ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও বর্তমান বাস্তবতা: নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন


জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও বর্তমান বাস্তবতা: নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন

২০২৪ সালের আগস্ট মাস কিছুটা দেরিতে উপস্থিত হয়েছে। প্রথম পাঁচ দিন ছিল জুলাইয়ের গর্ভে। আগস্টের পাঁচ দিন নিয়ে জুলাই স্ফীত হয়ে ৩৬ দিনে পরিণত হয়েছে এবং একটি নতুন বাংলাদেশের জন্ম দিয়েছে। নতুন বাংলাদেশটি কী? এর স্বরূপ কেমন ছিল? আজ দুই বছর পর সেই বাংলাদেশের সঠিক চিত্রটি বোঝার সময় এসেছে।

কোটা সংস্কার আন্দোলন যখন নাহিদ ইসলামের ঘোষণায় এক দফার আন্দোলনে পৌঁছায় এবং সেই ঘোষণা অনুযায়ী ১৭ বছরের এক দানবীয় অপশক্তির পতন ঘটে, তখন মানুষ ভাবতে শুরু করে, এটাই জুলাই। কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছিল, এরপর কী হবে? আবার তারা স্বগতোক্তির মতো বলেছিল, যা খুশি তাই হোক, অন্তত রাক্ষসী হাসিনার হাত থেকে দেশ মুক্ত হয়েছে। অধিকাংশ মানুষ মনে করেছিল, হাসিনার পতনই জুলাইয়ের চূড়ান্ত আকাঙ্ক্ষা। কিছুদিন পর হাসিনা-ব্যবস্থার সুবিধাভোগীরা এইটুকুও বলতে নারাজ হয়ে যায়। তারা বলতে শুরু করে, জুলাই ছিল চাকরিতে কোটা সংস্কারের আন্দোলন, ব্যস, এর বেশি কিছু নয়। আমেরিকানরা টাকা দিয়ে এনজিওগুলোকে মাঠে নামিয়েছে হাসিনার পতন ঘটানোর জন্য। টাকা, ক্ষমতা, বুলেট—সবই তো হাসিনার ছিল। তিনি কি পেরেছিলেন মানুষকে নিবৃত্ত করতে? পারেননি। সারা দেশের মানুষ একটি আকাঙ্ক্ষা বুকে ধারণ করে চব্বিশের জুলাইয়ে রাজপথে নেমে এসেছিল। এমন স্বতঃস্ফূর্ত জনস্রোত টাকা দিয়ে তৈরি করা যায় না। ছেলেকে পুলিশ গাড়িতে তুলছে, মা তার পিঠ চাপড়ে দিচ্ছে—টাকা দিয়ে কোনো মাকে এই উচ্চতায় তোলা যায় না। হাজার হাজার মা রাস্তায় নেমে এসে পুলিশের গুলি উপেক্ষা করে সন্তানতুল্য ছাত্রছাত্রীদের মুখে পানি, ফলের রস, নুডলস তুলে দিচ্ছেন। কেউ টাকা দিয়ে এমন একটি দৃশ্য আবার তৈরি করতে পারবে?

সবাই একটি আকাঙ্ক্ষা নিয়ে হাসিনার পতন ঘটাতে নেমে এসেছিল—আর যেন কেউ এ দেশে হাসিনা হতে না পারে। মানুষ অর্ধশতাব্দী ধরে গড়ে ওঠা হাসিনা-ব্যবস্থা থেকে মুক্তি লাভের আকাঙ্ক্ষা বুকে ধারণ করে, মৃত্যুকে তুচ্ছজ্ঞান করে, রাজপথে নেমে এসেছিল। শুধু শেখ হাসিনার পতন নয়, জুলাই একটি বৃহত্তর আকাঙ্ক্ষার নাম। সেই আকাঙ্ক্ষাটিকে আমাদের ভালো করে বুঝতে হবে।

আরও পড়ুন: প্রকৃতির রঙিন শিকারি মাছরাঙা, জলাশয় ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা

৩৬ দিনের জুলাই ১৮ কোটি মানুষের মধ্যে যে নতুন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষা তৈরি করেছে, সেই বাংলাদেশ শুধু হাসিনামুক্ত বাংলাদেশ নয়; বরং সেই বাংলাদেশ সব ধরনের বৈষম্যমুক্ত একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ। যেখানে মানুষকে মূল্যায়িত হতে হবে তার মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে। দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য জন্মাতে হবে না জিয়া বা মুজিব পরিবারে। কৃষক-শ্রমিকের সন্তান, যদি তার মেধা থাকে, যোগ্যতা থাকে, নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা থাকে, সেই হবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। এই বাংলাদেশেরই বিভাষ রচনা করেছে জুলাই। একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ নির্মাণের স্বপ্নই জুলাই। জুলাই বিপ্লবের নেতৃত্বদানকারী সংগঠন ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’-এর নামের মধ্যেই নিহিত আছে ১৮ কোটি মানুষের স্বপ্নাকাঙ্ক্ষা।

একটি সমাজের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষা কখনো অনৈতিক হয় না। ব্যক্তিগতভাবে মানুষ অসৎ হতে পারে, কিছু কিছু সমাজের সব নেতৃত্ব অসৎ ব্যক্তিদের হাতে চলে যেতে পারে। এই অসৎ ব্যক্তিদের প্রভাবে সমাজ কলুষিত হয়ে যায়। তখন মনে হয়, সমাজটি নষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু সেই নষ্ট সমাজের ভেতরে লুকোনো একটি যৌথ আকাঙ্ক্ষা বা স্বপ্ন থাকে, যা কখনোই নষ্ট নয়। সেই আকাঙ্ক্ষাটি একটি সুন্দর, শুদ্ধ ও নৈতিক সমাজের—যেখানে কেউ কারো চেয়ে বড় নয়, কেউ কারো চেয়ে ছোট নয়।

পৃথিবীতে একটি দেশ আছে, যেখানে মানুষেরা একটি সামাজিক আইন মেনে চলে, যা তাদের অহংকারমুক্ত রাখে। আইনটি হচ্ছে, ‘আমি কারো চেয়ে বড় নই’। সেই দেশটির নাম নরওয়ে। এটি কোনো রাষ্ট্রীয় আইন নয়, কিন্তু এই সামাজিক প্রথা দেশটির সবাই মেনে চলে। কীভাবে একটি দেশের সব মানুষ এই মহৎ চিন্তাকে গ্রহণ করলেন? কোথা থেকে এলো এই আইন? বিষয়টি খুব আগ্রহোদ্দীপক। আসুন, একটু জেনে নিই।

ডেনিশ-নরওয়েজীয় লেখক এক্সেল স্যান্ডেমোসে একটি উপন্যাস লেখেন। উপন্যাসটির নাম En flyktning krysser sitt spor। এর ইংরেজি নাম A Fugitive Crosses His Tracks। এর বাংলা করলে দাঁড়ায় ‘একজন পলাতক নিজের পথ অতিক্রম করে’। উপন্যাসটি ১৯৩৩ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।

আরও পড়ুন: শ্রমজীবী মানুষের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিতের দাবি সংবিধান সংশোধনে

এই উপন্যাসে একটি ছোট্ট শহরের গল্প আছে। শহরটির নাম ইয়ান্তে। এই শহরের মানুষ খুব দুষ্টু, তারা সর্বদা কলহে লিপ্ত থাকেন। ইয়ান্তে শহরের মানুষকে সভ্য করার জন্য একটি আইন তৈরি করা হয়। সেই আইনের নাম ইয়ান্তেলোভেন, মানে ইয়ান্তের আইন। সেই আইনে ১০টি ধারা ছিল। সবগুলো ধারার সারমর্ম করলে দাঁড়ায়, তুমি নিজেকে অন্য কারো চেয়ে বড় ভাবতে পারবে না। অনেকেরই হয়তো ইয়ান্তেলোভেনের ১০টি ধারাই জানার আগ্রহ হতে পারে। তাই এখানে ধারাগুলো উল্লেখ করছি—

১. ভাববেন না যে আপনি বিশেষ কিছু।

২. ভাববেন না যে আপনি আমাদের মতো ভালো।

৩. ভাববেন না যে আপনি আমাদের চেয়ে বেশি বুদ্ধিমান।

আরও পড়ুন: বিদেশে চিকিৎসার জন্য যাওয়ার আগে দ্বিতীয় মতামত কেন গুরুত্বপূর্ণ?

৪. কল্পনা করবেন না যে আপনি আমাদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ।

৫. ভাববেন না যে আপনি আমাদের চেয়ে বেশি জানেন।

৬. ভাববেন না যে আপনি আমাদের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

৭. ভাববেন না যে আপনি কোনো কিছুতেই বেশি পারদর্শী বা ভালো।

আরও পড়ুন: বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নতুন আখ্যান: তরুণ ও নারীশক্তিতে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়

৮. আমাদের দেখে হাসবেন না (বা আমাদের উপহাস করবেন না)।

৯. ভাববেন না যে কেউ আপনার পরোয়া করে।

১০. ভাববেন না যে আপনি আমাদের কিছু শেখাতে পারবেন।

এরপর আরো একটি, ১১তম, অনানুষ্ঠানিক ধারা প্রশ্নের আকারে ইয়ান্তেলোভেনে আছে। সেটি হচ্ছে: আপনি কি ভাবেন, আমরা আপনার সম্পর্কে কিছুই জানি না?

আরও পড়ুন: পে-স্কেল প্রদানে দীর্ঘসূত্রিতা কর্মচারীদের সন্তুষ্ট করবে নাকি অসন্তুষ্টি-ই বাড়াবে?

ইয়ান্তেলোভেন নিয়ে অধিকারকর্মীরা এই সমালোচনা করতে পারেন যে মানুষের চিন্তা বা স্বাধীন ভাবনা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য কি কোনো আইন হতে পারে? আমার বিবেচনায়, সেই আইন যদি বৃহত্তর সমাজের কল্যাণের জন্য হয়, তাহলে হতে পারে।

এখন সমস্যা হলো, আইন করলে আইনভঙ্গের জন্য শাস্তির বিধানও থাকতে হবে। সে ক্ষেত্রে কেউ যে আইন ভঙ্গ করেছে, তা প্রমাণও করতে হবে। আমি গোপনে কী ভাবছি, তা রাষ্ট্র কীভাবে প্রমাণ করবে? যদি আমি আমার সেই ভাবনা প্রকাশ করি, তখনই মানুষ জানবে এবং তা প্রমাণ করা যাবে। মানুষের মনের গোপন ভাবনা প্রমাণ করা সম্ভব নয়। আর সে কারণেই ইয়ান্তেলোভেন রাষ্ট্র কর্তৃক গৃহীত কোনো আইন নয়। কিন্তু নরওয়ের মানুষ উপন্যাসের এই আইনকে তাদের অন্তরে জায়গা দিয়েছেন, ইয়ান্তেলোভেনকে সামাজিক প্রথার সর্বোচ্চ আসনে বসিয়েছেন।

কেউ যদি দৈবাৎ এমন কোনো আচরণ করেন যে তিনি অন্যদের চেয়ে বেশি জানেন বা বেশি গুরুত্বপূর্ণ, তাহলে সমাজ তাকে ভালো চোখে দেখে না। ফলে দেশটিতে কে সরকারপ্রধান আর কে ট্যাক্সিচালক কিংবা গতর খাটা শ্রমিক, তা নিয়ে কেউ মাথা ঘামায় না। যখন তারা পাশাপাশি দাঁড়ান, কোনো রেস্তোরাঁয় বসেন বা কোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে যান, সবাই সমান মর্যাদা পান এবং সবাই সবার দিকে সমান মর্যাদার দৃষ্টিতে তাকান। আচরণে তো বৈষম্য প্রকাশ করেনই না, মনেও নরওয়েজীয়রা নিজেকে কখনো পাশের জনের চেয়ে উন্নত কেউ ভাবেন না। দীর্ঘদিনের চর্চা এবং এই প্রথাকে হৃদয় দিয়ে গ্রহণ করার মানসিকতা থেকেই তারা এই জায়গাটিতে পৌঁছাতে পেরেছেন।

নরওয়ের মানুষ নিজেদের ব্যক্তিগত সাফল্যের কথা কখনো প্রচার করেন না। কারণ, এতে তাদের মধ্যে অহংকার তৈরি হতে পারে। শুধু তা-ই নয়, তারা যে নিজেদের অন্যদের চেয়ে আলাদা ভাবছেন, সবাই এমনটাও মনে করতে পারেন, যা তাদের জন্য ভীষণ অপমানজনক। ইয়ান্তেলোভেনের প্রভাব দিন দিন বেড়েই চলেছে। শুধু নরওয়ে নয়, সুইডেন ও ডেনমার্কেও এখন ইয়ান্তেলোভেনের প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে।

আরও পড়ুন: উত্তপ্ত ক্যাম্পাস ও ছাত্র রাজনীতি: কার লাভ, কার ক্ষতি?

আমি যখন ১৯৯৯ সালে স্ক্যান্ডিনেভিয়ায় বেড়াতে যাই, তখন তাদের বলতে শুনেছি, ইউরোপে উন্নয়নের ঢেউ উত্তর থেকে দক্ষিণে প্রবাহিত হয়। অর্থাৎ উত্তর ইউরোপের দেশগুলো, যেমন নরওয়ে, সুইডেন, ডেনমার্ক ও ফিনল্যান্ড—এই অঞ্চলগুলো থেকে দক্ষিণের ইতালি, গ্রিস অবধি উন্নয়নের ঢেউ প্রবাহিত হয়। শুধু উন্নয়ন নয়, আমি মনে করি, সভ্যতার ঢেউও উত্তর থেকে দক্ষিণমুখী প্রবাহিত হয়। ইয়ান্তেলোভেনের মতো অতি গুরুত্বপূর্ণ, মানবিক একটি প্রথা বা সামাজিক আইন উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু অবধি ছড়িয়ে পড়লে পৃথিবীর সভ্যতা এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে যাবে।

জুলাই প্রসঙ্গে আমি কেন ইয়ান্তেলোভেনকে টেনে আনলাম? কারণ, জুলাইয়েও ইয়ান্তেলোভেনের মতো কিছু সামাজিক কোড তৈরি হয়েছে। আমাদের মধ্যে একজন এক্সেল স্যান্ডেমোসে নেই বলে সেই আকাঙ্ক্ষাগুলো নিয়ে কোনো মহৎ উপন্যাস এখনো রচিত হয়নি। তবে হবে না, তা বলা যায় না। হয়তো শিগগিরই তা হবে।

উপন্যাস রচিত না হলেও ২০২৪ সালের বর্ষা বিপ্লবের উত্তাল ঢেউয়ের মধ্যে ছাত্রদের উপর্যুপরি অনুরোধে যিনি ত্রাণকর্তার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে দেশের হাল ধরেন, সেই ড. ইউনূস দায়িত্ব গ্রহণের অল্প কিছুদিনের মধ্যেই জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষাকে একটি গ্রন্থে ধরে ফেলেছেন। উত্তাল জুলাইয়ে সারা দেশের পথে ও দেয়ালে লিখিত ছাত্র-জনতার আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন, গ্রাফিতিগুলোর ছবি তুলে একটি গ্রন্থে সন্নিবেশ করেন তিনি। জুলাইয়ের রাজপথে উচ্চারিত ছাত্র-জনতার স্লোগানগুলো, গ্রাফিতিগুলো ও ছাত্র-জনতার সংলাপগুলো বিশ্লেষণ করলেই আমরা জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা পেয়ে যাই। সেগুলোই আসলে আমাদের জুলাইয়ের ইয়ান্তেলোভেন।

মানুষের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষার তালিকা থেকেই আমরা তৈরি করতে পারি জুলাইয়ের ইয়ান্তেলোভেন। সেগুলো হচ্ছে—

১. তুমি যত উঁচু পদেই থাকো, অন্যকে ছোট করে কথা বলতে পারবে না।

২. পেশা, ধর্ম, বর্ণ, বংশ, পোশাক ইত্যাদির কারণে কোনো মানুষকে তুমি তোমার চেয়ে ছোট ভাবতে পারবে না।

৩. তুমি যত উঁচু পদেই থাকো না কেন, অন্যায় করলে তুমি অপমানিত হবে।

৪. অপরাধীর কোনো ক্ষমা নেই। সে যে-ই হোক, তাকে শাস্তি পেতে হবে।

৫. দল, জাত, ধর্ম, বয়স, সম্পর্ক নয়; মূল্যায়নের জন্য বিবেচিত হবে মেধা ও যোগ্যতা।

৬. তুমি যত শক্তিশালীই হও না কেন, অন্যের ওপর জুলুম করতে পারবে না। যদি করো, তোমাকে শাস্তি পেতে হবে।

৭. রাষ্ট্রের বা রাজনৈতিক দলের সর্বোচ্চ আসন কোনো বিশেষ পরিবারের জন্য সংরক্ষিত থাকবে না; সবচেয়ে যোগ্য মানুষই সেই পদ গ্রহণ করবে।

৮. যারা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকবে, তারা অন্যায় করলে বিনা বাধায় মানুষ প্রতিবাদ করবে। প্রতিবাদকারীদের দমন করার জন্য রাষ্ট্র শক্তি প্রয়োগ করতে পারবে না।

৯. এমন একটি ইনসাফের সমাজ প্রতিষ্ঠা হবে, যেখানে মজলুম সম্মানিত হবে, জুলুমকারী অপমানিত হবে।

১০. অন্যায়কারী যত শক্তিশালীই হোক, মানুষ নির্দ্বিধায় তার চোখে চোখ রেখে সেই অন্যায়ের প্রতিবাদ জানাতে পারবে।

জুলাই সনদ এই আকাঙ্ক্ষাগুলো পুরোপুরি ধারণ করে না। সে জন্য দরকার একটি নতুন সংবিধান এবং সাংস্কৃতিক বিপ্লব। তারপরও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই অর্ধশতাব্দী ধরে গড়ে ওঠা হাসিনাব্যবস্থা থেকে বের হওয়ার শুভ সূচনাটা করতে হবে। এই রচনায় যে ১০টি আকাঙ্ক্ষার কথা উল্লেখ করেছি, এর বাইরেও আরো অনেক কিছু আছে। একটি চলমান রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিপ্লবের মধ্য দিয়ে আমাদের এসব অর্জন করতে হবে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে একটি নতুন বাংলাদেশ নির্মাণের যাত্রা শুরু হয়েছে মাত্র। ভ্রমণটা অনেক দীর্ঘ হবে। আমাদের ধৈর্য ও বিচক্ষণতার সঙ্গে বহুদূর হেঁটে যাওয়ার জন্য সর্বদা প্রস্তুত থাকতে হবে।

লেখক: কবি ও রাষ্ট্রচিন্তক

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লিভারপুলের মাঠে সিটি সমর্থকদের হাতে শত শত কলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:২৬ এম


লিভারপুলের মাঠে সিটি সমর্থকদের হাতে শত শত কলা

অ্যানফিল্ডে কাল রাতে বিদ্রূপের ভাষায় লিভারপুল সমর্থকরা নিজেদের প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছিলেন, অন্যদিকে ম্যানচেস্টার সিটির সমর্থকরা হাজির ছিলেন শত শত ফোলানো কলা নিয়ে।

প্রথমবারের মতো দৃশ্যটি অদ্ভুত মনে হলেও এর পেছনে রয়েছে সিটির সমর্থকদের কয়েক দশকের পুরনো ঐতিহ্য। ক্লাবের কঠিন সময়ের স্মৃতি এবং নিজেদের ফুটবল সংস্কৃতির পরিচয় দিতে লিভারপুলের মাঠ অ্যানফিল্ডের গ্যালারিতে কলা নিয়ে হাজির হয়েছিলেন তারা।

১৯৮৭-৮৮ মৌসুমে সিটির সমর্থকদের মধ্যে কলা নিয়ে মাতামাতির সূচনা হয়। তখন সিটির স্ট্রাইকার ইমরে ভারাদিকে এক সমর্থক মজা করে ডাকেন ‘ইমরে ব্যানানা’ নামে।

এরপরের ম্যাচে আরেক সমর্থক মাঠে নিয়ে আসেন একটি ফোলানো কলা। সেখান থেকেই শুরু হয় এই ব্যতিক্রমী রীতি, যা আশির দশকের শেষভাগ থেকে নব্বইয়ের দশকজুড়ে সিটির সমর্থকদের মধ্যে জনপ্রিয়তা লাভ করে।

সময়ের সঙ্গে ফোলানো কলা হয়ে ওঠে ম্যানচেস্টার সিটির সমর্থক সংস্কৃতির পরিচিত প্রতীক। বিশেষ করে ইংলিশ ফুটবলের সর্বোচ্চ স্তরের বাইরে কাটানো কঠিন দিনগুলোতে এই প্রতীক হয়ে উঠেছিল সমর্থকদের রসবোধ, আবেগ এবং ক্লাবের প্রতি আনুগত্য প্রকাশের একটি মাধ্যম।

অ্যানফিল্ডে এবার সেই পুরোনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে এনেছেন সিটির সমর্থকেরা। লিভারপুলের সমর্থকেরা সিটির ইতিহাস ও অর্জন নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক ব্যানার প্রদর্শন করছিলেন। এর জবাবে অতিথি দলের সমর্থকেরা নিজেদের অতীতের স্মৃতি সামনে এনে গ্যালারিতে ভিন্ন আবহ তৈরি করেছেন।

ম্যানচেস্টার সিটি সম্প্রতি অনেক অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর সম্ভাব্য শাস্তি নিয়ে আলোচনা চলছে। ক্লাবের ভবিষ্যৎ নিয়ে যখন শঙ্কা জেগেছে, তখন সিটির সমর্থকদের এই কলা প্রদর্শনে ফুটে উঠেছে নিজেদের ইতিহাসকে হাস্যরসের সঙ্গে গ্রহণ করার মানসিকতা।

ফোলানো কলাগুলো তাই গ্যালারির সাজসজ্জার অংশ নয়। এগুলো সিটির কঠিন সময়ের স্মৃতি, সমর্থকদের স্বতন্ত্র পরিচয় এবং প্রতিপক্ষের খোঁচার জবাবে নিজেদের মতো করে প্রতিক্রিয়া জানানোর প্রতীকও।

মাঠেও দারুণ জবাব দিয়েছে সিটি। প্রিমিয়ার লিগে কাল লিভারপুলকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ওমান উপকূলে ট্যাংকারে ড্রোন হামলা, নিখোঁজ ২ ভারতীয় নাবিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:২৬ এম


ওমান উপকূলে ট্যাংকারে ড্রোন হামলা, নিখোঁজ ২ ভারতীয় নাবিক

ওমানের উপকূলে একটি বাণিজ্যিক ট্যাংকারে ড্রোন হামলার ফলে দুই ভারতীয় নাবিক নিখোঁজ হয়েছেন। নিকারাগুয়ার পতাকাবাহী জাহাজ ‘এমটি পেট্রো ডলফিন’-এ ১১ জন ভারতীয় ক্রু সদস্য উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে নয়জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

ভারতের জাহাজমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি বার্তায় উল্লেখ করেন, রোববার (১১ অক্টোবর) উত্তর ওমানের সোহর বন্দরের জলসীমায় নোঙর করা অবস্থায় ট্যাংকারটিতে ড্রোন হামলা চালানো হয়।

হামলার পর নিখোঁজ দুই নাবিকের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে। স্থানীয় কোস্ট গার্ডের সহায়তায় এই অভিযানকে জোরদার করা হয়েছে। ওমানের রাজধানী মাস্কাটে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস জানায়, পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করা হচ্ছে।

এর আগে রোববার হরমুজ প্রণালিতে মার্শাল আইল্যান্ডের পতাকাবাহী আরেকটি ট্যাংকার ‘এমটি ভালথেরা’ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হয়। ওই জাহাজেও ১১ জন ভারতীয় ক্রু সদস্য ছিলেন। হামলার পর জাহাজটিতে আগুন ধরে গেলেও সব ভারতীয় নাবিক নিরাপদে ছিলেন।

ভারতের জাহাজ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে বাণিজ্যিক জাহাজে নাবিক সরবরাহকারী দেশগুলোর মধ্যে ভারত অন্যতম শীর্ষে। ২০২৫ সালের হিসাব অনুযায়ী, দেশটিতে সক্রিয় নাবিকের সংখ্যা তিন লাখ ২০ হাজারের বেশি।

চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলা শুরুর পর থেকে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে একের পর এক হামলার ঘটনা ঘটছে। এসব ঘটনায় বেশ কয়েকজন ভারতীয় নাবিক প্রাণ হারিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে গত সপ্তাহে ওমান উপকূলের কাছে হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার সময় পানামার পতাকাবাহী একটি জাহাজেও হামলার ঘটনা ঘটে। এসব হামলার নিন্দা জানিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, বাণিজ্যিক জাহাজে ধারাবাহিক হামলা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে এসব হামলা অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে নয়াদিল্লি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশসহ ৩১ মুসলিম দেশের পাইলটদের ওপর ইসরায়েলি নিষেধাজ্ঞায় এয়ার ফ্রান্সের সমর্থন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:২৭ এম


বাংলাদেশসহ ৩১ মুসলিম দেশের পাইলটদের ওপর ইসরায়েলি নিষেধাজ্ঞায় এয়ার ফ্রান্সের সমর্থন

ইসরায়েলের নতুন বিতর্কিত নির্দেশনার প্রেক্ষিতে ফরাসি বিমান সংস্থা ‘এয়ার ফ্রান্স’ বাংলাদেশসহ ৩১টি মুসলিম দেশের নাগরিক বা দ্বৈত নাগরিকত্বধারী পাইলট ও কেবিন ক্রুদের তেল আবিবগামী ফ্লাইটে দায়িত্ব পালন থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ফরাসি সংবাদমাধ্যম ‘মিডিয়াপার্ট’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মিডল ইস্ট আই জানাচ্ছে, ইসরায়েলগামী ফ্লাইটে নির্দিষ্ট কিছু দেশের ক্রুদের না পাঠানোর জন্য ইসরায়েলি শর্ত মেনে নিয়েছে এয়ার ফ্রান্স। এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েছে বাংলাদেশ, আলজেরিয়া, তিউনিশিয়া, ইরান এবং পাকিস্তানসহ ৩১টি দেশের নাগরিক বা দ্বৈত নাগরিকত্বধারী ফরাসি কর্মীরা, যাদের সঙ্গে ইসরায়েলের কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই।

যদিও এই নির্দেশনায় কোনো ধর্মের নাম উল্লেখ করা হয়নি, তথাপি জাতীয়তার ভিত্তিতে আরোপিত এই নিষেধাজ্ঞার ফলে ওই দেশগুলোর মুসলিম পাইলট ও কেবিন ক্রুরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।

এয়ার ফ্রান্স তাদের কর্মীদের দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকলে তা দ্রুত জানানোর নির্দেশনা দিয়েছে এবং এ বিষয়ে কথা না শুনলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে ফ্রান্সে আইনি চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে পারে বিমান সংস্থাটি। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম এন১২-এর তথ্য অনুযায়ী, গত ১ অক্টোবর ইসরায়েলের পরিবহন মন্ত্রণালয় এই নির্দেশনা জারি করেছে।

উল্লেখ্য, গত ৩০ সেপ্টেম্বর ‘ফ্লাইদুবাই’য়ের এক ওমানি সহ-পাইলট দুবাই থেকে তেল আবিবগামী একটি বিমান ইসরায়েলের বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত করার চেষ্টা করেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনার পর নিরাপত্তার অজুহাতে ইসরায়েল নতুন নিয়ম কার্যকর করে। এ ঘটনার পর ইসরায়েলি বিমান সংস্থাগুলো তাদের কর্মীদের ওপর কঠোর নজরদারি শুরু করেছে। একটি ইসরায়েলি এয়ারলাইন প্রায় ২,৫০০ পাইলট ও কেবিন ক্রুর অতীত ইতিহাস যাচাই করা শুরু করেছে। অন্যদিকে, মিডিয়াপার্টের প্রতিবেদনের পর বিশ্বজুড়ে সমালোচনা হলেও এয়ার ফ্রান্সের পক্ষ থেকে কোনো প্রকাশ্য মন্তব্য করা হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনায় ৯৬৪ পূজামণ্ডপে ৫৭৮.৪ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:২৮ এম


খুলনায় ৯৬৪ পূজামণ্ডপে ৫৭৮.৪ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে খুলনার ৯৬৪টি পূজামণ্ডপে মোট ৫৭৮.৪ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ করেছে সরকার।

জেলার ৯টি উপজেলা এবং খুলনা মেট্রোপলিটন এলাকার সকল মণ্ডপে এই ত্রাণসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম বর্তমানে চলছে।

মহাষষ্ঠী পূজার মাধ্যমে আগামী ১৬ অক্টোবর শুরু হবে পাঁচ দিনব্যাপী এই উৎসবের মূল আনুষ্ঠানিকতা। সরকারের এই সময়োপযোগী পদক্ষেপের ফলে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে উৎসাহ ও উদ্দীপনা বৃদ্ধি পেয়েছে।

খুলনা জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আবদুল করিম জানিয়েছেন, জেলা প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসন এবং বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের স্থানীয় শাখাগুলোর সমন্বয়ে এই চাল বিতরণ করা হচ্ছে।

দুর্গোৎসব শুরুর পূর্বেই প্রতিটি মণ্ডপে বরাদ্দকৃত চাল সঠিকভাবে পৌঁছানোর জন্য সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সম্পূর্ণ বিতরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

খুলনা মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার কুণ্ডু সরকারের এই সহায়তার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

তিনি উল্লেখ করেন, সরকারি এই বরাদ্দ সনাতন সম্প্রদায়ের মানুষের উৎসব পালনে বড় ধরনের সহায়তা প্রদান করবে। একইসঙ্গে, উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পূজা উদযাপনের জন্য প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে, তার জন্যও তিনি কৃতজ্ঞতা জানান।

জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় সরকার সংস্থাও সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছে। খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) নগরীর ৭৭টি পূজামণ্ডপের জন্য মোট ৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে।

কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু জানান, শনিবার বিকেলে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে এই নগদ অর্থ সহায়তা সংশ্লিষ্ট পূজা উদযাপন কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়া হয়েছে। নগরীর প্রতিটি মণ্ডপে যাতে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে উৎসব পালিত হতে পারে, সে বিষয়ে সিটি করপোরেশন সবসময় পাশে রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রতি বছরের মতো এবারও শারদীয় দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে খুলনা অঞ্চলে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকেও বিশেষ নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। সূত্র: বাসস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%