০৯:৫৯ পি.এম
এক ঘণ্টা পিছিয়ে থাকার পর আট মিনিটের ব্যবধানে রিকার্দো ক্যালাফিওরি ও ব্রুনো গিমারেসের গোলে লিডস ইউনাইটেডকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন আর্সেনাল জয়ে ফিরেছে।
ব্রাইটনের কাছে বড় হারের পর আর্সেনাল আবারও জয়ের স্বাদ পেল। এমিরেটস স্টেডিয়ামে লিডস ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে ২-১ ব্যবধানে জয়লাভ করেছে প্রিমিয়ার লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচের প্রথম এক ঘণ্টা পিছিয়ে থাকার পর রিকার্দো ক্যালাফিওরি ও বদলি হিসেবে নামা ব্রুনো গিমারেস আর্সেনালকে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করেন। উভয়েই আট মিনিটের ব্যবধানে গোল করেন।
শুরুতে কিছুটা চাপ সৃষ্টি করলেও আর্সেনাল পরিষ্কার সুযোগ তৈরি করতে সক্ষম হয়নি। বরং লিডসের অ্যান্টন স্টাখের শট সতীর্থ জেডেন বোগলের গায়ে লেগে বাধা পায়। পরে এথান অ্যাম্পাডুর লুপিং হেড গোললাইন থেকে ডেভিড রায়া সামলে দেন। বিরতির আগে গ্যাব্রিয়েল গুডমুন্ডসনও রায়াকে পরীক্ষা করেন।
আরও পড়ুন: ব্যর্থতার আবর্তে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, লিডসের সঙ্গে ১-১ ড্র
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আও তানাকা রায়াকে আবারও ব্যস্ত রাখেন। এরপর ৫৫ মিনিটে গুডমুন্ডসনের ক্রস থেকে জেমস জাস্টিন জোরালো শটে লিডসকে এগিয়ে দেন। তবে সাত মিনিট পর আর্সেনাল সমতায় ফেরে। ক্যালাফিওরির ভলি গোলরক্ষক জেমস ট্রাফোর্ডের নাগালের বাইরে চলে যায়।
এরপর আর্সেনাল আক্রমণের গতি বাড়ায়। ক্যালাফিওরি আরও একটি সুযোগ পেলেও তা বাইরে মারেন। সমতাসূচক গোলের পর নামা তিন বদলির একজন গিমারেসই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করেন। ডেকলান রাইসের তৈরি করা দারুণ আক্রমণ থেকে বল পেয়ে ঠান্ডা মাথায় জালে পাঠান ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার।
শেষ দিকে মার্টিন ওডেগার্ড খুব কাছ থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন। ভিক্টর গিয়োকেরেসও ট্রাফোর্ডের আরেকটি ভুল কাজে লাগাতে পারেননি। ফলে লিডস সমতা ফেরাতে সক্ষম হয়নি। এর মধ্য দিয়ে ২০০৩ সালের মে মাসের পর আর্সেনালের মাঠে প্রিমিয়ার লিগে লিডসের জয়হীন থাকার ধারাও অব্যাহত রইল।
প্রথমার্ধে আর্সেনালের পারফরম্যান্স ছিল নিষ্প্রভ। বিরতির আগে তারা মাত্র চারটি শট নেয়, যেখানে লিডস নেয় সাতটি; আর্সেনালের প্রথমার্ধের xG ছিল মাত্র ০.৪১। দ্বিতীয়ার্ধে চিত্র বদলে যায়—নয়টি শট, পাঁচটি লক্ষ্যে এবং ২.১৭ xG তৈরি করে আর্সেনাল। পুরো ম্যাচে লিডসের xG ছিল ০.৬৮।
আরও পড়ুন: বৃষ্টি-বাগড়ার মাঝেই ত্রাস ছড়ালেন বোল্যান্ড
ক্যালাফিওরির গোলটি ছিল ম্যাচের মোড় ঘোরানো মুহূর্ত। এই মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে তাঁর গোল-অ্যাসিস্ট মিলিয়ে অবদান দাঁড়াল তিন, যা গত মৌসুমে ২৬ ম্যাচে তাঁর মোট অবদানের সমান। গিমারেসের শেষ ১০ লিগ গোলের নয়টিই এসেছে দলকে এগিয়ে দেওয়া বা সমতা ফেরানোর গোল হিসেবে—বড় মুহূর্তে আবারও কার্যকর প্রমাণিত হলেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন