ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জামালপুরে তদন্ত কর্মকর্তা সাব-ইন্সপেক্টরের কারাদণ্ড


জামালপুরে তদন্ত কর্মকর্তা সাব-ইন্সপেক্টরের কারাদণ্ড

এফএনএস (এস এম এ হালিম দুলাল; জামালপুর) : | প্রকাশ: ১৭ জুন, ২০২৬, ০৮:৪১ পিএম

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে এক তদন্তকারী কর্মকর্তাকে কারাদণ্ড দিয়েছেন। এটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন মামলা নং-২৫১/২০২৩, সূত্রঃ-দেওয়ানগঞ্জ থানার মামলা নং-০৭, তাং-১২/১২/২০১২ ইং এর জি. আর.নং-৩০৩(২)২০১২ হত্যা মামলায় সাক্ষ্য প্রদানে অবহেলার দায়ে প্রদত্ত এই কারাদণ্ড। মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফজলুল হক জানান, জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ১১(ক) ধারায় সাক্ষ্য না দেয়ার কারণে সাব-ইন্সপেক্টর মো. শফিকুল ইসলাম (বিপি নং-৫৭৭৬০০৯৮০) এর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছিল। এটি একটি স্ত্রী হত্যা মামলা, যেখানে সবোর্চ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড। মামলাটি ১৩ বছরের পুরাতন, এবং এই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ছিলেন তিনি। ২০১২ সালে দেওয়ানগঞ্জ থানায় গৃহবধূ হত্যা মামলায় বিচারক আদালতে একাধিকবার ০৯টি চিঠি জারি করেন সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য। কিন্তু আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও তিনি সাক্ষ্য দেননি এবং তার অনুপস্থিতির কারণও ব্যাখ্যা করেননি। ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম তাকে ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ এর ৪৮৫ ক ধারায় তাৎক্ষণিকভাবে ২৫০ টাকা জরিমানা করেন। কিন্তু এস.আই অনুপস্থিত থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানা পরিশোধ না করার কারণে আদালত তাকে পেনেল কোর্টের ৬৭ ধারায় ৬ (ছয়) মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. ফজলুল হক এই রায়কে সমর্থন করেছেন।

আরও পড়ুন: সিংড়ায় ২৪ কোটি টাকা ব্যয়ে রাস্তার নির্মাণকাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী টুকু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪১ পি.এম


টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী টুকু

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন। তিনি টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এসে অব্যবস্থাপনা, অনিয়ম ও সেবার মান নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন, তিনি টাঙ্গাইল সদর আসনের সংসদ সদস্যও। আজ বুধবার দুপুরে ঢাকা থেকে সরাসরি হাসপাতালে পৌঁছে তিনি বিভিন্ন ওয়ার্ড, জরুরি বিভাগ, বহির্ভাগ ও শৌচাগার পরিদর্শন করেন। তিনি এ সময় রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে হাসপাতালের সার্বিক সেবা, পরিচ্ছন্নতা, ওষুধ সরবরাহ ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে খোঁজ নেন। পরিদর্শনের সময় ৩৩৫ জন চিকিৎসক, নার্স ও স্টাফের মধ্যে অর্ধশতাধিকের বেশি কর্মীকে অনুপস্থিত দেখতে পেয়ে প্রতিমন্ত্রী। হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মো. কামরুল কিবরিয়াকে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে তাৎক্ষণিকভাবে শোকজের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে তিনি আগামী ১৫ থেকে ২০ দিনের জন্য সব ধরনের ছুটি বাতিলের নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, কারও যদি এখানে চাকরি করতে ইচ্ছে না হয়, তাহলে অন্য জায়গায় চলে যাবে। প্রতিমন্ত্রীর আগমনের খবর ছড়িয়ে পড়লে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা তাকে ঘিরে ধরেন। তারা হাসপাতালের নানা অনিয়ম, ভোগান্তি, দালালচক্রের দৌরাত্ম্য এবং কাঙ্ক্ষিত সেবা না পাওয়ার অভিযোগ তুলে ধরেন। এসব অভিযোগ শোনার পর প্রতিমন্ত্রী হাসপাতালের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে এটি প্রায় পরিত্যক্ত ঘোষণার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের শৌচাগারের নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। পরে হাসপাতালের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুসের কাছে বিভিন্ন বিষয়ে ব্যাখ্যা চান এবং হাসপাতালকে দ্রুত সময়ের মধ্যে ঢেলে সাজানোর নির্দেশ দেন। এ সময় তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত আনসার সদস্যদের সঙ্গেও কথা বলেন। হাসপাতালে কীভাবে মাদকসেবী ও বহিরাগতদের অবাধ প্রবেশ ঘটছে, সেই বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি হাসপাতালের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নির্দেশনা দেন। পরিচালককে উদ্দেশ্য করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, হঠাৎ করে পরিদর্শনে আসার উদ্দেশ্যই ছিল প্রকৃত অবস্থা দেখা। আমরা এটাকে উন্নত করবো, জায়গা আছে। তবে ব্যবস্থাপনা ঠিক রাখতে হবে। হাসপাতালে যদি নেশা বা মাদক গ্রহণের পরিবেশ থাকে, তাহলে সেটা আর হাসপাতাল থাকে না। এতে কেউ নিরাপদ নয়, রোগীরাও অনিরাপদ। এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে ঘিরে অনেক অনিয়মের অভিযোগ ছিল। আকস্মিক পরিদর্শনে এসে সেগুলোর সত্যতা পেয়েছি। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও অনিয়ম দূর করে মানুষের জন্য উন্নত সেবা নিশ্চিত করা হবে। যারা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুস, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুব হাসান, প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব মো. আবুবকর সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এইচ এম মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন মিয়া, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শম্ভু রাম পাল ও টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রহণকারী কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্যামিলি কার্ডে খুশি গাজীপুরের বদনীভাঙ্গার নারীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪৩ পি.এম


ফ্যামিলি কার্ডে খুশি গাজীপুরের বদনীভাঙ্গার নারীরা

শ্রীপুর উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম ‘বদনীভাঙ্গা’ আজ একটি বিশেষ দিন উদযাপন করছে। চারদিকে অরণ্যের নিস্তব্ধতা থাকা সত্ত্বেও, সেখানে আজ আনন্দের জোয়ার বইছে।

জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অগ্রাধিকার প্রকল্প 'ফ্যামিলি কার্ড' এখন এই প্রান্তিক জনপদের সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছেছে।

আজ বুধবার, দুপুর আড়াইটায় উপজেলা বদনীভাঙ্গা হান্নান সেবা সংঘের মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ পাইলটিং কর্মসূচির তৃতীয় পর্যায়ের উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, গাজীপুর জেলা প্রশাসক নুরুল করিম ভূঁইয়াসহ একাধিক শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর, জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া নিজ হাতে নারীদের কাছে হাজির হন এবং শিখিয়ে দেন। তিনি মঞ্চ থেকে নামার পর কার্ড পাওয়া নারীদের কাছে পৌঁছান।

গ্রামীণ সাধারণ নারীরা যেন কোনোভাবেই ভোগান্তির শিকার না হন, তাই জেলা প্রশাসক কার্ডের ব্যালেন্স কীভাবে চেক করতে হবে এবং মোবাইল প্রযুক্তির মাধ্যমে কীভাবে নিজের হিসাব নিজে রাখতে হবে তা অত্যন্ত সহজ ও সাবলীল ভাষায় বুঝিয়ে দেন।

জেলা প্রশাসনের সর্বোচ্চ কর্মকর্তার কাছ থেকে সরাসরি ডিজিটাল প্রযুক্তির পাঠ নিতে পেরে গ্রামীণ নারীদের চোখে-মুখে ছিল বিস্ময় ও পরম আত্মবিশ্বাস।

বদনীভাঙ্গার মতো গহীন অরণ্য ঘেরা গ্রামের নারীদের কাছে এই ফ্যামিলি কার্ড কেবল একটি প্লাস্টিকের টুকরো নয়। এটি যেন কঠিন সময়ে সংসার চালানোর এক জাদুকরি ভরসা।

নতুন কার্ড এবং ব্যালেন্স নিশ্চিত হওয়ার পর, উপস্থিত নারীরা বাঁধভাঙা উল্লাসে মেতে ওঠেন।

জেলা প্রশাসকের সঙ্গে তাদের এই খুশি ও স্বস্তির হাসি বিনিময়ের মুহূর্তটি একটি মানবিক ও ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি হিসেবে ফ্রেমবন্দি হয়ে থাকবে।

জেলা প্রশাসক নূরুল করিম ভূঁইয়া বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই অগ্রাধিকার প্রকল্প প্রান্তিক মানুষের পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। তিনি উল্লেখ করেন, বদনীভাঙ্গার এই মা-বোনদের মুখের হাসিতেই প্রকৃত উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির গল্প লুকিয়ে আছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জয়পুরহাটে মেলায় চাকরি পেলেন ৪০ যুবক-যুবতী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪৪ পি.এম


জয়পুরহাটে মেলায় চাকরি পেলেন ৪০ যুবক-যুবতী

জয়পুরহাটে তরুণ ও যুবসমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষে দিনব্যাপী চাকরি মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বুধবার, পৌর কমিউনিটি সেন্টারে রিকভারি অ্যান্ড অ্যাডভান্সমেন্ট অব ইনফরমাল সেক্টর এমপ্লয়মেন্ট প্রকল্পের আওতায় এই মেলার আয়োজন করা হয়।

চাকরির মেলায় সরাসরি অংশ নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ৪০ জন যোগ্য প্রার্থী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তাদের কাঙ্ক্ষিত চাকরি লাভ করেছেন।

জয়পুরহাট রুরাল ডেভেলপমেন্ট মুভমেন্ট (জেআরডিএম) আয়োজিত এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) সহযোগিতায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে জেআরডিএম-এর নির্বাহী পরিচালক রাজিয়া সুলতানা-এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জয়পুরহাটের জেলা প্রশাসক মো. আল-মামুন মিয়া।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জয়পুরহাট যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মকছুদুল কবীর, কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস (ভারপ্রাপ্ত) সহকারী পরিচালক মোশাররফ হোসেন, জেআরডিএম-এর পরিচালক শওকত আলী, মানব সম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা শাহিন রেজাসহ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বাজারে এই ধরনের চাকরি মেলা বেকার যুবকদের জন্য একটি চমৎকার সুযোগ। এর মাধ্যমে নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ও চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে একটি সরাসরি সেতু বন্ধন তৈরি হয়। মেলায় আসা ৪০ জন যুবক-যুবতীর তাৎক্ষণিক কর্মসংস্থান হওয়াটাকে আয়োজকরা একটি বড় সাফল্য হিসেবে দেখছেন এবং আগামীতেও এই ধারা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

মেলায় স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের বেশ কয়েকটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান অংশ নেয় এবং বিপুল সংখ্যক চাকরিপ্রার্থী তাদের জীবনবৃত্তান্ত জমা দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সড়কে অবৈধ দখল উচ্ছেদে ডিএসসিসির মোবাইল কোর্ট অভিযান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪৫ পি.এম


সড়কে অবৈধ দখল উচ্ছেদে ডিএসসিসির মোবাইল কোর্ট অভিযান

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন আজ ধোলাইপাড় খালপাড় রোড, যাত্রাবাড়ী মোড় এবং শহীদ ফারুক সড়ক এলাকা জুড়ে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে। রাজধানীর সড়ক ও ফুটপাতকে অবৈধ দখলমুক্ত করা এবং পথচারী ও যানবাহনের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে এটি সম্পন্ন হয়। অভিযানের অংশ হিসেবে ধোলাইপাড় খালপাড় রোডে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা সকল প্রকার দোকানপাট ও বিভিন্ন স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। এতে করে খালপাড় সংলগ্ন সড়কটি দখলমুক্ত হয়ে জনসাধারণের চলাচলের জন্য সম্পূর্ণরূপে উন্মুক্ত হয়ে যায়।

এর পর ধোলাইপাড় থেকে যাত্রাবাড়ী মোড় পর্যন্ত এবং যাত্রাবাড়ী মোড় থেকে শহীদ ফারুক সড়ক পর্যন্ত মোবাইল কোর্টের অভিযান চালানো হয়। এ সময় ফুটপাত ও সড়ক দখল করে গড়ে ওঠা বিভিন্ন অবৈধ দোকানপাট, অস্থায়ী স্থাপনা এবং অন্যান্য প্রতিবন্ধকতা অপসারণ করা হয়। একই সাথে সংশ্লিষ্ট এলাকার ফুটপাত ও সড়ক পরিষ্কার করে পথচারী ও যানবাহনের স্বাভাবিক চলাচলের জন্য উপযোগী করা হয়।

নগরবাসীর জন্য নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন এবং শৃঙ্খলাবদ্ধ নগর পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করছে। জনস্বার্থে সড়ক ও ফুটপাতের অবৈধ দখল, অননুমোদিত স্থাপনা এবং জনদুর্ভোগ সৃষ্টিকারী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে এ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%