কবির হোসেন, আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
১১:২৪ পি.এম
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার সার্বিক উন্নয়নে প্রায় পাঁচ কোটি টাকার বরাদ্দের কথা জানিয়েছেন ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রফেসর ড. মো. ইলিয়াস মোল্লা। তিনি বলেছেন, বিরোধী দলের এলাকা হওয়ায় কোনো এলাকার মানুষকে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত করা যায় না। আলফাডাঙ্গার মানুষের প্রত্যাশা পূরণ এবং এলাকার টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানো হবে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় আলফাডাঙ্গা পৌরসভার পরিবহন কাউন্টার মাঠে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আলফাডাঙ্গা পৌর শাখার আয়োজনে চা-চক্র ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রফেসর ড. মো. ইলিয়াস মোল্লা বলেন, “আপনারা যেসব সমস্যা ও উন্নয়ন-প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেছেন, সেগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সমাধানের সর্বাত্মক চেষ্টা করব, ইনশাআল্লাহ। একসঙ্গে সব কাজ বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। তবে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ধাপে ধাপে উন্নয়নকাজগুলো সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
বিরোধী দলের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনের সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, অনেক সময় বিরোধী দলের নির্বাচনী এলাকায় প্রত্যাশা অনুযায়ী বরাদ্দ পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। কিন্তু কোনো এলাকা বিরোধী দলের হওয়ায় সেখানকার মানুষকে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত করা যায় না। উন্নয়ন সবার অধিকার। তাই আলফাডাঙ্গার মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং প্রয়োজনীয় বরাদ্দ আদায়ে আন্তরিকভাবে কাজ করা হবে।
সড়ক যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন প্রসঙ্গে সংসদ সদস্য বলেন, পৌরসভার সঙ্গে মহাসড়কের যোগাযোগ আরও সহজ ও উন্নত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এলাকার কয়েকটি উন্নয়নকাজ ইতিমধ্যে চলমান রয়েছে। অন্য কাজগুলোও পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে।
মন্দিরের উন্নয়নসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত কাজ বাস্তবায়নের বিষয়েও তিনি কথা বলেন। সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীর সঙ্গে আলোচনা করে বিদ্যমান বরাদ্দের আওতায় কোন কোন সড়কের উন্নয়ন করা সম্ভব, তা নির্ধারণ করা হবে বলে জানান তিনি। এ ছাড়া আলফাডাঙ্গার সার্বিক উন্নয়নে প্রায় পাঁচ কোটি টাকার বরাদ্দের আওতায় কোন কোন প্রকল্প গ্রহণ করা যায়, তা যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় অনুমোদন সাপেক্ষে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে উল্লেখ করেন সংসদ সদস্য।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পৌর মেয়র পদপ্রার্থী মুন্সী বিল্লাল হুসাইন বলেন, আলফাডাঙ্গা পৌরসভার সার্বিক উন্নয়ন, নাগরিক সমস্যা সমাধান এবং যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। এলাকার মানুষের প্রত্যাশা পূরণে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সেগুলোর সমাধানে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আলফাডাঙ্গা পৌর শাখার আমির ওয়াহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো. জাবেদ হোসাইন, পৌর ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো. ইউসুফ, অফিস সম্পাদক মো. আবু তালহা, পেশাজীবী সংগঠনের সভাপতি মাওলানা বরকত এবং পৌর যুব বিভাগের সভাপতি মো. মুজাহিদসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
সভায় স্থানীয় বিভিন্ন সমস্যা, সড়ক যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, অবকাঠামোগত প্রয়োজন এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় সংসদ সদস্য স্থানীয় সমস্যা সমাধানে পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুরের সীমান্তে অভিযান চালিয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) বিপুল পরিমাণ ভারতীয় থান কাপড় জব্দ করেছে। নৌকায় করে চোরাচালানের সময় এই কাপড়গুলো আটক করা হয়।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এই ঘটনায়। এর আগে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাতে জামালপুর ৩৫ বিজিবির আওতাধীন সাহেবের আলগা বিওপির সদস্যরা এসব থান কাপড়ের চালানটি জব্দ করেন।
সূত্রে জানা গেছে, সীমান্তবর্তী ১০৪৭ পিলারের কাছে মেকুরআলগা নামক স্থান দিয়ে ভারতীয় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের থান কাপড় চোরাচালান করা হচ্ছিল। বিজিবির নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জামালপুর ৩৫ বিজিবির সাহেবের আলগা বিওপির সদস্যরা সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানের সময় ৪ হাজার ২৭২ মিটার থান কাপড় ও একটি নৌকা জব্দ করা হয়, যার আনুমানিক মূল্য ৯০ লাখ ৬৪ হাজার টাকা।
জামালপুর ৩৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান জানিয়েছেন, সীমান্তে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় থান কাপড় জব্দ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, "আমরা নিয়মিত টহলের পাশাপাশি চোরাচালান ও মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রেখেছি।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ কোরিয়া সফরের ৫ দিনের সরকারি কার্যক্রম শেষ করে দেশে ফিরে এসেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। সফরের সময় তার সাথে ছিলেন তার একান্ত সচিব জ্যোতিশ্বর পাল।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে তিনি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। এই তথ্য গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ।
গণঅধিকার পরিষদ থেকে পাঠানো একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর দক্ষিণ কোরিয়ায় ৫ দিনের সফরে বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর বিষয় নিয়ে বিভিন্ন পক্ষের সাথে আলোচনা করেন। তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার চুংজু সিটির মেয়রের বিশেষ আমন্ত্রণে সেখানে খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান 'চুনকো কোম্পানি লিমিটেড' পরিদর্শন করেন।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ইনচেওন শহরের অন্তর্গত গাংহোয়া কাউন্টির মেয়র পার্ক ইয়ং-চোওল (Park Yong-cheol) এর সাথে তিনি একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেন। দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি, স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল নিয়োগ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা এবং বাংলাদেশে কোরীয় বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে সিউলে পৃথক দুটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক সম্পন্ন করেন। এছাড়া, দক্ষিণ কোরিয়ার 'কোরিয়ান প্রিন্টার্স অ্যাসোসিয়েশন' (korean printers Association) এর প্রতিনিধিদের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করেন তিনি।
বিমানবন্দরে প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান দলের মুখপাত্র আবু হানিফ, উচ্চতর পরিষদ সদস্য শাকিলউজ্জামান, সাকিব হোসাইন, প্রচার সম্পাদক আশরাফুল রায়হান, এবং গণঅধিকার পরিষদ মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ ও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ মাদরাসাগুলোতে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন অনৈতিক ও জঘন্য কর্মকাণ্ডের জন্য অনুমোদনহীন এবং মানহীন কিছু প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করেছেন।
তিনি সতর্ক করে বলেছেন, এসব প্রতিষ্ঠানের অপরাধের কারণে গোটা মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থা হুমকির মুখে পড়ছে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, যদি কোনো প্রতিষ্ঠান অপরাধী শিক্ষকদের বাঁচাতে সত্য আড়াল করে, তবে তা পুরো মাদরাসা ব্যবস্থার জন্য চরম ও অপূরণীয় ক্ষতি ডেকে আনবে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) শায়খ আহমাদুল্লাহ তার ভেরিফায়েড ইউটিউব চ্যানেলে এ মন্তব্য করেন।
তিনি টঙ্গীর সাম্প্রতিক ঘটনার উদাহরণ টেনে বলেন, আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার এবং বিচারহীন বা তদন্তহীন ক্ষোভ প্রদর্শন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, মাদরাসাগুলোতে ঘটে যাওয়া জঘন্য অনাচারের অধিকাংশ ঘটনা ভুঁইফোঁড়, মানহীন প্রাইভেট মাদরাসার। তবে, যেহেতু এগুলো মাদরাসা, এবং তাদের অপকর্মের কারণে পুরো মাদরাসা-ব্যবস্থা আজ হুমকির সম্মুখীন, তাই মাদরাসা পরিচালনার সাথে যুক্ত কর্তৃপক্ষকেই জোরালো পদক্ষেপ নিতে হবে।
তিনি জানান, মাদরাসার অপকর্ম রোধে করণীয় নিয়ে তিনি ৩০ জনেরও বেশি শীর্ষ আলেমের কাছে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা পাঠিয়েছিলেন এবং পরবর্তীতে তা জনসচেতনতার জন্য প্রকাশ্যে তুলে ধরেন।
বোর্ড বা প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্বে না থাকায় লেখা ও সচেতনতা তৈরির বাইরে তার কোনো দাপ্তরিক ক্ষমতা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, আবাসিক মাদরাসাগুলো লাখ লাখ এতিম-অসহায় শিক্ষার্থীর আশ্রয়স্থল ও দ্বীনি শিক্ষার মূল কেন্দ্র। এই কেন্দ্রগুলোর মর্যাদা ও জনআস্থা ধরে রাখতে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড এবং শীর্ষস্থানীয় আলেমদের সর্বশক্তি নিয়োগ করে পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায় ইতিহাসের দায় তাদেরকেই নিতে হবে।
অপরাধীদের রক্ষার চেষ্টার কড়া সমালোচনা করে তিনি লেখেন, এত কিছুর পরও যদি কোনো প্রতিষ্ঠান শিক্ষক নামের কতিপয় অপরাধীকে বাঁচানোর চেষ্টা করে, সমাধানের পথে না গিয়ে সত্য আড়াল করে, তবে এই লুকোচুরি মাদরাসার জন্য চূড়ান্ত ক্ষতি ডেকে আনবে। তখন আফসোস ছাড়া আর কিছু করার থাকবে না।
টঙ্গীতে ঘটে যাওয়া এক ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বিচারহীন ক্ষোভ ও আইন নিজের হাতে নেওয়ার প্রবণতা সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, অপরাধ প্রমাণের আগেই যদি শিক্ষকের ওপর চড়াও হওয়া হয় এবং পরবর্তীতে তদন্তে তা মিথ্যা প্রমাণিত হয়, তবে ওই শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানের যে সম্মানহানি ও অপূরণীয় ক্ষতি হয়, তা কীভাবে পূরণ হবে?
তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ধর্ম অবমাননাসহ কোনো ইস্যুতেই ইসলাম আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অনুমতি দেয় না। তাই মাদরাসা বা যে কোনো জায়গায় সংঘটিত অনাচারের বিরুদ্ধে সরব থাকার পাশাপাশি আমাদের ক্ষণিকের ক্রোধ যেন অন্যের অপূরণীয় ক্ষতির কারণ না হয়, সে বিষয়েও সজাগ থাকতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ আফ্রিকার পেস বোলিং আক্রমণভাগে এসেছে একটি বড় ধাক্কা। টেস্ট ক্রিকেটে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ফিরে আসলেও, চোটের কারণে আবারও সমস্যায় পড়লেন আনরিখ নর্কিয়া। কুঁচকির চোটের কারণে চলমান তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে তিনি অংশ নিতে পারবেন না।
সেন্ট জর্জ’স পার্কে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের চতুর্থ দিনে বোলিং করার সময় বিপত্তি ঘটে। নিজের চতুর্থ ওভারের মাঝপথে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন নর্কিয়া। এরপর মাঠে ফিরতে না পারার কারণে, ম্যাচের বাকি সময়টা তিনি ড্রেসিংরুমেই কাটান। স্ক্যান ও পরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া গেছে, সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে তাকে পাওয়া যাবে না।
প্রায় সাড়ে তিন বছরের দীর্ঘ বিরতি শেষে, ডারবানে সিরিজের প্রথম টেস্ট দিয়ে লাল বলের ক্রিকেটে ফিরেছিলেন নর্কিয়া। প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে তিনি দুর্দান্ত বোলিং করে দুই ইনিংসে ৪ উইকেট শিকার করেছিলেন। তবে দীর্ঘ সময় পর টেস্ট ক্রিকেটে ফিরে টানা ম্যাচ খেলার বিষয়টি তার শরীরের জন্য কতটা ঝুঁকিপূর্ণ ছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক টেম্বা বাভুমাও ম্যাচ শেষে স্বীকার করেছেন যে, নর্কিয়াকে টানা দুই ম্যাচ খেলানোর সিদ্ধান্তটি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। শেষ পর্যন্ত সেই ঝুঁকির চড়া মূল্য গুনতে হলো প্রোটিয়াদের।
নর্কিয়ার চোট নিয়ে কিছুটা স্বস্তির খবর এসেছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, প্রাথমিক আশঙ্কার চেয়ে ইনজুরিটি কিছুটা কম গুরুতর। তবে পুরোপুরি ফিট হয়ে মাঠে ফিরতে তার কত দিন লাগবে, সে বিষয়ে এখনো সুনির্দিষ্ট কিছু জানানো হয়নি।
এদিকে, আগামী মঙ্গলবার থেকে শুরু হতে যাওয়া সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্টটি দুদলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম দুই ম্যাচ শেষে সিরিজে ১-১ সমতা বিরাজ করছে, ফলে এই ম্যাচটি সিরিজ নির্ধারণী ফাইনালে পরিণত হয়েছে।
নর্কিয়ার অনুপস্থিতিতে শেষ টেস্টের একাদশে পেস আক্রমণে জায়গা পাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন জেরাল্ড কোয়েৎজি, অলরাউন্ডার করবিন বশ ও ডেন প্যাটারসন। এছাড়া কন্ডিশন এবং ম্যাচের কৌশল অনুযায়ী বিকল্প হিসেবে বাঁহাতি স্পিনার সেনুরান মুথুস্বামীকে নিয়েও ভাবছে টিম ম্যানেজমেন্ট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ