বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৮:২৭ এম
চলতি বছরের শেষের দিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং-উনের সঙ্গে বৈঠকের পরিকল্পনা করছেন।
তবে এই খবর পাওয়ার পরেও পিয়ংইয়ংয়ের কড়া ও কৌশলী অবস্থান স্পষ্ট করেছেন কিম জং-উনের প্রভাবশালী বোন কিম ইয়ো-জং।
গত মঙ্গলবার, ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন আলোচনা চলছে। চলতি বছরের শেষের দিকে কিমের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হতে পারে বলেও তিনি জানান।
কিন্তু পরদিন উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে একটি বিবৃতির মাধ্যমে কিম ইয়ো-জং ট্রাম্পের দাবির একপ্রকার নাকচ করে দেন। তিনি জানান, তথাকথিত এই যোগাযোগের বিষয়ে তিনি ‘বিন্দুমাত্র কিছু জানেন না’।
তিনি মন্তব্য করেন, ‘উত্তর কোরিয়ার প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৈরী নীতির কোনো পরিবর্তন হয়নি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্ররা এই মুহূর্তেও উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে জোরেশোরে বৈরী সামরিক কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে।’
কিম ইয়ো-জং, ট্রাম্পের প্রতি তার ব্যক্তিগত অনুভূতির কথাও উল্লেখ করেছেন। তবে তিনি পরিষ্কার করে জানিয়েছেন, ট্রাম্প ও কিমের মধ্যে চমৎকার সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র পিয়ংইয়ংয়ের শত্রু হিসেবেই রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, কিম ইয়ো-জংয়ের বক্তব্যের মূল কারণ হল যুক্তরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ কোরিয়ার চলমান সামরিক সহযোগিতা। উত্তর কোরিয়া দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়াকে নিজেদের বিরুদ্ধে হামলার প্রস্তুতি হিসেবে দেখে। যদিও ওয়াশিংটন এবং সিউল বরাবরই দাবি করে আসছে, এসব মহড়া প্রতিরক্ষামূলক।
সেজন্য, ট্রাম্প সম্প্রতি দেশের সঙ্গে সামরিক মহড়ায় অংশগ্রহণ কমানোর কথা বলেছেন। তবে পিয়ংইয়ং মনে করছে, যুক্তরাষ্ট্রের মৌলিক নীতিতে এখনো কোনো পরিবর্তন আসেনি। এর ফলে, কিম ইয়ো-জং একদিকে ট্রাম্পের প্রতি ভালো স্মৃতি ও ব্যক্তিগত অনুভূতির কথা বলেছেন। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রকে উত্তর কোরিয়ার শত্রু হিসেবেই উল্লেখ করেছেন।
এছাড়া, তার বক্তব্যে আরেকটি বিষয় পরিষ্কার হয়ে ওঠে। পিয়ংইয়ং ব্যক্তিগত সম্পর্কের চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও রাজনৈতিক নীতির পরিবর্তনকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।
এদিকে, বুধবার (১৯ আগস্ট) সাংবাদিকরা মেরিন ওয়ানের সামনে ট্রাম্পকে কিমের সঙ্গে যোগাযোগ নিয়ে আরও প্রশ্ন করেন। তিনি সরাসরি যোগাযোগ করছেন কি না সেটি স্পষ্ট করেননি। তবে, এ বছরের শেষ দিকে কিমের সঙ্গে দেখা করবেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘হ্যাঁ, দেখা করব’।
ট্রাম্প উল্লেখ করেন, তিনি কিম জং-উনকে খুব ভালোভাবে চেনেন।
সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প কিছু সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশ করেন। গোয়েন্দা সংক্রান্ত এমন সুনির্দিষ্ট তথ্য সাধারণত প্রকাশ্যে আনা হয় না। তিনি দাবি করেন, বর্তমানে উত্তর কোরিয়ার কাছে ৫৭টি অত্যন্ত শক্তিশালী পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে। এর পাশাপাশি, তিনি জানান, ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্রধারী হতে দেওয়া উচিত নয়।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জীবিকার তাগিদে নেমেছিলেন মানুষ মাটির গভীরে, সামর্থ্য খুঁজে। কিন্তু স্বর্ণের খনিটি হঠাৎ করেই পরিণত হলো অকাল মৃত্যুকূপে। মধ্য আফ্রিকার দেশ মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে একটি সোনার খনিতে ভয়াবহ ধসের কারণে অন্তত ১০০ শ্রমিকের প্রাণহানি ঘটেছে।
গত মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ক্যামেরুন সীমান্তবর্তী জাম্বোয়ে এলাকার খনিতে এটি ঘটে। সেখানে ভূগর্ভস্থ একাধিক সুড়ঙ্গ ধসে পড়ার ফলে চাপা পড়েন বহু শ্রমিক।
ধসে পড়া ভবন ও ধ্বংসস্তূপ থেকে ইতোমধ্যে শতাধিক মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল বুধবার অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে এ তথ্য জানিয়েছেন ত্রাণ কার্যক্রমে যুক্ত রেড ক্রসের স্বেচ্ছাসেবক জার্ভাইস গানাগোরোহ।
স্থানীয় একটি খনি সমিতির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, দুর্ঘটনায় ১০০ জনেরও বেশি প্রাণহানির খবর নিশ্চিত হয়। একাধিক স্থানীয় সূত্র আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা এএফপিকেও এ ঘটনার সত্যতা জানায়।
দেশটির বাবুয়া শহরের সরকারি কৌঁসুলির মতে, শ্রমিকরা যে কয়েকটি ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গে কাজ করছিলেন, সেগুলো ধসে পড়ার কারণে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটে। তাদের ওপর থেকে মাটির ঢিবি ধসে পড়ায় অনেকে চাপা পড়েন।
বাবুয়া শহরের সরকারি কৌঁসুলির বরাতে আরো জানা যায়, খনি শ্রমিকরা যখন কাজ করছিলেন ঠিক তখনই ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গগুলো ধসে পড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, এক বিশাল ঢিবি হঠাৎ নিচে দাঁড়িয়ে থাকা শ্রমিকদের ওপর পড়ে যায়। দুর্ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান চলছে, যা এখনও অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধারকাজ চলায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বুধবার বাবুয়া শহরের স্থানীয় জনপ্রতিনিধি লরেন্ট এনগন বাবা বার্তাসংস্থাকে এএফপির কাছে বলেন, ‘উদ্ধারকাজের কারণে আনুষ্ঠানিকভাবে সুনির্দিষ্ট মৃতের সংখ্যা জানা কঠিন হচ্ছে।’
এদিকে সীমান্তবর্তী এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটায় প্রতিবেশী ক্যামেরুনও তাদের সহায়তা বাড়িয়েছে। ক্যামেরুনের পূর্বাঞ্চলীয় গভর্নর গ্রেগোয়ার মভোঙ্গো জানিয়েছেন, তারা মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং উদ্ধারকাজ জোরদারে সহযোগিতা করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে আবারও আলোচনায় বসার সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েছেন। তবে তিনি একই সঙ্গে পরিষ্কার করেছেন যে, কোনোভাবেই ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না। এই সম্পর্কিত তথ্য বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা সিএনএন প্রকাশ করেছে।
হোয়াইট হাউসের সাউথ লনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বললেন, ইরানের সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি ‘খুবই ভালো’। যুক্তরাষ্ট্র কি আবার আলোচনায় বসবে সে বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, আলোচনা হয়তো আবার শুরু হতে পারে।
তিনি বলেন, ‘হয়তো কোন এক সময় আলোচনা শুরু হবে। তবে এই মুহূর্তে আমি মনে করি, পরিস্থিতি খুবই ভালো।’
ট্রাম্প ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে তার অবস্থানও পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি জানান, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্রের পরিকল্পনা পুরোপুরি বাদ দিতে হবে।
তাঁর ভাষায়, ‘দেখুন, ব্যাপারটা খুব সহজ, তাদের পারমাণবিক অস্ত্র পুরোপুরি বাদ দিতে হবে। ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র থাকতে পারে না। জানেন কেন? কারণ তারা এটা ব্যবহার করবে। আর আমরা চাই না তারা এটা ব্যবহার করুক। তাই ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র থাকতে পারে না, এবং তারা তা রাখবেও না’ বলে তিনি আবারও উল্লেখ করেছেন।
এ সময় ট্রাম্প দাবি করেছেন, হরমুজ প্রণালি যুক্তরাষ্ট্রের ‘দখলে’ রয়েছে এবং এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ এখন পুরোপুরি তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তিনি বলেন, ইরানের কারণে জাহাজ চলাচলে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ট্রাম্প বলেন, তারা মাঝে মাঝে ড্রোন হামলা চালায়। ‘সবাই যেতে পারছে না।’
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) দাবি করেছে, ইরানের ওপর ঘোষিত নৌ-অবরোধ অত্যন্ত কড়াকড়িভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ১৯ আগস্ট পর্যন্ত অবরুদ্ধ এলাকা এড়িয়ে চলতে ৬৫টি বাণিজ্যিক জাহাজের পথ পরিবর্তন করে দিয়েছে মার্কিন বাহিনী।
এছাড়া নিয়ম না মানায় তিনটি জাহাজকে সম্পূর্ণ অচল করে দেয়া হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা অমান্যের সন্দেহে আরও দুটি জাহাজে সরাসরি তল্লাশি চালানো হয়েছে। আঞ্চলিক জলসীমায় দায়িত্বপ্রাপ্ত গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ‘ইউএসএস জন পল জোন্স’-এর প্রহরার ছবি প্রকাশ করে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে মার্কিন সামরিক কমান্ড।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ বৃহস্পতিবার, ২০ তারিখ আগস্ট ২০২৬, ০৫ ভাদ্র ১৪৩৩, ০৫ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮।
ঢাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের নামাজের সময়সূচি নিম্নে দেওয়া হলো—
জোহরের নামাজের সময় শুরু হবে ১২টা ৫ মিনিটে।
আসরের নামাজের সময় শুরু হবে ৪টা ৩৬ মিনিটে।
মাগরিব নামাজ হবে ৬টা ৩১ মিনিটে।
এশার নামাজের সময় শুরু হবে ৭টা ৪৮ মিনিটে।
আগামীকাল ফজরের নামাজ শুরু হবে ৪টা ২০ মিনিটে।
আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে ৬টা ৩২ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় হবে ৫টা ৩৪ মিনিটে।
সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বৈশ্বিক তেল বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘নতুন ভূখণ্ড’ হিসেবে উল্লেখ করা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি পোস্টের প্রতিক্রিয়া হিসেবে, ক্যালিফোর্নিয়াকে ইরানের ‘নতুন ভূখণ্ড’ হিসেবে দাবি করেছে ইরানের সরকারি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের একটি অ্যাকাউন্ট।
মঙ্গলবার ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে হরমুজ প্রণালির একটি মানচিত্র প্রকাশ করেন। ওই মানচিত্রে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এ জলপথটিকে একটি নীল বৃত্ত দ্বারা চিহ্নিত করে, তার নিচে লেখা ছিল, ‘যুক্তরাষ্ট্রের নতুন এলাকা’। ট্রাম্প যুদ্ধ শেষ হলে হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড হিসেবে পরিণত করার কথাও উল্লেখ করেছিলেন।
এরপর হোয়াইট হাউসের তরফ থেকে ট্রাম্পের ওই পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে পুনঃপ্রকাশ করা হয়। ট্রাম্পের পোস্টের ওপর সমালোচনা করেন ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদি। এক্সে একটি পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, হরমুজ প্রণালি নিয়ে ট্রাম্পের ‘ভ্রান্ত ধারণা’ অচিরেই সংশোধন হবে অথবা ইরানই সেটি সংশোধন করবে।
এছাড়া, হরমুজ প্রণালি নিয়ে ট্রাম্পের দাবির প্রতিক্রিয়া জানাতে ইরানের সরকারি ‘ইরান ইন হায়দ্রাবাদ’ অ্যাকাউন্ট থেকে যুক্তরাষ্ট্রের একটি মানচিত্র প্রকাশ করা হয়। সেখানে ক্যালিফোর্নিয়াকে নীল রঙে চিহ্নিত করে লিখা হয়, ‘ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরানের নতুন ভূখণ্ড।’ অর্থাৎ, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের নতুন ভূখণ্ড’।
ইরানি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিকদের একটি বড় অংশ ক্যালিফোর্নিয়ায়, বিশেষ করে লস অ্যাঞ্জেলেস এলাকায় বসবাস করে। ইউসিএলএ’র সেন্টার ফর নিয়ার ইস্টার্ন স্টাডিজের ইরানিয়ান ডায়াসপোরা ড্যাশবোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টিতে আনুমানিক ১ লাখ ৪১ হাজার ইরানি-আমেরিকান অধিবাসী রয়েছেন।
১৯৭৯ সালের ইরানি বিপ্লবের পর দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় ইরানি অভিবাসীদের ব্যাপক বিস্তার ঘটে। লস অ্যাঞ্জেলেসের ওয়েস্টউড এলাকা ইরানি প্রবাসীদের জন্য একটি প্রধান কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠে। এই অঞ্চলটি অনানুষ্ঠানিকভাবে ‘তেহরাঞ্জেলেস’ নামেও পরিচিত।
হরমুজ প্রণালি নিয়ে এই পাল্টাপাল্টি অবস্থান সেসময় প্রকাশিত হলো যখন তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। কয়েক মাস ধরে চলমান সংঘাতের পর যুদ্ধের অবসান ও একটি বৃহত্তর সমঝোতার পথ তৈরি করতে জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করে। তবে এই সমঝোতার বাস্তবায়ন এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল নিয়ে মতবিরোধের কারণে পরবর্তী আলোচনা থেমে যায়।
এদিকে, গুরুত্বপূর্ণ জলপথে নৌযান চলাচল নিয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। যদিও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।
তথ্যসূত্র : মিডল ইস্ট মনিটর
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ