প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে যুদ্ধ স্থগিত রয়েছে। তবে এই দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌ রুট নিয়ে উত্তেজনাকর বক্তব্য এখনও চলমান রয়েছে।
ইরান সেনাবাহিনীর প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমির হাতামি একটি কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি ঘোষণা করেছেন, ‘আগ্রাসী’ হিসেবে চিহ্নিত যেকোনো মার্কিন সামরিক সদস্যকে বন্দি বা হত্যা করতে পারলে ৩০ হাজার ডলার পুরস্কার দেওয়া হবে, যা প্রায় ৫ বিলিয়ন ইরানি তোমানের সমতুল্য।
এ সংক্রান্ত তথ্য ইরানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ওয়েস্ট এশিয়া নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে। হাতামি আরও বলেছেন, ‘কোনো ইরানি নাগরিক যদি একজন মার্কিন সেনা সদস্যকে আটক বা হত্যা করতে সক্ষম হন, তবে তাকে ৩০ হাজার ডলার পুরস্কার দেওয়া হবে।’ তিনি বলেন, ‘নারীদের (মার্কিন নারী সেনা) ক্ষেত্রে এই পুরস্কারের পরিমাণ দ্বিগুণ (৬০,০০০ ডলার) হবে।’
এই সেনাপ্রধান নৌ রুটের স্থায়ী পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে জানিয়েছেন, এই জলপথটি আর আগের অবস্থায় ফিরে যাবে না। ইরানের প্রধান অধিনায়কের (সর্বোচ্চ নেতা) নির্দেশ অনুযায়ী, তারা তাদের সবটুকু ক্ষমতা দিয়ে এই জলপথ রক্ষায় নিয়োজিত থাকবেন।
পূর্বে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার জন্য পুরস্কার ঘোষণার কথা জানিয়েছিলেন ইরানের কর্মকর্তারা। গত ১৫ মে ইরানের জ্যেষ্ঠ আইন প্রণেতা ইব্রাহিম আজিজি বলেছিলেন, দেশটির পার্লামেন্টে প্রস্তাবিত একটি ব্যবস্থায় ট্রাম্পকে হত্যার জন্য ৫০ মিলিয়ন ইউরো পুরস্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
নতুন এই ঘোষণার ফলে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনা আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন