ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

গোলাপগঞ্জ প্রেসক্লাব নির্বাচনে রাজনীতির মেরুকরণ,বিএনপির নেতা প্রেসক্লাব সভাপতি, সম্পাদক জামায়াত


গোলাপগঞ্জ প্রেসক্লাব নির্বাচনে রাজনীতির মেরুকরণ,বিএনপির নেতা প্রেসক্লাব সভাপতি, সম্পাদক জামায়াত

সিলেটের গোলাপগঞ্জ প্রেসক্লাব নির্বাচন ৩ অক্টোবর ২০২৬ইং সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় জামকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে। দীর্ঘ ২০ বছর পর গোলাপগঞ্জ প্রেসক্লাবের নির্বাচনকে ঘিরে স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। আসন্ন নির্বাচনে ১৭টি পদের বিপরীতে মোট ৪৭টি মনোনয়নপত্র গ্রহণ করছিলেন প্রার্থীরা। তার মধ্যে গোলাপগঞ্জ প্রেসক্লাবে ৮৪ জন যারা ভোটার হয়েছেন বেশির ভাগ জামায়াত আর বিএনপির নেতাকর্মী, তার মধ্যে সাংবাদিক হাতে গণা ১০ থেকে ১২ জন। বাকিরা বিভিন্ন রাজনৈতিক বলয়কে শক্তিশালি করে সদস্য পদ নিয়েছেন। ৩ অক্টোবর ২০২৬ইং (শনিবার) প্রেসক্লাব নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত বেশির ভাগ বিএনপির ও জামায়াতের সিলেট জেলার নেতৃবৃন্দ ভোট কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। বিশ^স্থ সূত্রে জানা যায়, ২ অক্টোবর রাত ৩টা পর্যন্ত এক শ^াসরোধ্য কর বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় নির্বাচন কমিশন ও বিএনপি, জামায়াত নেতাদের নিয়ে জিবি টেলিভিশন কার্যালয়ে। সেই বৈঠকে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আই ওয়াশ নির্বাচন দেখানো হয় প্রেসক্লাবের অন্যান্যদের সদস্যদের জনসম্মুখে।
যে পদে যারা লড়ছিলেন তার মধ্যে সভাপতি রয়েছেন ৪ জন তারা হলেন -আবুল কাশেম রুমন, এনামুল হক এনাম, সৈয়দ জেলওয়ার হোসেন স্বপন,মাহফুজ আহমদ চৌধুরী।
অন্যান্যপদে যারা লড়ছিলেন তারা হলেন,সিনিয়র সহ-সভাপতি আজিজুর রহমান খান,এম.জি মোস্তফা,জহুরুল ইসলাম, সহ-সভাপতি,আব্দুল খালিক, বদরুল আলম,সাধারণ সম্পাদক, ইমরান আহমদ, মাহবুবুর রহমান চৌধুরী,সহ-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আজিজ বাবর,জাহিদ উদ্দিন,সাকিব আল মামুন, কোষাধ্যক্ষ  আনোয়ার হুমায়ুন, দেলোয়ার হোসেন মাহমুদ, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক, মো. তামিম আহমদ, মোহাম্মদ সাজু মিয়া, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক ফাহাদ হোসাইন,রুহুল আমিন, প্রচার সম্পাদক জালাল আহমদ চৌধুরী,ফাহিম আহমদ, মোহাম্মদ জাকির আহমদ, প্রকাশনা সম্পাদক সাইম ইবনে আব্বাস, শাকেল উদ্দিন, দপ্তর সম্পাদক ওলিউর রহমান তামিম,রুবেল আহমদ তালুকদার, রিমন আহমদ,তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক জাবের আহমদ, সামিল হোসেন, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক  জাবেদ মাহবুব,ফারহান ইসলাম রাজু,হাফিজুল ইসলাম,হাবিবুর রহমান,সালমান কাদের দিপু, কার্যকরী সদস্য-এম.আব্দুল জলিল, আব্দুল্লা আহমদ, আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, বাবর  জোয়ারদার,আরিফ আহমদ জিলু,জাবেদ আহমদ,মাহদী রহমান, মোহাম্মদ জাবের আহমদ, দীনেশ দেব নাথ, ফখরুল ইসলাম, মীর কাওছার আহমদ।
এদের মধ্যে যারা বিজয়ী হয়েছেন যারা তারা হলেন বিএনপি মনোনিত সভাপতি পদে এনামুল হক এনাম ৪১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মাহফুজ আহমদ চৌধুরী পান ৩১ ভোট।
সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে বিএনপির প্রার্থী আজিজুর রহমান খান ৫১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। নিকটতম স্বতন্ত্র প্রতিদ্বন্দ্বী জহুরুল ইসলাম পান ২৩ ভোট। জামায়াত সহ-সভাপতি পদে বদরুল আলম ৫০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন তাঁর নিকটতম বিএনপি প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল খালিক পান ৩৩ ভোট।
জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক পদে মাহবুবুর রহমান চৌধুরী ৪৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ইমরান আহমদ পান ৩৯ ভোট। বিএনপির সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে আব্দুল আজিজ বাবর ৩৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন, জামায়াতের সাকিব আল মামুন পান ৩১ ভোট।
কোষাধ্যক্ষ পদে আনোয়ার হুমায়ুন ৪৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দেলওয়ার হোসেন মাহমুদ পান ৩৭  ভোট।
এ ছাড়া ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক পদে মো. তামিম আহমদ ৪০ ভোট, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক পদে ফাহাদ হোসাইন ৪৪  ভোট, প্রচার সম্পাদক পদে ফাহিম আহমদ ৩৪ ভোট, প্রকাশনা সম্পাদক পদে সাকেল উদ্দিন ৪১ ভোট, দপ্তর সম্পাদক পদে ওলিউর রহমান তামিম ৩৭ ভোট, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক পদে সামিল হোসেন ৪৭ ভোট এবং প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক পদে সালমান কাদের দিপু ৩৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি এক সময় আওয়ামীলীগ রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন বর্তমানে বিএনপির ছত্রছায়ায়।
কার্যনির্বাহী সদস্য পদে জামায়াতের মোহাম্মদ জাবের আহমদ ৪৬ ভোট, বিএনপির বাবর জোয়ারদার ৪৫ ভোট, মাহদী রহমান ৩৮ ভোট এবং  জামায়াতের এম. আব্দুল জলিল ৩৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। পরিসংখ্যানা দেখা যায় যারা নির্বাচিত হয়েছেন তারা বেশির ভাগ বড় দুই দলের মেরুকরণ সাথে জড়িত। 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পূর্বধলা সরকারি কলেজে অধ্যক্ষের কক্ষের দরজায় আগুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ উজ্জ্বল মিয়া, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:২৯ এম


পূর্বধলা সরকারি কলেজে অধ্যক্ষের কক্ষের দরজায় আগুন

নেত্রকোনার পূর্বধলা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের কক্ষের দরজায় পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আজ রোববার (৪ অক্টোবর) ভোররাত তিনটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আগুনে দরজার কিছু অংশ কালচে হয়ে গেছে।

কলেজের নিরাপত্তাকর্মী মাফিজ উদ্দিন বলেন, ভোররাতে তিনি হেলমেট পরা দুই ব্যক্তিকে অধ্যক্ষের কক্ষের দরজায় পেট্রোল ঢেলে আগুন দিতে দেখেন। তিনি এগিয়ে গেলে ওই দুজন দ্রুত সেখান থেকে চলে যান। পরে পানি দিয়ে আগুন নেভানো হয়। ঘটনাস্থলে একটি পেট্রোলের বোতল পড়ে থাকতে দেখা যায়।

কারা আগুন দিয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি। কলেজের সিসিটিভি ক্যামেরা নষ্ট থাকায় ঘটনার কোনো ফুটেজও পাওয়া যায়নি।

এদিকে উপাধ্যক্ষ মো. আনোয়ারুল হক রতনের অপসারণ ও বিচার এবং নতুন অধ্যক্ষ নিয়োগের দাবিতে আজ সকাল ১০টায় কলেজ প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দিয়েছেন কলেজের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা।

অধ্যক্ষ নিয়োগ নিয়ে আলোচনা

সম্প্রতি পূর্বধলা সরকারি কলেজে অধ্যক্ষ নিয়োগ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। গত ৩০ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক মোহাম্মদ আকবর আলী কলেজটির অধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দেন। এর এক দিন পর তাঁর বদলি ও পদায়নের আদেশ বাতিল করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি কলেজ-২ শাখা থেকে ১ অক্টোবর জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, প্রশাসনিক কারণে ২৭ সেপ্টেম্বরের প্রজ্ঞাপনে অধ্যাপক মোহাম্মদ আকবর আলীকে পূর্বধলা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে বদলি ও পদায়নের আদেশের সংযুক্ত অংশ বাতিল করা হয়েছে।

এর আগে ২৭ সেপ্টেম্বর তাঁকে অধ্যক্ষ হিসেবে পদায়ন করা হয়। ওই আদেশের ভিত্তিতে ২৮ সেপ্টেম্বর তিনি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে যোগ দেন। পরে ৩০ সেপ্টেম্বর দুপুরে পূর্বধলা সরকারি কলেজে এসে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

তবে এক দিন পরই তাঁর পদায়ন বাতিল হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়।

দীর্ঘদিন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্বে উপাধ্যক্ষ

১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্বধলা ডিগ্রি কলেজ ২০১৮ সালের ৮ আগস্ট জাতীয়করণ করা হয়। জাতীয়করণের পর থেকে প্রায় আট বছর ধরে কলেজটির উপাধ্যক্ষ মো. আনোয়ারুল হক রতন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তাঁর অপসারণ ও বিচার এবং নতুন অধ্যক্ষ নিয়োগের দাবিতে আজকের বিক্ষোভ কর্মসূচিকে ঘিরে কলেজ এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

ঘটনার পর পূর্বধলা থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আগুন দেওয়ার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে পুলিশ তদন্ত করছে।

পূর্বধলা থানার পুলিশের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে এ ঘটনায় কাউকে আটক বা গ্রেপ্তারের তথ্য পাওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সোমালিয়ায় ইসরায়েলিদের উপস্থিতি নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি প্রেসিডেন্ট হাসানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:২৯ এম


সোমালিয়ায় ইসরায়েলিদের উপস্থিতি নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি প্রেসিডেন্ট হাসানের

সোমালিয়া ‘কোনো অবস্থাতেই’ দেশটিতে ইসরায়েলি উপস্থিতি মেনে নেবে না এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংকটে জড়িয়ে পড়ার যেকোনো প্রচেষ্টা তারা প্রতিহত করবে বলে জানিয়েছেন সোমালিয়ার প্রেসিডেন্ট হাসান শেখ মোহামুদ।

সম্প্রতি আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

হাসান শেখ মোহামুদ উল্লেখ করেন, ইসরায়েল বারবার্বায় একটি নৌঘাঁটি স্থাপন ও বিমানবন্দর ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে। তাদের আসল উদ্দেশ্য হলো উপসাগরীয় দেশগুলোর ও ইরানের কাছাকাছি যাওয়া। বারবার্বা হলো সোমালিল্যান্ডের এডেন উপসাগর উপকূলের একটি বন্দরনগরী।

সোমালিল্যান্ড হচ্ছে সোমালিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের একটি স্বঘোষিত প্রজাতন্ত্র, যা ইসরায়েল গত বছর স্বীকৃতি দিয়েছিল, কিন্তু মোগাদিশু এই অঞ্চলটিকে নিজেদের বলে দাবি করে। বারবার্বা কৌশলগত বাব আল-মান্দেব প্রণালীর কাছাকাছি সমুদ্রের ওপারে ইয়েমেনের মুখোমুখি অবস্থিত। ইরানপন্থি হুথিরা এর আগে এ এলাকায় ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোর ওপর অবরোধ আরোপ করেছিল।

এ বিষয়ে সোমালিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন, ইসরায়েলি পরিকল্পনাগুলো ‘গ্রেটার ইসরায়েল’ প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত। এই শব্দটি বিভিন্ন প্রস্তাবকে বোঝায়, যা প্রায়শই বাইবেলের ব্যাখ্যার ওপর ভিত্তি করে বর্তমান সীমানার বাইরে ইসরায়েলের ভূখণ্ডগত নিয়ন্ত্রণের কথা বলে। এর কিছু রূপ নীল নদ থেকে ইউফ্রেটিস নদী পর্যন্ত বিস্তৃত।

ইসরায়েল এটিকে তাদের আনুষ্ঠানিক নীতি হিসেবে গ্রহণ করেনি, তবে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ২০২৫ সালের আগস্টে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, তিনি এই দর্শনের সঙ্গে নিজের সংযোগ অনুভব করেন, যা আরব সরকারগুলোর তীব্র নিন্দা কুড়িয়েছিল।

সোমালিয়ার প্রেসিডেন্ট ইসরায়েলকে একটি ‘অস্থিতিশীলতাকারী শক্তি’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যারা আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলে না। গত ডিসেম্বরে সোমালিল্যান্ডকে তেল আবিবের স্বীকৃতি দেওয়ারও সমালোচনা করেন তিনি।

মোহামুদ বলেন, ইসরায়েল ছাড়া অন্য কোনো দেশ সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দেয়নি, অথচ ওই অঞ্চলের নিজস্ব বাসিন্দারাও ইসরায়েলি উপস্থিতির সম্পূর্ণ বিরোধী।

সোমালিল্যান্ড ১৯৯১ সালে সোমালিয়া থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেয় এবং তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে নিজেদের স্বাধীনভাবে পরিচালনা করে আসছে। কিন্তু ইসরায়েলি পদক্ষেপের আগ পর্যন্ত তারা জাতিসংঘের কোনো সদস্য রাষ্ট্রের স্বীকৃতি অর্জন করতে পারেনি।

সোমালিয়ার প্রেসিডেন্ট জানান, ‘সন্ত্রাসবাদের’ বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখনো তাদের দেশের সবচেয়ে শক্তিশালী অংশীদার। প্রধান শহরগুলোতে আল-শাবাবের কোনো উপস্থিতি নেই, ফলে এই গোষ্ঠীটির সোমালিয়ার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

আল-শাবাব একটি সোমালি সশস্ত্র গোষ্ঠী, যা দুই হাজার দশকের মাঝামাঝি সময়ে ইসলামিক কোর্টস ইউনিয়ন থেকে আত্মপ্রকাশ করে এবং ২০১২ সালে আল-কায়েদার প্রতি আনুগত্যের অঙ্গীকার করে। তারা বছরের পর বছর ধরে সোমালিয়ার ফেডারেল সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে, সোমালিয়ার দক্ষিণ ও মধ্য অংশের কিছু এলাকা দখল করে রেখেছে এবং মোগাদিশু ও প্রতিবেশী কেনিয়াসহ বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক হামলা চালিয়েছে।

পূর্ব আফ্রিকা অঞ্চলের বিষয়ে সাক্ষাৎকারে মোহামুদ বলেন, প্রতিবেশী ইথিওপিয়ার সঙ্গে সোমালিয়ার সম্পর্ক ভালো এবং অর্থনৈতিক স্বার্থে সোমালি বন্দরগুলো ব্যবহারের জন্য যৌথ চুক্তির মাধ্যমে আদ্দিস আবাবার সমুদ্রের প্রবেশাধিকার অর্জনে মোগাদিশুর কোনো আপত্তি নেই।

১৯৯৩ সালে ইরিত্রিয়া স্বাধীন হওয়ার পর থেকে ইথিওপিয়া স্থলবেষ্টিত রয়েছে এবং বাণিজ্যের জন্য মূলত জিবুতির বন্দরগুলোর ওপর নির্ভর করে। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে আদ্দিস আবাবা সোমালিল্যান্ডের সঙ্গে সমুদ্র প্রবেশাধিকারের বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে, যাকে সোমালিয়া তাদের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন বলে নিন্দা জানায়। পরে সোমালিয়া ও ইথিওপিয়া উত্তেজনা প্রশমনে সম্মত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিউইয়র্ক পুলিশে ডেপুটি ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মোহাম্মদ ইসলাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:২৯ এম


নিউইয়র্ক পুলিশে ডেপুটি ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মোহাম্মদ ইসলাম

নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগে ডেপুটি ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পুলিশ কর্মকর্তা মোহাম্মদ এস ইসলাম। বাংলাদেশি আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন এবং নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের মুসলিম কর্মকর্তাদের সংগঠন তাকে নতুন পদে অভিনন্দন জানিয়েছে।

বর্তমানে মোহাম্মদ এস ইসলাম নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে পুলিশ বিভাগের ৬২তম প্রিসিঙ্কটের কমান্ডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার দায়িত্বাধীন এলাকায় বেনসনহার্স্ট, ম্যাপলটন ও বাথ বিচ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের প্রিসিঙ্কট পরিচিতিতেও তাকে ওই এলাকার কমান্ডিং অফিসার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাংলাদেশি আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগে ইসলামের কর্মজীবন ১৮ বছরের। এই দীর্ঘ সময়ের মধ্যে তিনি আবাসন পুলিশ, টহল বিভাগ ও গোয়েন্দা বিভাগসহ পুলিশের বিভিন্ন শাখায় দায়িত্ব পালন করেছেন।

পদোন্নতিকে তার দীর্ঘ কর্মজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে উল্লেখ করে বাংলাদেশি আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন তাকে ও তার পরিবারকে অভিনন্দন জানিয়েছে।

তবে শুক্রবার (২ অক্টোবর) পর্যন্ত নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের ওয়েবসাইটে ইসলামের নামের পাশে আগের পদবি ‘ক্যাপ্টেন’ লেখা ছিল। অন্যদিকে, বাংলাদেশি আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন এবং নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের মুসলিম কর্মকর্তাদের সংগঠন তার ডেপুটি ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতির খবর জানিয়েছে।

পদোন্নতি কার্যকর হওয়ার নির্দিষ্ট তারিখ সংগঠনগুলোর প্রকাশিত ঘোষণায় উল্লেখ করা হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাচোল পৌরসভায় বইছে নতুন হাওয়া, বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে দোয়া প্রার্থী আলহাজ্ব মোঃ সামিউল আলম মানিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ তুহিন,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩০ এম


নাচোল পৌরসভায় বইছে নতুন হাওয়া, বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে দোয়া প্রার্থী আলহাজ্ব মোঃ সামিউল আলম মানিক

 

আসন্ন নাচোল পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এলাকা জুড়ে রাজনৈতিক উত্তাপ শুরু হয়েছে। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লায় এখন প্রধান আলোচনার বিষয় কে হতে যাচ্ছেন নতুন পৌর পিতা। এই নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে উঠে এসেছে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও জনপ্রিয় সমাজসেবক আলহাজ্ব মোঃ সামিউল আলম মানিক এর নাম।

স্থানীয় সূত্র জানায়, আলহাজ্ব মোঃ সামিউল আলম মানিক দীর্ঘদিন ধরে এলাকার সাধারণ মানুষের দুঃখ-কষ্টে পাশে রয়েছেন। তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জনসাধারণের মাঝে গভীর আস্থা অর্জন করেছেন। দলীয় কর্মসূচিতে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সাথে নিবিড় সম্পর্কের কারণে তিনি পৌরবাসীর নিকট অত্যন্ত জনপ্রিয়।

মনোনয়ন প্রত্যাশা সম্পর্কে জানতে চাইলে আলহাজ্ব মোঃ সামিউল আলম মানিক জানান, "শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয়, তবে আমি পৌরসভাকে একটি মডেল ও বাসযোগ্য শহর হিসেবে গড়ে তুলবো। আমি পৌরবাসীসহ সকলের নিকট দোয়া ও সমর্থন কামনা করছি।"

পৌরবাসীর ধারণা, আলহাজ্ব মোঃ সামিউল আলম মানিককে বিএনপি মনোনয়ন দিলে একটি শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দিতা হবে এবং তার জয়ের সম্ভাবনা উজ্জ্বল। এলাকার যুবসমাজ ও প্রবীণরা তাকে ঘিরে নতুন স্বপ্ন দেখছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%