ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইয়েমেনে সংঘাত: খাদ্য ও জ্বালানি সংকটে বাস্তুচ্যুত দুই লাখের বেশি মানুষ


ইয়েমেনে সংঘাত: খাদ্য ও জ্বালানি সংকটে বাস্তুচ্যুত দুই লাখের বেশি মানুষ

চলমান সংঘাতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ইয়েমেনে গত কয়েক সপ্তাহে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন দুই লাখের বেশি মানুষ। নরওয়েজিয়ান রিফিউজি কাউন্সিল (এনআরসি) জানিয়েছে, নতুন করে শুরু হওয়া এই রক্তক্ষয়ী সংঘাত দেশটির খাদ্য ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণরূপে বিপর্যস্ত করে তুলেছে।

এনআরসির তথ্য অনুযায়ী, চলমান সংঘাতের ফলে ইয়েমেনের তাইজসহ বিভিন্ন এলাকায় যুদ্ধাপরতীর পরিবর্তন ঘটেছে। এর ফলে সাধারণ মানুষ অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে এবং জরুরি ত্রাণ বা নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর প্রবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এনআরসির অ্যাডভোকেসি ম্যানেজার অ্যালিসন বটমলে জানিয়েছেন, এই নতুন সংঘাত শুরু হওয়ার আগেই ইয়েমেন বিশ্বের অন্যতম ভয়াবহ মানবিক সংকটের মুখোমুখি ছিল।

আরও পড়ুন: জ্বালানি ব্যয় বাড়ায় থমকে গেল বিলাসবহুল প্রমোদতরি, কম্বোডিয়ায় আটকা ২০০ যাত্রী

তিনি আরও উল্লেখ করেন, সরবরাহ লাইন বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে তাইজ অঞ্চলে খাদ্যের দাম ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। যদি পরিস্থিতি এভাবে চলতে থাকে, তবে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই দেশটির আটার মজুদ ফুরিয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে তীব্র জ্বালানি সংকটের কারণে বিশুদ্ধ পানির সরবরাহও হুমকির মুখে পড়েছে।

এনআরসির সহায়তায় পরিচালিত বাস্তুচ্যুত মানুষের ক্যাম্পগুলোর পরিস্থিতি তুলে ধরে অ্যালিসন বলেন, কিছু কিছু এলাকায় এসব ক্যাম্পের আকার দ্বিগুণ হয়ে গেছে। ঘরছাড়া এসব পরিবারগুলোর অধিকাংশই কোনো ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ছাড়াই আশ্রয়শিবিরে এসে পৌঁছাচ্ছেন।

বাস্তুচ্যুত মানুষের দুর্ভোগের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, "যাঁরা ঘর ছেড়ে পালিয়ে আসছেন, তাঁদের সবার মুখে একই কথা—তাঁরা সবকিছু পেছনে ফেলে খালি হাতে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছেন। এটি অত্যন্ত মর্মান্তিক।" সূত্র: আল জাজিরা।

আরও পড়ুন: নেপালে পর্বতজয়ের পর ৫০০০ ফুট নিচে পড়ে জার্মান পর্বতারোহীর মৃত্যু

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কিশোরগঞ্জে স্যানিটেশন মাস ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসের র‌্যালি ও আলোচনা সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:২৬ পি.এম


কিশোরগঞ্জে স্যানিটেশন মাস ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসের র‌্যালি ও আলোচনা সভা

জাতীয় স্যানিটেশন মাস ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে কিশোরগঞ্জ পৌরসভার উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং নিরাপদ স্যানিটেশন ব্যবস্থার গুরুত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) কিশোরগঞ্জ পৌরসভা কার্যালয় থেকে র‌্যালিটি শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় পৌরসভা কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। এরপর পৌরসভা কার্যালয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এ বছরের জাতীয় স্যানিটেশন মাস ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল ‘আমাদের হাত, আমাদের ভবিষ্যৎ’ বলে জানানো হয়।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন কিশোরগঞ্জ পৌরসভার পৌরনির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ শফিকুর রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার বিভাগের কিশোরগঞ্জের সহকারী পরিচালক রাহুল ঘোষ।

সভায় বক্তব্য রাখেন কিশোরগঞ্জ পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কিশোরগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান, পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান, নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিকিৎসক তাজরীন তাবাসসুম এবং পৌরসভার হিসাবরক্ষক সিরাজুল ইসলাম।

আলোচনা সভায় বক্তারা উল্লেখ করেন, সুস্থ ও সুন্দর জীবনযাপনের জন্য ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা, নিরাপদ স্যানিটেশন এবং স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা অপরিহার্য। বিশেষ করে পানিবাহিত ও বিভিন্ন সংক্রামক রোগের বিস্তার রোধে নিয়মিত সাবান দিয়ে সঠিক নিয়মে হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই। বক্তারা বলেন, দৈনন্দিন জীবনে পরিচ্ছন্নতার চর্চা ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজকে নানা রোগের ঝুঁকি থেকে সুরক্ষিত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

তারা আরও বলেন, শুধু দিবস উদ্যাপনের মধ্যেই পরিচ্ছন্নতার সচেতনতা সীমাবদ্ধ রাখা উচিত নয়; বরং প্রত্যেকের ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। নিরাপদ স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, পরিবেশ পরিষ্কার রাখা এবং হাত ধোয়ার সঠিক পদ্ধতি সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

বক্তারা একটি সুস্থ, পরিচ্ছন্ন ও রোগমুক্ত সমাজ গঠনে ব্যক্তি থেকে শুরু করে সব পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা শিশু-কিশোরসহ সর্বস্তরের মানুষকে নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধোয়া এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অভ্যাস গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নীলফামারীতে ২৮ হারানো মোবাইল উদ্ধার, মালিকদের কাছে হস্তান্তর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:২৬ পি.এম


নীলফামারীতে ২৮ হারানো মোবাইল উদ্ধার, মালিকদের কাছে হস্তান্তর

নীলফামারীতে হারিয়ে যাওয়া ২৮টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে জেলা পুলিশের সাইবার সেল প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করেছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) নীলফামারী পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উদ্ধার করা মোবাইল ফোনগুলো মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে মোবাইল ফোনগুলো হস্তান্তর করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহসিন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) এ.বি.এম. ফয়জুল ইসলাম ও সহকারী পুলিশ সুপার (প্রবেশনার) মো. মাহমুদ খান।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জেলার বিভিন্ন থানায় হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধারে সাধারণ ডায়েরির (জিডি) ভিত্তিতে সাইবার সেল কাজ করে। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অনুসন্ধান চালিয়ে এসব মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। পরে প্রকৃত মালিকদের শনাক্ত করে সেগুলো তাঁদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

হারানো মোবাইল ফোন ফিরে পেয়ে মালিকেরা সন্তোষ ও আনন্দ প্রকাশ করেন। ফোন উদ্ধারে সহযোগিতার জন্য তাঁরা নীলফামারী জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

জেলা পুলিশ জানায়, প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিং কার্যক্রমের অংশ হিসেবে হারানো ও চুরি যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধারে সাইবার সেল নিয়মিত কাজ করছে। তথ্যপ্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধার ও প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার এ উদ্যোগে জেলা পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও জোরদার হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রথমবারের মতো দুর্গাপূজায় চলবে বিআরটিসির বিশেষ বাস সার্ভিস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:২৭ পি.এম


প্রথমবারের মতো দুর্গাপূজায় চলবে বিআরটিসির বিশেষ বাস সার্ভিস

শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি) প্রথমবারের মতো ‘দুর্গাপূজা বিশেষ বাস সার্ভিস’ চালু করছে।

আজ বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বিআরটিসি আগামী ২০শে অক্টোবর (মঙ্গলবার) থেকে ২৪শে অক্টোবর পর্যন্ত এই বিশেষ সার্ভিস পরিচালনা করবে। আগামীকাল শুক্রবার থেকে দেশের ২২টি বিআরটিসি ডিপো থেকে বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রির কার্যক্রম শুরু হবে। এছাড়াও, রিজার্ভের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকা ও গাজীপুর থেকে রংপুর, বগুড়া, গাইবান্ধা, দিনাজপুর, পাবনা, ঠাকুরগাঁও, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, রাজশাহী, নওগাঁ, পঞ্চগড়, কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, কুষ্টিয়া, বরিশাল, খুলনা, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা, কিশোরগঞ্জ, জামালপুর, সিলেট, সুনামগঞ্জ ও চট্টগ্রামসহ আন্তঃজেলার বিভিন্ন রুটের জন্য বিআরটিসি ২০০টি বাস প্রস্তুত রেখেছে।

ঢাকার মতিঝিল বাস ডিপো, ফুলবাড়িয়া সিবিএস-২, সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল, গাজীপুর চৌরাস্তা, চন্দ্রা মোড় ও মহাখালী বাস টার্মিনালে ৬০টি বাস স্ট্যান্ডবাই রাখা হবে। দুর্গাপূজা বিশেষ বাস সার্ভিস সম্পর্কিত যেকোনো প্রয়োজনে যাত্রীদের বিআরটিসির নিয়ন্ত্রণ কক্ষে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্গাপূজায় ১ হাজার ৮০০ মণ্ডপে নিরাপত্তা দেবে বিজিবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:২৮ পি.এম


দুর্গাপূজায় ১ হাজার ৮০০ মণ্ডপে নিরাপত্তা দেবে বিজিবি

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী জানিয়েছেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সীমান্তের ৮ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত প্রায় ১ হাজার ৮০০টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব বিজিবি পালন করছে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা ও দিকনির্দেশনায় দেশের অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী রমনা কালীমন্দির পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা জানান এবং রমনা কালীমন্দির সর্বজনীন পূজা উদ্‌যাপন কমিটির সভাপতি ও অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

বিজিবি মহাপরিচালক আরও বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা ও দিকনির্দেশনায় দেশের অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। তিনি জানান, সীমান্তের ৮ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত প্রায় ১ হাজার ৮০০টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব বিজিবি পালন করছে। ইতোমধ্যে বিজিবির সংশ্লিষ্ট ইউনিটের সদস্যরা সরেজমিনে পূজামণ্ডপগুলো পরিদর্শন করেছেন এবং পূজা উদ্‌যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয় করেছেন। সীমান্তের যেসব পূজামণ্ডপ বিজিবির বর্ডার আউটপোস্ট (বিওপি) থেকে কিছুটা দূরে অবস্থিত, সেসব স্থানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১৮টি বেস ক্যাম্প স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিজিবির সদর দপ্তর, রিজিয়ন, সেক্টর ও ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরের আশপাশে অবস্থিত পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি জানান, পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা তদারকি ও দ্রুত সমন্বয়ের লক্ষ্যে বিজিবি সদর দপ্তরে একটি সার্বক্ষণিক কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি ‘শারদীয় সুরক্ষা অ্যাপ’-এর মাধ্যমে যেকোনো সমস্যা বা জরুরি পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্টরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে প্রস্তুত রয়েছে।

বিজিবি মহাপরিচালক আরও বলেন, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ, ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে। বিজিবির সদস্যরা পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন, যাতে সারা দেশে দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্ন ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্‌যাপিত হতে পারে।

বিজিবি মহাপরিচালকের পরিদর্শনকালে বিজিবি সদর দপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশনস অ্যান্ড ট্রেনিং), ঢাকা সেক্টর কমান্ডারসহ বিজিবির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%