেখানে ইসলামি আদর্শ এবং স্থানীয় সমাজনীতির মধ্যে সম্পূর্ণ ভিন্নতা রয়েছে! তাই, একজন মুসলিম হিসেবে তার করণীয় কী হবে? সে কি পারবে এমন দেশে বসবাস করতে?

সম্প্রতি, ইসলামি স্কলার ড. মিজানুর রহমান আজহারী নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি ভিডিও বার্তায় এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন।

নিচে তার সারসংক্ষেপ তুলে ধরা হলো—

ড. মিজানুর রহমান আজহারী উল্লেখ করেন, কোনো মুসলিম যদি অমুসলিম দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে চায়, তাহলে তাকে অবশ্যই দাওয়াতের (ইসলামের দিকে আহ্বান) নিয়তে থাকতে হবে। তবে অস্থায়ী বসবাসের ক্ষেত্রে যেমন—চিকিৎসা, পড়াশোনা, ভ্রমণ ইত্যাদির ক্ষেত্রে ভিন্ন কথা বলার দাবী ওঠে। তখন দাওয়াতের নিয়ত থাকা আবশ্যক নয়।

তিনি আরও বলেন, অমুসলিম দেশে বসবাসের ব্যাপারে রাসুল সা. কঠিন ভাষায় সতর্কতা নির্দেশ করে বলেছেন—‘তার ব্যাপারে আমার কোনো দায়-ভার নেই, যে মুশরিকদের সাথে অমুসলিম দেশে বসবাস করে।’ রাসুলের এই স্পষ্ট হুঁশিয়ারি থেকে একজন মুসলিম মুক্তির পথ পাবে, যখন তার নিয়ত থাকবে, অমুসলিমদের মাঝে ইসলামের আদর্শ, চেতনা ও মূল্যবোধ ছড়িয়ে দেওয়া।

মিজানুর রহমান আজহারী বলছেন, যথাযথ উপস্থাপনার যোগ্যতা না থাকায় আমরা অমুসলিম দেশগুলোতে ইসলামের বাণী ছড়িয়ে দিতে ব্যর্থ হচ্ছি। বিপরীতভাবে, অমুসলিমরা তাদের ‘বস্তাপঁচা’ মতবাদ, চিন্তা-চেতনা বা আইডিয়লজি বিশ্বমঞ্চে চোখ ধাঁধানো উপস্থাপন করে। এর ফলে, মানুষ সেটাকেই শ্রেষ্ঠ ভাবতে বাধ্য হচ্ছে। সুতরাং আমাদের দাওয়ার পদ্ধতি সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে হবে।

অমুসলিম দেশে বসবাসরত মুসলিমদের ধর্মীয় দায়িত্ব সম্পর্কে বিশ্বনন্দিত এই তরুণ স্কলার বলেন, যারা অমুসলিম দেশে বসবাস করছি, তাদের প্রত্যেকের জানা থাকা উচিত যে আমরা প্রত্যেকেই ইসলামের প্রতিনিধি। অমুসলিমরা আমাদের দেখে ইসলামের মূল্যায়ন করবে। আর যদি আমরা মিথ্যা বলি, লেনদেনে প্রতারণা করি, তখন তারা আমাদের গালিসূচক ভাববেন না; বরং তারা বলবে মুসলমানরা এমনই। এজন্য আমাদের উচিত সতর্ক থাকা এবং একজন মুসলিম হিসেবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা। আর এই ভূমিকা পালন করতে পারবো তখনই, যখন আমরা নিজে ইসলামকে জানবো এবং বুঝবো, ইসলামের চেতনা ও আদর্শ নিজেদের মধ্যে ধারণ করতে সক্ষম হবো। তাই আসুন, ইসলামের সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি। না জানলে, আমল করব কীভাবে?

ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব আলোচনা করতে গিয়ে ভিডিওবার্তায় তিনি বলেন, আসলে আমাদের সম্মান হলো ইসলামে। হজরত ওমর ফারুক রা. বলতেন, আমরা এমন একটি জাতি যারা আল্লাহ তাআলা ইসলাম দ্বারা সম্মানিত করেছেন। যদি আমরা ইসলাম ছাড়া অন্য কোথাও সম্মান খুঁজে নিয়ে যায়, তাহলে আল্লাহ আমাদের অপদস্ত করবেন। মনে রাখতে হবে ভাইয়েরা, আল্লাহর কাছে মনোনীত ধর্ম হলো একমাত্র ইসলাম। আল্লাহ বলেছেন, ইসলাম ছাড়া যদি কেউ অন্য ধর্ম খুঁজে বের করতে চায়, তাহলে সে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে। (সুরা আল-ইমরান: ৮৫)

ভিডিওবার্তায় তিনি শরিয়ত মেনে চলার জন্য আল্লাহর তাওফিক কামনা করেন এবং ইসলাম ধর্মালম্বী সর্বসাধারণকে শরিয়ত মেনে চলার ও তাদের সন্তানদের শরিয়ত শিক্ষা দেওয়ার আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাভাবিপ্রবি শিক্ষার্থী মনিরের মৃত্যুর সঠিক বিচার ও ৬ দফা দাবিতে স্মারকলিপি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:১৩ পি.এম


মাভাবিপ্রবি শিক্ষার্থী মনিরের মৃত্যুর সঠিক বিচার ও ৬ দফা দাবিতে স্মারকলিপি

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (আইসিটি) বিভাগের প্রথম বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী মোঃ মনিরুজ্জামান মনিরের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা, পরিবারকে ক্ষতিপূরণ এবং শিক্ষার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ ছয় দফা দাবি জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা।
শনিবার (২৫ জুলাই) মনিরের সহপাঠী ও রংপুর ডিভিশনাল অ্যাসোসিয়েশন (আরডিএ) উদ্যোগে দুপুর ১২টায় একাডেমিক ভবন-৩-এর সামনে সুষ্ঠু বিচার ও নিরাপদ আবাসনের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করে। বিক্ষোভ মিছিল শেষে সুষ্ঠু বিচারসহ ৬ দফা দাবিতে প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করে।


বিক্ষোভ মিছিল শেষে দোষীদের বিচার, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের নিকট ছয় দফা প্রধান করে—
১. মেস মালিক ও পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের বিরুদ্ধে মামলা ও ক্ষতিপূরণ:
বিল্ডিং কোড লঙ্ঘন এবং ভাড়াটিয়া শিক্ষার্থীদের জীবন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত না করার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট মেস মালিক ও পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে নিহত শিক্ষার্থী মনিরুজ্জামান মনিরের পরিবারকে উপযুক্ত ও ন্যায্য ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

২. ২৪/৭ ‘ওয়ান কল সার্ভিস’ চালু:
জরুরি প্রয়োজনে শিক্ষার্থীদের দ্রুত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ২৪ ঘণ্টা কার্যকর ‘ওয়ান কল সার্ভিস’ চালু করতে হবে। জরুরি সংবাদ পাওয়ার পর দ্রুততম সময়ে অ্যাম্বুলেন্স ঘটনাস্থলে পৌঁছানো নিশ্চিত করতে হবে এবং দায়িত্বে অবহেলার ক্ষেত্রে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

৩. ২৩ জুলাইয়ের ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলাকারী অ্যাম্বুলেন্স চালকদের শাস্তি:
দুর্ঘটনার দিন দায়িত্ব পালনকালে অবহেলা ও বিলম্বের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট অ্যাম্বুলেন্স চালকদের চিহ্নিত করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়।

৪. ‘খাজা মেসে’ অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের নিরাপদ আবাসন:
মেসটিতে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের হল অথবা বিকল্প নিরাপদ আবাসনের ব্যবস্থা করার দাবি জানানো হয়।

৫. আশপাশের সব মেসের নিরাপত্তা যাচাই:
বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের মেসগুলোর অবকাঠামোগত নিরাপত্তা, বৈদ্যুতিক সংযোগ ও বসবাসের উপযোগিতা যাচাই করতে বিশেষ তদন্ত টিম গঠনের দাবি জানানো হয়। অনিরাপদ মেস চিহ্নিত হলে সেখানে শিক্ষার্থীদের বসবাস নিরুৎসাহিত বা নিষিদ্ধ করার ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়।

৬. খাবারের মান উন্নয়ন ও নিয়মিত মনিটরিং:
ক্যাম্পাসের আশপাশের খাবারের দোকান ও হোটেলগুলোর খাবারের মান নিশ্চিত করতে নিয়মিত প্রশাসনিক তদারকি, মনিটরিং এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।

এ সময় শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো শোনেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. ফজলুল করিম, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মনির মোর্শেদ, প্রক্টরিয়াল বডির সদস্য, হল প্রভোস্টসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য প্রশাসনিক কর্মকর্তারা।প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়। পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে আজই ‘খাজা মেস’ পরিদর্শনে যাওয়ার কথা জানায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

এরআগে গত ২৩ জুলাই রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী এলাকায় ‘খাজা মেসে’ অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তৃতীয় থেকে নিচে পরে যায় আইসিটি বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী মোঃ মনিরুজ্জামান মনির। তাৎক্ষণিকভাবে তার সহপাঠীরা উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মনিরুজ্জামানের বাড়ি দিনাজপুরের বিরল উপজেলায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদি কি নিজের জন্য বিপদ ডেকে আনল?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:১৩ পি.এম


সৌদি কি নিজের জন্য বিপদ ডেকে আনল?

সৌদি আরব এবং ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের মধ্যে বছরের পর বছর ধরে চলছিল একটি যুদ্ধবিরতি, কিন্তু এখন নতুন করে উত্তেজনার সূচনা হয়েছে। লোহিত সাগরে সৌদি মালিকানাধীন একটি জাহাজে হুথি বিদ্রোহীদের সাম্প্রতিক হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইয়েমেনের লোহিত সাগর তীরের প্রধান বন্দরনগরী হুদাইদায় বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনী।

জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি এক্স অ্যাপে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানান, সন্ত্রাসী হুথি মিলিশিয়ার বৈধ সামরিক লক্ষ্যবস্তু দখলে নেওয়ার জন্য এই আনুপাতিক সামরিক প্রতিক্রিয়া চালানো হয়েছে এবং অভিযান সমাপ্ত হয়েছে।

ইয়েমেনের নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে জানা যাচ্ছে, হামলার মূল লক্ষ্য ছিল হুদাইদা শহরে অবস্থিত একটি নৌঘাঁটি এবং কামরান দ্বীপের একটি সামরিক ক্যাম্প। তবে হুথিদের নিয়ন্ত্রিত আল-মাসিরাহ টেলিভিশন জানাচ্ছে, হামলায় হুদাইদায় একজন শ্রমিক এবং কামরান দ্বীপের এক নারী আহত হয়েছেন এবং বিস্ফোরণের শব্দে বন্দর এলাকা কেঁপে উঠেছে।

এর আগে, ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা নিজেদের সামুদ্রিক অবরোধের নির্দেশ অমান্য করার কারণে সৌদি জাহাজে হামলার হুমকি দেয় এবং এই সপ্তাহে তারা দুটি সৌদি জাহাজে হামলার দাবিও করে। এর মধ্যে একটি জাহাজে হামলার সত্যতা সৌদি আরব নিশ্চিত করেছে। এই সংঘাতের কারণে ২০২০ সাল থেকে চলে আসা ভঙ্গুর শান্তিচৌকি বর্তমানে হুমকির মুখে পড়েছে।

সৌদি জোটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, হুদাইদা বন্দর লক্ষ্য করে কোনো হামলা চালানো হয়নি এবং ইয়েমেনের সব বন্দর, যেমন হুদাইদা, রাস ইসা ও সালিফ বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে। একইসাথে, সৌদি স্বার্থ রক্ষায় এবং আন্তর্জাতিক নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে জোটটি হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

এদিকে, সৌদি আরবের ইয়েমেন বিষয়ক রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আল-জাবের হুথিদের তীব্র সমালোচনা করে জানিয়েছেন, এই মিলিশিয়া গোষ্ঠী ইয়েমেনকে বৈদেশিক শক্তির হাতের পুতুলে পরিণত করেছে এবং জনগণের দুর্দশা বাড়িয়ে চলেছে। ইয়েমেনের প্রেসিডেন্টির প্রধান রাশাদ আল-আলিমিও একই সুরে মন্তব্য করে বলেন, হুথিরা তাদের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ইয়েমেনের স্বার্থ জুয়ায় ঠেলে দিচ্ছে এবং বহিরাগত এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে।

অপরদিকে, হুথি নিয়ন্ত্রিত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই হামলাকে সংঘাতের নতুন ধাপের সূচনা হিসেবে উল্লেখ করেছে। হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজে বিঘ্ন ঘটানো সৌদি আরবের জন্য লোহিত সাগরের গুরুত্ব বর্তমানে বহুগুণ বেড়ে গেছে, যা এই সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%