ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দুর্নীতিতে ‘জিরো টলারেন্স’, ফেডারেশনে ১ হাজার ২৪৪ কোটি টাকার সিড মানি ঘোষণা


দুর্নীতিতে ‘জিরো টলারেন্স’, ফেডারেশনে ১ হাজার ২৪৪ কোটি টাকার সিড মানি ঘোষণা

ঢাকা, ১৬ আগস্ট ২০২৬ : জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সভাকক্ষে নবনিযুক্ত এডহক কমিটির ১৪টি ফেডারেশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের চেয়ারম্যান তাঁর সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা সভায় ব্যক্ত করেছেন। সভায় তিনি জানিয়েছেন, তাঁর লক্ষ্য হচ্ছে ক্রীড়াঙ্গনে সব ধরনের দুর্নীতি, অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলা দূর করে মূলত কঠোর অবস্থান গ্রহণ করা।

দেশের ক্রীড়া ফেডারেশনগুলোর পরনির্ভরশীলতা দূর করে তাদের স্বাবলম্বী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রায় ১২৪৪ কোটি টাকার একটি ঐতিহাসিক 'সিড মানি' বা প্রাতিষ্ঠানিক তহবিল অনুমোদনের বিষয়টি সকলকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করেছেন।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-জাপান চুক্তি: ২০২৭ সালের এপ্রিল থেকে শুরু হবে পাঁচ বছর মেয়াদি কর্মসংস্থান চুক্তি

প্রতিমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেছেন যে, অনুমোদিত এই সিড মানি বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ফেডারেশনগুলোর মাঝে সুষমভাবে ভাগ করে দেওয়া হবে। এই সুবিশাল তহবিল থেকে প্রাপ্ত বার্ষিক লভ্যাংশের ৭৫ শতাংশ প্রতিবার সরাসরি ফেডারেশনগুলোকে প্রদান করা হবে, যা দিয়ে তারা তাদের দৈনন্দিন কার্যক্রম এবং খেলোয়াড়দের কল্যাণ নিশ্চিত করতে সক্ষম হবে। লভ্যাংশের অবশিষ্ট ২৫ শতাংশ মূল তহবিলের সাথে পুনর্বিনিয়োগ হিসেবে যুক্ত হওয়া হবে, যেন ভবিষ্যতে ক্রীড়া খাত টেকসই অর্থনৈতিক কাঠামো লাভ করতে পারে।

ফেডারেশনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের লক্ষ্যে আলোচনা চলাকালীন তিনি জানিয়ে দেন, জেলা ক্রীড়া সংস্থাগুলোর নির্বাচন সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান কর্মকর্তাদের আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

ক্রীড়াঙ্গনে অপরাধের বিষয়বস্তুতে ‘জিরো টলারেন্স’ প্রদর্শন করে তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, বিগত ১৭ বছরে দেশজুড়ে বিভিন্ন ফেডারেশনে জমে থাকা দুর্নীতি ও অপকর্ম ইতোমধ্যে সরকারের নজরে এসেছে এবং বিভিন্ন সংস্থা এগুলো তদন্ত করে কাজ করছে। আগের সময়ে ক্রীড়া সংগঠকদের মধ্যে অপরাধ করে পার পেয়ে যাওয়ার যে ভুল ধারণা ছিল, তা ভেঙে ফেলার বার্তা তিনি দিয়েছেন।

সভায় বাংলাদেশ পুলিশ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের উপস্থিতির বিষয়টি উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে, আইন সমeveryone জন্য সমান। দুর্নীতি বা অনিয়মের সাথে জড়িত ব্যক্তি যদি কোনো প্রমাণসহ ধরা পড়ে, তবে কেবল সাংগঠনিক শাস্তিতে রাখা হবে না, বরং সরাসরি দেশের প্রচলিত কঠোর আইনগত ব্যবস্থার মুখোমুখি দাঁড় করানো হবে।

আরও পড়ুন: হাসনাত আবদুল্লাহর অভিযোগ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যর্থতার শিকার প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

তিনি একইসাথে নারী ক্রীড়াবিদদের জন্য একটি নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ গড়ে তোলার তাগিদও দিয়েছেন। বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার নবগঠিত কমিটির প্রসঙ্গ টেনে তিনি দেশের প্রখ্যাত শুটার শারমিন আক্তার রত্ণা ও প্রবীণ নারী সংগঠকদের প্রশংসা করেছেন এবং দেশের প্রতিটি ক্রীড়া কমপ্লেক্সে নারীদের পর্যাপ্ত সুরক্ষা নিশ্চিতের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে খেলাধুলায় উদ্বুদ্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

ভবিষ্যৎ ক্রীড়া পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রতিমন্ত্রী আগামী পাঁচ বছরের সুনির্দিষ্ট ক্রীড়া পঞ্জিকা বা ক্যালেন্ডার প্রস্তুত করার জন্য ফেডারেশনগুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, এখন থেকে প্রতিটি ফেডারেশনকে জাতীয় পর্যায়ে বছরে সর্বনিম্ন ৪টি টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে হবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের প্রতিনিধি পাঠাতে বা দেশে আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট আয়োজনের মাধ্যমে অন্তত ৩টি প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে হবে।

খেলোয়াড়দের ক্রীড়া ভাতা প্রদানের ক্ষেত্রে জবাবদিহিতা বাড়াতে প্রতি চার মাস পর পর তাদের পারফরম্যান্স কঠোরভাবে পর্যালোচনা বা রিভিউ করাও হবে। পর্যালোচনায় যদি পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হন, তবে নির্ধারিত ক্রীড়াবিদদের ভাতার তালিকা থেকে বাদ দিয়ে সম্ভাবনাময় নতুনদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

গুরুত্বপূর্ণ এই মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস, হকি, সাইক্লিং, সাঁতার, শ্যুটিং, কাবাডি, ভলিবল, দাবা, ব্যাডমিন্টন, টেনিস, টেবিল টেনিস, মহিলা ক্রীড়া সংস্থা, আরচ্যারি এবং অ্যামেচার বক্সিং ফেডারেশনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।

আরও পড়ুন: সীতাকুণ্ডে ইয়াবা কারবারিদের ধরে টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয় পুলিশ, থানার ক্যাশিয়ার নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নোয়াখালীতে এক্টিভ জুগেন্ড ও ইলম কেয়ার ট্রাস্টের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সম্পন্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ নুর হোসাইন, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, নোয়াখালী

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০৪ পি.এম


নোয়াখালীতে এক্টিভ জুগেন্ড ও ইলম কেয়ার ট্রাস্টের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সম্পন্ন
 
নোয়াখালী সদর উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নে অবস্থিত হযরত ওমর (রা.) শিক্ষা কমপ্লেক্স সড়ক ও কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে এক্টিভ জুগেন্ড ও ইলম কেয়ার ট্রাস্টের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে।
 
ইলম কেয়ার ট্রাস্টের চেয়ারম্যান তাওহীদ সফিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জনাবা শামীমা আক্তার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইলম কেয়ার ট্রাস্টের ভাইস-চেয়ারম্যান হাফেজ মাওলানা মহিউদ্দিন, ট্রাস্টের সদস্যবৃন্দ, হযরত ওমর (রা.) জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্যবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
 
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শামীমা আক্তার বলেন, “গাছ আমাদের অক্সিজেনের প্রধান উৎস। গাছ কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে।” তিনি গাছকে ছোট শিশুর মতো যত্ন নেওয়ার আহ্বান জানান এবং বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি রোপণ করা গাছগুলোর যথাযথ পরিচর্যার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
 
ইলম কেয়ার ট্রাস্টের চেয়ারম্যান তাওহীদ সফিক বলেন, “ইলম কেয়ার ট্রাস্ট সবসময় মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়নের লক্ষ্যে এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।” তিনি রোপণ করা গাছগুলোর যথাযথ যত্ন নেওয়ার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
 
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে অতিথিরা নিজেরা গাছ রোপণ করে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাহাড়ে ‘ম্রো সম্মেলন’, নিরাপত্তা ও উন্নয়নে নতুন বার্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০৮ পি.এম


পাহাড়ে ‘ম্রো সম্মেলন’, নিরাপত্তা ও উন্নয়নে নতুন বার্তা

চট্টগ্রাম, ১৬ আগস্ট, ২০২৬ : পার্বত্য বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার দুর্গম কুরুকপাতায় ইউনিয়নে একটি ব্যতিক্রমী আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ‘ম্রো সম্মেলন-২০২৬’।

স্থানীয় জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণে দিনভর উৎসবমুখর পরিবেশে ‘শান্তি, নিরাপত্তা ও সম্প্রীতির নতুন বার্তা’ ছড়িয়েছেন নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মকর্তাগণ। এসময়ে ম্রো জনগণের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনী, প্রশাসন ও স্থানীয় নেতৃত্বের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও আস্থা বৃদ্ধির সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়েছে, এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দক্ষতা উন্নয়ন, যোগাযোগ ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য ভবিষ্যতে সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনাও উজ্জ্বল করে উঠে এসেছে।

সম্মেলনের প্রধান অতিথি ছিলেন, কমান্ডার ৬৯ পদাতিক ব্রিগেড ও বান্দরবান রিজিয়ন এর রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, এসপিপি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি।

সম্মেলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল বিভিন্ন পাড়া থেকে ম্রো জনগণের প্রতিনিধিরা সরাসরি মতবিনিময় করেন। এসব প্রতিনিধিরা শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, যোগাযোগ, কর্মসংস্থান, কৃষি, নিরাপদ পানি, মাতৃভাষা এবং সংস্কৃতি সংরক্ষণের মত বিভিন্ন সমস্যা, প্রয়োজন ও প্রত্যাশাকে তুলে ধরেন। রিজিয়ন কমান্ডার তাদের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শুনে এবং বাস্তবসম্মত বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বয়ে পর্যায়ক্রমে সমাধানের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।

সম্মেলনে আলীকদম জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আশিকুর রহমান আশিক, এসপিপি, পিএসসি, অধিনায়ক ৫৮ ইবি, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, হেডম্যান-কারবারী, শিক্ষক, ধর্মীয় ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ, নারী ও যুব প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন পাড়া থেকে আগত প্রায় ১ হাজার ২০০ জন ম্রো জনগণের সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

রিজিয়ন কমান্ডার তার বক্তব্যে বলেন, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন শুধুমাত্র নিরাপত্তা বাহিনী বা প্রশাসনের একার দায়িত্ব নয়; জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণও এর অপরিহার্য অংশ। পাশাপাশি তিনি ম্রো জনগণের প্রতি আহ্বান জানান যে, তারা যেন শান্তিপূর্ণভাবে জীবন-জীবিকা পরিচালনা করেন, সন্তানদের শিক্ষিত ও দক্ষ করে গড়ে তোলেন এবং নিরাপত্তা বাহিনী ও প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করেন।

তিনি বলেন, ২০১৫ সালে কুরুকপাতার মাটিতে যে শান্তির দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছিল, সেই শান্তির ধারাবাহিকতাকে শিক্ষা, দক্ষতা, কর্মসংস্থান এবং উন্নয়নের মাধ্যমে আরও শক্তিশালী করার জন্য প্রয়োজন। রিজিয়ন কমান্ডার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, বান্দরবান রিজিয়ন ও আলীকদম সেনাজোন জনগণের নিরাপত্তার সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, যোগাযোগ এবং অন্যান্য জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।

প্রধান অতিথি বক্তব্যের সূচনা করেই পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ম্রো জনগণের ইতিবাচক ভূমিকার কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছেন।

তিনি উল্লেখ করেন, ২০১৫ সালে কুরুকপাতায় ম্রো ন্যাশনাল পার্টির ৭৯ জন সদস্য অস্ত্র সমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে সক্ষম হন। ম্রো সোশ্যাল কাউন্সিলের উদ্যোগ ও মধ্যস্থতায় এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ শান্তির দৃষ্টান্ত হয়ে দাঁড়ায়।

রিজিয়ন কমান্ডার বলেন, ম্রো সমাজের দায়িত্বশীল নেতৃত্ব, জনগণের সহযোগিতা এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে পারস্পরিক আস্থা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শান্তি ও স্থিতিশীলতা সম্ভব হয়েছে। তিনি শান্তির এই ইতিবাচক ধারাকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও শক্তিশালী করার ডাক দেন।

রিজিয়ন কমান্ডার বলেন, ‘শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন তিনটি একই সুতোয় গাঁথা। আলীকদমে ম্রো, মারমা, ত্রিপুরা এবং বাঙালির মত বিভিন্ন জনগণের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান এ অঞ্চলের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সহযোগিতার মাধ্যমে এ সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করতে হবে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকলেই শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, পর্যটন এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের সুফল দুর্গম জনগণের কাছে পৌঁছানো সম্ভব।

সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী ম্রো জনগণের প্রতিনিধিরা এই ধরনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং ভবিষ্যতে এরূপ মতবিনিময় ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারায়ণগঞ্জে বায়ুদূষণের দায়ে ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০৯ পি.এম


নারায়ণগঞ্জে বায়ুদূষণের দায়ে ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

নারায়ণগঞ্জ, ১৬ আগস্ট ২০২৬ : জেলার সদর উপজেলায় আজ বায়ুদূষণ বিরোধী অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত তিনটি প্রতিষ্ঠানকে মোট একলাখ ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।

আজ রোববার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অংমাচিং মারমা এই অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

এ সময় প্রসিকিউশন পরিবেশ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক টিটু বড়ুয়া প্রদান করেন।

অভিযানকালে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুসারে সদর উপজেলার কুতুবপুরের পিলকুনিতে অবস্থিত আক্তার ইস্পাত ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডকে একলাখ টাকা, মেসার্স আল বাকারা স্টিল ও রি-রোলিং মিলস লিমিটেডকে ৩০ হাজার টাকা এবং নন্দলালপুরের সাজ্জাদ ইন্টারলাইনিংকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অংমাচিং মারমা জানান, অভিযানকালে বায়ুদূষণ করায় তিনটি প্রতিষ্ঠানকে মোট একলাখ ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

অভিযানকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন সেনা হত্যা বা বন্দি করলে ৩০ হাজার ডলার পুরস্কারের ঘোষণা ইরানি কমান্ডারের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:১১ পি.এম


মার্কিন সেনা হত্যা বা বন্দি করলে ৩০ হাজার ডলার পুরস্কারের ঘোষণা ইরানি কমান্ডারের

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে যুদ্ধ স্থগিত রয়েছে। তবে এই দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌ রুট নিয়ে উত্তেজনাকর বক্তব্য এখনও চলমান রয়েছে।

ইরান সেনাবাহিনীর প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমির হাতামি একটি কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি ঘোষণা করেছেন, ‘আগ্রাসী’ হিসেবে চিহ্নিত যেকোনো মার্কিন সামরিক সদস্যকে বন্দি বা হত্যা করতে পারলে ৩০ হাজার ডলার পুরস্কার দেওয়া হবে, যা প্রায় ৫ বিলিয়ন ইরানি তোমানের সমতুল্য।

এ সংক্রান্ত তথ্য ইরানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ওয়েস্ট এশিয়া নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে। হাতামি আরও বলেছেন, ‘কোনো ইরানি নাগরিক যদি একজন মার্কিন সেনা সদস্যকে আটক বা হত্যা করতে সক্ষম হন, তবে তাকে ৩০ হাজার ডলার পুরস্কার দেওয়া হবে।’ তিনি বলেন, ‘নারীদের (মার্কিন নারী সেনা) ক্ষেত্রে এই পুরস্কারের পরিমাণ দ্বিগুণ (৬০,০০০ ডলার) হবে।’

এই সেনাপ্রধান নৌ রুটের স্থায়ী পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে জানিয়েছেন, এই জলপথটি আর আগের অবস্থায় ফিরে যাবে না। ইরানের প্রধান অধিনায়কের (সর্বোচ্চ নেতা) নির্দেশ অনুযায়ী, তারা তাদের সবটুকু ক্ষমতা দিয়ে এই জলপথ রক্ষায় নিয়োজিত থাকবেন।

পূর্বে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার জন্য পুরস্কার ঘোষণার কথা জানিয়েছিলেন ইরানের কর্মকর্তারা। গত ১৫ মে ইরানের জ্যেষ্ঠ আইন প্রণেতা ইব্রাহিম আজিজি বলেছিলেন, দেশটির পার্লামেন্টে প্রস্তাবিত একটি ব্যবস্থায় ট্রাম্পকে হত্যার জন্য ৫০ মিলিয়ন ইউরো পুরস্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

নতুন এই ঘোষণার ফলে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনা আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%