ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
যুবদলের বিক্ষোভ ও সমাবেশ

লালমনিরহাটে অপপ্রচার ও কুৎসিত রাজনীতির বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি


লালমনিরহাটে অপপ্রচার ও কুৎসিত রাজনীতির বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি

রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ এবং স্বার্থান্বেষী মহলের অপপ্রচার ও শিষ্টাচারবহির্ভূত কুৎসিত রাজনীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে লালমনিরহাটে যুবদল বিশাল বিক্ষোভ মিছিল এবং সমাবেশ করেছে। বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে, জেলা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয় মিশন মোড়স্থ ‘আমার বাড়ি’ কার্যালয় থেকে অসাধারণ একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। এই মিছিলটি লালমনিরহাট শহরের প্রধান প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে এবং নেতাকর্মীদের স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত করে তোলে। এরপর, মিছিলটি আবার দলীয় কার্যালয়ের সামনে এসে এক বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়। সমাবেশে জেলা যুবদলের আহ্বায়ক আনিছুর রহমান ভিপি আনিছ সভাপতিত্ব করেন। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি কামাল আনোয়ার আহমেদ। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও স্বার্থান্বেষী মহল বিএনপির গৌরবময় ঐতিহ্য এবং ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য দেশজুড়ে নানা অপপ্রচার এবং শিষ্টাচারবহির্ভূত নোংরা কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। এই রাজনৈতিক পরিবেশকে কলুষিত করার অপচেষ্টা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না।

তিনি যুবদলের সকল স্তরের নেতাকর্মীদের এই অপশক্তিকে রুখে দেওয়ার আহ্বান জানান এবং জোর দিয়ে বলেন, অপপ্রচারের জবাব রাজপথেই দেওয়া হবে। সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি তারিকুল ইসলাম টিটু, কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি ও রংপুর জেলা যুবদলের সভাপতি নজরুল আলম নাজু, এবং কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি শাহ আলম চৌধুরী। জেলা যুবদলের সদস্য সচিব হাসান আলীর চমৎকার সঞ্চালনায় সমাবেশে স্থানীয় ও উপজেলা পর্যায়ের যুবদলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা তৃণমূল পর্যায় থেকে যুবদলকে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং যেকোনো ধরনের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে রাজপথে ঐক্যবদ্ধ থাকার ঘোষণা দেন। সমাবেশ শেষে প্রধান অতিথি কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি কামাল আনোয়ার আহমেদ উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।

আরও পড়ুন: ভৈরব রেলস্টেশনে ৩ ভারতীয় নাগরিকের পাসপোর্ট, ভিসা ও স্বর্ণালংকার উদ্ধার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাধবপুরে নিখোঁজ মাদক ব্যবসায়ীকে উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৩৩ পি.এম


মাধবপুরে নিখোঁজ মাদক ব্যবসায়ীকে উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের সোয়াবই গ্রামে নিখোঁজ মাদক ব্যবসায়ী ফুয়াদ হাসান সাকিবকে জীবিত উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন ও রেলপথ অবরোধের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকালে উপজেলার হরষপুর রেলস্টেশন এলাকায় শত শত গ্রামবাসী এ কর্মসূচি পালন করেন।

এ সময় উত্তেজিত জনতা সিলেটগামী কালনী এক্সপ্রেস ট্রেন প্রায় সাত মিনিট আটকে রাখে। পরে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। সাকিবের বাবা সিরাজ আলী ও স্বজনদের অভিযোগ, ২১ জুন গন্ধবপুর এলাকায় সাকিবের মাছের খামারে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি হামলা চালিয়ে ফুয়াদ হাসান সাকিবকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। ঘটনার পর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।

তারা এ ঘটনার জন্য রাজেন্দ্রপুর গ্রামের আরেক মাদক ব্যবসায়ী মাহফুজ মিয়া ও তার সহযোগীদের দায়ী করছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিখোঁজ সাকিব দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে এলাকায় অভিযোগ রয়েছে। মাদক ব্যবসার আড়ালে তিনি মাছের খামার পরিচালনা করতেন এবং আসন্ন ধর্মঘর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

এ লক্ষ্যে তিনি এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ড, দান-অনুদান এবং রাস্তাঘাট সংস্কারে অর্থ ব্যয় করতেন বলেও স্থানীয়দের দাবি। গ্রামবাসী ও স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, সাকিব ও রাজেন্দ্রপুর গ্রামের মাহফুজ মিয়ার পরিবারের সদস্যরা একসময় একই চক্রে চলাফেরা ও ব্যবসা করতেন। তবে প্রায় এক মাস আগে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এরপর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল।

নিখোঁজের ঘটনায় সাকিবের বাবা সিরাজ আলী বাদী হয়ে মাধবপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে ধর্মঘর এলাকার মনির, রুবেল, জুয়েল এবং সোয়াবই গ্রামের মাহফুজ মিয়ার ছেলে মামুন, শিমুলসহ ১২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এদিকে সাকিবের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনার জেরে গত সোমবার সকালে রাজেন্দ্রপুর গ্রামে মাহফুজ মিয়ার পাকা বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। সাকিবের স্বজন ও সমর্থকদের একটি অংশ এ হামলা চালায়। তবে এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা বা লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। বুধবারের মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা দ্রুত সাকিবকে জীবিত উদ্ধার এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান। বক্তারা বলেন, নিখোঁজের কয়েকদিন পার হলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখনো তাকে উদ্ধার করতে পারেনি। এতে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বাড়ছে। মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোহেল রানা বলেন, “সাকিব নিখোঁজের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। তাকে উদ্ধার করতে পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তবে মাহফুজ মিয়ার বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধান শিক্ষককে ব্যতিক্রমী বিদায় জানালেন সহকর্মী-শিক্ষার্থীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৩৮ পি.এম


প্রধান শিক্ষককে ব্যতিক্রমী বিদায় জানালেন সহকর্মী-শিক্ষার্থীরা

বিদায় হলেই বেদনা থাকে, তবে কখনও কখনও তা হয়ে ওঠে চিরস্মরণীয়। দীর্ঘ ৩৮ বছরের চাকরি জীবনের পর, শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী কার্তিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাহাবুদ্দিন তালুকদার এমনই এক বিদায়ী সংবর্ধনা লাভ করেছেন।

এই প্রধান শিক্ষকের অবসরগ্রহণ উপলক্ষে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ একটি বর্ণিল আয়োজন করে। বিভিন্ন ফুলের মালা দিয়ে সাজানো ঘোড়ার গাড়িতে করে তাঁর বিদায় জানান সহকর্মী ও শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, সহকর্মী এবং স্থানীয়দের ভালোবাসায় ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক তাঁর শেষ কর্মদিবসে অবসরে যান। এ দৃশ্য সবার হৃদয় ছুঁয়েছে।

জানা গেছে, শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার শতবর্ষী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কার্তিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সাহাবুদ্দিন তালুকদার। তিনি দীর্ঘ ৩৮ বছর ধরে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিয়েছেন। সেই ছাত্রদের মধ্যে কেউ এখন সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কেউ জনপ্রতিনিধি, আবার কেউবা দেশের স্বনামধন্য ব্যবসায়ী। এর ফলে, প্রিয় শিক্ষকের চাকরি জীবনের শেষ কর্মদিবসকে স্মরণীয় করে রাখতে তারা ভোলেননি। এই বিশেষ দিনটি স্মরণীয় করে রেখেছেন তার সহকর্মী ও শিক্ষার্থীরা। সুসজ্জিত ঘোড়ার গাড়িতে চড়িয়ে শিক্ষক মো. সাহাবুদ্দিনকে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়।

শেষ কর্মদিবস উপলক্ষে শিক্ষার্থীরা প্রতিটি শ্রেণি থেকে তাকে একটি করে ক্রেস্ট তুলে দেন। এ সময় বিদ্যালয়ের স্কাউট সদস্যরা তাঁকে স্কাউট সালাম দেয়। ঘোড়ার গাড়ির সামনে ও পেছনে মোটরসাইকেলে শিক্ষকরা ছিলেন। গাড়িতে ওঠার সময় বিদায়ী প্রধান শিক্ষককে ফুল ছিটিয়ে এবং ফুলের মালা পরিয়ে বিদায় জানানো হয়। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আয়োজনে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন শিক্ষক সাহাবুদ্দিন তালুকদার।

মো. সাহাবুদ্দিন তালুকদার ১৯৮৮ সালের ২১ আগস্ট কার্তিকপুর উচ্চবিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক (ইংরেজি) হিসেবে যোগদান করেন। পরে ২০১৯ সালের ৪ জানুয়ারি থেকে তিনি প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে শুরু করেন।

বিদায়ের মুহূর্তে মো. সাহাবুদ্দিন তালুকদার বলেন, "৩৮ বছর পর অবসরে যাচ্ছি। এই সময় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা করানোসহ বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য আমি সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি। জানি আমার ছাত্ররা আমাকে ভালোবাসে। কিন্তু আজকের এই আয়োজন প্রমাণ করেছে, তারা আমাকে কতটা ভালোবাসে। আজ আমার শিক্ষকতা জীবনকে সার্থক মনে হচ্ছে।"

স্থানীয়রা জানান, তার নিরলস প্রচেষ্টার ফলে এলাকায় শিক্ষার প্রসার ঘটেছে। অসংখ্য শিক্ষার্থী আজ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছেন। স্যারের সৎ উপদেশগুলো আমাদের অনেকের জীবনে পরিবর্তন আনিয়েছে। শিক্ষার মান আমাদের বিদ্যালয়ে অনেক উন্নত হয়েছে। যদি আমরা আরও কিছুদিন তাকে পেতাম, তাহলে হয়তো এই স্কুলটিকে বাংলাদেশের আরও সর্বোচ্চ জায়গায় পৌঁছে দিতে পারতাম।

বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বলেন, সাহাবুদ্দিন স্যার ছিলেন ছাত্র ও সহকর্মীদের কাছে অত্যন্ত প্রিয়। তার ন্যায়নীতি ও আদর্শ আমাদের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রহমান মোল্লা ও সোহেল চৌধুরী জানান, স্যার অনেক ভালো ও উদার মনের মানুষ। শিক্ষক হিসেবে শিক্ষার্থীদের কাছে তিনি বেশ প্রিয় ছিলেন। কখনো রাগ বা ক্ষোভ দেখাননি। বাবার মতো শিক্ষার্থীদের পড়িয়েছেন। আমাদের কর্মজীবনে এমন শিক্ষক পেয়ে নিজেকে ধন্য মনে করছি। তিনি এত উদার মনের মানুষ, কোনো শিক্ষকের বিপদ হলে সঙ্গে সঙ্গে যেতেন এবং খোঁজ খবর নিতেন। অবসরজনিত কারণে তিনি বিদায় নিয়েছেন। এটি সবাইকে মানতেই হবে। আমরা তার দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনা করছি।

অনুষ্ঠান শেষে আবেগপূর্ণ পরিবেশে ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে বিদ্যালয় ত্যাগ করেন সাহাবুদ্দিন তালুকদার। উপস্থিত শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী দাঁড়িয়ে বিদায় জানান তাদের প্রিয় শিক্ষককে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জিয়ানগরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৩৯ পি.এম


জিয়ানগরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত

পিরোজপুরের জিয়ানগরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন করা হয়েছে। বুধবার (২৪ শে জুন) উপজেলা হলরুমে কোডেক এনজিওর উদ্যোগে এবং এনগেজ প্রকল্পের সহযোগিতায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান মোঃ হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং কোডেকের প্রকল্প ম্যানেজার প্রশান্ত কুমার সাহার সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার মোঃ শফিকুল ইসলাম, প্রেসকাবের সাবেক সভাপতি আজাদ হোসেন বাচ্চু, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি শাহিদুল ইসলাম, প্রেসকাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনিরুজ্জামান খান, কোডেকের সদস্য ইমদাদুল ইসলাম, তরিকুল ইসলাম, রুনা বেগম প্রমুখ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, সমাজ সেবা কর্মকর্তা, প্রেসকাব সভাপতি খান মোঃ নাসির উদ্দিন খান সহ অন্যান্য দপ্তরের প্রতিনিধিবৃন্দ। এছাড়া উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের সুশীল সমাজ সংগঠনের সদস্য, বিভিন্ন স্কুল-কলেজের ছাত্র ফোরাম সদস্য, সাংবাদিক ফোরাম সদস্য এবং শিক, কোডেক ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর মোঃ আশরাফ উদ্দিন, রুনু আক্তার ও শফিকুল ইসলামও উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা আলোচনা করেন, আমাদের নিজেদের অবস্থান থেকে পরিবেশবান্ধব হতে হবে। পরে পরিবেশ সুরক্ষা করতে পারবো, আমরাই পারবো পরিবেশ সুরক্ষা করতে। বক্তারা বলেন, সরকার বা প্রশাসনের একক পক্ষে পরিবেশ সুরক্ষা কাজ করা সম্ভব নয়। জলবায়ু পরিবর্তন এবং পরিবেশের পরিবর্তন তিগ্রস্ত জনগণের অধিকার সুরক্ষা এবং পরিবেশ রক্ষা বিষয়ে আমাদের করণীয় বিষয়ক আলোচনার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। এরপর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সকল প্রশ্ন ও দাবির উত্তর দেন এবং পরিবেশ সুরক্ষায় উপস্থিতদের মধ্যে শপথ বাক্য পাঠ করান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুনিয়রকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি সিনিয়রের, অতঃপর...

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪০ পি.এম


জুনিয়রকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি সিনিয়রের, অতঃপর...

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীকে অপহরণ ও মুক্তিপণের দাবির অভিযোগ উঠেছে তার সিনিয়র ২০২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে, যিনি অভিনব কায়দায় নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেন।

ভুক্তভোগী ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের কৃষি প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী দারুস সালাম রাতুল জানান, এই ঘটনা শুরু হয় ১৪ জুন রাতে যখন ইসিই ২০২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আরিফ হাসনাত তার বাসায় অবস্থান করছিলেন। ওই রাতে আরিফ হাসনাতের দুটি মোবাইল ফোন, ওয়ালেট ও ঘড়ি এবং রাতুলের রিয়েলমি ৯ ফোন চুরি হয়। ঘটনার পরদিন রাতুল থানায় জিডি করতে গেলে তাকে কিছুদিন পর টার্গেট করা শুরু করেন আরিফ হাসনাত।

জানা যায়, কয়েকদিন পর আরিফ হাসনাত তার বন্ধুদের নিয়ে এসে বাসার শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা করার ভয় দেখান। উল্লেখ্য, এর আগে অনন্যা ভিলা নামক আরেকটি মেসেও একই ধরনের চুরির ঘটনা ঘটে।

২২ জুন রাতে ফোন উদ্ধারের কথা বলে আরিফ হাসনাত রাতুলকে বাইকে করে থানার বাইরে নিয়ে যান। পরে তাকে ডিভিএম ২০২৪ শিক্ষাবর্ষের মেফতাউল-ইসলাম মেজবাহ এবং সোনারগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সানি নির্জন স্থানে নিয়ে যায়।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ রয়েছে যে, তারা রাতুলকে বেধড়ক মারধর করে, হত্যার হুমকি দেয় এবং প্রথমে ১০ হাজার টাকা, পরে ৫ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। তিন ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের পরে স্থানীয় কিছু যুবকের হাতে তুলে দিয়ে তাকে চোর বলে প্রচার করা হয়। অবশেষে শর্তসাপেক্ষে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয় যে, ঘটনাটি ক্যাম্পাসে প্রকাশ করা যাবে না।

পরবর্তীতে অসুস্থ অবস্থায় রাতুলকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টার ও দিনাজপুর মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা তার বুক ও পায়ের এক্সরে করার পরামর্শ দেন।

ভুক্তভোগী রাতুল বলেন, অপরাধ যেই করুক সেই অপরাধী। প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও অপরাধীরা যদি বিনা বিচারে ক্যাম্পাসে ঘুরে বেড়ায়, তাহলে একজন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে আমার প্রাপ্য বিচার কোথায়?

প্রক্টর প্রফেসর ড. নওশের ওয়ান বলেন, আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত কার্যক্রম অলরেডি শুরু হয়ে গেছে। প্রকৃত দোষীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী শাস্তি পাবে।

এদিকে, অভিযুক্ত ইসিই শিক্ষার্থী আরিফের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায় এবং ডিভিএম শিক্ষার্থী মেজবাহ ফোন ধরেননি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%