প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শ্রীপুর উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম ‘বদনীভাঙ্গা’ আজ একটি বিশেষ দিন উদযাপন করছে। চারদিকে অরণ্যের নিস্তব্ধতা থাকা সত্ত্বেও, সেখানে আজ আনন্দের জোয়ার বইছে।
জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অগ্রাধিকার প্রকল্প 'ফ্যামিলি কার্ড' এখন এই প্রান্তিক জনপদের সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছেছে।
আজ বুধবার, দুপুর আড়াইটায় উপজেলা বদনীভাঙ্গা হান্নান সেবা সংঘের মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ পাইলটিং কর্মসূচির তৃতীয় পর্যায়ের উদ্বোধন করেন।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, গাজীপুর জেলা প্রশাসক নুরুল করিম ভূঁইয়াসহ একাধিক শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর, জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া নিজ হাতে নারীদের কাছে হাজির হন এবং শিখিয়ে দেন। তিনি মঞ্চ থেকে নামার পর কার্ড পাওয়া নারীদের কাছে পৌঁছান।
গ্রামীণ সাধারণ নারীরা যেন কোনোভাবেই ভোগান্তির শিকার না হন, তাই জেলা প্রশাসক কার্ডের ব্যালেন্স কীভাবে চেক করতে হবে এবং মোবাইল প্রযুক্তির মাধ্যমে কীভাবে নিজের হিসাব নিজে রাখতে হবে তা অত্যন্ত সহজ ও সাবলীল ভাষায় বুঝিয়ে দেন।
জেলা প্রশাসনের সর্বোচ্চ কর্মকর্তার কাছ থেকে সরাসরি ডিজিটাল প্রযুক্তির পাঠ নিতে পেরে গ্রামীণ নারীদের চোখে-মুখে ছিল বিস্ময় ও পরম আত্মবিশ্বাস।
বদনীভাঙ্গার মতো গহীন অরণ্য ঘেরা গ্রামের নারীদের কাছে এই ফ্যামিলি কার্ড কেবল একটি প্লাস্টিকের টুকরো নয়। এটি যেন কঠিন সময়ে সংসার চালানোর এক জাদুকরি ভরসা।
নতুন কার্ড এবং ব্যালেন্স নিশ্চিত হওয়ার পর, উপস্থিত নারীরা বাঁধভাঙা উল্লাসে মেতে ওঠেন।
জেলা প্রশাসকের সঙ্গে তাদের এই খুশি ও স্বস্তির হাসি বিনিময়ের মুহূর্তটি একটি মানবিক ও ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি হিসেবে ফ্রেমবন্দি হয়ে থাকবে।
জেলা প্রশাসক নূরুল করিম ভূঁইয়া বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই অগ্রাধিকার প্রকল্প প্রান্তিক মানুষের পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। তিনি উল্লেখ করেন, বদনীভাঙ্গার এই মা-বোনদের মুখের হাসিতেই প্রকৃত উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির গল্প লুকিয়ে আছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন